Kanij Collection

Kanij Collection

Share

21/05/2026

বন্ধ দরজার ওপাশে যখন রামিসাকে নির্মমভাবে জবাই করা হচ্ছিল, তখন দরজার এপাশে দাঁড়িয়ে এক অসহায় মা পাগলের মতো ডাকাডাকি করছিলেন।দরজার ছিদ্র দিয়ে একটু একটু দেখাও যাচ্ছিল যে ভেতরে কেউ একজন দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু শত চিৎকারেও সেই নরপশু দরজা খুলছিল না।

মায়ের মন তো, ঠিকই বিপদের আঁচ পেয়েছিল! তাই তো বারবার সন্তানের জন্য বুকফাটা আর্তনাদ করে ডাকছিলেন তিনি। যখন সন্দেহ চরমে পৌঁছায় এবং বারবার ধাক্কা দেওয়ার পরও দরজা খুলছিল না, তখন বাধ্য হয়ে সবাই মিলে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে।

আর তারপর এক নিদারুণ ভয়াবহ দৃশ্য! চোখের সামনে নিজের কলিজার টুকরো, অতি আদরের সন্তানকে এমন বীভৎস অবস্থায় দেখে রামিসার মা মুহূর্তেই সেখানে জ্ঞান হারিয়ে লুটিয়ে পড়েন।

কোন মায়ের পক্ষেই কি এমন দৃশ্য সহ্য করা সম্ভব? নিজের নাড়িছেঁড়া ধনকে এমন অবস্থায় দেখলে কোনো মায়েরই মাথা ঠিক থাকার কথা নয়।এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত নরপশুদের প্রতি তীব্র ঘৃণা! আমরা এই জঘন্যতম অপরাধের কঠিন বিচার চাই!

#সংগৃহীত

20/05/2026

মেয়ের মায়েরা এটা দেখার পর আর কারো ছাঁয়া ও বিশ্বাস করবেন না।বাচ্চাটাকে দেখে কষ্ট হচ্ছে আমার

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। 💔
আগে থেকেই বলে রাখি, যাদের মন খুব নরম তারা লেখাটা না পড়লেও পারেন।

রাজধানী ঢাকার মিরপুর পল্লবীর ঘটনা৷ ক্লাস টুতে পড়ে ছোট্ট শিশু রামিসা৷ প্রতিদিনের মতো তার মা তাকে স্কুলে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ খেয়াল করলেন তাদের রামিসাকে বাসার কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না৷

রামিসার মা প্রথমে ভাবছে হয়তো পাশের বাসায় খেলতে গেছে কিন্তু সময় গড়িয়ে যাচ্ছে রামিসা ফিরে আসছে না৷ মায়ের মনে অজানা ভয় আসতে লাগলো৷ প্রতিবেশীদের সাথে নিয়ে এদিক সেদিক সবদিকে খুঁজেও মেয়েকে পেলেন না৷

একপর্যায়ে তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটের সামনে পড়ে থাকতে দেখা যায় ছোট্ট রামিসার স্যান্ডেল। তখনই সবার মনে সন্দেহ দানা বাঁধে। দরজার ভেতরে থাকা লোকজনকে অনেকবার ডাকাডাকি করা হলেও কোনো সাড়া মিলছিল না। অবশেষে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকার পর সামনে আসে এমন এক দৃশ্য, যা দেথে কোনো সাধারন মানুষ ঠিক থাকতে পারবে না৷

খাটের নিচে প%ড়ে ছিল দ্বিতীয় শ্রেণির রামিসা কিন্তু সাথে তার মিষ্টি মু%খখানা ছিলো না৷ আর কিছুক্ষণ পর বাথরুম থেকে পাওয়া যায় মিষ্টি মু%খখানা৷

আর এমন নিকৃষ্ট কাজের পেছনে ছিলো অভিযুক্ত সোহেল রানা৷ যে কি না পেশায় একজন রিকশা মেকানিক, ঘটনার পর জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায়। পরে সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

একটি নিষ্পাপ শিশুর সঙ্গে এমন নিষ্ঠুরতা কীভাবে করতে পারে একজন মানুষ?
আমাদের দেশে মেয়েরা কোথায় নিরাপদ বলতে পারবেন? প্রতিদিনই এমন ঘটনা গুলো হচ্ছে৷ এরপরেও কারো ভেতর কোনো ডর ভয় নাই৷ কেনো জানেন? কারণ তারা জানে এ দেশের বিচারে তাদের চুল ছিঁড়া গেলো 🙂 #সংগৃহীত

Photos from Kanij Collection's post 04/05/2026

সব বান্ধবীরা মিলে, বউ সাজে,

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Uttara
Dhaka
1230