CUSRC

CUSRC

Share

26/05/2021

যেভাবে ইংরেজি দ্রুত শিখবেন: ১০টি সহজ টিপস!

ইংরেজি বেশ মজার একটি ভাষা। ইংরেজিকে সাধারণত বেশ বোধগম্য ও সহজ ভাষা হিসেবেই ধরা হয়। আমরা প্রায় সময়ই ভেবে থাকি "না আমার দ্বারা এটি শেখা হবেই না।"

আমি বলবো, “না, আপনিই পারবেন। কীভাবে? চলুন শুরু করি…”

১) হাতের কাছাকাছি যা পান সব কিছুই পড়ার চেষ্টা করুন

ইংরেজি বই, সংবাদপত্র, ওয়েবসাইট, ইমেইল, ফেসবুক নিউজফিড: চোখের সামনে ইংরেজিতে যাই পান সব পড়ে দেখার চেষ্টা করবেন, বোঝার চেষ্টা করুন। এতে করে নতুন ভোকাবুলারি শেখা সম্ভব। যা ইংরেজি শেখার মূল। নতুন এবং পুরান দুইটাই। এভাবে একদিকে যেমন নতুন শব্দ শেখা যাবে, তার পাশাপাশি পুরাতন শব্দগুলো ঝালিয়ে নেওয়া সম্ভব। কিন্তু, শুধু পড়তে থাকলেই হবে না, আপনাকে…

২) নতুন শব্দগুলো নোট করে রাখতে হবে

এটা বেশ সাধারণ একটি টিপস হলেও কার্যকর। পড়তে পড়তে মজার একটি শব্দ সামনে আসলে মনে হয় 'আরে, এই শব্দের অর্থ আমি কখনোই ভুলবো না।' কিন্তু দেখা যায় এক সময় গিয়ে আমরা সেটা ভুলে যাই। সব সময় একটা ছোট নোটবুক, অথবা ডিজিটাল ভাবে করলে কোনো নোট-টেকিং অ্যাপের মধ্যে নতুন বা অজানা শব্দগুলো লেখে রাখতে হবে। শুধু শব্দটা না, অর্থ ও সিনোনিমসহ লেখে রাখতে হবে, যেন পরবর্তীতে এক নজরেই মনে করে নেওয়া যায়।

৩) বন্ধুদের সাথে ইংরেজি প্র্যাক্টিস করুন

কারো সাথে স্পিকিং না করেই ইংরেজি শেখবেন? উহু, সম্ভব না। জানি কী বলবেন, টেক্সট করে হয়তো অনেক ইংরেজি প্র্যাক্টিস করা সম্ভব। কিন্তু ওই যে, স্পিকিং প্র্যাক্টিসটা যে হলো না? প্রায় সময়ই মেসেজে দেখি যে, "ইংরেজি বুঝি, কিন্তু বলতে পারি না।" তাই আমাদের অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে; কথা বলতে হবে, ইংরেজিতে।

৪) ইউটিউবে শিক্ষনীয় ইংরেজি চ্যানেলগুলো সাবস্ক্রাইব করে রাখুন

রান্না ভালবাসেন? বিভিন্ন দেশের রাজনীতি শুনতে পছন্দ করেন? খেলার কমেন্ট্রি শুনতে পছন্দ করেন? তাহলে এ বিষয়গুলোর ভালো ভালো ইংরেজি চ্যানেলগুলোর ভিডিও অথবা পডক্যাস্ট শুনতে পারেন। দেখা গিয়েছে, প্রতিদিন আমাদের পাঁচ লক্ষ কর্মঘন্টা নষ্ট হচ্ছে** ট্রাফিক জ্যামের কারণে। এই সময়ে যদি আমার চ্যানেলের ভিডিওগুলো দেখে ডিরেক্ট ইংরেজি শেখার পাশাপাশি এই জিনিসগুলো করেন, তাহলে বলা যায় আপনার ইংরেজি চর্চা হবে সম্পূর্ণ।

৫) বন্ধুদের থেকে শেখা শুরু করুন

আমাদের ফ্রেন্ডলিস্টে সব সময়ই অন্তত এমন একজন বন্ধু আছে যে একদম সুন্দর করে ইংরেজিতে স্ট্যাটাস দিতে পারে। তাদের লেখাগুলো ঘাটুন। কঠিন বাক্যগুলো বোঝার চেষ্টা করুন। ওরা কী বুঝাতে চাচ্ছে এটা অনুধাবন করার চেষ্টা করুন। এভাবে কিন্তু ভোকাবুলারিও শেখা সম্ভব।

