M B R PANNA

M B R PANNA

Share

Lawyer | Bank & Company | Commerce & Industry | Maritime & Admiralty | Labour & Employment | Land & Property | PIL & Writ | ADR & ODR | Documentation & Litigation | Immigration & Citizen | Compliance & Regulatory Affairs BOKHARI RASHID PANNA, LL B (Hons), LL M, Advocate of Supreme Court of Bangladesh, has obtained adequate experience within a short span of time in rendering legal opinion on variou

25/04/2026

১. সাধ আর সাধ্য..........
ফ্ল্যাট কেনার আগে আপনার সাধ আর সাধ্যের মধ্যকার বোঝাপড়া সম্পন্ন করতে হবে। ধরা যাক, আপনার ৮০ লাখ টাকার একটি ফ্ল্যাট কেনার আর্থিক সক্ষমতা রয়েছে। তবে আপনি সাতপাঁচ না ভেবে গৃহঋণ নিয়ে দুই কোটি টাকার ফ্ল্যাট কিনে ফেললেন। কিস্তি পরিশোধ করতে গিয়ে দেখলেন, দৈনন্দিন সংসার চালানো কঠিন। একপর্যায়ে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ। তখন ফ্ল্যাট বিক্রি করা ছাড়া কোনো উপায় নেই। সে জন্য বাজেট অনুযায়ী ফ্ল্যাট কেনার পরিকল্পনা করা প্রয়োজন।

রাজধানী ঢাকায় কমবেশি ৬০-৭০ লাখ থেকে শুরু করে ১৫-২০ কোটি টাকার ফ্ল্যাটও আছে। গুলশান-বনানী, ধানমন্ডি, বারিধারার মতো এলাকায় অভিজাত ফ্ল্যাটের দাম প্রতি বর্গফুট ২০ থেকে ৩৬ হাজার টাকা। আবার বাড্ডা, রামপুরা, খিলগাঁও, মিরপুরসহ কিছুটা পিছিয়ে থাকা এলাকায় প্রতি বর্গফুট ১০ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। আবাসন খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের ফ্ল্যাট কিনতে গেলে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হবে। তবে এসব প্রতিষ্ঠান নিয়মনীতি মেনে ব্যবসা করে।

অভিজাত এলাকার বাইরে অন্য সব এলাকায় স্থানীয় ছোট কোম্পানির আবাসন প্রকল্প রয়েছে। তাদের ফ্ল্যাটের দাম তুলনামূলক কম। আবার কয়েকজন মিলে জমি কিনে বাড়ি বানাতে পারলে ফ্ল্যাটের দাম কম পড়ে। পুরোনো ফ্ল্যাটের দামও কম। আর্থিক সামর্থ্য না থাকলে সেটিও বিবেচনা করতে পারেন।

২. প্রয়োজন মিটবে যেখানে
অনেকেই কোথায় ফ্ল্যাট কিনবেন সেটি নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন। তবে সন্তানের লেখাপড়ার বিষয়টি মাথায় রেখেই ফ্ল্যাট কেনার এলাকা বাছাই করা দরকার। আপনি যেখানে ফ্ল্যাট কিনতে চান, তার আশপাশে ভালো স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় আছে কি না, দেখে নিন। আবার ফ্ল্যাটটি যেখানে, সেখান থেকে কর্মস্থলে যাওয়ার যোগাযোগব্যবস্থা কেমন, তা-ও বিবেচনা করতে হবে। যোগাযোগব্যবস্থা ভালো হলে অফিস কিছুটা দূরে হলেও সমস্যা হয় না। তা ছাড়া ফ্ল্যাটের আশপাশের রাস্তাঘাট, বাজারসুবিধা কেমন, সেসবও বিবেচনায় রাখা দরকার।

৩. ভবনের সুযোগ-সুবিধা
আবাসন প্রকল্পে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ এখন আর বিলাসিতা নয়, নিত্যদিনের প্রয়োজন। তাই ব্যায়ামাগার, সুইমিংপুল, কমিউনিটি স্পেস, বাচ্চাদের খেলার জায়গা, গাড়ি পার্কিং, নিরাপত্তাব্যবস্থা, বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাসের সরবরাহের বিষয়ে ভালোভাবে খোঁজখবর নিতে হবে। তবে সবগুলো সুবিধা নিতে গেলে প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে, সেটিওবিবেচনায় রাখতে হবে।

