Z&A Closet
একজন চীনা বিত্তবান মারা গেলেন। ভদ্রলোকের বিধবা স্ত্রী ২০০ কোটি টাকার মালিক হয়ে তার মৃত স্বামীর ড্রাইভারকে বিয়ে করে ফেললেন।
সদ্য বিবাহিত ড্রাইভার মনে মনে বললেন, এতদিন জানতাম আমি আমার মালিকের জন্য কাজ করেছি। এখন দেখি আমার হৃদয়বান মালিকই আমার জন্য শ্রম দিয়ে গেছেন!
নিরেট সত্যটি হচ্ছে-অধিক ধনবান হওয়ার চেয়ে দীর্ঘ্য জীবন লাভ করা বেশি জরুরি। তাই অধিক ধনবান হওয়ার জন্য অবিরাম শ্রম না দিয়ে দীর্ঘ এবং সুস্থ্য জীবন যাপন করার চেষ্টা করা উচিত এবং নিজেকে সেভাবে গড়া উচিত।
আমাদের জীবনের নানা ঘটনাতেই এই সত্যটি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করা যায়ঃ
* দামি এবং অনেক সুবিধা সম্পন্ন একটি মোবাইল ফোনের ৭০% অব্যবহৃতই থেকে যায়।
* একটি মূল্যবান এবং দ্রুতগতি গাড়ির ৭০% গতির কোনো দরকারই হয় না।
* প্রাসাদতুল্য মহামূল্যবান অট্টালিকার ৭০% অংশে কেউ বসবাস করে না।
* কারো কারো এক আলমারি কাপড়-চোপড়ের বেশির ভাগ কোনদিনই পরা হয়ে উঠে না।
* সারা জীবনের পরিশ্রমলব্ধ অর্থের ৭০% আসলে অপরের জন্যই। আপনার জমানো অর্থ যাদের জন্য রেখে যাবেন, বছরে একবারও আপনার কবরে যেয়ে প্রার্থনা করার সময় তাদের হবে না। এমনকি বেঁচে থাকতেই আপনার অর্থের প্রাচুর্যে বেড়ে ওঠা মানুষগুলো আপনাকে বৃদ্ধাশ্রমে ছুড়ে আসতে পারে। তাই বেঁচে থাকতেই ১০০% এর সুরক্ষা এবং পূর্ণ সদ্ব্যবহার করাই শ্রেয়।
করণীয় কী...??
# অসুস্থ না হলেও মেডিকেল চেকআপ করুন।
# অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করবেন না।
# মানুষকে ক্ষমা করে দিন।
# রাগ পুষে রাখবেন না। মনে রাখবেন, কেউ-ই রগচটা মানুষকে পছন্দ করে না। আড়ালে-আবডালে পাগলা বলে ডাকে।
# পিপাসার্ত না হলেও পানি পান করুন।
# সিদ্ধান্তটি সঠিক জেনেও কখনো কখনো ছাড় দিতে হয়।
# যতই বয়স হোক আর ব্যস্ত থাকুন না কেন, জীবনসংগীকে মাঝে মাঝে নিরিবিলি কোথাও নিয়ে হাত ধরে হাঁটুন, হোটেলে খাওয়াতে না পারলে বাদাম বা ঝালমুড়ি খান। আর তাকে বুঝতে দিন, সেই আপনার সবচেয়ে আপন। কারণ, আপনার সবরকম দুঃসময়ে সেই পাশে থাকে বা থাকবে।
# ক্ষমতাধর হলেও বিনয়ী হোন।
# সুযোগ পেলেই পরিবার পরিজন নিয়ে নিজের দেশকে এমনকি ভিন্নদেশকে দেখতে বেড়িয়ে পড়ুন।
# ধনী না হলেও তৃপ্ত থাকুন।
নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন।। কোরআন তেলাওয়াত ও ভোরে উঠে ফজরের সালাত আদায় করে কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করুন।।।
