Compound BD

Compound BD

Share

Medical home health care tools like Blood pressure measuring, Blood glucose monitoring, Thermometer, Weight measure, Therapy machine, Vapor, Foot massager etc.

09/04/2025

Type of Doctor❤️

21/12/2022

শীতে সাইনাসের মতো অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে সুরক্ষিত থাকতে জীবাণুর বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে এমন খাবার গ্রহণ জরুরি। সাইনাসের যন্ত্রণা থেকে বাঁচতে অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ না খেয়ে কোন কোন খাবার খাদ্যতালিকায় রাখবেন আসুন জেনে নেই।

আনারস
আনারসে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা শ্বাসযন্ত্রের ক্ষতি রোধ করে ও শ্লেষ্মা কমায়। এতে থাকা এনজাইম সাইনাস সারাতে কাজ করে।

তরমুজ
যদি সাইনাসের মাথাব্যথায় ভোগেন তাহলে এ থেকে মুক্তি দিতে পারে তরমুজ। কারণ তরমুজের প্রাকৃতিক পানিতে থাকা খনিজ, যেমন ম্যাগনেসিয়াম মাথাব্যথা উপশমে সাহায্য করে।

আদা
আদায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, প্রদাহবিরোধী উপাদান। এগুলো ব্যথা কমায়, কফে রক্ত জমা সারিয়ে তোলে ও শরীরের ফোলা কমাতে সাহায্য করে।

সজনে
সজনে প্রদাহ ও শ্লেষ্মা কমাতে পারে। এর মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিক প্রভাব থাকায় এটি সাইনাসের মাথাব্যথার উপসর্গ কমাতে সাহায্য করে।

গরম স্যুপ
চিকেন কিংবা ভেজিটেবল যে কোনো ধরনের স্যুপই সাইনাসের জন্য উপকারী। গরম স্যুপ শ্লেষ্মা অপসারণ করে ফলে সাইনাস দ্রুত সেরে ওঠে।

আপেল সাইডার ভিনেগার
সাইনাসের মাথাব্যথা কমাতে আপেল সাইডার ভিনেগার একটি চমৎকার প্রাকৃতিক উপাদান।

মরিচ
মরিচ বিশেষত গোলমরিচে আছে প্রদাহের বিরুদ্ধে কাজ করার ক্ষমতা ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা কঠিন শ্লেষ্মা ভেঙে বের করে দেয়।

রসুন
রসুনে থাকা অ্যালিসিন ব্যথা কমায়। এটি সাইনাস ইনফেকশন কার্‍যকরভাবে প্রতিরোধ করে।

সাইট্রাস ফল
যে সব ফল ভিটামিন ‘সি’ তে পরিপূর্ণ যেমন কমলা, লেবু, আঙ্গুর ইত্যাদি তাৎক্ষণিকভাবে সাইনাস সারিয়ে তুলতে পারে।

পেঁয়াজ
পেঁয়াজের কটূ গন্ধে রয়েছে অ্যান্টিথিস্টামিন। এই উপাদান সাইনাস কমাতে পারে।

12/11/2022

‘বন্ধ হোক নিউমোনিয়া, প্রতিটি নিঃশ্বাসের দাম আছে’

১২ নভেম্বর বিশ্ব জুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস। ‘বন্ধ হোক নিউমোনিয়া, প্রতিটি নিঃশ্বাসের আছে দাম’- এই শ্লোগান সামনে রেখে পালিত হচ্ছে এই দিবস। শিশু থেকে পূর্ণ বয়স্ক সবার একটি একক বৃহৎ সংক্রামক রোগে এত মৃত্যু হ্রাস করার সর্বব্যাপী আয়োজন আর উদ্যোগের সময় পেরিয়ে যাচ্ছে।

