M. Rakibul Islam Rajib

M. Rakibul Islam Rajib

Share

05/01/2026

#নার্স নিয়োগ
ংখ্যা_৫০
#বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট
#আবেদনের সময়সীমা: ২০/০১/২০২৬

21/12/2025

#জন্মের_পর_কে ওয়ান(K-One) ইঞ্জেকশন
#দেওয়া_জরুরি_কেন?

শিশুর জন্মের পর প্রথম কয়েক দিনের মধ্যে হঠাৎ শরীরের যেকোনো স্থান দিয়ে রক্তক্ষরণ হতে পারে।সাধারণত রক্তক্ষরণ ছাড়া শিশুর অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা থাকে না।এটিকে বলে হেমোরেজিক ডিজিজ অব নিউবর্ন (নবজাতকের রক্তক্ষরণ)।
শরীরে ভিটামিন 'কে'-এর অভাবে এ রোগ দেখা দেয়।

#যেসব_রক্তক্ষরণ_হতে পারে-

নানা কারণে জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে,দ্বিতীয় দিন থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে বা পরে রক্তক্ষরণ হতে পারে।

◑এ সময় নাভি দিয়ে,

◑পায়খানার সঙ্গে,

◑নাক দিয়ে রক্তপাত হতে দেখা যায়।

◑অনেক সময় চামড়ার নিচে রক্তপাতের কারণে লাল লাল দাগ দেখা দিতে পারে।

◑এ ছাড়া বিপজ্জনক হলো মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ।

#কে_ওয়ান_ব্যবহারে_যা_হয়-

নবজাতকের এই রক্তক্ষরণ প্রতিরোধে সহজ একটি চিকিৎসা পদ্ধতি হলো ভিটামিন 'কে' ইনজেকশন প্রয়োগ।
জন্মের পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এ ইনজেকশন দিতে হয়। ইনজেকশন মাংসপেশিতে একবার প্রয়োগ করলেই যথেষ্ট। তবে মুখে খাওয়ালে তিন ডোজ নিতে হবে।
প্রথম ডোজ নিতে হবে জন্মের চার ঘণ্টার মধ্যে।দ্বিতীয় ডোজ চতুর্থ দিনে এবং তৃতীয় ডোজ ২৮তম দিনে।

ইনজেকশন নেওয়ার পরও রক্তক্ষরণের কোনো লক্ষণ দেখা দিলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

এছাড়াও ভিটামিন "কে" শিশুর হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।এটি হাড়ের ফ্র্যাকচার কমাতে সাহায্য করে।ভিটামিন-কে শিশুর হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। ভিটামিন-কে কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ ও হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে সাহায্য করে।

সর্বোপরি বলব,ভিটামিন "কে" নবজাতকের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

#সংগৃহীত

21/12/2025
30/10/2021

সফর অবস্থায় সালাত আদায় এবং গাড়ির মধ্যে তা আদায় করার পদ্ধতি
▰▰▰▰▰▰▰▰▰▰▰▰▰
প্রশ্ন: ক. গাড়িতে বসে কিভাবে সালাত আদায় করতে হয়?
খ. সফর অবস্থায় নামাযের পদ্ধতি কি?
গ. যদি ওযু না থাকে এবং গাড়ি থেকে নেমে ওযু করা সম্ভব না হয় বা তায়াম্মুম করারও সুযোগ না পাওয়া যায় তাহলে কিভাবে সালাত আদায় করব?
ঘ. কিবালার দিকে ফিরে সালাত আদায় করা সম্ভব না হলে কিভাবে সালাত আদায় করব?

উত্তর:

🔹ক. গাড়িতে বসে সালাত আদায়ের পদ্ধতি:

যদি সালাতের সময় শেষ হওয়ার পূর্বে গাড়ি থেকে নামার সুযোগ পাওয়া যায় তাহলে গাড়ি থেকে নেমেই সালাত আদায় করতে হবে। কিন্তু যদি গাড়ি থেকে নেমে সালাত আদায়ের সুযোগ না থাকে এবং এ অবস্থায় সালাতের সময় অতিবাহিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে তাহলে গাড়ির মাধ্যেই সালাত আদায় করতে হবে।

এর পদ্ধতি হল, গাড়ির সিটে বসে কিবলার দিকে মুখ করে সালাত শুরু করার পর ইশারায় রুকু-সেজদা করতে হবে। রুকুর জন্য মাথাটা সামনের দিকে সামান্য ঝুঁকাতে হবে আর সেজদা জন্য তার চেয়ে একটু বেশি ঝুাকাতে হবে। কিবলার দিকে মুখ করে শুরু করার পর গাড়ি অন্য দিকে ঘুরলেও সমস্যা নেই। এতে সালাতের কোন ক্ষতি হবে না ইনশাআল্লাহ।

উল্লেখ্য যে, উক্ত পদ্ধতিতে কেউ ইচ্ছে করলে, গাড়িতে বসে যতখুশি নফল সালাত আদায় করতে পারে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সফরে চলতি পথে বাহনে বসে নফল সালাত আদায় করতেন কিন্তু ফরজ সালাতগুলো বাহন থেকে নেমে মাটিতে নেমে আদায় করতেন। তাই যথাসম্ভব ফরয নামাযগুলো গাড়ি থেকে নেমে পড়ার চেষ্টা করতে হবে। কিন্তু কোন কারণে নামা সম্ভব না হলে গাড়িতে আদায় করা যাবে ইনশাআল্লাহ।

