MD Riajul Islam

MD Riajul Islam

Share

26/06/2025

শিক্ষণীয় গল্প: হাতুড়ি ও সুচ

একদিন এক কারখানার কোণে দেখা হলো হাতুড়ি আর সুচ-এর।

হাতুড়ি ছিল শক্তপোক্ত, ভারী ও গর্জনধারী। গর্ব ভরে সে বলল—
“আমি পেরেক ঠুকি, কাঠ ভাঙি, ধাতু গুঁড়িয়ে ফেলি!
আমার মতো শক্তিশালী আর কেউ আছে নাকি?”

সুচ হালকা হেসে বলল—
“তোমার শক্তির কথা অস্বীকার করছি না।
কিন্তু এমন কিছু কাজ আছে, যেখানে তোমার আঘাত নয়, আমার কোমল স্পর্শ দরকার হয়।”

হাতুড়ি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল—
“তুমি আবার কী এমন করো, যেটা আমি পারি না?”

সুচ তখন তাকে নিয়ে গেল এক দর্জির দোকানে।
সেখানে একজন দর্জি সুচ ও সুতার সাহায্যে কাপড়ের ছেঁড়া জায়গা সুন্দরভাবে জোড়া লাগাচ্ছেন।
একটুও কষ্ট বা ক্ষতি হচ্ছে না, বরং কাপড় নতুনের মতো দেখাচ্ছে।

এই দৃশ্য দেখে হাতুড়ি চুপ করে গেল।
সে বুঝতে পারল, শুধু জোরে আঘাত করলেই সব সমস্যার সমাধান হয় না।
অনেক সময় ধৈর্য, সূক্ষ্মতা আর যত্ন বেশি দরকার হয়।

তখন সুচ বলল—
“দেখো বন্ধু, আমরা কেউ কারো চেয়ে বড় নই।
তুমি কাঠে পেরেক ঠুকে ঘর তৈরি করো, আর আমি জামা জুড়ে মানুষকে পরার উপযোগী করি।
আমরা আলাদা কাজে দক্ষ, তাই উভয়েরই গুরুত্ব আছে।”

---

গল্পের শিক্ষা:

জীবনে কেউ বড়, কেউ ছোট মনে হলেও, প্রত্যেকেই নিজ নিজ কাজে গুরুত্বপূর্ণ।
শক্তি দিয়ে যেমন বিশাল কাজ হয়, তেমনি সূক্ষ্মতায়ও আসে নিখুঁত সমাধান।
তাই সবাইকে সম্মান করা উচিত—কারণ সবারই নিজস্ব মূল্য আছে।

26/06/2025

"বাবা, আমি মানুষের মাংস খেতে চাই!"
একটি ছোট শকুন তার বাবাকে বলে বসলো।

বাবা শকুন বলল, "ঠিক আছে, সন্ধ্যার পর নিয়ে আসব।"

সন্ধ্যা হলে সে উড়ে গিয়ে এক টুকরো শুকরের মাংস এনে বাসায় রাখল।

ছানা বলল, "এটা তো শুকরের মাংস! আমি তো মানুষের মাংস চাই!"

বাবা শকুন হেসে বলল, "আচ্ছা ঠিক আছে, আরেকটু অপেক্ষা করো।"

পরে আবার সে উড়াল দিল, এবার এক মৃত গরুর মাংস এনে ছানার সামনে রাখল।

ছানা বিরক্ত হয়ে বলল, "আবার ভুল! এটা তো গরুর মাংস! মানুষের মাংস কোথায়?"

বুঝেশুনে এবার শকুন দু’টি মাংসের টুকরো মুখে করে উড়ে গেল। একটি টুকরো কে একটি মসজিদের পাশে এবং অন্য টুকরো কে একটি মন্দিরের পাশে ফেলে দিয়ে চলে এল।

কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হলো বিশৃঙ্খলা। মানুষ ধর্মীয় উত্তেজনায় এমনভাবে লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ল যে, শত শত মানুষ প্রাণ হারাল।

গাছে বসে বাবা-ছেলে শকুন নেমে এলো। এবার তারা সত্যিকারের মানুষের মাংস খেতে লাগল।

ছানা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, "বাবা, এত মানুষের মৃতদেহ কোথা থেকে এলো?"

বাবা শকুন শান্তভাবে উত্তর দিল, "মানুষ নিজেদেরকে ‘সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব’ বলে দাবি করে, কিন্তু ধর্ম আর রাজনীতির নামে তাদের ব্যবহার করানো সবচেয়ে সহজ। তারা নিজেরাই নিজেদের ধ্বংস করে দেয়।"

ছানা বলল, "ধর্মকেই ব্যবহার করলে কেন? রাজনীতি করলেই তো হতো!"

বাবা হেসে বলল, "রাজনীতি সময় নেয়, ধীরে ধীরে আগুন ছড়ায়। কিন্তু ধর্ম? সেটা আবেগের জায়গা—এক চিমটি ছিটালেই বিস্ফোরণ ঘটে! তুমি তো আজই খেতে চেয়েছিলে, তাই তাড়াতাড়ি কাজ সেরে ফেললাম।"

ছানা বলল, "তুমি তো খুব চালাক বাবা!"

বাবা বলল, "আমি কিছুই না, আমি তো শুধু মানুষের কাছ থেকেই শিখেছি। যখন এরা সরাসরি ক্ষতি করতে পারে না, তখন ধর্ম বা রাজনীতিকেই অস্ত্র বানায়!"
Collected

14/06/2025

আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, মৃত ব্যক্তিকে দাফন করার পর কবরে তালক্বীন করা সুন্নত। তালক্বীন করার কয়েকটি নিয়ম রয়েছে।হযরত আবু উমামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন- আখেরী রসূল হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন-“যখন তোমাদের কোন মুসলমান ভাই ইন্তেকাল করবে তখন তাকে কবরে রেখে তার উপর ভালভাবে মাটি দিয়ে অর্থাৎ দাফন করে তার মাথার নিকট দাঁড়িয়ে বলবে- “হে অমুকের সন্তান অমুক” তখন মৃত ব্যক্তি ইহা শুনবে কিন্তু কোন জবাব দিবেনা। তারপর বলবে- “হে অমুকের সন্তান অমুক” ইহা শুনে মৃত ব্যক্তি উঠে বসবে। অতঃপর আবার বলবে- “হে অমুকের সন্তান অমুক” ইহা শুনে মৃত ব্যক্তি বলবে কি বলছেন? (যদিও তার কথা শুনা যাবেনা) তখন তোমরা বলবে তুমি এই সময় বলো দুনিয়ায় থাকাকালীন অবস্থায় তুমি যার উপর কায়েম ছিলে) অর্থাৎ আল্লাহ্ পাক ব্যতীত অন্য কোন মাবুদ নাই, তিনিই একমাত্র প্রতিপালক। ইসলাম তোমার দ্বীন, হযরত মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তোমার নবী, কোরআন শরীফ তোমার পথ প্রদর্শক।এসময় মুনকার এবং নাকীর একে অপরের হাত ধরে বলবে- এখান হতে চল, এর নিকট বসে কি করব? একেতো আখেরাতের দলীল শিখিয়ে দেয়া হচ্ছে।অতঃপর আল্লাহ্ পাক তার এই কথাগুলো লিখে নেন। অমুকের পুত্র অমুকের স্থলে মৃত ব্যক্তি ও তার মাতার নাম উল্লেখ করবে।এক ব্যক্তি উঠে জিজাসা করল- ইয়া রসূলাল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যদি তার মাতার নাম জানা না থাকে তখনু উপায় কি? হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উত্তর দিলেন- তাহলে হযরত হাওয়া আলাইহাস সালাম-এর নাম উল্লেখ করে বলবে- হে হযরত হাওয়া আলাইহাস সালামএর পুত্র অমুক।আর কোন কোন বর্ণনায় রয়েছে মাইয়্যেতকে দাফন করার পর উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ থেকে একজন প্রশ্ন করবে, من ربك.উচ্চারণঃ মার রাব্বুকা?অন্যান্য সকলেই বলবে- ربى الله.উচ্চারণঃ রব্বিইয়াল্লাহু।এরপর বলবে- ومن نبيك.উচ্চারণঃ ওয়া মান নাবিয়্যুকা?অন্যান্য সকলেই বলবে,ونبى محمد صلى الله عليه وسلمউচ্চারণঃ নাবিয়্যী মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। অতঃপর বলবে, وما دينك.উচ্চারণঃ ওয়ামা দ্বীনুকা?সকলেই বলবে, دينى الاسلام.উচ্চারণঃ দ্বীনিয়্যাল ইসলাম।হাদীস শরীফে রয়েছে, যখন মৃত ব্যক্তির উদ্দেশ্যে কবরে তালক্বীন দেয়া হয় তখন মুনকার ও নকীর ফেরেশতাদ্বয় পরস্পর পরস্পরের হাতে ধরে বলেন যে, তাকে প্রশ্ন করে কি হবে, তাকে তো সব শিখিয়ে দেয়া হয়েছে। চল আমরা চলে যাই। অর্থাৎ তালক্বীনের কারণে সে সুওয়াল-জাওয়াব থেকে নিস্কৃতি ও নাযাত পায়। (সুবহানাল্লাহ্)( দলীলসমূহঃ- ত্বাষ্কানী মুজামুল কবীর, বুলুগুল মারাম, ফিকাহুস সুনান, কবীরি, নূরুচ্ছুদুর, আরকানে আরবায়া, ফতওয়ায়ে রশিদীয়া, ইত্যাদি।) ©

