Tutorial Homes
Welcome to Tutorial Homes, a digital video creator focused on helping individuals who want to learn about SEO, and digital marketing and start a career in the job field or online marketplace. Our channel features videos related to #DigitalMarketing, #SEO, #Latest Trends and Technology, and #Website technical issues, with some videos showcasing music and guitar playing as well. We put a lot of effo
আইয়ুব বাচ্চু মারা গেছেন। বেজবাবা অসুস্থ। জেমসের বয়সও তো কম হয়নি। মাইকেল জ্যাকসান মারা গেছেন বহু দিন। নতুন ফানি ভিডিও বানাবে না আর মিস্টার বিন। সালমান শাহ আর কখনো বাংলা সিনেমায় আসবে না। রাজ্জাক, রাজিব, হুমায়ূন ফরিদী আহ কি অসাধারণ ছিল তাদের অভিনয়। টেলিসামাদ, দিলদার তো অনেক আগেই চলে গেছেন। হিথ লেজারকে আর কোনোদিন জোকার চরিত্রে দেখা যাবে না। শাহরুখ, সালমান, আমির বুড়ো হয়ে যাচ্ছে। শৈশবের হিরোদের এখন ফানি লাগে। অসুস্থ কন্টেন্টে ভরপুর ফেসবুক আর চালাতে ভালো লাগে না। ভাই বোন যার যার মত থাকে। একসাথে হাসি আনন্দ অথবা মারামারি, কোনোটাই হয় না।
আক্ষরিক অর্থেই আমরা এই পৃথিবীর সবচাইতে ভাগ্যবান জেনারেশন। নব্বইয়ের মাঝামাঝি থেকে দুই হাজার পাঁচ- ছয় সাল অব্দি আমরা যারা শৈশব কাটিয়েছি এই বাংলাদেশে তারা কি পাইনি! তিন গোয়েন্দা আর ‘দীপু নাম্বার টু’ পড়া দিয়ে শুরু। কিশোর মুসা রবিন আর জীনার সাথে আমাদের কী ভীষণ বন্ধুত্ব! তারপর একটু বড় হতেই মাসুদ রানার রোমাঞ্চকর জগতে প্রবেশ। সাথে এক হাতে বাংলা সাহিত্য এবং নাট্যজগত অন্যরকম ভালোলাগায় গড়ে দেয়া সেই মানুষটা। হিমু, মিসির আলী, শুভ্র, জহির, মুহিব, অপলা, জরী, তিলু, নীলু থেকে শুরু করে বাকের ভাই, মজিদ, টুনি, তিতলী- কঙ্কা, চৌধুরি খালেকুজ্জামান, চ্যালেঞ্জার, ফারুক, ডাক্তার এজাজ, রিয়াজ, স্বাধীন খসরু, সূবর্ণা মুস্তফা, হুমায়ূন ফরিদী, শাওন। আমরা সবকিছু পড়েছি, দেখেছি, হেসেছি, কেদেছি, ভালোবেসেছি।
রোনালদো, রোনালদিনহো, বাতিস্তুতা, জিদানের শেষটা দেখতে না দেখতেই প্রবেশ করেছি মেসি- রোনালদো আর নেইমারের অতিমানবীয় জগতে। বছরের পর বছর ধরে কি দূর্দান্ত প্রতিযোগিতা, হাজার অর্জন, সবকিছু ছাড়িয়ে যাওয়া ম্যাজিক আর মুগ্ধতা। রাতদিন কত আলোচনা সমালোচনা ঝগড়া আর তর্ক।
আমরা কিন্তু ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ইন্ডিয়া আর পাকিস্তানকেই সমর্থন করতাম। আমাদের সময় রিয়াল আর বার্সেলোনা ছিলো আবাহনী আর মোহামেডান।
আমরাই বোধহয় শেষ জেনারেশন যারা সবাই মিলে ফুটবল খেলতাম, ২২ টাকা দামের বল কিনতে আমরাই সবার কাছে চাঁদা তুলতাম। একটা ব্যাট কিনতে আমাদের অনেক কষ্ট হতো। আমরা মাঠে ৩০/৩৫ জন থাকতাম কিন্তু খেলার সুযোগ সবাই পেতাম না। কোনো দুঃখ নেই আজ যারা খেলতে পারি নাই কালকে তারা আগে ব্যাটিং পাবে ....