৬) প্রশ্ন করুন

আপনি হয়তো ঘরে বসে Spoken English কোর্সটি করছেন, এবং কোথাও আটকে গিয়েছেন, প্রশ্ন করুন। অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সাথেও আলোচনা করতে পারেন। একটা ব্লগ হয়তো পড়ছেন, লেখককে জিজ্ঞেস করুন আপনার কনফিউশনগুলো। আপনার বন্ধুকে বলুন, সে যে ইংরেজিতে স্ট্যাটাস দিয়েছে এটা যেন বুঝিয়ে দেয়।

৭) ইংরেজির যে টপিকগুলো আপনার শেখা অধিক প্রয়োজন সেগুলো আগে শিখুন

ইংরেজিতে ১০ লক্ষেরও বেশি শব্দ*** রয়েছে। সবগুলো অথবা অদরকারীগুলো শিখতে গেলে সারা জীবন চলে যাবে। তাই নিজেকে প্রশ্ন করুন, কোন ধরনের শব্দগুলো আমার এই মুহূর্তে জানা থাকা প্রয়োজন? আপনি যদি জেনারেল জিনিসগুলো শেখার উদ্দেশ্যে মেকানিক্যাল কোনো বিষয়ে কারো লেখা পি এইচ ডি পেপার নিয়ে বসেন, তাহলে কিন্তু যেখানে শুরু করেছিলেন সেখানেই থেকে যাবেন, কিছু শেখা হবে না।

৮) প্রতিদিন সামান্য করে শিখুন

একদিনেই ইংরেজিতে বাজিমাত করার চেষ্টা করছেন? আমরা প্রায়ই এমনটা করার চেষ্টা করি। রাত ৪ টা পর্যন্ত পড়ার পর পরের দিন দেখা যায় কিছুই মনে পড়ছে না। তাই প্রতিদিন পড়তে হবে এবং একটু একটু করে পড়তে হবে। সকালে ১৫টি শব্দ শিখেছেন। রাতে আরও নতুন ১৫টি শব্দ চর্চা না করে সকালের গুলো আবার brush-up করে ফেলুন। এতে করে শব্দগুলো মনে রাখা সম্ভব হবে।

৯) লক্ষ্য নির্ধারণ করুন

শেখা শুরু করার আগে আপনাকে একটা কাজ করতে হবে। লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। আজ শেখা শুরু করলে এক মাস পর আপনি কতটুকু শিখতে চান, সেটা আগে থেকে লিখে রাখুন। প্রতিদিন এটা দেখবেন এবং নিজেকে বলবেন, "আর ২৫ দিন বাকি। আমার লক্ষ্য পূরণ করতে হলে আজ ৪ ঘন্টা পড়তে হবে।"

১০) শেখার শুরু করার পরও উন্নতি না হলে হাল ছেড়ে দেওয়া যাবে না কোনোভাবেই

ইংরেজি শেখা শুরু করলেন। দু' মাস হয়ে গেলো। আপনি ভেবে দেখলেন এখনও আপনি আপনার পাশের বন্ধুটির মত অনর্গল ইংরেজিতে কথা বলতে পারছেন না।

এখন কী করবেন, হাল ছেড়ে দিবেন? উহু, এই কাজটা ভুলেও করা যাবে না। ভেবে দেখুন, দু'মাস আগে আপনি যতটা ইংরেজি জানতেন, তার চেয়ে একটু হলেও বেশি জানেন কি না? উত্তর যদি হ্যাঁ হয় (এবং তা অবশ্যই হ্যাঁ হবে যদি আপনি শেখা শুরু করেন), তাহলে সেটাই যথেষ্ট।

লিখেছেন - Munzereen Shahid আপু

PhD Programmes, Research Projects & Studentships in the UK & Europe 11/04/2021

PhD পর্বঃ-
পিএইচডি অর্জন বা শুরু করার জন্য কীভাবে প্রস্তুতি নিবেন?