12/06/2025

ইসলামিক পদ্ধতিতে গরু জবাইয়ের সময় গরু ব্যাথা অনুভব করে কি না এ নিয়ে একটা পরীক্ষা করা হয়েছিলো। গরু জবাইয়ের সময়ে 'EEG' পরীক্ষা করে গরুর মস্তিষ্ক এবং 'ECG' করে গরুর হার্ট দেখা হয়।
পরীক্ষায় দেখা যায়, জবাইয়ের প্রথম ৩ সেকেন্ডে 'EEG' গ্রাফে কোনো পরিবর্তন দেখা যায় না, অর্থাৎ গরু কোনো ব্যাথা পায় না। পরের ৩ সেকেন্ডের 'EEG' রেকর্ডে দেখা যায়, গরু গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকার মতো অচেতন হয়ে থাকে, শরীর হতে প্রচুর রক্ত বের হয়ে যাওয়ায় ব্রেইনে রক্ত সরবরাহ হয় না বলে এই অচেতন অবস্থা হয়। এই প্রথম ৬ সেকেন্ড পরে 'EEG' গ্রাফে 'Zero level' দেখাচ্ছিলো, তার মানে গরু কোনো ব্যাথা পাচ্ছিলো না। গরুর যে খিচুনি আমরা দেখি সেটা 'Spinal cord' এর একটি 'Reflex Reaction', এটা মোটেও ব্যাথার জন্য হয় না।

~~~সুবহানাল্লাহ..!
আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এমন ভাবে সবকিছু সৃষ্টি করে দিয়েছেন, যা অত্যন্ত নিখুঁত। যারা ভাবেন যে পশু জবাইয়ের মাধ্যমে মুসলমানরা পশুকে কষ্ট দিচ্ছে তারা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের এই রহমতের কথা জানতে পারলে সত্যিই অবাক হবে।
ভাই কিছু বুঝলেন? এইটাই আল্লাহ তায়ালার কুদরত সেজদায় মাথাটা আল্লাহ তায়ালার সামনে আরো একবার নত হয়ে গেলো।
[ বিঃদ্রঃ- এই পরীক্ষাটি করেন জার্মানির হ্যানোভার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর শুলজ এবং ডক্টর হাজিম। ]
" উপরের খবরটি নেটে প্রচুর ঘুরছে। তবে এটার সপক্ষে কোনো বিজ্ঞানভিত্তিক প্রমান পাওয়া যায়নি।

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Road 3/F, Sector : 09
Dhaka
1230