Azad Rayhan
রায়হান আজাদ,
প্রভাষক,ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ,
ড.মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজ,ঢাকা।
বি.এ ( অনার্স), এম.এ (মাস্টার্স),
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,ঢাকা। 🇧🇩
"আমি নিভৃতচারী;লেখক স্বত্বা হয়ে ওঠার প্রচেষ্টায় আমার এই ক্ষুদ্র জীবন।"✍️ Currently I'm working as a Lecturer in Dr. Mahbubur Rahman Molla College, Jatrabari, Dhaka. ✍️💕
❤️🩹🫶❤️🩹
29/10/2025
এরশাদের শাসনামলে বাংলাদেশে বেশ কিছু প্রশাসনিক পুনর্গঠন ও সংস্কার করা হয়েছিল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল মহকুমাগুলোকে জেলায় উন্নীত করা এবং উপজেলা পদ্ধতির প্রবর্তন। এছাড়াও, ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের লক্ষ্যে একটি প্রশাসনিক পুনর্গঠন ও সংস্কার কমিটি গঠন করা হয়েছিল।
এরশাদ সরকার ১৯৮২ সালের ২৮ এপ্রিল প্রশাসনিক পুনর্গঠন ও সংস্কার কমিটি গঠন করে। এই কমিটির মূল লক্ষ্য ছিল ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি কার্যকর শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।
এই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়া হয়:
মহকুমাগুলোকে জেলায় উন্নীতকরণ:
এর ফলে দেশের জেলার সংখ্যা ৬৪ তে উন্নীত হয়।
উপজেলা পদ্ধতির প্রবর্তন:
জেলাগুলোকে ৪৬০টি উপজেলায় ভাগ করা হয়।
জাতীয় প্রশাসন পুনর্গঠন-সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটি গঠন:
১৯৮২ সালে একটি স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়, যা প্রশাসনের পুনর্বিন্যাস ও সংস্কারের কাজ করত।
বিচার ব্যবস্থা বিকেন্দ্রীকরণ:
প্রতিটি উপজেলায় মুনসেফ আদালত স্থাপন করা হয়, যা বিচার ব্যবস্থাকে জনগণের আরও কাছাকাছি নিয়ে যায়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন:
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিভিন্ন স্তরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
এরশাদের এই প্রশাসনিক পুনর্গঠন একদিকে যেমন ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের দিকে একটি পদক্ষেপ ছিল, তেমনি অন্যদিকে স্থানীয় পর্যায়ে জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করেছিল। তবে, এই পদক্ষেপগুলো সমালোচিতও হয়েছিল, বিশেষ করে এরশাদের সামরিক শাসনের প্রেক্ষাপটে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dr. Mahbubur Rahman Molla College, (DMRC)
Dhaka
1000