Islamqa bd
01/04/2023
প্রশ্ন
ইনজেকশনের মাধ্যমে মানুষের শরীর থেকে রক্ত নেয়া কি রোযা ভঙ্গকারী; নাকি ভঙ্গকারী নয়?
উত্তর
আলহামদু লিল্লাহ।.
“যে রক্ত নেয়া হয়েছে সেটা যদি প্রচলিত প্রথায় যৎসামান্য হয় তাহলে তার উপর সেই দিনের রোযা কাযার পালন করা ওয়াজিব নয়। আর যদি প্রচলিত প্রথায় বেশি হয় তাহলে আলেমদের মতভেদের ঊর্ধ্বে থাকার নিমিত্তে, সতর্কতা গ্রহণার্থে ও দায়মুক্তির লক্ষ্যে সেই দিনের রোযাটি কাযা পালন করবে।”[ফাতাওয়াল লাজনাদ দায়িমা (১০/২৬৩)]
শাইখ আব্দুল আযিয বিন বায (রহঃ) কে রমযানের দিন মেডিকেল টেস্টের জন্য রক্ত নেয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি জবাব দেন:
“এ ধরণের টেস্ট করা রোযাকে নষ্ট করবে না; বরঞ্চ এটি ক্ষমার্হ। যেহেতু এটি প্রয়োজন এবং পবিত্র শরিয়তে পরিজ্ঞাত রোযা ভঙ্গকারী শ্রেণীয় নয়।”[ফাতাওয়া ইসলামিয়্যা (২/১৩৩)]
শাইখ ইবনে জিবরীন বলেন:
“যদি কেউ রক্ত দান করে এবং তার কাছ থেকে অনেক রক্ত নেয়া হয়; তাহলে শিঙ্গা লাগানোর উপর কিয়াসের ভিত্তিতে তার রোযা নষ্ট হবে। রক্ত দান হলো: কোন রোগীকে বাঁচানোর জন্য কিংবা জরুরী অবস্থার জন্য সংরক্ষণের নিমিত্তে শিরা থেকে রক্ত নেয়া হয়। আর যদি গৃহীত রক্ত অল্প হয়; তাহলে রোযা নষ্ট করবে না। যেমন টেস্ট করার জন্য ইনজেকশনের সুঁই দিয়ে রক্ত নেয়া।”[ফাতাওয়া ইসলামিয়্যা (২/১৩৩)]
সূত্র: ইসলাম জিজ্ঞাসা ও জবাব
01/04/2023
প্রশ্ন
রোযা বর্জনকারী কি কাফের হয়ে হবে; যতক্ষণ সে নামায আদায় করে, কিন্তু কোন অসুস্থতা বা ওজর ছাড়া রোযা রাখে না।
উত্তর
আলহামদু লিল্লাহ।.
যে ব্যক্তি রোযার ফরযিয়তকে অস্বীকার করে রোযা রাখে না আলেমদের সর্বসম্মতিক্রমে সে ব্যক্তি কাফের। আর যে ব্যক্তি অসলতা ও অবহেলা করে রোযা রাখে না তার ব্যাপারে কিছু আলেমের অভিমত হচ্ছে সে কাফের। কিন্তু সঠিক অভিমত হচ্ছে— এমন ব্যক্তি কাফের নয়। তবে ইসলামের এই মহান রুকন ও আলেমদের সর্বসম্মত (ইজমাকৃত) ফরয বিধান বর্জন করার মাধ্যমে সে মহা বিপদের দ্বারপ্রান্তে আছে। রাষ্ট্রপ্রধানের পক্ষ থেকে সে শাস্তি পাওয়ার উপযুক্ত; যে শাস্তি তাকে নিরস্ত করবে। এমন ব্যক্তির উপর ফরয হল সে যে রোযাগুলো বর্জন করেছে সেগুলোর কাযা পালন করা এবং আল্লাহ্ তাআলার কাছে তাওবা করা।
আল্লাহ্ই সর্বজ্ঞ।
[দেখুন: ফাতাওয়াল লাজনাহ (১০/১৪৩)]
মূলঃ islamQA
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Bangladeshi
Dhaka
1340