Sanjida Riya
06/01/2026
ভাঙ্গা স্বপ্নের গলি ধরে চলি,
বিচারের দাবিতে বুকের আগুনে জ্বলি।
তোমার চোখের দীপ্তি খুঁজেছে আলো,
হাদির সাথে মিলবে সব ভালো মানুষগুলো ।
হুকুমত, তোমার প্রহরা আর চলবে না,
শোষণের গ্রাসে বন্দী, আমরা আর হবো না।
এ বাংলার মাটি, এই নীড়ের আকাশ, বিপ্লবের ঢেউ ঝলসে জাগায় বুক ভরা আশা।
-Sanjida Riya
19/07/2025
কবরের পাশে বসে থাকা মেয়েটি আর কেউ নয়- সে আমার একমাত্র বোন, খাদিজা আক্তার (হুমায়রা)।
গত ৪ জুলাই আমার বোনের স্বামী এক সড়ক দুর্ঘটনায় ইন্তেকাল করেন। তিনি জামায়াতে ইসলামীর একটি থানার সেক্রেটারি ছিলেন। দুর্ঘটনার দিন তিনি নিজের থানার এক রুকন ভাইকে রক্ষা করতে গিয়ে নিজেই প্রাণ হারান।
আমার বোন তার এই মৃত্যু কিছুতেই মেনে নিতে পারছিল না। স্বামীর মৃত্যুসংবাদ শুনে সে আট ঘণ্টার বেশি সময় অচেতন ছিল। দাফনের পরদিন সন্ধ্যায় কাউকে না জানিয়ে, গোপনে কবরে চলে যায়। স্বামীর কবরের সমস্ত মাটি সরিয়ে, মৃতদেহ উঠিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরে সে কান্নাকাটি করতে করতে ভেঙে পড়ে। এলাকাবাসী কান্নার আওয়াজ শুনে দৌড়ে গিয়ে এই হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখতে পান। আমরা খবর পেয়ে গিয়ে বোনকে জোর পূর্বক নিয়ে আসি, আবার ইমামকে ডেকে এনে দাফনের ব্যবস্থা করি। এরপর থেকে বোনকে সর্বক্ষণ চোখে চোখে রাখি। প্রতিদিন ফজরের পর তাকে নিয়ে যাই স্বামীর কবর জিয়ারতে, যেখানে সে ইচ্ছেমতো কান্না করে, দোয়া করে।
কিন্তু ওই দিন কবর থেকে ফিরে আসার পর থেকে আজ পর্যন্ত বোন আমাদের সঙ্গে আর একটা কথাও বলেনি।
সে শুধু নামাজ পড়ে সিজদায় দু'হাত তুলে একটি দোয়া করত "হে আল্লাহ, আমি আত্মহত্যা করতে চাই না, কিন্তু আমি আমার স্বামীকে ছাড়া থাকতে পারছি না। আপনি যদি সত্যিই রহমান হন, আমাকে আমার স্বামীর কাছে নিয়ে যান।"
আজ ভোর ৫:১৫ সেই সিজদার মধ্যেই আল্লাহ তাঁর দোয়া কবুল করেছেন। আমার বোন চলে গেছেন রবের জিম্মায়।
এই মৃত্যু আমাদের পরিবারের জন্য এক অপূরণীয় শোক, অসহনীয় শূন্যতা। আমার বোন একজন আদর্শ স্ত্রী ছিলেন।
স্বামী বাসায় না ফিরা পর্যন্ত কখনো একগ্রাস খাবার মুখে তোলেনি। স্বামীর অনুমতি ছাড়া কোনো কাজ করত না।
কোনো পুরুষের সঙ্গে দেখা বা কথাও বলত না।
আজ রাত ১১:৩০টায় বোনের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করব, ঢাকার সমাবেশ শেষে আমি নিজে উপস্থিত থাকব ইনশাআল্লাহ।
আমার প্রিয় বোনের জন্য সবাই দোয়া করবেন।
বিঃদ্রঃ তার হৃদয়াবেগ ব্যাথা,আর পরপারে পাড়ি জমানো তো এই বুঝায়..
