Skin Rx

Skin Rx

Share

30/10/2025

Fibroid Uterus (জরায়ুর ফাইব্রয়েড)
জরায়ুর ভেতরে বা বাইরে বাড়তে থাকা অস্বাভাবিক মাংসপিণ্ডকে Fibroid বা Myoma বা Leiomyoma বলা হয়। এটি ক্যান্সার নয়, এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে জীবন-ঝুঁকির কারণও নয়। তবে আকার, সংখ্যা ও অবস্থান অনুযায়ী সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

কেন ফাইব্রয়েড হয়?

ফাইব্রয়েডের সঠিক কারণ পুরোপুরি জানা নেই, তবে নিচের বিষয়গুলো যুক্ত:

শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের প্রভাব

বংশগত কারণ (মা বা বোনের থাকলে ঝুঁকি বেশি)

মোটা হওয়া / ওজন বৃদ্ধি

২০–৪৫ বছর বয়সে বেশি দেখা যায়

লক্ষণ (Symptoms)

সবসময় লক্ষণ নাও থাকতে পারে। তবে থাকলে দেখা যেতে পারে:

অত্যধিক মাসিক রক্তপাত

মাসিক দীর্ঘস্থায়ী হওয়া

পেট বা তলপেটে ভার অনুভব

পেট ফুলে যাওয়ার অনুভূতি

Back pain / কোমর ব্যথা

ঘন ঘন প্রস্রাব (ফাইব্রয়েড মূত্রাশয় চাপলে)

বন্ধ্যাত্ব বা গর্ভধারণে সমস্যা (কিছু ক্ষেত্রে)

ফাইব্রয়েডের ধরন

ধরন অবস্থান

Submucosal জরায়ুর ভেতরের লাইনিং এ
Intramural জরায়ুর দেয়ালের ভেতরে (সবচেয়ে সাধারণ)
Subserosal জরায়ুর বাইরের দিকে

ডায়াগনোসিস (কীভাবে ধরা পড়ে)

Ultrasound (USG) → সহজ ও প্রথম পরীক্ষা

MRI (বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে)

ডাক্তার পেলভিক পরীক্ষা করেন

চিকিৎসা

চিকিৎসা নির্ভর করে:

আকার (Fibroid Size)

সংখ্যা

লক্ষণ আছে কি না

রোগীর বয়স

ভবিষ্যতে গর্ভধারণের ইচ্ছা

1) ওষুধে নিয়ন্ত্রণ (ছোট ও উপসর্গ কম হলে):

Painkiller

Hormonal medicines

Injection (GnRH Analog) → কিছু সময়ের জন্য সাইজ কমায়

2) সার্জারি

পদ্ধতি উপযুক্ত পরিস্থিতি

Myomectomy (Fibroid কেটে বাদ, জরায়ু রাখা) গর্ভধারণ করতে চাইলে
Hysterectomy (জরায়ু তুলে ফেলা) বয়স বেশি/সন্তান আছে/লক্ষণ বেশি এবং সাইজ বড়
Uterine Artery Embolization রক্তনালী ব্লক করে ফাইব্রয়েড শুকানো

ফাইব্রয়েড কি ক্যান্সারে রূপ নেয়?

খুবই বিরল (কম ১% ক্ষেত্রে)।
প্রায় সব ফাইব্রয়েড benign (non-cancerous)।

কখন অবশ্যই ডাক্তার দেখাতে হবে

মাসিক রক্তপাত খুব বেশি ও অ্যানিমিয়া হচ্ছে

পেট দ্রুত বড় হচ্ছে

গর্ভধারণে সমস্যা হচ্ছে

ব্যথা সহ্য করা যাচ্ছে না

জীবনযাপন পরামর্শ

ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন

নিয়মিত হাঁটাচলা

Vitamin D ও Iron সমৃদ্ধ খাবার

Fast food ও উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার কমান

যদি চান, আমি ফাইব্রয়েডের চিকিৎসা প্ল্যান আপনার বয়স, সাইজ ও উপসর্গ অনুযায়ী ঠিক করে দিতে পারি।
শুধু বলুন:

1. আপনার বয়স

2. USG-তে ফাইব্রয়েডের Size ও সংখ্যা

3. সন্তান নেওয়ার ইচ্ছা আছে কি না

16/10/2025

কি এক অবস্থা..
৭ দিনের বাচ্চা তীব্র জ-ন্ডি-সে আ-ক্রা-ন্ত..কি নোং-রা করে বাচ্চাকে ৭ দিন পর নিয়ে আসছে চেম্বারে..বাচ্চার এতো ভ-য়া-ব-হ জ-ন্ডি-স যে খি-চু-নি চলে আসছে..সাথে সেপসিস এবং মা-রা-ত্ম-ক পানি শুন্যতা..এতোদিন নাকি বনাজী ঔষধ খাইয়েছে..