ডক্টরাল ডিগ্রি অন্য যে কোনও ধরনের ডিগ্রির চেয়ে ভিন্নরকমের। আর তাই, কি কি করলে পিএইচডি প্রস্তুতি খুব ভাল হবে তা অনেকে পিএইচডি শুরুর সময় বুজতে পারেন না। নিচের গাইডলাইনটি কিছু জিনিস ব্যাখ্যা করবে যা আপনাকে আপনার পিএইচডির প্রস্তুতি নিতে বা শুরু করতে সহায়তা করতে পারে।

১। সম্পর্ক তৈরি করুন
পিএইচডি অর্জনের জন্য আপনার প্রস্তুতির শুরুতে বেশ কয়েকজন মূল ব্যক্তির সাথে কার্যকরী সম্পর্ক গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ।
আপনি পিএইচডি করার মাধ্যমে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে পেশাদার সম্পর্ক গড়ে তুলবেন তা হ'ল আপনার সুপারভাইজারের সাথে । সে/তারাঃ
আপনার ডক্টরাল গবেষণায় আপনাকে সহায়তা করবে।
আপনার পিএইচডি অধ্যয়নের সমন্বয় করতে সহায়তা করবে
আদেশ দিবে।
আপনার কাজের উপরে গঠনমূলক প্রতিক্রিয়া জানাবে (চূড়ান্ত থিসিসের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি এই কাজ করবে)।

তবে আপনার সুপারভাইজারের প্রকৃত ভূমিকা এবং দায়িত্বগুলি প্রকৃতপক্ষে নির্ভর করে গবেষণা ধরনের উপর। নির্ভর করে বিশ্ববিদ্যালয়, আপনি ও আপনার সুপারভাইজারের কাজের ধরন এবং ব্যক্তিত্বের উপর।
সুতরাং, আপনার সুপারভাইজারের সাথে কার্যকরী সম্পর্ক গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘন ঘন যোগাযোগ, বিশেষত আপনার পিএইচডি প্রস্তুতির অংশ হিসাবে এটি গুরুত্বপূর্ণ।
আরও কিছু মূল সম্পর্ক রয়েছে যা বিকাশ করা উচিত। সে সম্পর্ক হতে পারে সহকারী সুপারভাইজার, পোস্টডক, পিএইচডি কলিগ, অন্যান্য গবেষণা কর্মী এবং সহায়তা কর্মীর সাথে।

আপনার বিভাগ / ল্যাব গ্রুপের সাথে জড়িত হওয়া
বেশিরভাগ গবেষণা বিভাগ এবং ল্যাব গ্রুপ নিয়মিত সভা করবে এবং এতে পিএইচডির শুরুতে জড়িত হওয়া দরকারি। আপনার বিভাগ সম্ভবত গবেষণা সেমিনার করবে - যেগুলি আরেকটি সুযোগ, এখানে আগ্রহ দেখানো দরকার এবং এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য একাডেমিশিয়ানের সাথে জড়িত হওয়ার সুযোগ আসে। এছাড়াও প্রচুর পরিমাণে অন্যান্য ইভেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তথ্য এবং গাইডেন্সের দরকারী সোর্স হওয়ার পাশাপাশি, আপনার বিভাগ বা ল্যাব গ্রুপের অন্য সদস্যরা আপনার বন্ধু হতে পারে। তাদের সাথে পেশাদার এবং সামাজিক সম্পর্ক স্থাপন আপনার পিএইচডি করার সময় সহায়ক হবে।

আমি যদি আমার সুপারভাইজারের সাথে মানিয়ে নিতে না পারি?
যদি কোনও কারণে আপনি যদি মনে করেন যে, আপনার সুপারভাইজারের সাথে আপনার সম্পর্কটি উল্টাপাল্টা, তবে বেশ কয়েকটি জিনিস করা যায়।
প্রথমত, অনেক ছাত্র সুপারভাইজার সম্পর্ক সঙ্গে সমস্যা একটি হল 'যোগাযোগের অভাব'। আপনার সমস্যাগুলি সম্পর্কে একটি সৎ এবং মুক্ত আলোচনা কার্যকর সম্পর্ক তৈরি করতে সহায়তা করতে পারে।
সমস্যা যদি সুপারভাইজারের কাজের স্টাইলে থাকে, যেমন খবর নেয়ার অনুপস্থিত বা বাড়াবাড়ি আচরণ, তবে মিটিং যোগাযোগ এটি সমাধান করতে পারে। আপনাকে সহায়তা করার জন্য অতিরিক্ত সুপারভাইজারও থাকবে।
আপনার যদি এখনও সমস্যা হয় তবে সমস্যাটি সমাধান করার জন্য আপনার ২য় সুপারভাইজার অথবা অন্যান্য স্টাফদের সাথে যোগাযোগ করা উচিত। যদি সম্পর্ক অপূরণীয় হয় তবে আপনার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্দেশনা সহ সুপারভাইজারকে পরিবর্তন করা সম্ভব।

