Wonder Chef
Made with love, savours with memories�
"Wonder Chef" is online based food service at your doorstop.We bring joy to your place with our freshly cooked cuisines.
13/05/2026
আমি খুবই সংসারী মানুষ,গুছিয়ে পরিপাটি হয়ে কাজ করতে আমার অনেক বেশি ভালো লাগে।
পুরা বছরের মশলা (গরম মশলা,জিরাগুঁড়া,ধনিয়া গুঁড়া ) আমি গুঁড়ো করে ফেলি প্রতিবার কোরবানি ঈদের আগে আগে।কোরবানির ঈদে মশলা না কিনলে ঈদ ঈদ অনুভূতি হয় না আমার।
রোযার ঈদে যেমন নতুন জামা লাগে তেমনি কোরবানির ঈদে আমার মশলা করা লাগে।
মশলা থাকুক বা শেষ হয়ে যাক,ঈদের আগে আমি আমার স্বামীর সাথে নিজে গিয়ে মশলা কিনে --ঝেরে, মুছে, রোদ্দুরে শুকিয়ে গুঁড়ো করে ফেলি নিজের হাতে।।এই কাজটা করতে যে আমার কতো আনন্দ লাগে তা বলে বুঝাতে পারব না।
আমি যত ধরনের মশলা চিনি বা নাম জানি,বলা যায় দোকানে যত ধরনের মশলা পাওয়া যায় সব পরিমানমতো কিনে একসাথে গুঁড়ো করে ফেলি।জিরাগুঁড়া আলাদা করে করি।ধনিয়া গুঁড়ো আলাদা করে করি,কারণ বড় মাছ ভুনা করতে আমি অল্প জিরা ধনিয়ার গুঁড়া দেই।
তবে অল্প পরিমাণ জিরা এবং ধনিয়া আমি গরম মশলাতেও ব্যবহার করি।
(আমার প্রসেসে হয়তো ভুল থাকতে পারে, কিন্তু সারাজীবন এভাবেই একসাথে করে ফেলি,সব ধরনের মাংস,বিরিয়ানি, কাবাবে আমি আমার বানানো মশলা দিয়েই করি।আলহামদুলিল্লাহ সবাই প্রশংসাই করে,কেউ কখনো খারাপ বলেনি))
অন্যান্য কাজের মত এই কাজটা আমার করতে অনেক অনেক বেশি ভালো লাগে।পুরো ঘরে মশলার মৌ মৌ গন্ধে ভরে থাকে।কি যে ভালো লাগে তখন আমার।।।অনেকদিন থাকে মশলার এই মৌ মৌ গন্ধ।
সংসারের প্রতিটা কাজ আমি ভালোবেসে মনে আনন্দ নিয়ে করি।
সংসারটা আমার,কাজগুলোও আমার ভেবে করি বলেই কখনো বেশি মনে হয় না,মনে বিতৃষ্ণা আসে না।
কাজ করতে আমার ব্যাপক আনন্দ লাগে।যদিও আমি অনেক বেশি কাজ করি না,আমি অনেক বেশি অলস 😁😁
কিন্তু এত মশলা একসাথে করা খুব বেশিই কষ্টের কাজ।ব্লেন্ডারে গুঁড়ো করতেও অনেক সময় লেগেছে!!
সকাল ভোরে উঠে ছাদে চাদর বিছিয়ে মশলা পাতলা করে শুকাতে দিয়েছি।আল্লাহর রহমতে সারাদিন কড়া রোদ ছিলো।
এই রোদ্দুরে মশলা শুঁকিয়ে কড়কড়ে মড়মড়ে হয়ে গেছে। তারপর গুঁড়া করে ফেলেছি।
এটা কোনো বিক্রির পোস্ট না।
এত খাঁটুনি করে মশলা তৈরি করলে দাম কত পরবে বুঝতে পারছি না।
অনেক মানুষ মনে করে মশলা গুঁড়া করা হয়তো ফু দিলেই হয়ে যায় 😁নিজের কাজটাকে কষ্টের মনে করে অন্যের কাজটাকে সহজ বা ছোটো ভাবার লোকের অভাব নাই এই দুনিয়ায়।
আমি কত টাকার মশলা কিনেছি তা জিজ্ঞেস না করে আপনার কতটুকু দরকার ততটুকু করবেন।
অনেকেই বলবে এত মশলা???
আমার যতটুকু দরকার ততটুকু করেছি।আপনি আপনার যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু করবেন প্লিজ।
মশলার পরিমাণঃ
দারুচিনি ১ কেজি (এবার ভালোটা নিয়েছি,অন্যবছর গাছের বাকল কিনছি মনে হয়, এবারেরটা সত্যি ই সেরা, খুবই ভালো)
এলাচ ৩০০ গ্রাম
কালো এলাচ ১০০ গ্রাম
সাদা গোল মরিচ ১০০ গ্রাম
কালো গোল মরিচ ১০০ গ্রাম
লবঙ্গ ১০০ গ্রাম
জায়ফল ১৫ পিস
জয়ত্রী ৫০ গ্রাম
পোমরা ১০০ গ্রাম
স্টার এনিস ১০০ গ্রাম
পোস্তদানা ১০০ গ্রাম
শাহী জিরা ৫০ গ্রাম
কাবাব চিনি ২৫ গ্রাম
মেথী ১০০ গ্রাম
পাঁচ ফোঁড়ন ৫০ গ্রাম
তেজপাতা ৫০ গ্রাম(ছবিতে কম দিয়ে তুলেছি,পরে অনেকগুলো দিয়েছি মানে ৫০ গ্রাম দিয়েছি)
ধনিয়া ১০০ গ্রাম
মৌরি ৫০ গ্রাম
রাঁধুনি ৫০ গ্রাম
পিপুল ২৫ গ্রাম
জিরা ১০০ গ্রাম
ধনিয়া ১০০ গ্রাম (জিরা ধনিয়ার গুঁড়া আমি আলাদা করেছি,কিন্তু তারপরও গরম মশলায় একটু ব্যবহার করি,কেউ চাইলে স্কিপ করতে পারো।না দিলেও সমস্যা নেই)
শুকনা মরিচ ৫০ গ্রাম
শুকনা মরিচ এটা আমি সুন্দর কালার এবং স্মেল এর জন্য ব্যবহার করি।
জরুরি না, কেউ ব্যবহার না করতে চাইলে কোনো সমস্যা নেই।
আগামী শনিবার এর জন্য মেনু!!
১. নাগা মরিচ আর লেবু পাতায় মুরগীর ঝোল
২. সরিষা ইলিশ
৩. পাবদা মাছের পাতলা ঝোল
৪. নাগা মরিচ দিয়ে ডাল চচ্চরি
৫. লাউ দিয়ে চিংড়ি তরকারি
৬. টমেটো দিয়ে রুই মাছের পাতলা ঝোল
৭. বীফ কষা
কাল রাতের মধ্যেই আমাদের ইনবক্সে অর্ডার কনফার্ম করুন।
ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রী এই মাসের জন্য 🤩
ইতি,
আপনাদেরই
ওয়ান্ডার শেফ ❤️
08/05/2026
কুরবানী সম্পর্কে যাবতীয় সকল মাসয়ালা :
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১. কার উপর কুরবানী ওয়াজিব?