যে স্বামী নামক মানুষটা তার কাছে কি ছিলো।
নিঃসন্দেহে স্বামীও স্ত্রীর সন্তোষভাজ সার্টিফিকেট অর্জন করেছেন।
আল্লাহ দুজনকে সেই সু-সজ্য জান্নাতে মিলিত করুন।
আমিন🥀 ©
26/06/2025
পরিবারের বিশ্রী পলিটিক্সের স্বীকার হচ্ছেন?
পৃথিবীতে সবচেয়ে বেসি মাইন্ড গেইম খেলা করেন বাবা মায়েরা।অথচ এই সমাজ সর্বদা সন্তান কে অপরাধী বানায়। বাবা মায়ের বয়স হয়েছে মানে উনারা যেটা বলবেন বা করবেন সেটাই ১০০% সত্য।তারাও ভুল করেন বা করতে পারেন এটা মানতে চাইনা।সাইলেন্ট ট্রিটমেন্ট , ভার্বাল এ্যাবইউজমেন্ট বাজে ব্যবহার , ইমোশনালি হ্যারেজ হচ্ছেন , মাইন্ড গেইম এসব কিছুর মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। প্রতিবাদ করলেই আপনি খারাপ।
বাবা মা খুব ভাল করে জানেন কোন সন্তানের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খাওয়া যায় আর কাকে তোষামোদ করে চলতে হয়।মানুষ ৬০ বছর বয়সে বুঝতে পারে জীবনে সত্যিকারে সম্পর্ক কোনটা ছিল।সৌভাগ্যক্রমে অনেকেই যৌবন পেরুতেই সেই সম্পর্ক বুঝতে পারে।হাজারো সন্তান জীবনের সবটুকু সঞ্চয় বাবা মায়ের হাতে দিয়ে সার্টিফিকেট পায় কিছুই করোনা আবার অনেক সন্তান কিছু না করেও সেরা সন্তানের সার্টিফিকেট অর্জন করে।অনেক সময় এক সন্তান কে সামনে রেখে মানুষের কাছে গল্প বলবে আমার অমোক সন্তান এটা করে ওটা করে। এই সেই বহু সুনাম।আর যে সামনে দাঁড়িয়ে থাকে তাকেও একটু ছোট করতে দ্বিধা করেনা। মানে তাকে অন্যের থেকে একটু হলেও ছোট করে রাখতে হবে।আর সেই মানুষটা নিরবে এগুলো সয্য করতে করতে একদিন দূরত্বের সীমান্ত পেরুতে থাকে।
যাদের সাথে এইগুলো হয় শুধু তারাই এটার ভুক্তভোগী।প্রতিবাদ করলেই তুমি খারাপ।
আল্লাহাতালার পরেই পৃথিবীতে মা বাবার সার্পোট নিয়ে সন্তান পথচলে।বাবা মা যখন শত্রু হয় তখন পথচলা সহজ হলেও হৃদয় টা ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায়। আর ক্ষত-বিক্ষত হৃদয় নিয়ে পুরোপুরি শ্রদ্ধা আসেনা।দুনিয়ার সবার কাছে নির্বিশেষে যে ভালো সে পজেটিভ পারসন নয় , সে হিপোক্রেট।
আমার জীবন থেকে শিখেছি পৃথিবীতে শ্রেষ্ঠ সম্পর্ক স্বামী স্ত্রী। বাকি সব মিথ্যা।যে একজন সঠিক মানুষ পাইনা তার কপাল পোড়া।যে সঠিক জীবন সঙ্গী পেয়েছে তার বেঁচে থাকার জন্য পৃথিবীতে আর কারোর প্রোয়জন হয়না🥰
✍️ মওদুদা জিন্নাত নিতু
২২-০৬-২০২৫
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Address
Dhaka