LLB Study Group

LLB Study Group

Share

29/04/2026

নোটিশ || Notice for High Court Division(HCD),,,
হাইকোর্ট ডিভিশন,,,

29/04/2026

🔷🇧🇩 #সুনির্দিষ্ট_প্রতিকার_আইন, ১৮৭৭-এর ২১ ধারা মূলত একটি নেতিবাচক ধারা। এই ধারায় এমন ৮টি পরিস্থিতির কথা বলা হয়েছে, যেখানে আদালত কোনো চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার আদেশ দেবেন না। অর্থাৎ, এই শর্তগুলোর মধ্যে আপনার চুক্তিটি পড়লে আপনি অপর পক্ষকে কাজটি করতে বাধ্য করতে পারবেন না।

➡️​নিচে ২১ ধারার সেই ৮টি উপাদান সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা হলো:
#২১ #ধারার_৮টি_উপাদান (যেসব চুক্তি কার্যকর করা যায় না)

🔷​১. আর্থিক ক্ষতিপূরণই যেখানে যথেষ্ট
​যদি কোনো চুক্তি এমন হয় যে, সেটি ভঙ্গ করলে যে ক্ষতি হবে তা টাকা দিয়ে পুষিয়ে দেওয়া সম্ভব, তবে আদালত সেই চুক্তিটি কার্যকর করার আদেশ দেবেন না।
​উদাহরণ: সাধারণ কোনো পণ্য (যেমন: চাল বা ডাল) সরবরাহের চুক্তি। পণ্য না পেলে আপনি বাজার থেকে তা কিনে নিতে পারেন এবং বাড়তি খরচের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারেন।

🔷​২. জটিল ও সূক্ষ্ম বিবরণ সম্বলিত চুক্তি
​চুক্তিটি যদি এতই বড় বা জটিল হয় (যেমন: বহু বছর ধরে চলা কোনো নির্মাণ কাজ) যে আদালতের পক্ষে সবসময় দাঁড়িয়ে থেকে তদারকি করা সম্ভব নয়, তবে আদালত তা কার্যকর করবেন না।
*

🔷​৩. শর্তাবলী অনিশ্চিত হলে
​চুক্তির শর্তগুলো যদি অস্পষ্ট বা অনিশ্চিত হয়, অর্থাৎ চুক্তিতে আসলে কী করতে হবে তা যদি পরিষ্কার না থাকে, তবে আদালত তা কার্যকর করতে পারেন না।
​৪. প্রকৃতিগতভাবেই যা বাতিলযোগ্য
​যে চুক্তিটি এমন যে যেকোনো পক্ষ যেকোনো সময় তা বাতিল করে দিতে পারে (যেমন: অংশীদারি কারবার যেখানে মেয়াদের উল্লেখ নেই), এমন চুক্তিতে আদালত হস্তক্ষেপ করবেন না।

🔷​৫. ব্যক্তিগত যোগ্যতার ওপর নির্ভরশীল চুক্তি
​যেসব কাজে মানুষের ব্যক্তিগত দক্ষতা, মেধা বা শৈল্পিক গুণ প্রয়োজন, সেখানে কাউকে জোর করা যায় না।
​উদাহরণ: ছবি আঁকা, গান গাওয়া, অভিনয় করা বা বিয়ে করার চুক্তি।

🔷​৬. জিম্মাদার (Trustee) কর্তৃক ক্ষমতার লঙ্ঘন
​কোনো ট্রাস্টি বা জিম্মাদার যদি তার আইনি ক্ষমতার বাইরে গিয়ে কোনো চুক্তি করেন বা তার দায়িত্ব পালনে অবহেলা করে কোনো চুক্তি করেন, তবে তা কার্যকর হবে না।

🔷​৭. আইনি ক্ষমতার বাইরে করা চুক্তি
​কোনো সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা (যেমন: সিটি কর্পোরেশন) যদি এমন কোনো চুক্তি করে যা তাদের আইনি ক্ষমতার (Ultra Vires) বাইরে, তবে সেই চুক্তি বলবৎ করা যায় না।

🔷​৮. তিন বছর ধরে কাজ বাকি থাকলে (ধারা ২১-এর চ অংশ)
​যদি কোনো চুক্তির বিষয়বস্তু এমন হয় যে সেটি সম্পন্ন করতে একটানা তিন বছরের বেশি সময় ধরে কাজ তদারকি করতে হবে, তবে আদালত সেই দায়িত্ব নেবেন না।

🔷➡️​২১ ধারার প্রতিকার ও প্রভাব
​যদি আপনার চুক্তিটি উপরের ৮টি উপাদানের মধ্যে পড়ে যায়, তবে আপনি সুনির্দিষ্ট কার্যকারিতার (Specific Performance) প্রতিকার পাবেন না। সেক্ষেত্রে আপনার প্রতিকারগুলো হতে পারে:
​ক্ষতিপূরণ (Compensation): আপনি দেওয়ানি কার্যবিধির অধীনে চুক্তি ভঙ্গের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করতে পারেন।
​চুক্তি রদ (Rescission): আপনি চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করার জন্য আদালতের কাছে আবেদন করতে পারেন।

➡️🔷🇧🇩​বিশেষ নোট: ২১ ধারা মূলত আদালতের সীমাবদ্ধতা নির্দেশ করে। আদালত চায় না এমন কোনো আদেশ দিতে যা বাস্তবে বাস্তবায়ন করা অসম্ভব বা যার পেছনে আদালতকে বছরের পর বছর সময় ব্যয় করতে হবে।

Collected post, Adv Al Nahid

28/04/2026
Join our Cloud HD Video Meeting 22/04/2026

Please join now bar council open class

Join our Cloud HD Video Meeting Zoom is the leader in modern enterprise cloud communications.

Want your practice to be the top-listed Law Practice in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka
1216