উঃ প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থমস্তিষ্ক সম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী, যে ১০ যিলহজ্ব ফজর থেকে ১২ যিলহজ্ব সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে তার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব। টাকা-পয়সা, সোনা-রূপা, অলঙ্কার, বসবাস ও খোরাকির প্রয়োজন আসে না এমন জমি, প্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সকল আসবাবপত্র কুরবানীর নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য।
আর নিসাব হল স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরি, রূপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি, টাকা-পয়সা ও অন্যান্য বস্ত্তর ক্ষেত্রে নিসাব হল এর মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হওয়া। আর সোনা বা রূপা কিংবা টাকা-পয়সা এগুলোর কোনো একটি যদি পৃথকভাবে নেসাব পরিমাণ না থাকে কিন্তু প্রয়োজন অতিরিক্ত একাধিক বস্ত্ত মিলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হয়ে যায় তাহলেও তার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব।-আলমুহীতুল বুরহানী ৮/৪৫৫; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ১৭/৪০৫
কুরবানীর নেসাব পুরো বছর থাকা জরুরি নয়; বরং কুরবানীর তিন দিনের মধ্যে যে কোনো দিন থাকলেই কুরবানী ওয়াজিব হবে।-বাদায়েউস সানায়ে ৪/১৯৬, রদ্দুল মুহতার ৬/৩১২
📌 ফতাওয়া দারুল উলূম দেওবন্দে রয়েছে,
"قربانی ہر اس مسلمان عاقل بالغ مقیم پر واجب ہے جس کے پاس حاجت اصلیہ سے زائد نصاب کے بقدر مال ہو، چاہے سونا چاندی ہو یا نقدی یا مال تجارت۔ نصاب چاندی کا اعتبار کیا جائے گا جو 612 گرام 36 ملی گرام ہے۔"*
প্রয়োজন অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ মাল থাকলে কুরবানী ওয়াজিব। নেসাব রূপার হিসাবে ৬১২.৩৬ গ্রাম।[ফতাওয়া দারুল উলূম দেওবন্দ, জি: ৬, স: ৩১০]
সেই হিসেবে ১ লাখ ৭৮ হাজার টাকার মালিক হলেই কুরবানী ওয়াজিব। এটাই আজকের সঠিক হিসাব।
বিঃ দ্রঃ একাক এলাকায় একাক দাম। তাই দাম কম বেশি হতে পারে। তাই নিকটস্থ কোন জুয়েলার্সে গিয়ে সঠিক ভালো করে জেনে নিবেন।
২. নিসাবের মেয়াদ কত দিন?
উঃ ৩ দিন, জিলহজ্জ মাসের ১০,১১ এবং ১২ তারিখ সূর্যাস্ত পর্যন্ত।
৩. তিন দিনের মধ্যে কোন দিন কুরবানী করা উত্তম?
উঃ ১০ তারিখে প্রথম দিন।
৪. যদি নাবালেগ ছেলের নিসাব পরিমাণ সম্পদ থাকে, তার উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে কি ?
উঃ না।
৫. বালেগ কিন্তু সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন নয় তবে নিসাব পরিমাণ সম্পদ আছে তার উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে কি ?
উঃ না।
৬. যদি নাবালেগের নিসাব পরিমাণ সম্পদ থাকে এর পক্ষে থেকে কুরবানী দেওয়া কি?
উঃ মুস্তাহাব, ওয়াজিব না।
৭. দরিদ্র লোকের উপর কুরবানী কি ওয়াজিব?
উঃ না, তবে যদি কুরবানির নিয়তে পশু ক্রয় করে
তখন সে পশু কুরবানী করা ওয়াজিব।
৮. কেউ যদি কুরবানির দিন গুলোতে কুরবানির দিতে না পারে তাহলে কি করবে, যদি সে নিছাব পরিমাণ সম্পদ আছে, কোন সমস্যায় দিতে পারে নি তাহলে কি করবে?