🔹 খ. সফর অবস্থায় দু ওয়াক্তের নামায একত্রিত করে পড়া জায়েজ আছে:

দূরে সফর কালীন সময় যোহর, আসর, মাগরিব ও ইশার সালাতকে যেমন যথাসময়ে আদায় করা জায়েজ অনুরূপভাবে যোহর+আসর এবং মাগরিব+ইশাকে একত্রিত করে অগ্রিম বা পিছিয়ে আদায় করা জায়েজ রয়েছে। অর্থাৎ যোহরের সময় প্রথমে যোহরের দু রাকআত ফরয কসর করা তারপর আসরের দু রাকআত কসর সালাত অগ্রিম পড়া।
অথবা যোহরের সময় যোহরের সালাত না পড়ে -তা পিছিয়ে আসরের সময় প্রথমে যোহরের দু রাকআত কসর পড়া তারপর আসরের দু রাকআত সালাত কসর পড়া।
অনুরূপভাবে মাগরিবের সময় প্রথমে মাগরিবের ৩ রাকআত আদায় করা তারপর ইশার দু রাকআত সালাত অগ্রিম পড়া
অথবা মাগরিবকে পিছিয়ে ইশার সময় প্রথমে মাগরিবের ৩ রাকআত আদায় করা অত:পর ইশার দু রাকআত ফরয সালাত কসর পড়া।
কিন্তু ফজর সালাতকে যোহরের সাথে অথবা আসরকে মাগরিবের সাথে অথবা ইশাকে ফজরের সাথে একত্রিত করা বৈধ নয়।

🔹গ. সফর অবস্থায় চার রাকআত বিশিষ্ট ফরয সালাতগুলো কসর তথা দু রাকআত করে পড়া এবং সুন্নত সালাতগুলো না পড়াই সুন্নত:

সফরের ক্ষেত্রে চার রাকআত বিশিষ্ট ফরয সালাত (যেমন যোহর, আসর ও ইশার সালাত) দু রাকআত দু রাকআত করে কসর করা আর অন্যগুলোতে কসর না করা অর্থাৎ মাগরিব ও ফজর সালাতে যেভাবে আছে সেভাবেই আদায় করা সুন্নত।

সফরে বিতির ও ফজরের দু রাকআত সুন্নত ছাড়া অন্য ওয়াক্তের সুন্নত নামায না পড়াই রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নত। তবে সুযোগ থাকলে অতিরিক্ত নফল সালাত যত ইচ্ছা পড়া জায়েয রয়েছে।

❖ প্রশ্ন: যদি গাড়ি থেকে নেমে ওযু করার মত সুযোগ না থাকে অথবা তায়াম্মুমের জন্য মাটি পাওয়া না যায় অপরদিকে ওয়াক্ত শেষ পর্যায়ে তাহলে কিভাবে সালাত আদায় করতে হবে?

উত্তর: যদি ওযু বা তায়াম্মুম করা কোনটাই সম্ভব না হয় তাহলে ওযু/তায়াম্মুম ছাড়াই সালাত আদায় করতে হবে। তারপরও নামায পরিত্যাগ করার কোন সুযোগ নাই।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
لَا يُكَلِّفُ اللَّـهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا
“আল্লাহ কারো উপর তার সাধ্যাতীত কোন কাজের দায়িত্ব চাপিয়ে দেন না।” (সূরা বাকারা: ২৮৬)
তিনি আরও বলেন:
فَاتَّقُوا اللَّهَ مَا اسْتَطَعْتُمْ
“অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো যতটুকু তোমাদের সাধ্যের মধ্যে থাকে।” (সূরা তাগাবুন: ১৬)

❖ প্রশ্ন: যদি গাড়িতে কিবলার দিকে ফেরা সম্ভব না হয় তাহলে কিভাবে সালাত আদায় করতে হবে?

উত্তর:
সর্বাত্তক চেষ্টা করতে হবে কিবলার দিকে মুখ করে সালাত শুরু করার। তারপর গাড়ি যদি অন্য দিকে ঘুরে তাহলেও তাতে কোন সমস্যা নেই ইনশাআল্লাহ। কিন্তু চেষ্টা করার পরও যদি ফরয সালাতে কিবালার দিকে মুখ ফেরানো সম্ভব না হয় তাহলেও যে দিকে সম্ভব সে দিকে ফিরে সালাত আদায় করলে তা শুদ্ধ হবে ইনশাআল্লাহ।
এ ক্ষেত্রেও ওযু ও তায়াম্মুম করার সম্ভব না হলে ওযু/তায়াম্মুম ছাড়াই সালাত আদায় করার দলীলগুলো প্রযোজ্য।
আল্লাহু আলাম।
আল্লাহ তাওফিক দান করুন। আমীন।
▰▰▰▰▰▰▰▰▰▰▰▰▰
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল (মাদানী)
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সউদী আরব।

#সফর

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka