Quranic knowledge
জীবনে চলার পথে আমাদের বিভিন্ন বাধা বিপত্তির সম্মুখীন হতে হয়। আর এ বাধা বিপত্তিকে কেন্দ্র করে আমরা অনেকেই খেদ ও হতাশার বেড়াজালে নিমজ্জিত হই। তখন দেখা যায় মানসিক বেদনা জীবনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়ায়। তাই এ কষ্টকে নিবারনের জন্য আমরা অনেকেই সিগারেটের ধোঁয়ায় প্রশান্তি খুঁজি। কেউবা হারাম রিলেশনের দিকে পা বাড়ায় কষ্টকে ঘুচানোর জন্য। এমনকি কেউ কেউ মনে করে তখন তাঁর এ জীবন মৃত্যুর চেয়েও কষ্টকর বিধায় এখন আত্মহত্যায় শ্রেয়। এমনি ভাবেই তুচ্ছ যন্ত্রণা থেকে নিষ্কৃতি পেতে খুব সহজেই আমরা মহা কষ্টকে আলিঙ্গন করে নিচ্ছি।
*
এভাবেই আমরা প্রতিনিয়ত ভুলের মধ্যে শান্তি খুঁজে চলছি। তবে একটিবারও ভাবছি না যে এ কাজগুলা আদেও শান্তি দিচ্ছে, নাকি আরো অন্ধকারে নিমজ্জিত করছে!! মুলত এগুলা এক প্রকার অ্যালোপ্যাথি ঔষুধের মত। যা উপরে কিছুটা প্রশান্তির বাতাস দিলেও, ভেতরে ঠিক উল্টটায় করছে।
*
এখন প্রশ্নের বিষয় তাহলে আসল প্রশান্তি কিসে? কি এমন করলে এই অশান্ত জীবন শান্ত হবে।
এ ব্যাপারে মহান আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করছেন,
الَّذِينَ ءَامَنُوا وَتَطْمَئِنُّ قُلُوبُهُم بِذِكْرِ اللَّهِ ۗ أَلَا بِذِكْرِ اللَّهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُ.
{যারা ঈমান আনে এবং আল্লাহর স্মরণে যাদের অন্তর প্রশান্ত হয়; জেনে রাখ, আল্লাহর স্মরণ দ্বারাই অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয়’}–(সূরা রাদ -২৮)
অর্থাৎ একমাত্র আল্লাহর যিকির তথা কুরআন তেলাওয়াত , নফল ইবাদত এবং দু'আ ও মুনাজাত ইত্যাদি একজন ঈমানদারের মনের খোরাক। যা ব্যতিরেকে একজন ঈমানদার সারাক্ষণ অস্থির থাকেন।
তো সাময়িক এ অস্থিরতা থেকে মুক্তি পেতে সবচেয়ে উত্তম পন্থা হলো গভীর রজনীতে যখন সারা পৃথিবী ঘুমে আচ্ছন্ন। তখন পবিত্র আত্মা নিয়ে দুরাকাত নামাযের মাধ্যমে মহামহিম মনিবের নিকট নিজের অমূল্যবান চোখের পানি সপে দিয়ে নিজের অব্যক্ত কথা গুলো যদি ব্যক্ত করা যায়। তখন কি যে এক প্রশান্তি লাভ করা যায়, তা যা দিয়েই বর্ণনা করি বা যে ভাবেই বর্ণনা করি না কেন একটু হলে ও অপূর্ণ থেকে যায়।
লিখেছেন...
'Quranic knowledge’- এর অ্যাডমিন প্যানেল।
(শেয়ার করে পাশে থাকুন)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka University , Dhaka-1000
Dhaka
25800