উঃ একটা ছাগল যে কুরবানী উপযুক্ত সে ছাগলের সমপরিমাণ টাকা সদকা করে দিবে ন এটা হলো যারা পশু ক্রয় করতে পারেনি তাদের জন্য।
কিন্তু যারা পশু কিনেছেন কিন্তু তিন দিনের মাঝে কুরবানী দিতে পারেন নি তাহলে তার জন্য করণীয় হলো সে পশু সদকা করে দেওয়া।
আবার যদি কেউ তিন দিন পর জবাই করে ফেলে তাহলে সে ঐ পশুর গোশত ওজন করবে তারপর যদি ঐ পশুর ক্রয়ের টাকা থেকে কম হয়, তাহলে গোশত সহ যতো টাকার গোশত কম হয়েছে পুরোটাই সদকা করতে হবে। ধরনে আপনি ২০ হাজার দিয়ে কিনেছেন, ওজন দিয়ে দেখলেন ১৮ হাজার টাকার গোশত হয়েছে, গোশতের আরও ২ হাজার টাকা সদকা করতে হবে।
৯. প্রথম দিন কখন থেকে কুরবানী করা যাবে?
উঃ যে এলাকায় জুমার নামাজ,এবং ঈদের নামাজ ওয়াজিব সে এলাকায় ঈদের নামাজের আগে কুরবানী করা জায়েজ নেই। তবে কোন প্রকার দুর্ঘটনা ঘটে গেলে যদি ঈদের নামাজ না পড়া যায় তাহলে করনীয় হলো সূর্য মধ্যে আকাশ অতিক্রম করার পর কুরবানী করা জায়েজ হবে।
১০. রাতে কুরবানী দিলে কি হবে?
উঃ ১০, ১১ তারিখে রাতে দিলে হবে ১২ তারিখ রাতে দিলে হবে না।
১১. কোন কোন পশু দিয়ে কুরবানী দেওয়া জায়েজ?
উঃ- গরু, উট, মহিষ, দুম্বা, ছাগল এবং ভেড়া।
১২. পশু দের লিঙ্গ ভেদ করতে হবে কি?
উঃ- না, পুরুষও মহিলা উভয় দিয়ে হবে।
১৩. পশুর বয়স সীমা কত?
উঃ উট কম পক্ষে ৫ বছর,গরু মহিষ ২ বছর
ভেড়া, দুম্বা ছাগল ১ বছর।
ভেড়া এবং দুম্বা ১ বছর হয়নি তবে বলিষ্ঠ মনে হয়
যে এক বছর হয়েছে তাহলে এটা দিয়ে কুরবানী হবে।
তবে ছাগল ১ বছরের নিচে কোন ভাবে হবে না।
১৪. শরীক সর্বোচ্চ কত জন হওয়া যাবে?
উঃ উট, গরু,মহিষে সর্বোচ্চ ৭ জন কমে হলে সমস্যা নেই, তবে একা দেওয়া উত্তম। ছাগল, দুম্বা, ভেড়াতে একজন।
১৫. গোশত ভাগে কম বেশি হলে?
উঃ- কারো কুরবানী সহীহ হবে না।
১৬. শরীকের মাঝে কেউ যদি গোশত খাওয়ার নিয়তে দেয় তাহলে?
উঃ কারো কুরবানী হবে না।
১৭. কুরবানীর পশুতে আকিকা দেওয়া যাবে?
উঃ হ্যাঁ, তবে উট, গরু,এবং মহিষে।
১৮. শরীকদার-দের মাঝে যদি কারো অধিকাংশ বা পুরা টাকা হারাম হয়, তাহলে কি কুরবানী হবে?
উঃ না না না! কারো কুরবানী হবে না।
১৯. গরু, মহিষ উট একা কুরবানী নিয়তে কিনার অন্য কাউকে কি শরীক করা যাবে?
উঃ ধনী হলে পারবে অর্থাৎ যার উপর ওয়াজিব, তবে গরিব ওয়াজিব না কুরবানী তার উপর। পশু কিনে ফেলছে কুরবানীর নিয়তে তাহলে শরীক করা যাবে না একাই দিতে হবে।
২০. কোন ধরনের পশু নির্বাচন করা উত্তম?
উঃ রিষ্ট পুষ্ট, তাজা পশু নির্বাচন করা সুন্নত।
২১. যে পশু তিন পায়ে ভর করে চলে এমন পশু ধারা কি কুরবানী হবে?
উঃ না।
২২. রোগ্ন পশু দিয়ে কি কুরবানী হবে?
উঃ না।
২৩. দাঁত ছাড়া পশু দিয়ে কি কুরবানী হবে?
উঃ একটা দাত নেই এটা কোন ভাবেই হবে না, অথবা কিছু আছে তবে ঘাস খেতে পারে না এমন পশু ধারা কুরবানী হবে না।
২৪. শিং ছাড়া পশু দিয়ে কুরবানী হবে কি ?
উঃ জন্মগত যে পশুর শিং নেই সেটা ধারা হবে।
তবে পরবর্তীতে যেটা ভেঙ্গে যায় আর তার ফলে মস্তিষ্কে ক্ষতি হয় এমন পশু ধারা হবে না। তবে অর্ধে হলেও হবে।
২৫. লেজ কাটা, কান কাটা পশু দিয়ে কুরবানি হবে কি?
উঃ যদি পশুর লেজ বা কান অর্ধেক বা তার বেশি কাটা হয় তাহলে সে পশু ধারা কুরবানী হবে না। তবে অর্ধেকের কম হলে হবে।
২৬. অন্ধ পশু ধারা কুরবানী করা যাবে কি?
উঃনা তবে যে পশুর এক চোখ ও অন্ধ সেটা দিয়েও হবে না।
২৭. কুরবানীর নিয়তে পশু ক্রয় করার পর হারিয়ে গেলে দাতা কি করবে?
উঃ ধনী হলে আরেক টা ক্রয় করবেন।
এবং গরিব ওয়াজিব নয় এমন ব্যক্তি ক্রয় করতে হবে না
তবে কিনার পরে যদি আবার প্রথম পশু ফিরে পাওয়া যায় তাহলে ধনী ব্যক্তি যেকোন একটা কুরবানী করলে হবে, তবে দুটা করা উত্তম একটা করলেও হবে।
আর গরিব ব্যক্তি যদি হয় তাহলে দুটাই দিতে হবে।
দুটাই দেওয়া তখন ওয়াজিব।
২৮. গর্ভবতী পশু কুরবানী করা কি জায়েজ আছে?
উঃ হ্যাঁ, গর্ভবতী পশু কুরবানী করা জায়েয। জবাইয়ের পর যদি বাচ্চা জীবিত পাওয়া যায় তাহলে সেটাও জবাই করতে হবে। তবে প্রসবের সময় আসন্ন হলে সে পশু কুরবানী করা মাকরূহ। (কাযীখান ৩/৩৫০)
২৯. পশু জবাইয়ের পরে যদি বাচ্চা কে জীবিত পাওয়া যায় তাহলে কি করবে?
উঃ বাচ্চা ও জবাই দিতে হবে।
৩০. জবাইয়ের আগ মুহূর্তে যদি পশু প্রসব অবস্থায় উপনীত হয় তখন করনীয় কি?
উঃ সে পশু জবাই করা জায়েজ আছে, তবে মাকরূহ!
৩১. পশু ক্রয় করার পর যদি এমন কোন দোষ দেখা যায় যে দোষ গুলো থাকিলে কুরবানী হয় না তখন করনীয় কি?
উঃ এই পশু ধারা কুরবানী হবে না।
তবে এখানে গরিব ব্যক্তির জন্য জায়েজ আছে
ধনী ব্যক্তির জন্য জায়েজ নয়।
৩২. আপনি কোন পশু ক্রয় করার সময় জিজ্ঞেস করলেন বয়স কত সে বললো ২ বছর যদি সেটার আসলে বয়স ২ বছর না হয় তখন কি করনীয় বা কুরবানী কি হবে?
উঃ হ্যাঁ হবে, তবে যে বিক্রেতা মিথ্যা বলেছে তার গুনা হবে।
৩৩. পশু কোথায় জবাই করা উত্তম?
উঃ যেখানে পরিবেশ দূষিত হওয়ার আশংকা কম থাকে।
৩৪. পশু কে জবাই করা উত্তম?
উত্তমঃ নিজের পশু নিজে কুরবানী করা উত্তম।
৩৫. বন্ধা পশু ধারা কুরবানী হবে কি?
উঃ- হ্যা হবে।
৩৬. অনেক সময় হুজুর জবাই করার পর দেখা যায় সম্পূর্ণ হয়নি আবার অন্যজন অস্ত্র হাতে নিয়ে রগ বা শিরা কাটতে যায় এটা কি জায়েজ হবে?
উত্তরঃ হ্যাঁ, জায়েজ আছে। তবে উভয় ব্যক্তি বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার না বললে কুরবানী হবে না।একজন যদি না বলে সেক্ষেত্রে ও কুরবানী বাতিল হয়ে যাবে।
৩৭. কুরবানীর পশু ধারা উপকৃত হওয়া যাবে কি?
উঃ না এটা কোন ভাবে জায়েজ নেই।
৩৮. কুরবানীর পশু দ্বারা কেউ হাল চাষ করে ফেললে সেক্ষেত্রে করনীয় কি?
উঃ অন্য পশু দ্বারা করলে যে পারিশ্রমিক আসত সে পরিমান টাকা সদকা করে দেওয়া।
৩৯. কুরবানির পশুর,দুধ পান করা যাবে কি?
উঃ না।
৪০. যদি পশুর জবাইর আগে এমন হয় দুধ দহন না করলে পশুর কষ্ট হবে তাহলে করনীয় কি?
উঃ সে দুধ দহন করে সদকা করে দিতে হবে.
ভুলে খেয়ে ফেললে যে পরিমাণ পান করেছেন সে পরিমাণ অর্থ সদকা করতে হবে।
৪১. পশু ক্রয় করার পর শরীক মারা গেল তখন কি করবে?
উঃ তার ওয়ারিশরা যদি বলে কুরবানী করেন তাহলে
করতে পারবেন, আর যদি বলে না করতে পারবেন না তাহলে টাকা দিয়ে দিতে হবে।
তবে চাইলে পরবর্তী আরেক জন শরীক করতে পারবেন।
৪২. জবাইয়ের আগে পশু বাচ্চা দিলে কি করবেন?
উঃ ঐ বাচ্চা জীবিত সদকা করে দিতে হবে।
সদকা না করলে পশুর সাথে জবাই করতে হবে।
এখানে জবাই করা বাচ্চার গোশত সদকা করে দিতে হবে, আপনে খেতে পারবেন না।
৪৩. মৃত্যু ব্যক্তির পক্ষ থেকে কি কুরবানী করা যাবে?
উঃ হ্যাঁ, করা যাবে, তবে উসিয়ত করে গেলে গোশত সদকা করে দিতে হবে। উছিয়ত না করলে আপনে খেতে পারবেন।
৪৪. তিন দিনের বেশি কুরবানীর গোশত রাখা যাবে?
উঃ হ্যা রাখা যাবে যতো দিন ইচ্ছে!
৪৫. অনুমান করে বন্টন করা কি জায়েজ আছে?
উঃ না, পূর্ণ ওজন করে ভাগ করতে হবে।
৪৬. তিনের এক অংশ গরীব কে দেওয়া, যদি সেটা না দেই তাহলে কি কুরবানী হবে? (আমরা যেটা কে সমাজের গোশত বলি)
উঃ হ্যাঁ, হবে তবে সেটা বড় কৃপনতার পরিচয়।
৪৭. গোশত চর্বি বিক্রি করা যাবে কি?
উঃ না।
৪৮. জবাইকারী বা কসাই কে গোশত দিয়ে পারিশ্রমিক দেওয়া যাবে কি?