মা-বোনেরা পর্দা সহকারে চলাফেরা করবেন। কেননা আপনার রেখে যাওয়া সম্পত্তি কোন কাজে আসবে না। আপনার ইসলামী জীবন ব্যবস্থা আপনার পরকালের জন্য ১০০% কাজ দিবে।
সৎ ও ভালোবাসার মিশ্রনের জীবন গড়ুন আপনি এর রেজাল্ট দুনিয়া ও আখেরাতে দুই জায়গায় পাবেন।
# মাঝে মাঝে ভোরের সূর্যোদয়, রাতের চাঁদ এবং সমুদ্র দেখতে ভুল করবেন না। বৃষ্টিজলে বছরে একবার হলেও ভিজবেন। আর দিনে ১০ মিনিট হলেও শরীরে রোদ লাগাবেন।
# মহাব্যস্ত থাকলেও নিয়মিত ব্যায়াম করুন আর ৩০ মিনিট হাঁটুন। আর সৃষ্টিকর্তাকে নিয়মিত স্মরণ করুন।
# সর্বদা হাসিখুশি থাকুন। সুযোগ পেলেই কৌতুক পড়বেন, পরিবারের সবার সঙ্গে মজার ঘটনাগুলো শেয়ার করবেন। মাঝে মাঝে প্রাণবন্ত ভাবে হাসবেন।
ধন্যবাদ আপনাদেরকে গল্পটি পড়ার জন্য ।। ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন আল্লাহ দেওয়া মহামারী করাল গ্রাস থেকে আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজতে রাখে এই কামনায় ।।।
আল্লাহ সবাইকে ভালো রাখুক। আ-মিন। (collected)
"প্রথম ৭ বছর আপনার সন্তানের সাথে খেলা করুন, ২য় ৭ বছর তাকে ডিসিপ্লিন শেখান এবং ৩য় ৭ বছর তার বন্ধু হয়ে যান।"
প্যারেন্টিং এর উপর পড়াশোনা করতে গিয়ে এই লাইনটাতে যখন আমার চোখ আটকে যায় তখন আমার মনে হয়েছে এটাকে প্যারেন্টিং এর মূল সূত্র হিসেবে ধরা যেতে পারে।
এখানে ৩টা ৭ এর কথা বলা হয়েছে:
১×৭=৭
২×৭=১৪
৩×৭=২১
১ম ৭ বছর তার সাথে খেলুন। শুধু নিছক খেলাই নয়, তাকে খেলাচ্ছলে সব কিছু জানান, শেখান।
২য় ৭ বছর অর্থাৎ ১৪ বছর পর্যন্ত তাকে ডিসিপ্লিন শেখান। তাকে কোন টা ভালো, কোন টা মন্দ, লাইফের পুরো ওয়ে টা তাকে তার ভাষায় বুঝিয়ে দিন। তাকে শিষ্ঠাচারিতা শেখান।
৩য় ৭ বছর তার বন্ধু হয়ে যান। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা পয়েন্ট। ২য় স্টেজে আপনি যা শেখাবেন বা পরিবেশ পারিপার্শিকতা থেকে যা শিখবে তাই সে এই বয়সে এপ্লাই করবে।
আমরা অধিকাংশ বাবা মা এই ২য় ও ৩য় স্টেজে এসে ভুল টা করে ফেলি। এরপর সন্তান যখন বিপথে চলে যায় তখন সব দোষ তার উপর চাপিয়ে দেই।
৭ বছর পর্যন্ত খেলতে বলা হয়েছে। আর এই খেলাটাই চালিয়ে যাই তার টিন এজ পর্যন্ত। তবে খেলাটার ধরণ ভিন্ন, আবদার মেটানোর খেলা। সে যা যা চায় সব পেয়ে যায়, ক্ষেত্র বিশেষে চাওয়ার আগেই পেয়ে যায়। মোবাইল, ল্যাপটপ, ইন্টারনেট এক্সেস, ফেসবুক একাউন্ট সব ( অনেকেই এখন সন্তান জন্মের পরেই তার নামে একাউন্ট তৈরি করে ফেলি)।
এরপর যা হয় তা ৩য় স্টেজে। যেখানে বাবা মা ই হবে সন্তানের প্রকৃত বন্ধু সেখানে সন্তান বাইরের জগতে বন্ধু খুঁজে ফেরে।