২। আপনার গবেষণা পরিকল্পনা করুন
আপনার পিএইচডির শুরুতে, বা আপনি শুরু করার আগে গবেষণা পরিকল্পনা (Extended research Proposal).
এর অর্থ রিসার্চ পরিকল্পনা প্রসারিত করা। আপনি যদি একটি লিখেও থাকেন তা প্রস্তাবিত, প্রকল্পটির আরও গবেষণা সম্প্রসারণ করা যায় এমন। আপনি পিএইচডি গবেষণা শুরু করার আগেই গবেষণা ক্ষেত্রটি সম্পর্কে আরও জ্ঞানী হওয়া খুবই কাজ দেয়।
যেহেতু পিএইচডি প্রায় একটি স্বাধীন গবেষণা প্রকল্প সেহেতু আপনি পরিকল্পনা এবং পরিচালনা জুড়ে দায়বদ্ধ থাকবেন। এই পরিকল্পনার মধ্যে স্মার্ট SMART (specific, measurable, actionable, relevant, time-bound) লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে কিনা যাচাই করা দরকার।
আমার গবেষণার ফোকাস বদলে গেলে কী হবে?
আপনার গবেষণার জন্য যে পরিকল্পনাগুলি করেছেন তা আপনার পিএইচডি জুড়ে একই থাকবে বলে সম্ভাবনা কম। সমস্যা মোকাবেলা বা নতুন কিছুর অন্তর্ভুক্তি গবেষণার ফোকাস বা দিক পরিবর্তন করবে। তবে পিএইচডির শুরুতে কার্যকর পরিকল্পনা একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় যা এখানে সহায়তা করবে।

৩। উপযুক্ত কাজের পরিবেশের সন্ধান করুন
উপযুক্ত কাজের পরিবেশ আপনার পিএইচডিতে সফল হতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। 'পিএইচডির উপর ফোকাস করা' সহজ করার জন্য সবকিছু 'সেট-আপ' করা উচিত।
যেমনঃ
আপনি যে গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কাজ/অধ্যয়ন করছেন তার কাছাকাছি দূরত্বে বাস করা।
উপযুক্ত কাজের জায়গা খুঁজে বের করা যেটি একটি পরিষ্কার এবং পরিপাটি অফিস, যেখানে মন অন্য কোন দিকে বিক্ষিপ্ত হয়ে যাবে না।
গবেষণা সম্পন্ন করার জন্য সরঞ্জাম থাকা। যেমনঃ- কম্পিউটার, লাইব্রেরিতে অ্যাক্সেস ইত্যাদি।
আপনি যদি পিএইচডি করার জন্য কোনও নতুন শহর বা দেশে বসতি স্থাপন করেন তবে এটি আরও প্রাসঙ্গিক হতে পারে। আপনি যত তাড়াতাড়ি এগুলো করবেন তা তত ভাল। এটি আপনার সুস্থতা এবং মানসিক স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। উপযুক্ত কাজের পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করার পাশাপাশি, আপনার প্রয়োজনীয় যে কোন দরকারে আপনি হাতের কাছে পান এইরকম সুযোগ-সুবিধা আপনাকে বাড়তি সুবিধা দিবে।