উঃ না টাকা দিতে হবে, তবে পরে হাদিয়া হিসেবে গোশত দিতে পারবেন আগে পারিশ্রমিক দিতে হবে।
৪৯. জবাই করার অস্ত্র কেমন হতে হবে?
উঃ দাড়ালো হওয়া উত্তম।
৫০. জবাইয়ের কত সময় পর চামড়া আলাদা করা যাবে?
উঃ নিস্তেজ হওয়ার পর পশু।
৫১. এক পশু কে অন্য পশুর সামনে জবাই করা যাবে কি?
উঃ যাবে তবে ঠিক না নবী কারীম সাঃ নিষেধ করেছেন?
৫২. কুরবানীর গোশত অন্য র্ধমের ব্যক্তি কে দেওয়া যাবে কি ?
উঃ হ্যাঁ, তাতে কোন সমস্যা নেই।
৫৩. পশু মারা গেলে অথবা ছিনতাই হয়ে গেলে কি করনীয়?
উঃ ধনী হলে আরেক টা ক্রয় করবেন।
গরিব হলে লাগবে না।
৫৪. মুসাফির এর উপর কুরবানী করা কি ওয়াজিব?
উঃ না।
৫৫. কুরবানী ওয়াজিব এমন ব্যক্তির পক্ষ থেকে কুরবানী করলে কি করনীয়?
উঃ ঐ ব্যক্তি থেকে অনুমতি নিতে হবে।
৫৬. কুরবানী গোশত খাওয়া কি?
উঃ মুস্তাহব, না খেলেও গুনা হবে না। তবে খাওয়া উত্তম।
৫৭. কুরবানী ওয়াজিব এমন ব্যক্তি যদি ঋণ নিয়ে কুরবানী করে কুরবানী হবে কি?
উঃ হবে তবে সুদের উপর ঋণ নিয়ে করলে হবে না।
৫৮. হাজীরা যদি মুসাফির থাকে তখন তাদের উপর কুরবানী কি ওয়াজিব?
উঃ- না।
৫৯. পাগল পশু ধারা কুরবানী কি হবে?
উঃ- না।
৬০. নবী কারীম সাঃ এর পক্ষ থেকে কুরবানী করা কি?
উঃ উত্তম সামার্থ্যবান দের জন্য।
এটার গোশত সবায় খেতে পারবে।
৬১. খাসিকৃত পশু দ্বারা কুরবানী করা যাবে কি?
উঃ হ্যাঁ যাবে
৬২. বিদেশে অবস্থানে ব্যক্তির করনীয় কি?
উঃ উনার পক্ষ থেকে দেশে কুরবানী দিলেও হবে
৬৩. পশুর চামড়া কি নিজে ব্যবহার করা যাবে?
উঃ হ্যা, তবে বিক্রি করলে টাকা সদকা করতে হবে।
৬৪. জবাই কারী কে পারিশ্রমিক দিতে হবে কি?
উঃ উত্তম, হাদিয়া দেওয়া।
৬৫. কুরবানীর দিনে মুরগী হাঁস জবাই করা যাবে কি?
উঃ যাবে, তবে কুরবানী নিয়তে করা যাবে না।
৬৬. জীবিত ব্যক্তির পক্ষ হতে কুরবানী করা যাবে কি?
উঃ হ্যা যাবে।
আল্লাহ সকলকে সঠিক নিয়ম মেনে কুরবানী করার তৌফিক দান করুন, আমিন।
— মু. আব্দুল বাসিত
30/04/2026
আপনাদের পছন্দের মাছ ❤️
29/01/2026
এই ট্যাংরা মাছের ভূনাটা আমাদের আরেকটা হিট আইটেম। একদম ফ্রেশ মাছ দিয়ে রান্না করা হয়। রিপিটেড ক্লায়েন্টদের ভালোবাসার কাছে আমরা ঋণী🙏❤️
Wonder Chef
Click here to claim your Sponsored Listing.
Telephone
Website
Address
Dhanmondi
Dhaka
1206