Mymuna

Mymuna

Share

It's is all about cooking. All the recipes I know will be shared here.All updates will be available on this page

31/05/2026

মোমো বানাই , সবচেয়ে সহজ ভাবে । যে কেও বাসায় বানিয়ে নিয়ে ডিপ ফ্রিজ এ স্টোর করতে পারবেন 😍

28/05/2026

ঈদ এর দুপুর 🕛
১/পোলাও
২/মস্তক ভাজি
৩/বিফ কোরমা
৪/অনলি সলিট মাংসের ভুনা
৫/কলিজা ভুনা
৬/সলিট মাংস এন্ড হার সহ আরেকটা পাতিল চুলায় ছিলো । ওইটার কুকিং প্রসেসিং চলে । আলহামদুল্লিল্লাহ ঈদ শেষ 🥰🥰

28/05/2026

ঈদ এর সকাল এর নাস্তা 🥰 সবাই কে ঈদ মোবারক

27/05/2026

ইদানীং অনলাইন শপিং করতে ভালোই লাগে । সংসার এর জন্যে কিছু কিউট কিউট জিনিস অর্ডার করলাম ।

20/05/2026

আর কদিন পর ৩ বেলা একি আইটেম দিয়ে খাওয়ার টাইম আসতেসে ।
যখনই কোরবানি ঈদ চলে আসে তখনই ছোটবেলার ঈদের কথা আমার প্রচুর মনে পড়ে 😢এবং আমার খুব কষ্ট লাগে । কারণ এখন হাজার কাঁদলেও ওরকম ঈদ আর ফিরে পাবো না।
ছোটবেলায় যখন কুরবানী হতো তখন গরুর তিন ভাগ হওয়ার পর ,যেমন আত্মীয় স্বজনের ভাগ ,গরিবের ভাগ ,আর নিজেদের ভাগ হয়ে যাওয়ার পর , নিজেদের ভাগটা পুরাটাই আমাদের বাসায় রান্না করে ফেলা হতো । তখন মাংস ফ্রিজে রাখা হতো না পুরাটা মাংস ঈদের দিনেই রান্না করা হতো।
এখন যেমন কুরবানীর ঈদে একটা বা দুইটা পাতিলের মাংস রান্না করা হয় ।তখন সাত থেকে আটটা পাতিলে মাংস রান্না করা হতো ।এবং সব বাবুর্চিদের পাতিল যে এরকম হয় অনেক বড় বড় পাতিল ,ঐসব পাতিল দিয়ে গরুর মাংস রান্না করা হতো ।এক একটা এক এক ধরনের রান্না।
যেমন ...
১/গরুর কলিজার রান্না আলাদা
২/গরুর ভুরি রান্না আলাদা
৩/ গরুর মগজ ভুনা বা ভাজি
৪/ বড় বড় টুকরার গরুর মাংস ভুনা । এরকম দুইটা পাতিল বসানো হতো।
৫/একটা আলু দিয়ে রান্না করার পাতিল আলাদা
৬/(গরুর মাংস একদম ছোট ছোট করে কেটে আলাদা করে আরেকটা পাতিলে ভুনা করা হতো ,) যেটা ঈদের পরের দিন সকালে চালের রুটি দিয়ে আমরা খেতাম ।ওইটা আম্মার হাতের স্পেশাল রান্না ছিল ।আম্মা সবসময় আমাদের জন্য রুটি পরোটা দিয়ে খাওয়ার জন্য এভাবে রান্না করতো ।
৭/ গরুর পা দিয়ে নেহারি রান্না।

আমাদের একটা রুম শুধু মাংসের পাতিল দিয়েই ভরা থাকতো। ছোটবেলায় কুরবানির ঈদ থাকতো সবসময় শীতকালে একদম ডিসেম্বর মাসে । আমরা একদম পুরা শীত পেতাম মানে , যে কারণে মাংস কখনো নষ্ট হতো না ।প্রতিদিন সকালবেলায় দেখতাম আম্মা বা আমার চাচি বা যারাই ছিল রান্না ঘরের দায়িত্বে (হেল্পিং হ্যান্ড) ,তারা তরকারি একের পর এক গরম করত ।ঘুম থেকে উঠেই গরম করত আবার খাওয়ার সময় গরম করত, এভাবে পালাক্রমে গরম করলে মাংস কখনো নষ্ট হতো না।

এগুলাই ছোটবেলা দেখেছি এবং শিখেছি এবং এখন মনে পড়লে এত ভালো লাগে ।ওই দিনগুলা কতই না সুন্দর ছিল ।এখন ঈদ কেন জানি আমার ঈদেই মনে হয় না ।আমার কাছে ওই রকম আনন্দ ফিল একদমই হয় না ।আমি জানি না এটা আর কোনদিন আসবে কিনা আমার জীবনে।
হয়তো তখন কোন কাজ করা লাগত না ।মা সব মুখের সামনে রেডি করে দিত ,তাই হয়তো বেশি ভালো লাগতো ।এখন সংসারের দায়িত্ব হয়েছে ,অনেক কাজ করা লাগে ,তাই হয়তো আগের মত আর ভালো লাগেনা।
📌 ঈদ এখন আমার কাছে মোটেও আনন্দদায়ক না।
আমার আম্মাকে অনেক মিস করি😢
সবাইকে আগাম ঈদ মোবারক 🐄

16/05/2026

New vlog.. ❤️ হুটহাট প্ল্যান আসলেই ওয়ার্ক করে । বাসা থেকে রান্না করে নিয়ে যখন আমরা বাইরে খেতে যাই 😬😬 বুঝতে হবে বাইরের chef থেকে আমাদের ঘরের chef বেশি ভালো 👍😃 রান্না করে

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Bashundhara
Dhaka
1229