Smart Health

Smart Health

Share

10/12/2022

প্রতিদিন এক গাদা ভিটামিন ট্যাবলেট না খেয়ে খান একটি করে আমলকী। কিংবা আমলকীর আচার। খেতে পারেন আমলকীর মোরব্বা কিংবা আমলকীর পাউডার ব্যবহার করতে পারেন রান্নায়। এই সামান্য আমলকী আপনার দেহের করবে বিস্ময়কর সব উপহার। কীভাবে জানতে চান? আসুন জানি প্রতিদিন একটি আমলকী খাওয়ার ২০টি উপকারিতা সম্পর্কে।

১) আমলকী চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে।

২) এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে।

৩) আমলকীর রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে।

৪) এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকী গুঁড়ো ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু'বার খেতে পারেন। এ্যাসিডেটের সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে।

৫) আধা চূর্ণ শুষ্ক ফল এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যাবে। খাবারের সঙ্গে আমলকীর আচার হজমে সাহায্য করে।

৬) প্রতিদিন সকালে আমলকীর রসের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।

৭) আমলকীর রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ। চোখ চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়।

৮) আমলকী চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

৯) এছাড়াও প্রতিদিন আমলকির রস খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে।

১০) আমলকীর টক ও তেতো মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকী গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন।

১১) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়।

১২) কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকী অনেক উপকারী।

১৩) ব্রঙ্কাইটিস ও এ্যাজমার জন্য আমলকীর জুস উপকারী।

১৪) শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, পেশী মজবুত করে।

১৫) এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে। আমলকীর আচার বা মোরব্বা মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা দূর করে।

১৬) শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।

১৭) লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে তুলে দাঁত ও নখ ভাল রাখে।

১৮) এর এ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ফ্রি র‌্যাডিকালস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। বুড়িয়ে যাওয়া ও সেল ডিজেনারেশনের অন্যতম কারণ এই ফ্রি র‌্যাডিকালস।

১৯) সর্দি-কাশি, পেটের পীড়া ও রক্তশূন্যতা দূরীকরণে বেশ ভালো কাজ করে।

২০) ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে।

08/12/2022

কমলার খোসায় রয়েছে অসাধারন পুষ্টিগুণ। চলুন জেনে আসি কমলার খোসার কিছু ব্যবহার ও উপকারিতা-

দাঁত ও মুখের ক্ষেত্রে: মুখের দূর্গন্ধ নিয়ে অনেকেই নানা রকম সমস্যায় ভুগেন। কিন্তু এ দূর্গন্ধ দূর করতে অনায়েসেই ব্যবহার করতে পারেন কমলা লেবুর খোসা। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে বা দিনের যেকোনো সময়ে কমলার খোসা চিবিয়ে খেতে পারেন। এতে আপনার মাড়িও ভালো থাকবে আর মুখের দূর্গন্ধও অনেকটা দূর হয়ে যাবে। সেই সঙ্গে কমলার খোসা চিবিয়ে খেলে দাঁত অনেক সাদা ও ঝকঝকে হয়ে যাবে। সবচেয়ে ভালো ও প্রাকৃতিক উপায়ে দাঁতের কালো ও হলদে ভাব দূর করতে পারে কমলার খোসা। শুধু কমলার খোসার ভেতরের দিকে একটু পানি ছিটিয়ে দিয়ে দাঁত ঘষে নিতে হবে। আপনি চাইলে কমলার কাঁচা খোসা বেটে পেস্টের মতোও ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া ত্বকের ক্ষেত্রে কমলা লেবুর রস খুবই উপকারি।

