Never mind
বিএনপির দাবির সাথে আমি নিজেও একমত।
অবশ্যই নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই নির্বাচন হওয়া উচিত। এমন কারো সরকারে থাকা উচিত না যাদের কোন দলের সাথে সম্পৃক্ততা আছে।
তাহলে সর্বপ্রথম যে মানুষটাকে বাদ দিতে হবে, তিনি হলেন এটর্নি জেনারেল। বাংলাদেশের আইনের প্রধান অভিভাবক। আপনারা হয়তো জানেন না, বাংলাদেশের বর্তমানে যে আইনের অভিভাবক, তিনি বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ একজন পোস্টেড নেতা ছিলেন।
নাহিদ ইসলাম আইসিটির মন্ত্রী থাকলে যদি নির্বাচন সুষ্ঠু না হয়, তাহলে একটা রাজনৈতিক দলের নেতা আইনের অভিভাবক থাকলে নির্বাচন কেমনে সুষ্ঠু হবে?
ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, শিক্ষা উপদেষ্টার অন্তর্ভুক্তি ছিলো বিএনপির রিকমেন্ডশনে। উনিও তো নিরপেক্ষ না।
৫ আগস্টের পর বাংলাদেশের বেশিরভাগ প্রশাসন আওয়ামীলীগ মুক্ত করা হয়। বাট রিপ্লেস কাদের দিয়ে করা হয়েছে? বিএনপি আর জামায়াত পন্থীদের দিয়ে। এখানে নিরপেক্ষ খোঁজা হয়নি। জাস্ট প্রশাসনে থাকা বিএনপির বড় বড় নেতারাই প্রশাসনের লিডিং পজিশন হোল্ড করে ফেলেছে।
এই প্রশাসন কেমনে নিরপেক্ষ? নাহিদ, আসিফের সাথে সাথে নির্বাচনের আগে সমস্ত প্রশাসন বিএনপি জামায়াত মুক্ত করা হোক।
৫ আগস্টের বিপ্লব ছিলো ছাত্র জনতার বিপ্লব। অথচ এই বিপ্লবের পরের প্রসেসগুলোতে ছাত্ররা না, সব পজিশন হোল্ড করে ফেললো রাজনৈতিক দলগুলো।ছাত্রদের কেউই নিয়োগ পায়নি। কেন? কারণ প্রশাসনে বিএনপিপন্থী লোকজন আছে, আওয়ামীলীগ পন্থী আছে, জামায়াতপন্থী আছে, অথচ ছাত্রদের পন্থী কেউই নাই।
ফলাফল? আমি বেশ কিছু আহত লোকজনের কথা জানি, যাদের মেডিকেল ফির কাগজে সচিবরা সাইন পর্যন্ত করেন নাই। নাহিদ ইসলাম নিজে যতটুকু পারছে, দিছে অল্প। ঐটা ফেসবুকে আসছেও।
চিন্তা করেন, নাহিদ, আসিফ আর মাহফুজ মন্ত্রী থাকা অবস্থাতেই ওদের কথা কেউ শুনে না। ছাত্রদের চিকিৎসার বিলে সচিবরা সই করছে না। তাহলে ওরা না থাকলে কী হতো?
সো, আমি পার্সোনালি চাই, নিরপেক্ষ সরকারের আলাপই যদি আসে, তাহলে সরকারের সবচে গুরুত্বপূর্ণ অংশ প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করা হোক। ভোটচুরি করে সচিব আর পুলিশ মিলে কী করতে পারে, সেইটা ২০১৮ তে আমরা দেখছি না?
আওয়ামীলীগপন্থী প্রশাসন যদি ফেয়ার ইলেকশন না করতে পারে, তাহলে বিএনপি জামায়াতপন্থী প্রশাসন ফেয়ার ইলেকশন কেমনে করবে?
নিরপেক্ষতার আলাপ যদি আসেই, বিএনপির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদককে সরাইয়া আইন বিভাগ নিরপেক্ষ করা হোক। বিএনপি জামায়াতপন্থী সকল সচিব, পুলিশসহ সমস্ত প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করা হোক।
তারচেয়েও বড় কথা, স্বয়ং নির্বাচন কমিশনার, তিনিও বিএনপির রিকমেন্ডেশন। ছাত্রদের রিকমন্ডেশন যদি নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথে বাঁধা হয়, তাহলে রাজনৈতিক দলের রিকমন্ডেশন কেন বাধা হবে না?
সরকারের সবচে গুরুত্বপূর্ণ দুইটা বিভাগ, আইন আর প্রশাসন রাজনৈতিক দলগুলোর হাতে রেখে দিয়ে নিরপেক্ষতার নাম করে ছাত্রদের মাত্র তিনজন প্রতিনিধিকেও সরকারের কাছে সরিয়ে দেওয়া হলে, সেইটা হবে অরাজনৈতিক জুলাই বিপ্লবের স্পিরিটের সাথে এই দেশের রাজনীতিবিদদের করা সবচে বড় প্রতারণা!!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Culinary Team
Attire
Website
Address
Dhaka