অতিমানবীয় শচীন টেন্ডুলকারের শ্রেষ্ঠ সময় দেখেছি, শেষটা দেখেছি। অস্ট্রেলিয়ার অপ্রতিরোধ্য টিমের খেলা দেখেছি। লারা, ম্যাকগ্রা, মুরালীকে দেখেছি, দেখেছি চামিন্দা ভাস, সানাৎ জয়সুরিয়া, হেইডেন, গিলেস্পির খেলা। আমাদের সময়ই কিন্তু প্রথম ৩৭ বলে সেঞ্চুরি হয়েছিল। ওয়াসিম আকরাম, সৌরব, দ্রাবিড়, শেন ওয়ার্ন আর আসবে না। মনে আছে লাসিথ মালিঙ্গার প্রথম ম্যাচ। তারপর প্রবেশ করেছি বিরাট কোহলির পারফেকশনের জগতে। প্রবেশ করেছি সাকিব-তামিম-মাশরাফির যুগে। একটা নড়বড়ে দলকে চোখের সামনে মাথা উচু করে দাঁড়াতে দেখছি। আমি নিশ্চিতকরে বলতে পারি কোনো একদিন বাংলাদেশ বিশ্বকাপ জিতে নিলেও আজকের এই জয়ের তীব্র আবেগটা থাকবে না। মেহরাব হুসেইন অপি, বুলবুল আর নান্নুরাই ছিল আমাদের হিরো । আমাদের সময়েই তো শুরুটা হচ্ছে। জেমস, আইয়ুব বাচ্চু, বেজবাবা, আর্টসেল, শিরোনামহীন, মাইলসের সবচাইতে সুন্দর সময়ের সাক্ষী আমরা।
আসিফের ও প্রিয়া গানটির কথা কার কার মনে আছে !!! জেমসের রাতের তারা তুই কি আমায়...বাবা কতদিন কতদিন দেখিনি তুমায়.... তুমি মিশ্রিত লগ্ন মাধুরী ....., কিংবা আইয়ুব বাচ্চুর আমি কষ্ট পেতে ভালোবাসি একের পর এক দূর্দান্ত গানে ভেসে যাওয়া জেনারেশন আমরা। হাসান, বিপ্লব কিংবা পান্থ কানাই আমাদের প্রিয় গায়ক ছিলেন। মনে আছে সঞ্জীব দার কথা? আমি তোমাকেই বলে দেব, কি যে একা দীর্ঘ রাত... আমরাই একমাত্র যারা বখে যাওয়া শৈশবে না, যৌবনের শেষের ক্লান্তিতেও না, খুব বেশি সহজলভ্য ইন্টারনেট যুগে প্রবেশ করেছি তারুণ্যে উজ্জ্বল সময়ে।
গুগল, ইউটিউব, ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম সবকিছু পেয়েছি। স্মার্টফোনে অসাধারণ সব ফিচার পেয়েছি। শাহরুখ – সালমান- আমিরের সময়ের মানুষ আমরা। সিনেমা দেখার ঠিকঠাক বয়সে আমরা হাতের কাছে পাচ্ছি দুনিয়ার সমস্ত সিনেমা কয়েক মিনিটে ডাউনলোড করে দেখার সুযোগ। আইএমডিবি রেটিং খুজে ফরেস্ট গাম্প, বিউটিফুল মাইন্ড, শশাঙ্ক রিডেম্পশান, ইন্টারস্টেলার দেখে মুগ্ধ হওয়ার সৌভাগ্য। আমাদের সময়ে সিনেমা বানাচ্ছে ক্রিস্টোফার নোলান নামের একজন মানুষ। আমরা সিনেমা শেষ করে তব্দা খেয়ে বসে থাকছি। শৈশবের সব সুপার হিরো নিয়ে পর্দায় এসেছে জাস্টিস লীগ আর এভেঞ্জার্স ইনফিনিটি ওয়্যার।
আমরা কি ভীষণ ভাগ্যবান একটা জেনারেশন। আমাদের গর্ব করার কত কিছু আছে। নস্টালজিক হওয়ার কত স্মৃতি আছে। আবেগে ভেসে যাওয়া কত মুহূর্ত আছে। মুগ্ধতায় ডুবে যাওয়া কত সৃষ্টি আছে। মায়ের হাতের সুস্বাদু খাবার খাওয়া শেষ জেনারেশন বোধহয় আমরা। বাবাকে জমের মত ভয় পাওয়া শেষ জেনারেশনও সম্ভবত আমরাই। নাম না জানা অসংখ্য সুস্বাদু পিঠেপুলি আর কয়টা শীতের সকালে খাওয়া হবে কে জানে!