ত্বকের ক্ষেত্রে: কমলার খোসা ত্বকের নমনীয়তা রক্ষায় অনেক আগে থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এটা ত্বকের তেলের ভারসম্য ঠিক রাখে, ত্বককে মসৃণ ও নরম করে তোলে। তবে কমলার খোসা সরাসরি ত্বকে কখনো প্রয়োগ করা উচিত নয়। ত্বকের জন্য তাজা কমলার খোসার সঙ্গে ডাল বাটা যোগ করতে হবে। মুসুরের ডাল বেটে নিয়ে এর সঙ্গে কমলার খোসা বাটা ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর এটা নিয়মিত ত্বকে লাগাতে পারলে ত্বক অনেক মসৃণ ও নরম হবে। এতে মুখের দাগও অনায়েসেই দূর হয়ে যাবে। সেই সঙ্গে ব্রণের সমস্যা দূর করতে পারে কমলার খোসা। কমলার খোসাতে রয়েছে অ্যান্টি মাইক্রো ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি ইনিফ্লামেটরি ও অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদান, যা ব্রণের বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে। এগুলো মুখের ব্রণের সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করে থাকে। একটা গোটা কমলার খোসা এক কাপ পানিতে সেদ্ধ করে নিতে হবে। এরপর এ পানি ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। তারপর ফ্রিজ থেকে বের করে পানি মুখ ধোয়ার কাজে ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে ব্রণের সমস্যা অনেকটাই দূর হয়ে যাবে।



রান্নার ক্ষেত্রে: কমলার খোসা রান্নায় ব্যবহার করলে রান্নার স্বাদ ও গন্ধ অনেকটাই বেড়ে যায়। এর পাশাপাশি কমলা লেবুর খোসায় ভিটামিন সি রয়েছে, তা শরীরে প্রবেশ করে ভিটামিন সি-এর অভাব পূরণ করে থাকে। বাড়তি কোনো রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার না করে কেক বিস্কুট ইত্যাদি তৈরির সময় কমলা লেবুর খোসা ব্যবহার করতেই পারেন। এছাড়াও কমলার খোসা সালাদ তৈরিতে ব্যবহার করলে একটা অসাধারণ ভিন্ন স্বাদ যোগ হবে। জ্যাম, জেলী তৈরির ক্ষেত্রেও এসব খোসা ব্যবহার করতেই পারেন।

স্ক্রাবার হিসেবে কমলার খোসা: শুকনো কমলার খোসা প্রাকৃতিক স্ক্রাবার হিসেবে খুবই উপকারি। কমলার খোসা ত্বকের উপরিভাগের মৃত কোষ দূর করে চেহারায় উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। এছাড়াও ব্লাক হেডস ও হোয়াইড হেডস অপসারণের কাজেও কমলার খোসা খুবই উপকারি। কমলার খোসা গুঁড়ো করে নিয়ে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। রাসায়নিক স্ক্রাবারের থেকে অনেক বেশি উপকারি এ কমলার স্ক্রাবার।

পেটের সমস্যার ক্ষেত্রে: ক্ষুধা মন্দা হলে বা পেট খারাপ হলেও কমলার খোসা খুবই উপকারি। একটা কৌটার মধ্যে চিনি নিয়ে এরমধ্যে কমলার খোসা রেখে দিতে হবে। এতে চিনির মধ্যে কমলার গন্ধ আসবে ও স্বাদও অনেকে বেড়ে যাবে। এ চিনি দিয়ে তৈরি যেকোনো খাবার ক্ষুধার উদ্রেক করে, ক্ষুধা বাড়াতে সাহায্য করে ও পেট খারাপের মতো সমস্যাও কমিয়ে দেয়।

অন্যান্য ক্ষেত্রে: কোনো কারণে চিনি ভিজে গেলে তাতে কিছু শুকনো কমলা লেবুর খোসা রেখে দিতে পারেন। শুকনো কমলার খোসায় রয়েছে আদ্রতা শোষণ করার ক্ষমতা। এটা সহজেই চিনির আদ্রতা শোষণ করে চিনিকে করে তুলবে ঝরঝরে। বর্ষাকালে চিনিতে ভেজা ভেজা ভাব হলে এটা করে দেখতে পারেন। ঘরের স্যাঁতস্যাঁতে ভাব ও গন্ধ দূর করার কাজেও ব্যবহার করতে পারেন কমলার খোসা।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Chittagong
4041