২য় স্টেজে ভিত নড়বড়ে করে এসে এই স্টেজ বিপথে যাওয়ার। তখন চরম মারাত্মক ভুল করে বসেন অভিভাবকরা। বকা দিয়ে, শাসন করে, ডিসিপ্লিন শিখিয়ে। না, এটা ডিসিপ্লিন ও শাসনের বয়স না, এটা বন্ধু হওয়ার বয়স।
বন্ধু মানে কি তার সাথে তার বন্ধুদের মত বাল্যসুলভ আচরণ করতে হবে? না। বাবা মায়ের সাথে সন্তানের বন্ধুত্ব মানে সাপোর্টিভ ওয়ে তে তার গতিবিধি খেয়াল রাখা। যে কোন সমস্যা বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণের মাধ্যমে মোকাবেলা করা। তার সাথে এ আচরণ এমন হওয়া যাতে সে সব কিছু বাবা মায়ের সাথেই আগে শেয়ার করে এবং বাবা মাও তার সুহৃদ হোন।
কিন্ত আমরা কি দেখি? এই আধুনিক যুগে সব কিছুই আধুনিক থেকে আরো আধুনিক হচ্ছে। আমাদের প্রজন্ম প্রযুক্তির যেসব সুযোগ পাচ্ছি আমাদের বাবা মায়েরা তা পান নি, নাম ও শুনেননি। আমরা যা এখনো পাই নি, নাম শুনি নি আমাদের সন্তানেরা তা পাবে। তাহলে তারা আর কি কি পেতে পারে সেগুলো কি আমরা কখনো ভেবে দেখেছি?
বর্তমান সময়ে সন্তান পালন একটা চ্যালেঞ্জিং বিষয়। বিশেষ করে গ্রামের তুলনায় মফস্বল, মফস্বলের তুলনায় রাজধানী। লেভেল যত উপরে উঠবে( এলাকা হিসেবে এবং সামাজিক স্ট্যাটাস হিসেবে) চ্যালেঞ্জের মাত্রা তত বাড়বে।
আগে টিন এজারদের স্কুল ব্যাগে পাওয়া যেত গল্পের বই, নাটক সিনেমা রিলেটেড পেপার কাটিং ইত্যাদি । আর এখন পাওয়া যায় ইলেক্ট্রিক সিগারেট বা তার চেয়েও ভয়ঙ্কর কিছু।
এসবের কারণ, ২য় স্টেজে আমরা সঠিক শিক্ষা দেইনি, এবং ৩য় স্টেজে আমরা বন্ধু হইনি। ফলে তারা অন লাইন/ অফ লাইন জগতে বন্ধু খুঁজে নিয়েছে ও তাদের মাধ্যমে প্রভাবিত হয়েছে।
তবে আরেক টা কথা থেকে যায়, অনেকে পরিবার থেকেও কু শিক্ষা পায়। কেন? কারণ, শিশুরা চোখ দিয়ে শেখে। আমি আপনি যা করছি সে তা দেখেই শিখছে। এই দেখা ও শেখা সে বড় হয়ে করছে না, বরং যখন থেকে দেখে বুঝার চেষ্টা করছে তখন থেকেই শিখছে। ছোট পুঁচকে শিশুর ব্রেইন কম্পিউটারের রিফ্রেশড ব্ল্যাংক মেমোরির মত। যা ইনপুট দেবেন তাই সে গ্রহণ করবে। তাই তাকে যোগ্য গাইডলাইন দিতে আগে নিজেকে বদলাই।
এই লকডাউনের সময়ে কর্মজীবী বাবা মা যারা গৃহবন্দী তাদের সন্তানদের জন্যে এটা বিশাল পাওয়া। গৃহকর্মীর কাছে থেকে তারা যে পরিচর্যা থেকে বঞ্চিত হয়েছে এতদিন তা আমরা তাদের দেয়ার চেষ্টা করি । আমরা নেগেটিভিটির মধ্যে না থেকে তাদের জন্যে পজিটিভ হই, আমাদের জন্যে তাদেরকে পরীক্ষার বস্তু না বানিয়ে সাদাকায়ে জারিয়া বানাই।
#কালেক্টেড
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Dhaka
1230