Beginner Freelancer Help Club

Beginner Freelancer Help Club

Share

28/09/2022

"প্রায় ৬ মাস আগে আমার সামনের ফ্ল্যাটের নতুন প্রতিবেশী ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড চাইলো। দিয়েও দিলাম, কারণ আমার তো আর অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে না; এছাড়া নতুন প্রতিবেশীর সাথে একটু খাতিরও হলো।
গতকাল বাসায় ফিরছিলাম। উনাকে দরজার সামনে দেখে কুশল বিনিময় ও হাল্কা আলাপের মাঝে জানালেন যে সম্প্রতি উনি নেটফ্লিক্স এ সাবস্ক্রাইব করেছেন এবং নতুন নতুন ম্যুভি দেখে সময়টা ভালোই কাটছে। মজা করে বললাম "ভাই সারাদিন এতো ব্যস্ত থাকি যে টিভি দেখার সময়ই পাই না। আপনার নেটফ্লিক্সের পাসওয়ার্ডটা দিলে আমিও মাঝে মাঝে দুই-একটা সিরিয়াল দেখতাম।"
উনার ঘরের দরজা খোলা ছিল। ভিতর থেকে উনার গিন্নি প্রায় বেশ জোরে বলে উঠলেন "পাসওয়ার্ড দিতে পারবো না। আমরা পয়সা দিয়ে সাবস্ক্রাইব করেছি, পাসওয়ার্ড কেনো দিবো?"
কয়েক মুহূর্তের নিরবতা ভদ্রলোক ভাংলেন অপ্রস্তুত হাসি আর টুকটাক আলাপ শুরু করে। আমিও পালটা হাসি দিয়ে "আরে কোন সমস্যা না" বলে নিজের বাসায় ঢুকে গেলাম।
কিছুক্ষন পর ভদ্রলোক আর তার গিন্নি হন্তদন্ত হয়ে বেল বাজালেন- দরজা খুলতেই জানালেন যে ওয়াইফাই কাজ করছে না, পাসওয়ার্ডও নিচ্ছে না, আর নেটফ্লিক্সও চালাতে পারছেন না।
এবার মুচকি হাসি দিয়ে বললাম- জি, পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করে দিয়েছি। ইন্টারনেট বিলটা যেহেতু আমিই দিচ্ছি তাই পাসওয়ার্ড শেয়ার করবোনা ঠিক করেছি। মুখ শুকনা করে তারা ফিরে গেলেন। এর পর আর তাদের সাথে আন্তরিকতার দেখানোর প্রয়োজন অনুভব করিনি।"
লেখাটি একটা ইংরেজি লেখার অনুবাদ। তবে এর থেকে কিছু শিক্ষা অবশ্যই নেওয়া যায়-
বন্ধুত্ব, ভালোবাসা, স্নেহ, মমতা, আন্তরিকতা, সন্মান এই সব কিছুই হওয়া উচিৎ পারস্পরিক।
নিরবতার বদলে নিরবতা, শুন্যতার বদলে শুন্যতা, মায়ার বদলে মায়া, অনুভূতির বদলে অনুভূতি, আনুগত্যর বদলে আনুগত্য, সন্মানের বদলে সন্মান, এভাবে চলতে পারলে অনেক সমস্যার সমাধান খুব সহজেই সম্ভব। এতে জীবনটা অনেক অনেক শান্তিময় হবে।

07/03/2021

# ডাটা এন্ট্রি কি , কেন, কিভাবে?
আমি প্রথমেই বলে নেই যারা ডাটা এন্ট্রি (Data Entry) কাজটি করে থাকেন তাদের জন্য আমার এই লেখা নয়। যারা বর্তমানে এ কাজটি করছেন তাদের প্রতি আমার শুভ কামনা রইল- আপনারা এগিয়ে যান আপনাদের কাঙ্খিত লক্ষ্যে।তবে যারা নতুন –সেই নবীন ভাই-বোনদের উদ্দেশ্যে আমার এই লেখা।ডাটা এন্ট্রি (Data Entry) হচ্ছে কম্পিউটারের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ধরনের ডাটা একটি স্থান থেকে অন্য আরেকটি স্থানে প্রতিলিপি তৈরি করা। Data Entry গুলো হতে পারে হাতে লেখা কোন তথ্যকে কম্পিউটারের মাধ্যমে টাইপ করা কিংবা কম্পিউটারের কোন একটি প্রোগ্রামের Data একটি Spreadsheet ফাইলে সংরক্ষণ করা ইত্যাদি।
# ডাটা এন্ট্রি (Data Entry) কাজের প্রয়োজনীয়তা:
কম্পিউটার ব্যবহারের সাথে সাথে “ডাটা এন্ট্রি (Data Entry)” শব্দটি সবার মাঝে ক্রমান্বয়ে পরিচিত হতে থাকে।আমরা জানি বর্তমান ইন্টারনেটের যুগে চলছে তথ্যের অবাধ প্রবাহ। তথ্যের আদান প্রদান যেমন বিস্তৃত হয়েছে, তেমনি বেড়েছে বিভিন্ন ধরনের ডাটাকে সুবিন্যাস্ত করে এর বহুবিধ ব্যবহার করা। সে কারণে বর্তমানে গ্লোবাল দুনিয়ায় দক্ষ Data Entry Operaror এর ব্যাপক চাহিদাও বেড়েছে।মজার ব্যাপার হলো এধরনের কাজগুলো একা বা দলগতভাবে সম্পন্ন করা যায় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের অল্প জ্ঞান সম্পন্ন মানুষও এ কাজটি করতে পারেন।সে জন্য বর্তমানে এটি ঘরে বসে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অনেকগুলো সহজ পথের মধ্যে একটি অন্যতম সহজ পথ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।
কোথায় পাবেন এই ডাটা এন্ট্রি (Data Entry) কাজ!আসলে ডাটা এন্ট্রি এর কাজগুলো সাধারণ ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেস গুলোতে পাওয়া যায়। বিনামূল্যে রেজিষ্ট্রেশন করে ডাটা এন্ট্রি কাজ পাওয়া যায় এরকম কয়েকটি সাইট হলো:
1. www.Freelancer.com,
2. www.fiverr.com ইত্যাদি।
উপরোক্ত সাইটগুলোতে ডাটা এন্ট্রি কাজের আলাদা বিভাগ রয়েছে। সাইটগুলোতে কয়েকশত Dollar থেকে কয়েক হাজার Dollar এর প্রজেক্ট রয়েছে। এ কাজগুলো সাধারণত “প্রতি একহাজার Data এন্ট্রির জন্য একটি Dollar”এই ভিত্তিতে পাওয়া যায়। আবার অনেক সময় সম্পূর্ণ কাজের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থও দেয়া হয়।
# ডাটা এন্ট্রি কাজের প্রয়োজনীয় যোগ্যতা:
Data Entry কাজের জন্য আহা মরি কোন হাই-ফাই যোগ্যতার প্রয়োজন পড়ে না।
এ কাজের জন্য লাগবে-
১. ইন্টারনেটে সার্চ করে কোন একটি তথ্য খোঁজে বের করার মত যোগ্যতা,
২. বায়ারের প্রজেক্ট বুঝবারমত ইংরেজিতে হালকা জ্ঞান,
৩. দ্রুত টাইপিং করার ক্ষমতা,
৪. বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট, ফোরাম ইত্যাদি সম্পর্কে ধারনা,
৫.মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ও মাইক্রোসফট এক্সেলে দখল,
এছাড়া কিছু কিছু প্রজেক্ট পাওয়া যায় যাতে শুধুমাত্র কপি-পেস্ট করা ছাড়া আর কোন দক্ষতার প্রয়োজন হয় না।
Data Entry কাজের প্রকারভেদ:Freelancing সাইটগুলোতে সাধারনত নিম্নরুপ ডাটা এন্ট্রি কাজ পাওয়া যায় –
1) ওয়েবসাইটের জন্য একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর আর্টিকেল লেখা,
2) বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ফাইল, ছবি ইত্যাদি আপলোড করা,
3) দুটি ওয়েবসাইটের মধ্যে Link Exchange করা,
4) বিভিন্ন সাইট থেকে নির্দিষ্ট কিছু তথ্য এক্সেলের একটি ফাইলে সংরক্ষণ করা,
5) পিডিএফ এর লেখার ফরমেট, ছবি, ফুটনোট ইত্যাদি অপরিবর্তিতভাবে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে প্রতিস্থাপন করা
6) একটি ওয়েবসাইটকে বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ফোরাম, গ্রুপে গিয়ে পরিচয় করিয়ে দেয়া,
7) অনলাইনে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করতে সাহায্য করা,
8) অপটিক্যাল কারেক্টার রিকগনিশন (OCR ) থেকে প্রাপ্ত লেখার ভুল সংশোধন করা প্রভৃতি।
Data Entry কাজের অসুবিধাসমূহ:
Data Entry কাজ আসলেই অনলাইনে অন্যান্য কাজের তুলনায় তুলনামূলক ভাবে সহজ। তবে এর সামান্য কিছু সমস্যা আছে বিধায় এ ব্যাপারে আগে থেকেই সাবধান থাকলে সমস্যাটি সমাধান করা যাবে ।
যেমন-
১. এ ধরনের কাজে অনেক বেশি বিড পড়ে, তাই প্রথম অবস্থায় কাজ পাওয়া খুব কঠিন।
২. এই ধরনের কাজে আপনার মেধা বা দক্ষতা প্রমাণের প্রাথমিকভাবে কোন সুযোগ নেই। ডাটা এন্ট্রি কাজগুলো সময়সাপেক্ষ, একঘেয়ে এবং প্রায় ক্ষেত্রে বিরক্তিকর।
৩. অনেক কাজের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের স্পীড খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যেসব কাজে ফাইল আপলোড করতে হয় অথবা যে কাজগুলো খুব অল্প সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে,
৪. ডাটা এন্ট্রির কাজগুলো খুবই মনোযোগসহ করতে হয় সে জন্য নির্ভুল টাইপিং এবং কাজের সময় পূর্ণ মনযোগ রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

07/03/2021

অনলাইন_ইনকামের_15_টি_মাধ্যম
১. একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরী করুন এবং অ্যাডভার্টাইজিং নেটওয়ার্ক যেমন গুগল অ্যাডসেন্স বা ক্রয়বিক্রয়(buysell) অ্যাড এর মাধ্যমে আয় করতে পারেন। আপনি চাইল গুগল ডাবলক্লিক এর মাধ্যমেও সরাসরি আয় করতে পারেন। অনেকের কাছেই অ্যাডসেন্স অ্যপ্রুভ করা ঝামেলার বিষয়। কিভাবে অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভ করবেন প্রয়োজনীয় নিদের্শাবলী দেখুন অ্যাডসেন্স নিদের্শনা
২.মেইলচিম্পের মাধ্যমে ইমেইল নিউসলেটার সেল করে আয় করতে পারেন। স্পন্সর বা সাবস্ক্রাইবার খুজে বের করতে হবে । যেখানে ভিজিটররা নিউসলেটার পাওয়ার জন্য টাকা দিয়ে সাবস্ক্রাইব করবে। HackerNewletter, NowIKnow এবং Launch.co এই ধরনের কাজের ভাল উদাহরণ হতে পারে।
৩. নিজের ইউটিউব চ্যানেল খুলুন এবং ইউটিউবের পার্টনার হয়ে যান। আপনি Oneload সাইটটি ব্যবহার করে আপনার ভিডিওটি অনেক সাইটে ছড়িয়ে দিতে পারেন।
৪. সৃজনশীল কিছু তৈরী করুন যেমন হ্যান্ডবেগ জুয়েলারি পেইন্টিং বা কুটিরশিল্প ইত্যাদি এবং তা বিক্রয় করতে পারেন ইটসি, আর্টফায়ার বা ই-বে তে বিক্রয় করতে পারেন।
৫.টি-শার্টের ডিজাইন করুন এবং www.threadless.com, জাজে বা ক্যাফেপ্রেস এ রাখুন। আর বিক্রয় করুন।
৬.নিজের অনলাইন স্টোর তৈরী করুন তা নিজস্ব ডোমেইন বা সপিফাই (shopify),স্কয়ার (লিংক: http://www.squarespace.com )স্পেস এ হতে পারে। যেকোন বস্তু খাবার থেকে শুরু করে ডিজিটাল পণ্য সবই সেল করতে পারেন।
৭.যে কোন বিষয়ের উপর বই লিখুন। তা কিন্ডেল স্টোর , গুগল, বা আইবুক এ প্রকাশ করুন। আপনি চাইলে ই বুক হিসাবে অন্য রিটেইলার দের কাছে ও বিক্রয় করতে পারেন। অন্য রিটেইলার বিক্রয়ের জন্য স্মাশউড ( Smashwoods )বা বুকবেবি (BookBaby) ব্যবহার করতে পারেন।
৮. ইউডেমি Udemy বা স্কিল শেয়ারের SkillShare শিক্ষক হিসাবে যোগদান করুন আপনার প্রিয় বিষয় নিয়ে টিউটোরিয়াল তৈরী করুন। গিটার থেকে শুরু করে সাহিত্য ইয়োগা থেকে বিদেশী ভাষা যেকোন কিছু আপনি আন্তর্জাতিকভাবে শেখাতে পারেন।
৯. কোডিং শিখুন । গুরু Guru , ই-ল্যান্স eLance , আপওয়ার্ক , বি-ল্যান্সার এর মত মার্কেট প্লেস এ সফট্‌ওয়ার ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টে কাজ করুন।
১০. ভার্চুয়াল অফিস অ্যাসিস্টেন্ট হিসাবে প্রশাসনিক বা টেকনিক্যাল কাজে দুরবর্তী সহায়তা করতে পারেন। এক্ষেত্রে ই-ল্যান্স, টাস্কর‌্যাবিট TaskRabbit বা আপওয়ার্ক এ প্রচুর কাজ পাবেন।
১১.স্ক্রিপ্ট রাইটার হিসাবে যেমন কোন ব্রাউজার এর এক্সটেনশন প্লাগিন,মোবাইল অ্যাপস (অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোন) তৈরী করে আয় করুন । এক্ষেত্রে কোডকেনিওন CodeCanyon , চুপা Chupa বা বিনপ্রেস BinPress এ আপনার কোডটি বিক্রয় করে আয় করতে পারেন।
১২. খুব সাধারণ কম্পিউটার জব যেমন ডাটা এন্ট্রি জব, ট্রান্সক্রাবিং কিংবা ভিজিটিং কার্ড তৈরী করে আয় করতে পারেন। এজন্য মেকানিক্যাল টার্ক Mechanical Turk ব্যবহার করতে পারেন।
১৩. সৃজনশীল কাজ যেমন লোগো ডিজাইন,ব্যানার ডিজাইন,ওয়েব ডিজাইন অন্যান্য মার্কেটিং এর উপাদানগুলো তৈরী করে অনলাইনে আয় করা সম্ভব। এক্ষেত্রে ৯৯ডিজাইন 99Designs , ক্রাউডস্প্রিং CrowdSpring , ডিজাইনক্রাউডের DesignCrowd মত সাইটগুলো থেকে আয় করা যায়।
১৪. আপনার কি ভাল কন্ঠ আছে। আপনার যদি ইংরেজীতে জড়তা না থেকে থাকে তবে উমানো, ভয়েসবানী VoiceBunny , ভয়েস১২৩ Voice123 ভয়েস আর্টিষ্ট হিসাবে কাজ করে আয় করতে পারেন।
২৫. সর্বশেষ আপনি অনলাইন ব্যতীত অফলাইনে যেসকল ব্যবসার কথা চিন্তা করতে পারেন সবই অনলাইনে প্রয়োগ করা সম্ভব।
আপনি চাইলে উপরের যে কোন একটি বিষয় নিজেকে দক্ষ করে তুলে অনলাইন কে ব্যবহার করে ঘরে বসে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
ধন্যবাদ ❤️
#সংগ্রহীত