৪। আপনার অভিষেক সম্পূর্ণ করুন
আপনার পিএইচডি শুরু করার পরে, আপনি সাধারণত কিছুটা অভিষেকের মধ্য দিয়ে যাবেন। এটি আপনার বিশ্ববিদ্যালয়, একটি নির্দিষ্ট বিভাগ বা আপনার সুপারভাইজার দ্বারা পরিচালিত হবে।
অভিষেক আপনাকে কিছু তথ্য সরবরাহ করবেঃ
প্রশিক্ষণ
স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তা
বিধি-নিষেধ (বিশ্ববিদ্যালয় এবং পিএইচডি প্রোগ্রাম, উভয়ের)
সভা ও সেমিনার, সংগঠন
পিএইচডি শুরুর সময় আপনাকে 'প্রশিক্ষণের প্রয়োজন বিশ্লেষণ' Training Needs Analysis (TNA) এর মতো দক্ষতা নিরীক্ষণের কাজ শেষ করতে বলা হতে পারে । এটি আপনার শক্তি ও দুর্বলতাগুলি চিহ্নিত করার এবং আপনার ডক্টরেট জুড়ে আপনার দক্ষতা উন্নত করার উপায় অনুসন্ধান করার একটি পথ। এটি আপনার পড়াশোনার শুরুতে শুরু করা হবে এবং আপনার পিএইচডি যাত্রা জুড়ে নিয়মিত আপডেট করা লাগতে পারে।
এই সময়, আপনাকে বিশ্ববিদ্যালয় বা বিভাগীয় ছাত্র সমিতিগুলিতে পরিচয় করিয়ে দেয়া হবে এবং সামাজিক ইভেন্টগুলিতেও আমন্ত্রিত হতে পারেন।
তবে, অভিষেক আপনাকে পিএইচডি সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা সরবরাহ করবে না । যেহেতু ডক্টরাল গবেষণা স্ব-শিক্ষিত অধ্যয়ন, আপনি আপনার সমস্ত প্রশিক্ষণ এবং বিকাশের প্রয়োজনীয়তার সাথে আপ-টু-ডেট থাকার জন্য নিজে দায়বদ্ধ থাকবেন।

৫। লিখতে শুরু করুন
আপনার পিএইচডির কার্যকর প্রস্তুতি এবং পরিচালনার জন্য আপনার গবেষণার শুরুতে লেখার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত । আপনার পিএইচডি শুরু করার আগেও এটি শুরু করা যেতে পারে।
আপনাকে প্রথম যে কাজটি সম্পন্ন করতে হবে তা হ'ল একটি 'অতীত কাজের পর্যালোচনা' (Literature review)। আপনাকে লিখিত কাজের কিছু ড্রাফট জমা দিতে হতে পারে। অতীত কাজের পর্যালোচনা (literature review) শুরু এবং শেষ যত তাড়াতাড়ি হবে আপনার পিএইচডি অর্জনের জন্য তা তত বেশি সুবিধা করে দিবে। এই অতীত কাজের পর্যালোচনা' (literature review) এমনকি আপনার চূড়ান্ত থিসিসের অংশও হয়ে যেতে পারে।

৬। গবেষণা পরিচালনা এবং তাড়াতাড়ি ফলাফল সংগ্রহ করুন
যদিও সাধারণত আপনার বেশিরভাগ গবেষণা এবং ফলাফলগুলি আপনার পিএইচডি অধ্যয়নের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বছরে উদ্ভব হবে, তথাপি আপনার পিএইচডির শুরুতেই আপনার গবেষণা শুরু করা অত্যন্ত উপকারী হতে পারে ।
কার্যকর পরিকল্পনা এবং পরিচালনা আপনাকে গবেষণার প্রাথমিক পর্যায়ে আপনার অনেক ভাল ফলাফল অর্জনের দ্বার উন্মোচন করবে।
এটি পরবর্তীকালে আপনার পিএইচডি তে গঠনমূলক কাজের অনুশীলন এবং অভ্যাসের বিকাশ ঘটাবে।

আমার প্রাথমিক গবেষণাটি যদি দুর্বল / কাজ না করে তবে কী হবে?
প্রাথমিক পর্যায়ে যে গবেষণাটি নিম্ন মানের বা কম গুরুত্বের সাথে শেষ হয় তা বৃথা যাবে না। এই কাজটি 'গবেষণা কৌশলগুলির' ক্ষেত্রে মূল্যবান 'অভিজ্ঞতা' সরবরাহ করবে এবং কার্যকর না হওয়ার কারণগুলো সম্পর্কে আপনাকে জানাবে। এই নেতিবাচক ফলাফলগুলি শেষপর্যন্ত আপনার চূড়ান্ত থিসিসের অংশও হতে পারে।
---------------------------------
মুলঃ findaphd.com
ভাষান্তর, সংস্করণ ও পরিমার্জনেঃ
A B Siddique Biplob, PhD
উমিও, সুইডেন

PhD Programmes, Research Projects & Studentships in the UK & Europe FindAPhD is a comprehensive guide to PhD studentships and postgraduate research degrees

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Chittagong