টিভিতে আলিফ লাইলা, সিন্দাবাদ, রবিনহুড, গডজিলা শুরুর মিউজিক বাজলে আমাদের বুকের রক্ত যেভাবে ছলকে উঠতো সেই তীব্র আনন্দ আজকের নারুটো আর ড্রাগন বল জি দেখা বাচ্চারা কোনোদিনও বুঝবে না। শুক্রবার নামের আবেগটা শেষ আমরাই বোধহয় অনুভব করেছি।
আমরা যেমন ভাগ্যবান ঠিক, সাথে সাথে আমাদের দূর্ভাগ্যও কি কম? ভাবতে গেলে আর ভাবনা চালিয়ে যাওয়া যায় না। তিন গোয়েন্দা তো শেষ হয়েই গেছে, মাসুদ রানা এখন কে লিখে তার ঠিক নেই। সেই স্বাদ পাওয়া যায় না। হুমায়ূন আহমেদ চলে গেছেন। সব বই পড়া শেষ, সব নাটক দেখা শেষ। ভাবতে গেলে কেমন লাগে! প্রথম আলোর সাথে সোমবারে আলপিন দেয় না। বৃষ্টি হলে কাগজের নৌকা ভাসাই না বহুকাল। সুনীল, শীর্ষেন্দু, সমরেশ মজুমদারকে আমরাই ভালো চিনতাম।
আর অল্প কয়টা বছর। তারপর কোনোদিন ফুটবল মাঠে পায়ের ছোঁয়া পড়বে না মেসি-রোনালদোর। এই দুই অতিমানবের পায়ে সৃষ্টি হবেনা কোনো জাদুকরী মুহুর্ত। আর একটা বিশ্বকাপ। তারপর সাকিব, তামিম, মাশরাফিও কি বাংলাদেশের হয়ে মাঠে নামবে? ভাঙা পা নিয়ে দৌড়াতে গিয়ে কেউ আর পড়ে যাবে না, ভাঙা আঙুল নিয়ে কেউ দশ ওভার বল করবে না, হাতে ব্যান্ডেজ বেঁধে কেউ ব্যাটিংয়ে নেমে যাবে না। লিখতে গিয়ে এই মুহুর্তে আমার চোখে পানি চলে আসছে। পারফেক্ট মুশফিকের সাথে বিপদের বন্ধু মাহমুদুল্লাহ। এই পাঁচজন ছাড়া বাংলাদেশ মাঠে নেমেছে সেটা আমরা কিভাবে সহ্য করবো? কিভাবে!!!!
আর কয়েক বছর পর মানুষ অনেক আধুনিক হবে। আধুনিক সমাজ প্রেমের ব্যাপারে অনেক উদার হবে। আমরাই শেষ জেনারেশন যাদের প্রেমিকার বিয়ে হয়ে গেছে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠিত ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা বিসিএস ক্যাডারের সাথে। একটা মানুষকে ভালোবেসেও শুধুমাত্র সমাজের কারণে একসাথে জীবন কাটানো হয়নি আমাদের।
আমরা একদিন হাজার হাজার স্মৃতি নিয়ে বুড়ো হয়ে যাবো। ভালো লাগা আর খারাপ লাগা দুই ধরনের স্মৃতির ওজনে ভারী হয়ে থাকবে আমাদের বয়সের বোঝা। কোনো এক ক্লান্ত সন্ধ্যার আলো আঁধারীতে বেলকনির বেতের চেয়ারে বসে আমরা দীর্ঘশ্বাস ফেলে ভাববো, ‘জীবনটা আসলে খারাপ ছিলো না!’
সূত্র: সংগৃহীত
এই পেশায় তো অনেক আগে ইনকাম বেশি ছিল, এখন বেশি একটা আয় হয়না। এখন এই পেশায় না আসায় ভাল (A Street Hawker Interview In Bangladesh)
12/04/2023
আগে মধ্যবিত্তদের ১ সপ্তাহের বাজার হয়ে যেত আর এখন ১ দিনের বাজারও হয়না। শুধুমাত্র সময়ের পরিবর্তন। মধ্যবিত্ত/নিম্ন-মধ্যবিত্তদের 'সময়টা' কেমন যাচ্ছে সেইটা এখনকার টাকার সাইজ দেখলেই বোঝা যায় -
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
Dhaka
1219