৪. সঠিক প্রতিষ্ঠান বাছাই
কোন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ফ্ল্যাট কিনছেন, সেটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তার কারণ সেই প্রতিষ্ঠান যদি নিয়মকানুন না মেনে ব্যবসা করে, তাহলে আপনি বিপদে পড়বেন। সে জন্য খোঁজ নিন, প্রতিষ্ঠানটির অ্যাপার্টমেন্ট হস্তান্তরের অতীত ইতিহাস কেমন। প্রতিষ্ঠানটি আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাবের সদস্যপদ আছে কি না, সেটিও যাচাই করুন। কারণ পরবর্তী ফ্ল্যাটসংক্রান্ত কোনো ঝামেলা হলে আপনি সংগঠনটির দ্বারস্থ হতে পারবেন। এ ধরনের জটিলতা নিরসনের রিহ্যাবের পৃথক কমিটিও রয়েছে। তারা নিয়মিতই এসব অভিযোগ নিষ্পত্তি করে। তবে কেবল নিজেদের সদস্য প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগই আমলে নেয় রিহ্যাব। ফলে আবাসন প্রতিষ্ঠানের রিহ্যাব সদস্যপদ থাকাটাও জরুরি।

৫. অনুমোদনহীন প্রকল্পে সতর্ক
রাজধানীতে আবাসিক, বাণিজ্যিক যেকোনো ভবনের অনুমোদন দিয়ে থাকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। অনুমোদন না নিয়ে ভবন করলে সেটি ভেঙে দিতে পারে রাজউক। সে জন্য আপনি যে আবাসন প্রকল্পের ফ্ল্যাট কেনার পরিকল্পনা করছেন, সেটি রাজউক অনুমোদিত কি না, তা যাচাই করে দেখতে হবে।

৬. জমির খোঁজও লাগবে
আপনি যে আবাসন প্রকল্পের ফ্ল্যাট কিনতে চান, সেটি যে জমিতে নির্মাণ হবে বা হচ্ছে, সেটি নিষ্কণ্টক কি না, যাচাই করতে হবে। ভূমি কার্যালয়ে গিয়ে তল্লাশি দিয়ে জমির মালিকানা ও দখলদার সম্পর্কে সব তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। অর্থাৎ যে জমির ওপর আবাসিক প্রকল্প হবে, সেটির দলিলপত্র যাচাই করে নেওয়া ভালো। জমি নিয়ে কোনো মামলা আছে কি না, সেটি দেখতে হবে। না হলে ভবিষ্যতে ঝামেলায় পড়ার আশঙ্কা থাকবে।

৭. শর্তের খুঁটিনাটি জানুন
ফ্ল্যাট কেনার আগে আবাসন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির সব শর্ত ভালো করে পড়ে দেখতে হবে। চুক্তিতে সুস্পষ্টভাবে ফ্ল্যাট কেনার শর্ত, ভবন নির্মাণে ব্যবহৃত উপকরণ, ফ্ল্যাটের অনুমোদিত নকশা, ভবনের কোন ফ্ল্যাটটি কিনছেন এবং ক্রেতা যদি উন্নত মানসম্পন্ন সরঞ্জাম ব্যবহার করতে চান, তাহলে দুই পক্ষের পারস্পরিক সম্মতি—এ বিষয়গুলো উল্লেখ থাকতে হবে। এ ছাড়া একেক আবাসন প্রতিষ্ঠানের ফ্ল্যাটের আয়তন একেকভাবে পরিমাপ করে। ফলে ফ্ল্যাটের মোট আয়তন ও ব্যবহারযোগ্য আয়তনের বিষয়ে পরিষ্কারভাবে আগেই বুঝে নিতে হবে। সেটি চুক্তিতে রয়েছে কি না, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে অভিজ্ঞ আইনজীবীর সঙ্গেও পরামর্শ করে নেওয়া যেতে পারে।

৮. কিস্তি নিয়ে পরিষ্কার ধারণা
ফ্ল্যাট যদি কিস্তিতে কেনা হয়, তাহলে কত কিস্তি ও কবে হস্তান্তর হবে, সেটি চুক্তিতে উল্লেখ থাকতে হবে। কোনো কারণে ফ্ল্যাট কেনা না হলে সেটি কীভাবে নিষ্পত্তি হবে, তা–ও স্পষ্টভাবে থাকতে হবে।

৯. কোনটি কেনা লাভজনক
রেডি বা প্রস্তুত, নির্মাণাধীন নাকি শিগগিরই নির্মাণ শুরু হবে, এমন প্রকল্পের ফ্ল্যাট কিনবেন, সেটিও চূড়ান্ত করতে হবে। মনে রাখতে হবে, প্রস্তুত ফ্ল্যাটের দাম বেশি। নির্মাণ শুরু হবে এমন ফ্ল্যাট বুঝে পেতে সময় লাগে। সে ক্ষেত্রে নির্মাণাধীন ভবনে অ্যাপার্টমেন্ট কেনাটা আপনার জন্য বেশি সুবিধাজনক। কারণ, যত দ্রুত আপনি নিজের বাসা বা ফ্ল্যাটে উঠতে পারবেন, তাতে বাসাভাড়া বাবদ খরচ কমবে। সেই টাকা দিয়ে ঋণের কিস্তি পরিশোধে সুবিধা হবে আপনার।

১০. ঋণ নিন বুঝেশুনে
বর্তমানে ব্যাংকগুলো একজন গ্রাহককে দুই কোটি টাকা পর্যন্ত গৃহঋণ দিতে পারে। ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো (লিজিং কোম্পানি) আগে থেকেই গ্রাহকের চাহিদামতো ঋণ দিয়ে দেয়। আবার সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন (বিএইচবিএফসি) অন্যদের চেয়ে কম সুদহারে ঋণ দেয়। ফলে ঋণ নেওয়ার আগে সুদহারের পাশাপাশি শর্তগুলো ভালো করে দেখে নিন।

24/04/2026

জীবনসঙ্গী ভুল হলে সেটা একদিনে বোঝা যায় না…
ধীরে ধীরে, নীরব কষ্টের ভেতর দিয়ে, অজান্তেই বুঝে যেতে হয়।
শুরুতে সবকিছুই ঠিক মনে হয়—
হাসি, কথা, স্বপ্ন—সবকিছু যেন একসাথে গাঁথা।
কিন্তু সময়ের সাথে সাথে
কিছু অদৃশ্য ফাঁক তৈরি হয়…
যেখানে ভালোবাসার চেয়ে অবহেলা বেশি থাকে,
বোঝাপড়ার চেয়ে ভুল বোঝাবুঝি বেশি জমে।
একসময় আপনি খেয়াল করবেন—
আপনি আর আগের মতো কথা বলতে চান না,
মন খুলে কিছু বলতে গেলেই ভয় লাগে,
কারণ আপনি জানেন—
আপনার অনুভূতির মূল্য এখানে নেই।
ভুল জীবনসঙ্গী মানে শুধু ভুল মানুষ না,
এটা এমন এক অনুভূতি—
যেখানে পাশে থেকেও একাকিত্ব তাড়া করে,
হাজার কথা জমে থাকে,
কিন্তু শোনার মতো কেউ থাকে না।
আপনি হাসবেন, কিন্তু সেই হাসির ভেতরে লুকিয়ে থাকবে ক্লান্তি…
আপনি থাকবেন, কিন্তু মনটা কোথাও হারিয়ে যাবে।
সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো—
একসময় আপনি নিজেকেই হারিয়ে ফেলেন…
নিজের পছন্দ, নিজের ইচ্ছা, নিজের স্বপ্ন—
সবকিছুই ধীরে ধীরে নিভে যেতে থাকে।
তখনই বোঝা যায়—
ভুল জীবনসঙ্গী শুধু একটা ভুল সিদ্ধান্ত নয়,
এটা পুরো জীবনের শান্তিটা কেড়ে নেওয়ার মতো একটা যন্ত্রণা।
তাই জীবনে সঠিক মানুষটা বেছে নেওয়া খুব জরুরি—
কারণ একজন ঠিক মানুষ আপনার জীবনকে স্বর্গ বানাতে পারে,আবার জীবিত থেকেও আপনাকে লাশে পরিনত করতে পারে।
আর একজন ভুল মানুষ…
নীরবে আপনাকে প্রতিদিন ভেঙে দিতে পারে।
বিদ্রঃ ভুল জীবনসঙ্গীর হলে আপনার জীবনটাকে জীবিত থেকেও লাশে পরিনত করে আর জীবনটাকে নরকে মতো আগুনে পুড়ে মারে যা বেঁচে থেকেও অনুভব করা যায়।
কলমে- নীলুফা ইয়াসমিন নীলু
#বাস্তবতা #ভুলজীবনসঙ্গী #সম্পর্ক

24/04/2026

কাউকে ঠকিয়ে হয়তো কিছু সময়ের জন্য নিজের ভালো থাকা যায়, মুখে হাসি রাখা যায়, জীবনে স্বস্তির একটা মায়া তৈরি হয়।

কিন্তু সেই ভালো থাকা কখনোই স্থায়ী হয় না—
কারণ মিথ্যার ওপর দাঁড়িয়ে থাকা সুখ খুব সহজেই ভেঙে পড়ে।

সময়ের সাথে সাথে সব হিসাব মিলতে শুরু করে,
যে কষ্ট তুমি অন্যকে দিয়েছো, তার প্রতিধ্বনি একদিন ফিরে আসে।

তখন বোঝা যায়, সাময়িক লাভের জন্য যে বিশ্বাসটা ভেঙেছিলে, সেটাই ছিল তোমার জীবনের সবচেয়ে বড় ক্ষতি।

শেষ পর্যন্ত যারা ঠকায়, তারাই ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়—
মানুষের মন থেকে, বিশ্বাস থেকে, আর জীবনের আসল শান্তি থেকেও।♥💔😭

কলমে- নীলুফা ইয়াসমিন নীলু
#বাস্তবতা #ঠকানো #ঠগ

Want your practice to be the top-listed Law Practice in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Dhaka