এদেশের মানুষের কমনসেন্স কবে হবে???
এইটুকু ছোট বাচ্চাকে কি কেউ বনাজী ঔষধ খাওয়ায়???

৭ দিনের নবজাতকের তীব্র জন্ডিসকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় 👉 Neonatal jaundice বা নবজাতক জন্ডিস।

যদি জন্ডিসটি খুব বেশি মাত্রায় হয় (বিশেষ করে জন্মের ৭ দিন পরও না কমে বা আরও বেড়ে যায়), তখন এটি বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে এবং কখনো কখনো মস্তিষ্কে ক্ষতিও করতে পারে — যেটাকে বলা হয় 👉 Kernicterus (বিলিরুবিন মস্তিষ্কে জমে যাওয়া)।

🧠 কেন হয়:
নবজাতকের শরীরে লোহিত রক্তকণিকা ভাঙার হার বেশি থাকে।
লিভার ঠিকমতো বিলিরুবিন প্রসেস করতে না পারলে রক্তে এর পরিমাণ বেড়ে যায়।
মায়ের দুধ কম খেলে বা ডিহাইড্রেশন হলে সমস্যা বাড়ে।
কখনো কখনো রক্তের গ্রুপ না মেলানো (ABO বা Rh incompatibility) থেকেও জন্ডিস বেড়ে যেতে পারে।

⚠️ বিপদের লক্ষণ:
বাচ্চার চোখ ও শরীর খুব হলুদ হয়ে যাওয়া।
খেতে না চাওয়া, ঘুমে তলিয়ে থাকা।
কান্না দুর্বল হয়ে যাওয়া।
হাত-পা শক্ত হয়ে যাওয়া বা খিঁচুনি।

যার সব গুলোই এই বাচ্চার মধ্যে আছে 😥😥

👉 এই অবস্থাগুলো দেখা গেলে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া জরুরি⚠️⚠️⚠️

🏥 চিকিৎসা:
রক্তে বিলিরুবিন টেস্ট করে মাত্রা নির্ণয় করা হয়।
মাত্রা বেশি হলে “Phototherapy” (বিশেষ নীল আলোতে বাচ্চাকে রাখা) করা হয়।
গুরুতর ক্ষেত্রে “Exchange transfusion” অর্থাৎ রক্ত বদলানো লাগতে পারে।
ঘন ঘন বুকের দুধ খাওয়ানোও অনেক ক্ষেত্রে সহায়ক।

🚫 বনাজি বা লোকজ ওষুধ খাওয়ানো কতটা ক্ষতিকর:

৭ দিনের ছোট্ট বাচ্চাকে কোনো প্রকার বনাজি বা দেশি ওষুধ খাওয়ানো অত্যন্ত বিপজ্জনক ⚠️
এ বয়সে বাচ্চার লিভার ও কিডনি পুরোপুরি গড়ে ওঠে না।
বনাজি বা অজানা ওষুধে থাকা রাসায়নিক উপাদান লিভার নষ্ট করে দিতে পারে।
এতে জন্ডিস বেড়ে গিয়ে প্রাণঘাতী জটিলতা দেখা দিতে পারে।
👉 তাই কোনো দেশি ওষুধ বা ভেষজ একদমই খাওয়ানো উচিত নয়।

🍼 করণীয় সংক্ষেপে:

তৎক্ষণাৎ শিশুর বিলিরুবিন টেস্ট করানো।
প্রয়োজন হলে হাসপাতালে ভর্তি করে ফোটোথেরাপি করানো।
ঘন ঘন বুকের দুধ খাওয়ানো।
লোকজ ও বনাজি ওষুধ একেবারেই না খাওয়ানো।
চিকিৎসকের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ জরুরি।

👉 মনে রাখবেন: নবজাতকের তীব্র জন্ডিস একটি মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি — দেরি না করে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যান।

আমাদের দেশে সবাই কবে সচেতন হবে 😥😥
দোয়া করবেন সবাই বেবিটার জন্য 🙏🙏
゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ



Shasthokotha

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Nobodoy Housing Society, Mohammadpur
Dhaka
1207