Novans Institute
গেইনার এডুকেশন ২০২১ সালের জানুয়ারি মাস থেকে একাডেমিক পাঠদান যাত্রা শুরু করে।
গেইনার এডুকেশন এর বৈশিষ্ট্যঃ
-একাডেমিক পাঠদান কার্যক্রম ৪র্থ থেকে ১০ম শ্রেণী পযর্ন্ত ।
-বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের দ্বারা পাঠদান কাযক্রম পরিচালনা করা হয়।
-প্রত্যেক ক্লাসে ১০ জন এর বেশি শিক্ষার্থী গ্রহণ করা হয় না।
-প্রত্যেক শেণীর ইরেজি, গনিত ও বিজ্ঞান বিষয়ের উপর বিশেষ নজর দেওয়া হয়।
-দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতি
➡️ যা বলা হয়েছে নতুন শিক্ষাক্রমের রূপরেখায়❗
শিক্ষাব্যবস্থায় আসছে আমূল পরিবর্তন। অনুমোদন মিলেছে নতুন শিক্ষাক্রমের। প্রকাশিত হয়েছে রূপরেখো। । এবারের রূপরেখায় আটটি বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে।
২০২৩ সাল থেকে প্রাথমিকের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি এবং মাধ্যমিকের ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে শুরু হবে নতুন শিক্ষাক্রম। ২০২৪ সালে তৃতীয়, চতুর্থ, অষ্টম ও নবম শ্রেণি, ২০২৫ সালে পঞ্চম ও দশম শ্রেণীতে নতুন শিক্ষাক্রম শুরু হবে। ২০২৫ সালের মধ্যে পুরো শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। নতুন এই শিক্ষাকার্যক্রম চালু হবে শিক্ষাবিদরা বলছেন, নতুন শিক্ষাক্রম যথাযথ বাস্তবায়ন হলে উপকৃত হবে শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষাক্রমের রূপরেখায় পরিবর্তনসমূহঃ
** ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত সকলের জন্য ১০টি বিষয় নির্ধারণ অর্থাৎ থাকছে না বিজ্ঞান, ব্যবসায় প্রশাসন ও মানবিক বিভাগ।
** পরীক্ষা ও মুখস্ত নির্ভর পড়াশোনার পরিবর্তে, পারদর্শিতাকে গুরুত্ব দিয়ে দশম শ্রেণি শেষে পাবলিক পরীক্ষা।
** পরীক্ষার চাপ কমানোর জন্য একাদশ শ্রেণির শিক্ষাক্রমের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণি শেষে এবং দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষাক্রমের ভিত্তিতে দ্বাদশ শ্রেণি শেষে পাবলিক পরীক্ষা।
** পারদর্শিতা অর্জন নিশ্চিত করা ও মুখস্তনির্ভরতা কমানোর জন্য শিখনকালীন/ধারাবাহিক মূল্যায়ন প্রবর্তন।
** ৯ম ও ১০ম শ্রেণিতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য কৃষি, সেবা বা শিল্প খাতের একটি অকুপেশনের ওপর দক্ষতা অর্জন বাধ্যতামূলক এবং ১০ম শ্রেণি শেষে যেকোনো একটি অকুপেশন কাজ করার মতো পেশাদারি দক্ষতা অর্জন।
** সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন প্রবর্তন।
** অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিখন-শেখানো কার্যক্রম পারিবারিক ও সামাজিক পরিসরে অনুশীলন।
** সকল শিক্ষার্থীর অভিন্ন মূল্যবোধ ও দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনের জন্য স্তরভিত্তিক নির্বাচনের বিষয়ের পাশাপাশি মাদ্রাসা ও কারিগরি শাখায় বিশেষায়িত বিষয়সমূহের যৌক্তিক সমন্বয়।
রূপরেখায় আটটি লক্ষ্যঃ
১। শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক ও আনন্দময় শিখনের পরিবেশ সৃষ্টি।
২। বিষয় এবং পাঠ্যপুস্তকের বোঝা ও চাপ কমানো।
৩। গভীর শিখনের বিষয়ে গুরুত্ব প্রদান।
৪। মুখস্ত নির্ভরতার পরিবর্তে অভিজ্ঞতা ও কার্যক্রমভিত্তিক শিখনে অগ্রাধিকার প্রদান।
৫। খেলাধুলা ও সৃজনশীল কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষা প্রদানের গুরুত্ব প্রদান।
৬। নির্দিষ্ট দিনের পাঠ শ্রেণিকক্ষেই যেন শেষ হয় সে ধরণের শিখন শেখানো কার্যক্রম পরিচালনা সচেষ্ট হয়ে বাড়ির কাজ কমানো।
৭। নির্দিষ্ট সময়ে অর্জিত পারদর্শিতার জন্য সনদ প্রাপ্তির প্রতি গুরুত্ব আরোপ।
৮। জীবন ও জীবিকা সাথে সম্পর্কিত শিক্ষা।
স্তরভিত্তিক মূল্যায়ন কৌশলঃ
** প্রাক-প্রাথমিক পর্যায় থেকে শুরু করে তৃতীয় শ্রেণি থাকছে না পরীক্ষা। এসব শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন করা হবে শিখনকালীন।
** ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান ও সামাজিক বিজ্ঞানে শিখনকালীন মূল্যায়ন ৬০ শতাংশ এবং পরীক্ষা মূল্যায়ন ৪০ শতাংশ। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্য সুরক্ষা, ধর্ম শিক্ষা এবং শিল্পকলা শিখনকালীন মূল্যায়ন শতভাগ।
** ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান এবং ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান শিখনকালীন মূল্যায়ন ৬০ শতাংশ এবং পরীক্ষা হবে ৪০ শতাংশ। সেই সঙ্গে জীবন ও জীবিকা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, ধর্ম শিক্ষা এবং শিল্প ও সংস্কৃতি শিখনকালীন মূল্যায়ন শতাভাগ।
** ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণিতে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান এবং ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান শিখনকালীন মূল্যায়ন ৫০ শতাংশ একং সামষ্টিক মূল্যায়ন ৫০ শতাংশ। জীবন ও জীবিকা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, ধর্ম শিক্ষা এবং শিল্প সংস্কৃতি শিখনকালীন মূল্যায়ন শতভাগ। দশম শ্রেণি শেষে দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচির উপর পাবলিক পরীক্ষা।
** ১১শ-১২শ শ্রেণির জন্য শিখনকালীন মূল্যায়ন ৩০ শতাংশ ও সামষ্টিক মূল্যায়ন ৭০ শতাংশ। নৈর্বাচনিক/বিশেষায়িত বিষয়ে কাঠামো ও ধারণায়ন সামষ্টিক মূল্যায়নের পাশাপাশি প্রকল্পভিত্তিক, ব্যবহারিক ও অন্যান্য উপায়ে শিখনকালীন মূল্যায়নের সুযোগ থাকবে। প্রায়গিক বিষয়ে শিখনকালীন মূল্যায়ন থাকবে শতভাগ। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যসূচির উপর প্রতিবর্ষ শেষে একটি পরীক্ষা হবে। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার ফলাফলের সমন্বয়ে চুড়ান্ত ফলাফল নির্ধারিত হবে।
সংকলিতযা বলা হয়েছে নতুন শিক্ষাক্রমের রূপরেখায়
শিক্ষাব্যবস্থায় আসছে আমূল পরিবর্তন। অনুমোদন মিলেছে নতুন শিক্ষাক্রমের। প্রকাশিত হয়েছে রূপরেখো। । এবারের রূপরেখায় আটটি বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে।
২০২৩ সাল থেকে প্রাথমিকের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি এবং মাধ্যমিকের ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে শুরু হবে নতুন শিক্ষাক্রম। ২০২৪ সালে তৃতীয়, চতুর্থ, অষ্টম ও নবম শ্রেণি, ২০২৫ সালে পঞ্চম ও দশম শ্রেণীতে নতুন শিক্ষাক্রম শুরু হবে। ২০২৫ সালের মধ্যে পুরো শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। নতুন এই শিক্ষাকার্যক্রম চালু হবে শিক্ষাবিদরা বলছেন, নতুন শিক্ষাক্রম যথাযথ বাস্তবায়ন হলে উপকৃত হবে শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষাক্রমের রূপরেখায় পরিবর্তনসমূহঃ
** ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত সকলের জন্য ১০টি বিষয় নির্ধারণ অর্থাৎ থাকছে না বিজ্ঞান, ব্যবসায় প্রশাসন ও মানবিক বিভাগ।
** পরীক্ষা ও মুখস্ত নির্ভর পড়াশোনার পরিবর্তে, পারদর্শিতাকে গুরুত্ব দিয়ে দশম শ্রেণি শেষে পাবলিক পরীক্ষা।
** পরীক্ষার চাপ কমানোর জন্য একাদশ শ্রেণির শিক্ষাক্রমের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণি শেষে এবং দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষাক্রমের ভিত্তিতে দ্বাদশ শ্রেণি শেষে পাবলিক পরীক্ষা।
** পারদর্শিতা অর্জন নিশ্চিত করা ও মুখস্তনির্ভরতা কমানোর জন্য শিখনকালীন/ধারাবাহিক মূল্যায়ন প্রবর্তন।
** ৯ম ও ১০ম শ্রেণিতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য কৃষি, সেবা বা শিল্প খাতের একটি অকুপেশনের ওপর দক্ষতা অর্জন বাধ্যতামূলক এবং ১০ম শ্রেণি শেষে যেকোনো একটি অকুপেশন কাজ করার মতো পেশাদারি দক্ষতা অর্জন।
** সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন প্রবর্তন।
** অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিখন-শেখানো কার্যক্রম পারিবারিক ও সামাজিক পরিসরে অনুশীলন।
** সকল শিক্ষার্থীর অভিন্ন মূল্যবোধ ও দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনের জন্য স্তরভিত্তিক নির্বাচনের বিষয়ের পাশাপাশি মাদ্রাসা ও কারিগরি শাখায় বিশেষায়িত বিষয়সমূহের যৌক্তিক সমন্বয়।
রূপরেখায় আটটি লক্ষ্যঃ
১। শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক ও আনন্দময় শিখনের পরিবেশ সৃষ্টি।
২। বিষয় এবং পাঠ্যপুস্তকের বোঝা ও চাপ কমানো।
৩। গভীর শিখনের বিষয়ে গুরুত্ব প্রদান।
৪। মুখস্ত নির্ভরতার পরিবর্তে অভিজ্ঞতা ও কার্যক্রমভিত্তিক শিখনে অগ্রাধিকার প্রদান।
৫। খেলাধুলা ও সৃজনশীল কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষা প্রদানের গুরুত্ব প্রদান।
৬। নির্দিষ্ট দিনের পাঠ শ্রেণিকক্ষেই যেন শেষ হয় সে ধরণের শিখন শেখানো কার্যক্রম পরিচালনা সচেষ্ট হয়ে বাড়ির কাজ কমানো।
৭। নির্দিষ্ট সময়ে অর্জিত পারদর্শিতার জন্য সনদ প্রাপ্তির প্রতি গুরুত্ব আরোপ।
৮। জীবন ও জীবিকা সাথে সম্পর্কিত শিক্ষা।
স্তরভিত্তিক মূল্যায়ন কৌশলঃ
** প্রাক-প্রাথমিক পর্যায় থেকে শুরু করে তৃতীয় শ্রেণি থাকছে না পরীক্ষা। এসব শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন করা হবে শিখনকালীন।
** ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান ও সামাজিক বিজ্ঞানে শিখনকালীন মূল্যায়ন ৬০ শতাংশ এবং পরীক্ষা মূল্যায়ন ৪০ শতাংশ। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্য সুরক্ষা, ধর্ম শিক্ষা এবং শিল্পকলা শিখনকালীন মূল্যায়ন শতভাগ।
** ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান এবং ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান শিখনকালীন মূল্যায়ন ৬০ শতাংশ এবং পরীক্ষা হবে ৪০ শতাংশ। সেই সঙ্গে জীবন ও জীবিকা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, ধর্ম শিক্ষা এবং শিল্প ও সংস্কৃতি শিখনকালীন মূল্যায়ন শতাভাগ।
** ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণিতে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান এবং ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান শিখনকালীন মূল্যায়ন ৫০ শতাংশ একং সামষ্টিক মূল্যায়ন ৫০ শতাংশ। জীবন ও জীবিকা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, ধর্ম শিক্ষা এবং শিল্প সংস্কৃতি শিখনকালীন মূল্যায়ন শতভাগ। দশম শ্রেণি শেষে দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচির উপর পাবলিক পরীক্ষা।
** ১১শ-১২শ শ্রেণির জন্য শিখনকালীন মূল্যায়ন ৩০ শতাংশ ও সামষ্টিক মূল্যায়ন ৭০ শতাংশ। নৈর্বাচনিক/বিশেষায়িত বিষয়ে কাঠামো ও ধারণায়ন সামষ্টিক মূল্যায়নের পাশাপাশি প্রকল্পভিত্তিক, ব্যবহারিক ও অন্যান্য উপায়ে শিখনকালীন মূল্যায়নের সুযোগ থাকবে। প্রায়গিক বিষয়ে শিখনকালীন মূল্যায়ন থাকবে শতভাগ। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যসূচির উপর প্রতিবর্ষ শেষে একটি পরীক্ষা হবে। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার ফলাফলের সমন্বয়ে চুড়ান্ত ফলাফল নির্ধারিত হবে।
সংকলিত
28/02/2021
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Kotbari
Cumilla
3503