04/08/2020

"ক্যারিয়ার হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং"।
পড়াশোনার খরচ দিন দিন বেড়ে চলেছে, সেই সঙ্গে বেড়ে যাচ্ছে ফ্যামিলির প্রেসার। কি করবেন ভাবতে ভাবতে মাথার চুল ছিড়ে ফেলছেন। চাকরির বাজারের অবস্থাও খুব খারাপ, মামা, খালু আর ঘুষ ছাড়া চাকরি নাই, ঘুষ দেয়ার মতো টাকা নাই। বড় হয়ে গেছেন, ফ্যামিলি থেকে টাকা চাইতেও লজ্জা লাগে, এটাও বোঝেন যে বাবার আগের সেই সামর্থ নাই ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও। আপনার একমাত্র সম্বল কিছু টিউশন, কিন্তু কতদিন? এতো টেনশন থাকলে পড়াশোনা করবেন কিভাবে? নিজেকে গোছাবেন কিভাবে?
সেক্ষেত্রে নিজেকে বদলাতে হবে কারন, ট্র্যাডিশনাল ওয়ে তে চাকরী আপনি পাবেন না। তাহলে কী করবেন? নিজের ক্যারিয়ারটা গোছাবেন কিভাবে? একবার ভাবুন প্রজ্ঞা, বুদ্ধি কোনোটাই আপনার কারো থেকে কম না, শুধু সুযোগ পান না বলে কিছু করতে পারছেন না। তাহলে এখনই সময় নিজেকে বদলে ফেলার। এখনই সময় নিজের মেধা, স্কিল, বুদ্ধিকে পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেয়ার, যেখানে শুধু আপনার মেধার মূল্যায়ন হবে, মামা/খালু লাগবেনা, আর কোনো ঘুষ ও লাগবেনা।
কি করবেন তাহলে? প্রফেশনাল ফ্রীল্যানসিং শুরু করুন, দেশের বাইরের অনলাইন প্লাটফর্ম গুলোতে নিজের একটা স্ট্যান্ডার্ড প্রোফাইল দাঁড় করান। দিনের অনেকটা সময়তো আপনি ব্যায় করছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে, অথচ এই অপ্রয়োজনীয় অলস সময়টাই হতে পারে আপনার লাইফ এর টার্নিং পয়েন্ট ! কেন আপনি সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার হিসেবে নিজেকে প্রথিষ্ঠিত করার কথা চিন্তা করেছেন না? যেটা ছিল আপনার অলস সময় কাটানোর মাধ্যম, সেটাই হয়ে যাবে আপনার ক্যারিয়ার আর স্মার্ট আয়ের মাধ্যম।
সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার হিসেবে ঘরে বসেই আপনি আয় করতে পারেন এমন একটা অংক যা দিয়ে আপন খুব স্মার্টলি আপনার পড়াশোনা চালানোর পাশাপাশি আপনার ফ্যামিলি কেও সাপোর্ট দিতে পারবেন। আজকাল কোম্পানীগুলো তাদের সেলস্ বাড়ানোর ক্ষেত্রে সোশাল মিডিয়া মার্কেটিংকে অনেক গুরুত্ব দেয় আর সেক্ষেত্রে আপনি আপনার দক্ষতা দিয়ে খুব সহজেই সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার হিসেবে ক্যারিয়ার টাকে ধীরে ধীরে একটা স্ট্যান্ডার্ড লেভেল এ নিয়ে যেতে পারবেন।
আমাদের দেশের শ্রম মূল্য খুবই কম তাই বিদেশী কোম্পানি গুলো চায় তাদের কাজ গুলো আমাদের দেশ থেকে করিয়ে নিতে। সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার হিসেবে আপনাকে বিভিন্ন কোম্পানীর ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, পিন্টারেস্ট, লিংকড্ইন, ট্রাম্বলার, ফ্লিকার, রেড্ডিট, স্ন্যাপচ্যাট, হোয়াটস্অ্যাপ, কোরা, নিউজ বাইন, স্টাম্বলআপনসহ আরো অনেক সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট মেইনটেইন করতে হবে। তবে এই ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই এই কাজ গুলোতে দক্ষ হতে হবে। সব ধরণের ইউজারদের কাছে কোম্পানীর পন্যের প্রচার করতে হবে, কাস্টমারদের ম্যানেজ করতে হবে, সেল বাড়াতে হবে, অর্গানিক এবং পেইড মার্কেটিং এ দক্ষতা অর্জন করতে হবে। একজন দক্ষ সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটার/ম্যানেজার খুব সহজেই তার দক্ষতা দিয়ে প্রথম দিকে ঘন্টায় ৫ থেকে ১0 ডলার উপার্জন করতে পারে। এরপর অভিজ্ঞতা যত বাড়বে, আপনার ঘন্টা প্রতি চার্জ টাও সে অনুপাতে বৃদ্ধি পাবে।
সময় নষ্ট না করে প্রস্তুতি নিন, লক্ষ্য স্থির করুন, একজন সফল সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটার হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলুন। প্রশিক্ষণের জন্যে আপনি Beginner Freelancer Help Club কে বেছে নিতে পারেন (আপনি আসলে দক্ষ যে কারো কাছ থেকেই প্রশিক্ষণ নিতে পারেন)। Beginner Freelancer Help Club তে আমি নিজেই ক্লাস নিয়ে থাকি। মহান সৃষ্টিকর্তার কৃপায় একজন সফল ফ্রীল্যান্সার হিসেবে গত ৬ মাস ধরে upwork এ সফলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি। চাকরীর আশায় সময় নষ্ট না করে স্কিল ডেভেলপ করে একজন দক্ষ ফ্রীল্যান্সার হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলুন। মনে রাখবেন একজন দক্ষ ফ্রীল্যান্সার শুধুই আয় করেন না, তার উপার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা দেশের অর্থনীতিতেও একটা বিরাট প্রভাব রাখে। একজন দক্ষ ফ্রীল্যান্সার চাইলে উদ্যোক্তা হিসেবে আরো কিছু লোকের কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থাও করতে পারে।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka