NOOR
Fashion can be a good way to spread our thoughts & values. ‘NOOR’ is an initiative for that. It aims to offer better norms that may influence the cultures of society.
21/02/2017
1) Amanah : Halishahar, block ‘K’, gate no 8, house no 6, opposite of artilary road. Chittagong.
Call : 01740316314, 01670-326363
3) Ayaat : 15/c, Gulzar tower (2nd Floor), Gulzar Circle, Chawkbazar, Chittagong.
Chittagong 4000. Call : 01828376184
4) Sunnah Way : 313, Yunusco City Centre (3rd Floor), GEC Circle, CDA Avenue
Chittagong 4000. Call: 01616-515294
16/02/2017
বলুন তো, একমাত্র ফরয ইবাদত কোনটি যা এ পৃথিবীতে নয় বরং সপ্ত আসমানে যখন আল্লাহর রাসূল(সাঃ)কে আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের জন্য আমন্ত্রণ করা হয় তখন ফরয করা হয়েছিল? হ্যাঁ,সেটা হচ্ছে সালাত।
আল্লাহ পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত আমাদের জন্য ফরয করলেও মূসা (আঃ) এর পরামর্শে আল্লাহর রাসূল(সাঃ) যখন বারবার আল্লাহর কাছে ওয়াক্ত সংখ্যা কমানোর আবেদন করেন তখন মাত্র পাঁচ ওয়াক্ত সালাত সময়বাঁধা ফরয হিসেবে সুনির্দিষ্ট করা হয়। কিন্তু সওয়াব ঐ পঞ্চাশ ওয়াক্তেরটাই অক্ষুন্ন রাখা হয়। কত মহান, দয়ালু আমার রব!যিনি মানুষের জন্য প্রতিদিন ২৪ ঘন্টা সময় দান করেছেন। আমরা কি কিছু সময়ও তার শোকরিয়া করার ফুসরত পাই না? প্রতি রাকাত দু’মিনিট করে অন্তত ১৭ রাকাত ফরয নামাযের জন্য মাত্র ৩৪ মিনিটও কি আমরা বরাদ্দ করতে পারব না সর্বশক্তিমানের জন্য!
মুয়াজ্জিনের “আল্লাহু আকবার-আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ” কথাটির ভার হৃদয়ের মধ্যে কি কোন কাঁপন তৈরি করেনা??! “এসো নামাযের পথে, এসো কল্যাণের পথে” কোন মুখরোচক বুলি নয়, বাস্তব সত্য। হাদীস অনুযায়ী কেউ যখন সালাতে সূরা ফাতিহা পড়ে,তখন আল্লাহ তার জবাব দেন।
আল্লাহর সাথে কথোপকথনের মোক্ষম এ সুযোগ হাতছাড়া করা বোকামী। চক্ষু-হৃদয় শীতলকারী হিসেবে নামাযের মাহাত্মকে যারা অনুভব করেনি, গড়মসি করা তাদেরই তো সাজে...
11/02/2017
“দুনিয়া মুমিনদের জন্য জেলখানা এবং কাফিরদের জন্য স্বর্গ”।[আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত, সহীহ মুসলিমে উল্লেখিত]
রাসূল (সঃ)কে স্বল্প কথায় বিস্তৃত এবং গভীর বিষয় বুঝানোর যে একটি মহাগুণ আল্লাহ দান করেছিলেন তার অন্যতম উদাহরণ এ হাদীসটি। আমরা যদি দুচোখ বুঁজে কয়েকটি মুহূর্ত চিন্তা করি তাহলে বুঝব কয়েকটি শব্দে রাসূল কিভাবে মুমিন এবং কাফিরদের জীবন ব্যবস্থার রুপরেখা চিত্রায়িত করেছেন।
একটা জেলখানায় কি ঘটে? একজন লোক সেখানে যাচ্ছেতাই বল্গাহীন স্বাধীনভাবে চলতে পারেনা। তার খাওয়া-দাওয়া, পোষাক-আশাক ততটুকুই হয়, যা একান্ত না হলেই নয়। বিভিন্নরকম কষ্ট তাকে সেখানে ভোগ করতে হয়। আনন্দ, হৈ উল্লাস যেখানে কদাচিৎ।
একদিন মুমিন তেমনি এই দুনিয়াতে যা ইচ্ছা তাই করে বেড়াবে এমন নয়, বরং তাকে আল্লাহ এবং রাসূল প্রদত্ত আইনের বাউন্ডারীতে চলাফেরা করতে হয়। দুনিয়ার হাসি আনন্দ, জৌলুসকে ভুলে আল্লাহকে পাওয়ার আশায়-নেশায় মুমিনরা বিভিন্ন কষ্ট ভোগ করে। সে জানে, তার জন্য তো পরকালে বেহেশতের অফুরন্ত সুখ অপেক্ষা করছে।
অপরদিকে স্বর্গে মানুষ যা ইচ্ছে তাই করে। খাওয়া দাওয়া, পোষাক-আশাক অবারিত। কষ্টের লেশমাত্র যেখানে নেই।হাসি আনন্দ হৈ উল্লাসে মাতোয়ারা চারিদিক।কাফিররা দুনিয়াতে স্বর্গের ন্যায় বল্গাহীন স্বাধীন জীবনে ব্যস্ত। কোন বিধিনিষেধের ধার ধারেনা। নিজের জীবনকে আনন্দময় করার জন্য আল্লাহর নাফরমানী এবং বান্দাদের হয়রানি কোন কিছুতেই পিছপা হয়না।পার্থিব সুখই তার কাছে মূখ্য বাকী সব গৌণ।
ভিন্ন একটি এঙ্গেল থেকে হাদীসটিকে দেখিয়েছেন প্রখ্যাত স্কলার ইবনে হাজার আসকালানী।
একবার এক ইহুদী তাকে বিব্রত করার জন্য প্রশ্ন করল; হে শায়েখ! নবী মুহাম্মদ দুনিয়াকে মুমিনদের জন্য জেলখানা এবং কাফিরদের জন্য স্বর্গ বলেছেন। অথচ দেখেন ঐ ইহুদিকে; যে দুনিয়াতে কষ্ট করছে আর ঐ মুসলমানকে দেখেন; সে কি আয়েশী জীবন অতিবাহিত করছে!নবী হাদীসের সত্যতা রইল কই?
ইবনে হাজার খানিকক্ষণ চিন্তা করে বললেন- ঐ ইহুদী এ অবস্থায় ঈমানহারা হয়ে মৃত্যুবরণ করলে সে পরকালে দোযখের যে কষ্ট অনুভব করবে তার তুলনায় দুনিয়ার এ জীবনে সে স্বর্গে আছে, আর ঐ মুসলমান এ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে সে পরকালে যে অবারিত-অফুরন্ত সুখ উপভোগ করবে তার তুলনায় তো সে দুনিয়াতে কয়েদীর জীবনই অতিবাহিত করছে বলা যায়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Halishohor
Chittagong
4000