LIPON
31/12/2025
আমরা শোকাহত।
11/07/2025
🎯 প্রতিদিন কাজে লাগে — এমন ২০টি ইংরেজি বাক্য! 🇬🇧🗣️
✅ 20 Most Useful Daily English Sentences (With Bangla Meaning) 🌐
ইংরেজিতে কথা বলতে চাই, কিন্তু কথোপকথন শুরু করবো কিভাবে — এটা অনেকের প্রশ্ন।
তাই নিচে দিলাম বাংলা + ইংরেজি মিলিয়ে ২০টি রোজকার ব্যবহারের বাক্য — এখনই শিখে নাও! 💬👇
🟢 ১. আমি একটু দেরি করে ফেলেছি।
👉 I'm running a little late.
🟢 ২. এটা আমার ভুল ছিল।
👉 It was my mistake.
🟢 ৩. চিন্তা করো না।
👉 Don't worry.
🟢 ৪. তুমি চমৎকার দেখাচ্ছো।
👉 You look great.
🟢 ৫. আমি খুব ব্যস্ত আছি।
👉 I'm very busy.
🟢 ৬. এটা সত্যিই ভালো হয়েছে।
👉 It turned out really well.
🟢 ৭. আমি কিছু বলছি না।
👉 I'm not saying anything.
🟢 ৮. তুমি কেমন আছো?
👉 How are you?
🟢 ৯. আমি তোমার সাথে একমত।
👉 I agree with you.
🟢 ১০. একটু অপেক্ষা করো।
👉 Wait a moment.
📌 এই বাক্যগুলো শেয়ার করে রাখো – দরকারে যেন পরে আবার পেতে পারো। বন্ধুকেও ট্যাগ করো, যাতে তারও কাজে লাগে! 💙
╱◥██████◣
│∩│🪟▤│🪟│
▓▆▇█▓🚪▓█▇
এ ঘরটি কপি করতে পারলে বুঝবো আপনার ফোন অনেক দামী!
23/02/2024
সেকালের মহসিন একালে যেমন। ..............................................
"পোস্টবারে দাঁড়িয়েছে বীর মহসিন, গোল হতে দেবে না সে যায় যাক প্রাণ জয় মোহামেডান"
মনে পরে সন্ধি সিনেমার এই গানটির কথা? মোহামেডান আবাহনীর সোনালী সময়ের সমর্থকদের অবশ্যই মনে থাকার কথা। সেকালের বীর মহসিন আজ রোগে শোকে শীর্ণ জীর্ণ অন্য এক মহসিন।
এদেশের ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম সেরা গোলরক্ষক মহসিন। এবং সবচেয়ে সুদর্শন স্টাইলিশ গোলরক্ষক। তৃতীয় গোলরক্ষক হিসেবে আবাহনীতে শুরু মহসিনের। ১৯৮২ সালে অনেকটা চ্যালেন্জ নিয়েই প্রিয় মোহামেডান ক্লাবে যোগ দেয়। তখন লাল মোহাম্মদের মতো দেশ সেরা গোলরক্ষক মোহামেডানে। লীগে প্রতিটি ম্যাচে জয় পাওয়া লীগের প্রথম লেগে ভিক্টোরিয়ার নিকট ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকা অবস্থায় লাল মোহাম্মদের পরিবর্তে মহসিনকে মাঠে নামানো হয়। সেই থেকে শুরু। প্রথম লেগে আবাহনীর সাথে ম্যাচে সেই সময়কার এক নম্বর স্ট্রাইকার সালাউদ্দিনের পেনাল্টি শট রুখে দিয়ে হইচই ফেলে দেন তিনি। তারপর থেকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। তারকা হওয়া শুরু এখান থেকেই। জাতীয় দলে সুযোগ ৮২ সাল থেকেই। মোহামেডানে টানা ৫ বছর খেলে ৮৭ সালে আবাহনীতে যোগ দেন তিনি।১৯৯৪ সালে জেন্টেলম্যান এগ্রিমেন্টের কারনে যোগ দেয় মুক্তিযোদ্ধায়। ১ মৌসুম মুক্তিযোদ্ধায় খেলে পাড়ি জমান কানাডাতে। তারপরের ইতিহাস শুধু হতাশার।
মহসিনই একমাত্র গোলরক্ষক জাতীয় দল, মোহামেডান,আবাহনী, মুক্তিযোদ্ধার অধিনায়ক ছিলেন। এবং জাতীয় দলে তার পরে সর্বোচ্চ সময় নিয়মিত গোলরক্ষক হিসেবে খেলেছে সম্ভবত আমিনুল হক।
উচ্চতায় যদিও ৫ ফুট ৪/৫ ইঞ্চি হলেও অসামান্য ক্ষীপ্রতা,চপলতা, সেন্স আর রিফ্লেক্স এবং স্পট জাম্পে সব পুষিয়ে দিতেন। নিচু গ্রাউন্ডে পরাস্ত করা ছিলো রীতি মতো দুঃস্বাধ্য। দুরপাল্লা জোড়ালো শটেও তাকে পরাস্ত করা ছিলো কঠিন। ঠিক সময়ে পোস্ট থেকে বেড়িয়ে ফরোয়ার্ডদের মাথার উপর থেকে বাজপাখির মতে ছোঁ মেরে বল নিজের গ্রিপে নিতেও মহসিন ছিলেন খুব পারদর্শী। তার মতো সেরা, সুদর্শন, স্মার্ট,স্টাইলিশ গোলরক্ষক আর দেখা যায়নি পরবর্তীতে।
কানাডা যাওয়ার পরই তার জীবনে হতাশা নেমে আসে। পারিবারিক কোলহে স্ত্রীর সাথে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর দেশে ফিরে আসেন তিনি।শরীরের হতশ্রী অবস্থা।চেহারা পুরোপুরি ভেংগে চুরমার। বর্তমানে রুগ্ন ভগ্ন অসুস্থ শরীর নিয়ে অসহায়ের মতো জীবন পার করে চলেছেন তিনি।
অথচ দেশের ইতিহাসে অন্যতম গোলরক্ষক এই বীরকে যেন দেখার কেউ নেই। তার সমস্যাগুলো সমাধানেরও কেউ নেই।
সৌজন্যে – ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিঃ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka