A Lesson
আসসালামুআলাইকুম।
নতুন কম্পিউটার ইউজারদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ কীবোর্ড শর্টকাট
Ctrl + C → কপি করার জন্য ব্যবহার হয়।
Ctrl + X → কাট বা স্থানান্তর করার জন্য।
Ctrl + V → পেস্ট করার জন্য।
Ctrl + Z → আগের কাজ ফিরিয়ে নেওয়া (Undo)।
Ctrl + Y → Undo করা কাজ পুনরায় ফিরিয়ে আনা (Redo)।
Ctrl + A → সব নির্বাচন করা (Select All)।
Alt + Tab → এক প্রোগ্রাম থেকে অন্য প্রোগ্রামে যাওয়া।
Alt + F4 → অ্যাপ বা প্রোগ্রাম বন্ধ করা।
Windows + D → ডেস্কটপ দেখা বা লুকানো।
Windows + L → কম্পিউটার লক করা।
Windows + E → ফাইল এক্সপ্লোরার খোলা।
Ctrl + Shift + Esc → টাস্ক ম্যানেজার খোলা।
Print Screen (PrtSc) → স্ক্রিনশট নেওয়া।
Ctrl + N → নতুন উইন্ডো বা ডকুমেন্ট খোলা।
Ctrl + W → বর্তমান ট্যাব বন্ধ করা।
Alt + Enter → ফাইলের প্রপার্টিজ দেখা।
Ctrl + Shift + N → নতুন ফোল্ডার তৈরি করা।
Alt + Space + N → উইন্ডো মিনিমাইজ করা।
Alt + Space + X → উইন্ডো ম্যাক্সিমাইজ করা।
Ctrl + P → প্রিন্ট করার জন্য।
MS Word শর্টকাট
Ctrl + B → টেক্সট Bold করা।
Ctrl + I → টেক্সট Italic করা।
Ctrl + U → টেক্সটে Underline দেওয়া।
Ctrl + L → টেক্সট বাম পাশে সাজানো।
Ctrl + R → টেক্সট ডান পাশে সাজানো।
Ctrl + E → টেক্সট মাঝখানে আনা (Center)।
Ctrl + J → টেক্সট সমানভাবে সাজানো (Justify)।
Ctrl + S → ফাইল সেভ করা।
Ctrl + O → নতুন ফাইল খোলা।
Ctrl + W → ফাইল বন্ধ করা।
Ctrl + F → টেক্সট সার্চ করা।
Ctrl + H → টেক্সট Replace করা।
Ctrl + Enter → নতুন পেজ দেওয়া (Page Break)।
Ctrl + Backspace → একটি সম্পূর্ণ শব্দ মুছে ফেলা।
Shift + F3 → বড় ও ছোট অক্ষরে পরিবর্তন।
Ctrl + Shift + L → বুলেট লিস্ট তৈরি।
Ctrl + 1 / 2 / 5 → লাইন স্পেসিং পরিবর্তন।
Ctrl + T → হ্যাঙ্গিং ইনডেন্ট তৈরি।
Ctrl + Shift + C → ফরম্যাট কপি করা।
Ctrl + Shift + V → ফরম্যাট পেস্ট করা।
Ctrl + = → সাবস্ক্রিপ্ট লেখা।
Ctrl + Shift + + → সুপারস্ক্রিপ্ট লেখা।
Alt + Shift + D → তারিখ যোগ করা।
Alt + Shift + T → সময় যোগ করা।
Ctrl + Q → অনুচ্ছেদের ফরম্যাট মুছে ফেলা।
MS Excel শর্টকাট
Ctrl + N → নতুন ওয়ার্কবুক তৈরি।
Ctrl + S → সেভ করা।
Ctrl + O → ফাইল খোলা।
Ctrl + C / X / V → কপি / কাট / পেস্ট।
Ctrl + Z → Undo করা।
Ctrl + Y → Redo করা।
Ctrl + Shift + "+" → নতুন রো বা কলাম যোগ করা।
Ctrl + "-" → রো বা কলাম ডিলিট করা।
Ctrl + F → সার্চ করা।
Ctrl + H → Replace করা।
Ctrl + ↑ / ↓ / ← / → → দ্রুত সেল মুভ করা।
Alt + = → অটো সাম (AutoSum)।
F2+ → সেলের ডাটা এডিট করা।
Ctrl + 1 → ফরম্যাট সেল ডায়ালগ খোলা।
Alt + H + H → সেল রঙ পরিবর্তন।
F11 → চার্ট তৈরি করা।
Ctrl + Shift + L → ফিল্টার অন/অফ করা।
Ctrl + Arrow → ডাটার শেষ পর্যন্ত যাওয়া।
Ctrl + Page Up/Page Down → শিট পরিবর্তন করা।
Ctrl + D → উপরের সেল কপি করা।
Ctrl + R → বাম সেল কপি করা।
Ctrl + ; → বর্তমান তারিখ ইনপুট করা।
Ctrl + Shift + ; → বর্তমান সময় ইনপুট করা।
Ctrl + Space → সম্পূর্ণ কলাম সিলেক্ট।
Shift + Space → সম্পূর্ণ রো সিলেক্ট।
MS PowerPoint শর্টকাট
Ctrl + M → নতুন স্লাইড যোগ করা।
Ctrl + D → স্লাইড বা অবজেক্ট ডুপ্লিকেট করা।
Ctrl + G → একাধিক অবজেক্ট গ্রুপ করা।
Ctrl + Shift + G → গ্রুপ খুলে দেওয়া (Ungroup)।
Ctrl + A → সব সিলেক্ট করা।
Ctrl + C / V → কপি-পেস্ট করা।
Ctrl + Shift + > / < → ফন্ট বড় বা ছোট করা।
Ctrl + K → হাইপারলিংক যোগ করা।
F5 → স্লাইডশো শুরু করা।
Shift + F5 → বর্তমান স্লাইড থেকে শো শুরু করা।
← / → → পরের বা আগের স্লাইডে যাওয়া।
Esc → স্লাইডশো বন্ধ করা।
Ctrl + Shift + C / V → ফরম্যাট কপি/পেস্ট।
Alt + F9 → গাইডলাইন অন/অফ।
Ctrl + G → গ্রিডলাইন দেখা।
Ctrl + T → ফন্ট ডায়ালগ খোলা।
Ctrl + Enter → পরের টেক্সট বক্সে যাওয়া।
Ctrl + Shift + N → নতুন প্রেজেন্টেশন তৈরি।
Ctrl + O → প্রেজেন্টেশন খোলা।
Ctrl + S → প্রেজেন্টেশন সেভ করা।
Ctrl + P → প্রেজেন্টেশন প্রিন্ট করা।
Ctrl + Backspace → এক শব্দ মুছে ফেলা।
Ctrl + Shift + L → বুলেট লিস্ট যোগ করা।
Ctrl + Shift + F → ফন্ট পরিবর্তন করা।
Ctrl + Shift + S → সেভ অ্যাজ করা।
Ctrl + Up/Down → টেক্সট মুভ করা।
Alt + Shift + Up/Down → লিস্ট আইটেম মুভ করা।
Ctrl + Shift + D → স্লাইড ডুপ্লিকেট করা।
Alt + F5 → প্রেজেন্টেশন ভিউ মোডে দেখা।
Ctrl + Q → PowerPoint থেকে বের হওয়া।
কিছু ভুল হতে পারে, আশা করি সঠিকটা জানাবেন।
20/07/2023
জাহাজে তো PDB এর লাইন নেই, তাহলে জাহাজ বিদ্যুৎ পায় কিভাবে? জাহাজে কিভাবে পাওয়ার সাপ্লাই দেয়া হয়?
জাহাজের পাওয়ার সিস্টেমকে চারভাগে ভাগ করা হয়। যথাঃ
১. পাওয়ার জেনারেশন
২. মেইন সুইচইয়ার্ড
৩. ডিস্ট্রিবিউশন প্যানেল
৪. ইমার্জেন্সি বা অক্সিলারি প্যানেল
১. পাওয়ার জেনারেশনঃ জাহাজে মূলত একটি ডিজেল বা বাষ্পচালিত জেনারেটর থাকে। এই জেনারেটরের প্রাইম মুভার ৩.৩, ৬.৬ কিংবা ১১ কিলোভোল্ট ভোল্টেজ জেনারেট করতে পারে।
২.মেইন সুইচইয়ার্ডঃ অতঃপর জেনারেটেড ভোল্টেজকে একটি স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমারের মাধ্যমে কমিয়ে আনা হয়। অনেকে ভাবতে পারেন, সাধারণত জেনারেটর থেকে প্রাপ্ত ভোল্টেজকে স্টেপ আপ করা হয় কিন্তু এখানে স্টেপ ডাউন করার কারণ কি? যখন জেনারেটেড পাওয়ার জাতীয়ভাবে ব্যবহার করা হবে তখন তা স্টেপ আপ করে জাতীয় গ্রীডে বিশাল আকৃতির ট্রান্সমিশন টাওয়ারের মাধ্যমে দূর দূরান্তে সঞ্চালন করা হয়। কিন্তু যখন কোন অল্প পরিসরে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য ব্যবহার হবে তখন তাকে স্টেপ আপ করার কোন মানে হয়না। তাকে স্টেপ ডাউন করে ৪৪০ ভোল্ট এবং পরবর্তীতে পুনরায় স্টেপ ডাউন করে ২২০ ভোল্ট করে নেয়া হয়। জেনারেটর থেকে প্রাপ্ত ১১ কিলোভোল্টকে ৪৪০ ভোল্ট করা হয় এবং বাসবার ব্যবহার করে তাকে মেইন সুইচইয়ার্ডে পাঠানো হয়। উল্লেখ্য যে, জাহাজে কনসীলড ওয়্যারিং ব্যবহৃত হয়না।
৩. ডিস্ট্রিবিউশন প্যানেলঃ অতঃপর এই মেইন সুইচইয়ার্ড থেকে প্রয়োজন অনুসারে সিংগেল ফেজ এবং থ্রি-ফেজ লাইন বিভিন্ন কেবিনে যায়। সাধারণত লাইটিং, ফ্যান, রেডিও ইকুইপমেন্টের জন্য ২২০ ভোল্ট ব্যবহার করা হয়। আর বড় বড় থ্রি-ফেজ মোটরের জন্য ৪৪০ ভোল্টের লাইন ব্যবহার করা হয়। আর সাপ্লাই ফ্রিকুয়েন্সি সাধারণত ৬০ হার্জ হয়ে থাকে। এখন অনেকে বলতে পারেন যে, কেন ৫০ হার্জ নয়? সাধারণত জাহাজে খুব অল্পমানের টর্কবিশিষ্ট হাই স্পীডের মোটর ব্যবহার করা হয়। সেইজন্য ফ্রিকুয়েন্সি ৬০ হার্জ ব্যবহার করা হয়।
৪. ব্যাক আপ বা অক্সিলারি প্যানেলঃ এছাড়াও জাহাজে জরুরি প্রয়োজনে একটি ব্যাক আপ বা অক্সিলারি প্যানেল থাকে যেখানে একটি ব্যাক আপ অল্টারনেটর থাকে। মেইন অল্টারনেটর ফেল করলে অটোমেটিকভাবে ব্যাক আপ অল্টারনেটর চালু হয়ে যাবে এবং অক্সিলারি সুইচগিয়ার থেকে পাওয়ার সাপ্লাই যাবে।
এছাড়াও জাহাজে সেইফটি ডিভাইস হিসেবে রিলে, সেন্সর, সার্কিট ব্রেকার ইত্যাদি তো রয়েছেই। এভাবেই মূলত একটি মেরিন পাওয়ার সিস্টেম ডিজাইন করা হয়।
29/03/2023
✬ জাতীয় পতাকা দিবস — ২ মার্চ
✬ বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস — ১০ জানুয়ারি
✬ বাংলাদেশে কৃষি দিবস — পহেলা অগ্রহায়ণ
✬ আসাদের শার্ট লেখক- শামসুর রাহমান
✬ বাংলাদেশে জেলহত্যা সংঘটিত হয় — ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর
✬ বাংলাদেশে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস পালিত হয় — ১৪ ডিসেম্বর
✬ বাংলাদেশের জাতীয় দিবস –- ২৬শে মার্চ
✬ মুজিবনগর দিবস — ১৭ এপ্রিল
✬ রোকেয়া দিবস — ৯ ডিসেম্বর
✬ সংবিধান দিবস — ৪ নভেম্বর
✬ স্বাধীন বাংলাদেশের ঘোষণা পত্র পাঠ করা হয় — ১০ এপ্রিল,১৯৭১
✬ কক-বরক ভাষায় কারা কথা বলে — ত্রিপুরা
✬ ত্রিপুরাদের প্রধান উৎসব — বৈসু
✬ খাসিয়া উপজাতি বাস করে — সিলেটে
✬ ত্রিপুরাদের জাতিসত্ত্বা কতটি গোত্রতে বিভক্ত — ৩৬ টি
✬ বাংলাদেশে ২য় সংখ্যাগরিষ্ঠ উপজাতি — সাঁওতাল
✬ বাংলাদেশে উপজাতীয় ভাষার সংখ্যা — ৩২টি
✬ বাংলাদেশে গারো উপজাতি বাস করে — ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও নেত্রকোনায়
✬ গারোদের ঘর বসতি গল্পটি লেখক- শাবলু শাহাবউদ্দিন
✬ বাংলাদেশে চাকমা উপজাতি বাস করে প্রধানত — রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে
✬ বাংলাদেশে বাস নেই এমন উপজাতির নাম — মাওরি
✬ বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি লোক বাস করে — বৃহত্তর ঢাকা জেলায়
✬ বাংলাদেশের কোন উপজাতি মুসলমান — পাঙন
✬ রাজবংশী উপজাতিরা বাস করে — রংপুরে
✬ ঢাকার পূর্ব নাম — জাহাঙ্গীর নগর
✬ বাংলার এককালের রাজধানী মহাস্থানগড়ের নাম ছিল — পুণ্ড্রনগর
✬ সুবাদার ইসলাম খান ঢাকার নাম রাখেন — জাহাঙ্গীরনগর
✬ লালবাগ কেল্লার আদি নাম — আওরঙ্গবাদ দূর্গ
✬ প্রথম আইসিসি ট্রফিতে বাংলাদেশ দলের আধিনায়ক ছিলেন — শফিকুল হক হীরা
✬ প্রথম বাঙালি দাবা গ্র্যান্ড মাস্টার — নিয়াজ মুর্শেদ
✬ বাংলাদেশ ক্রিকেট ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে — ১৯৯৭সালে
✬ জাতীয় কন্যা শিশু দিবস — ৩০ সেপ্টেম্বর
✬ জাতীয় সংহতি দিবস — ৭ নভেম্বর
✬ জাতীয় কর দিবস — ১৫ সেপ্টেম্বর
✬ শহীদ আসাদ দিবস — ২০ জানুয়ারি
✬ বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এথনিক গোষ্ঠী — চাকমা
✬ মারমাদের প্রধান পেশা — জুম চাষ
✬ সাঁওতালরা বাস করে — রাজশাহী ও দিনাজপুর জেলায়
✬ বরিশালের পূর্ব নাম — চন্দ্রদ্বীপ
✬ ময়মনসিংহ জেলার পূর্ব নাম — নাসিরাবাদ
✬ সিলেটের পূর্ব নাম — জালালাবাদ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the school
Website
Address
Subastu Nazar Valley, Badda
Dhaka
1212