২০১৯ সালে নিউমোনিয়ায় মৃত্যু হয়েছে ২৫ লাখ মানুষের, এর মধ্যে ৭ লাখই শিশু। সে সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কোভিডের চাপ আর এতে নিউমোনিয়াতে মৃত্যু ঝুঁকিও বেড়েছে। ২০২১ সালে শ্বাসযন্ত্রের আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছেন ৬০ লাখ মানুষ। এদের মধ্যে বেশিরভাগ ছিলেন খুব কমবয়সী আর খুব বেশি বয়সী মানুষ।

যেসব অঞ্চলে টিকার সুযোগ কম, খাদ্য ঘাটতির জন্য অপুষ্টি ঘিরে ধরে সমাজকে, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, ধোঁয়া আর রান্নার জ্বালানি দূষিত করে বাতাস, সেখানকার শিশুরাও আছে ঝুঁকিতে।
ফুসফুসে সংক্রমণের কারণে যে প্রদাহ হয় তাকেই বলে নিউমোনিয়া। সিংহভাগ সংক্রমণের কারণ ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস যেমন ইনফ্লুয়েঞ্জা, কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ।

ধূমপায়ী, মাদকসেবীদের মধ্যে বেশি হয় নিউমোনিয়া। অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুরাও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে। বায়ু দূষণ, ঘরের ভেতর বায়ু চলাচল বিঘ্নিত হলে নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে। যাদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে নেই, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল, যারা অনেক দিন স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ নিচ্ছেন তাদেরও নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বেশি।

নিউমোনিয়া হলে হয় খুব জ্বর আসে, কাঁপুনির মতো লক্ষণ থাকে। কফ, কাশ থাকতে পারে। শ্বাস কষ্ট ও বুক ব্যথা হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে ডাক্তার দেখানো জরুরি।

রক্তের সিবিসি আর বুকের এক্স রে আর উপসর্গ আর পরীক্ষা করে রোগ নির্ণয় সহজ। প্রাণ বাঁচানোর জন্য প্রয়োজন ত্বরিত চিকিৎসা। এন্টিবায়োটিক ও অক্সিজেন গ্রহণের প্রয়োজন হতে পারে।

প্রতিরোধের উপায়
সময়মতো নিউমোনিয়ার টিকা নিতে হবে বিশেষ করে যা উচ্চ ঝুঁকিতে আছেন। টিকা নিউমোনিয়া প্রতিরোধে বেশ কার্যকর। পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। ধূমপান, মদ্যপান বর্জন করতে হবে। ভিড় এড়িয়ে চলতে হবে। শহরের বায়ু দূষণ রোধ জরুরি। আর ঘরে যাতে প্রচুর আলো বাতাস চলাচল করে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

30/10/2022

স্ট্রোকের ঝুঁকি এড়াতে গড়ে তুলুন ৮ অভ্যাস

রক্তনালি ছিঁড়ে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হওয়া বা মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বেঁধে রক্ত চলাচল বন্ধ হওয়াই স্ট্রোক। স্ট্রোকের কারণে শরীরের একপাশ অবশ হয়ে যায়, কথা বলায় দেখা দেয় জড়তা। স্বাভাবিক জীবনযাপন বিঘ্ন হয়। অনেকেই মৃত্যুবরণ করেন।

প্রতিরোধযোগ্য অসংক্রামক রোগটি বাংলাদেশে মৃত্যুর তৃতীয় প্রধান কারণ। ঢাকা মেডিকেল কলেজের এক গবেষণা বলছে, দেশের প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার প্রতি হাজারে প্রায় ১২ জন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। সেই হিসাব অনুযায়ী দেশের ১৬ কোটি জনসংখ্যায় স্ট্রোকে আক্রান্ত প্রায় ১৮ লাখ। আর এর ৬৪ শতাংশই পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি।

এই অবস্থায় স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে দৈনন্দিন জীবনে ৮টি অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে—

১. ওজন কমাতে সুষম খাবারের উপরেই ভরসা রাখুন।

২. দামি নয়, দেশি ও সহজলভ্য খাবার দিয়ে থালা সাজান।

৩. ডায়েটে রাখুন পর্যাপ্ত পরিমাণে সবজি ও দেশি ফল।

৪. সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন আধাঘণ্টা করে দ্রুত হাঁটতে হবে বা ২ দিন ১৫০ মিনিট জগিং করতে পারেন।

৫. ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।

৬. প্রতিদিন অন্তত ৬ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করতে হবে।

৭. ব্লাড প্রেশার আর সুগার বেশি থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে রেখে চলতে হবে।

৮. শরীরচর্চার সময় খেয়াল রাখতে হবে, তা যেন অত্যাধিক পরিশ্রমসাধ্য বা ক্লান্তিকর না হয়।

13/10/2022

খালি পেটে করা ঠিক নয় যেসব কাজ...

সুস্থ ও ফিট থাকতে গেলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল খাবার। সময়মতো খাদ্য গ্রহণ শরীরকে ঠিক রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু খাবার ঠিকঠাক না পেলে শরীর পুষ্ট হবে না এবং নানারকম শারীরিক সমস্যা দেখা দেবে। এছাড়াও, দীর্ঘক্ষণ খালি পেটে থাকলে শরীরে মেদও বাড়ে। তাই চিকিৎসকরাও সঠিক সময়ে খাওয়ার পরামর্শ দেন।

অনেক সময় আমার খালি পেটে থেকে এমন অনেক কাজ করি যা শরীর আরও খারাপ করে দিতে পারে। যেমন-

অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি মেডিসিন: খালি পেটে কখনোই ব্যথার ওষুধ খাওয়া ঠিক নয়। অন্তত বিস্কুট বা মুড়ি খাওয়ার পর ওযুধ খেতে পারেন। অ্যাসপিরিন, প্যারাসিটামল কিংবা অন্য কোনও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি জাতীয় ওষুধ খালি পেটে খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই ক্ষতিকারক।

খালি পেটে ঘুমানো: খাবার খাওয়ার ২-৩ ঘণ্টা পর ঘুমাতে যেতেই পারেন। তবে কখনোই খিদে পেটে বা খালি পেটে ঘুমাবেন না। বরং শুতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস দুধ খেতে পারেন। পেট খালি থাকলে শরীরে গ্লুকোজের পরিমাণ কমে যায়, ফলে ঘুমের সমস্যা হয়।

অ্যালকোহল: খালি পেটে অ্যালকোহল পান করা খুবই খারাপ, এতে শরীরে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। অ্যাসিডিটি, বদহজমের সমস্যা হতে পারে। এছাড়া হৃৎপিণ্ড, লিভারের পাশাপাশি কিডনিকেও প্রভাবিত করে।

শরীরচর্চা: খালি পেটে শরীরচর্চা করাও খুব খারাপ। অনেকেই মনে করেন যে, খালি পেটে ব্যায়াম করলে অনেক বেশি ক্যালোরি ঝরবে। কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। বরং খালি পেটে শক্তিও কম থাকে এবং শরীরচর্চাও ঠিকভাবে করা যায় না।

চুইংগাম: খালি পেটে চুইংগাম চিবানো শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে। এর ফলে পেটে প্রদাহ হতে পারে। এর থেকে ডাইজেস্টিভ অ্যাসিড তৈরি হয় এবং খালি পেটে এটি খেলে গ্যাস্ট্রিকের সম্ভাবনা বাড়ে।

কফি: সকালে ঘুম থেকে উঠে অনেকেরই কফি খাওয়ার অভ্যাস আছে। কিন্তু খালি পেটে কফি পান করা একেবারেই উচিত নয়। এর ফলে বুক জ্বালা, গ্যাস ও হজমের সমস্যা হতে পারে।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Dhaka
1217

Opening Hours

Monday 08:00 - 20:00
Tuesday 08:00 - 20:00
Wednesday 08:00 - 20:00
Thursday 08:00 - 20:00
Saturday 08:00 - 20:00
Sunday 08:00 - 20:00