ctv.com.bd
07/03/2026
চট্রগ্রাম নগরীর খুলশী এলাকায় সেচ্ছাসেবক দল নেত্রী আয়েশা -কুলসুম এর জমজমাট দেহ ব্যবসা।
#সি টিভি_নিউজ: চট্রগ্রামের খুলশী থানার আমবাগান, সেগুন বাগান, নিউ ঝাউতলা কলোনি সহ বিভিন্ন এলাকায় সেচ্ছাসেবক দল নেত্রীরা চালাচ্ছে অবৈধ দেহ ও মাদক ব্যবসা। প্রসাশন কে মাশোহারা দিয়ে এসব ব্যবসা পরিচালনা করেছেন বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী।
এসব ছাড়াও এই চক্রটির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, চুরি,ছিনতাই এমনকি নারী পাচারের ভয়ংকর অপরাধেরও অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগী এলাকা বাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধানে নামে সি টিভি নিউজ। অনুসন্ধানে বের হয়ে আসে চট্রগ্রাম মহানগর সেচ্ছাসেবক দলের নেতা শাহ আলম ছত্রছায়ায় দেহ ব্যবসা এবং মাদকের ভয়ংকর সিন্ডিকেটের তথ্য।
নগরীর খুলশী থানা এলাকার আমবাগান, সেগুন বাগান, নিউ ঝাউতলা কলোনী, ফয়েজলেক আবাসিক এলাকায় চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা ও মাদকের আখড়া । পাহাড়তলী পুলিশ বিট এর ইনচার্জ এর সখ্যতা থাকায় পুলিশ কোন অভিযানই ধরা পড়ছে না এসব। এতে করে থামছে না দেহ ব্যবসার কাজ। এগুরো আবাসিক দেহ ব্যবসা পাশাপাশি চলে মাদক সেবন ।
অনুসন্ধান এ জানা যায়, আমবাগান এলাকার দেহ ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করে সেচ্ছাসেবক দল নেত্রী পরিচয় দেওয়া শাহ আলম এর অনুসারী আয়েশা বেগম। বিগত আওয়ামীলীগ সরকার এর সময়ে সে ছিল আওয়ামীলীগ এর রাজপথ কাপানো ড্যান্সার। গানের সাথে সাথে অশ্লীল নাচ করে আওয়ামীলীগ পক্ষে ভোট চাওয়ার জন্য তাকে ভাড়া করে নিয়ে যেত অনেক নেতা। ৫ই আগষ্ট এর পর সে রাতারাতি হয়ে যায় সেচ্ছাসেবক দলের নেত্রী। শাহ আলম এর ছত্রছায়ায় আমবাগান এর বিভিন্ন বাসা বাড়িতে মেয়ে রেখে চলে এসব ব্যবসা। আয়েশার বাসায় গেলে নারীর সাথে সহজেই পাওয়া যায় ইয়াবা। নিরাপদ এ বসে খাওয়া যায় ইয়াবা সাথে নারী তাই ব্যবসাও জমজমাট।
সেগুন বাগান এলাকায় এ সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রন করে মনি প্রকাশ লালী নামে আরেক আওয়ামীলীগ নেত্রী। সাবেক কাউন্সিলর এর হীরন এর নারী সাপ্লাইয়ার এ মনি এখন সেগুন বাগান এর লালপাহাড় এ জায়গা দখল করে সেখানে ঘড় তুলে অবাধে চালাচ্ছে দেহ ব্যবসা। তার স্বামী কামাল শাহ আলম এর অনুসারী হওয়াতে এলাকায় লালী বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস নাই কার।
অপরদিকে খুলশী থানার সন্নিকটে নিউ ঝাউতলা কলোনী এলাকায় দেহ ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করে মহিলা মাফিয়া হিসেবে পরিচিত কুলসুম এবং রুনা। রেলওয়ের বাসা দখল সেখানে গড়ে তুলেছে বিশাল দেহ ব্যবসার আখড়া। এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায় শাহ আলম এর কিশোর গ্যাং এবং কিরিচ বাহিনীর সব অস্ত্র মজুদ থাকে এই কুলসুম এর বাসায়। কুলসুম এর ছেলে এলাকায় কিশোর গ্যাং সদস্য গ্যারেজ জুয়েল মাদক, ছিনতাই,ডাকাতি সহ একাধিক মামলায় জেলে আছে। এলাকাবাসী জানায় কুলসুম এর সাথে কেউ ভয়ে কথা বলে না। কেউ প্রতিবাদ করলে তার উপর হামালা চালায় কিরিচ বাহিনী। হামলার পাশা-পাশি রুনা এবং তার মেয়ে মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলা করে। পরে আপোস এর হাতিয়ে নেয় বিশাল অংকের টাকা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ সেচ্ছাসেবক দলে নেতা শাহ আলম এর ছত্রছায়ায় তার এসব অপরাধ করার সাহস পাচ্ছে। শাহ আলম তাদেরকে দলের বিভিন্ন প্রোগ্রামে নিয়ে গিয়ে তাদেরকে সেচ্ছাসেবক দলের নেত্রীর পরিচয় ট্যাগ লাগিয়ে দেয়। এলাকাবাসী এসব মহিলা নেত্রীদের হাত থেকে তাদের বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অনুরোধ করেন।
27/06/2024
"সুখবর বলবো নাকি দুঃসংবাদ বলবো ভেবে কুল পাচ্ছি না" !!! ✍️ এস এ এম নূর হোসাইন
মাদ্রাসা ছাত্রীকে অপহরণ করে ৫হি'ন্দু যুবক পালাক্রমে ধর্ষণ ।
টাঙ্গাইলে মাদ্রাসার ছাত্রীকে জোরপূর্বক হিন্দু ছেলের বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়, অপহরণ করে ৫হি'ন্দু যুবক পালাক্রমে ধর্ষণ করেছে। ইসকনের ডেডিকেটেড কর্মী সাগর চন্দ্র শীল পার্শ্ববর্তী এলাকার এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে মাদ্রাসায় আসা যাওয়ার পথে প্রথমে ইভটিজিং করতো পরবর্তীতে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। তাতে মেয়েটি রাজি না হওয়ায় এবার সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব। তাতেও রাজি না হওয়ায়, ঘটনার দিন সকালে ওই ছাত্রী বাড়ি থেকে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে শালদাইর ব্রিজের কাছে পৌঁছালে সাগর শীল আরো দুইজন বন্ধুকে নিয়ে মেয়েটিকে প্রকাশ্য দিবালোকে জোর পূর্বক সিএনজিতে তোলে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা এলাকায় নিয়ে যায়।
আবার সেখানে মধুপুর চোরাল জানী গ্রামে সাগর শীলের বন্ধু রাজনের বাড়িতে নিয়ে উঠে। সেখানে তারা ৫ হি'ন্দু যুবক মিলে ওই মাদ্রাসা ছাত্রীকে নিয়ে মাস্তি করে এবং মেয়েটিকে সাগর শীলের সাথে বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করে। কিন্তু সাগর শীল হি'ন্দু হওয়াতে মেয়েটি বিয়ের প্রস্তাবে রাজি হয় নাই। বিয়েতে রাজি না হওয়ার কারণে ওই রাতেই সাগর শীল তার বন্ধু রাজনের বাড়িতে মেয়েটিকে আটকে রেখে বন্ধুরা জনসহ দুইজনে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
এতে তারা ক্ষান্ত হয়নি। দিনের বেলায় মেয়েটির উপর চলেছে অমানুষিক নির্যাতন। আর রাতে মেয়েটিকে এবার বংশাই নদীর তীরে নিয়ে গিয়ে সেখানে তারা ৫ জন হিন্দু যুবক মিলে পালাক্রমে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে ফেলে রেখে যায়। মেয়েটির আত্মচিৎকারে আকাশ বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। তাদের ভয়ে কেউ উদ্ধারে এগিয়ে আসেন। আধ মরা অবস্থায় মেয়েটিকে ফেলে রেখে গেলে ভোরে পথচারীদের সহায়তায় স্বজনেরা এসে উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করা হলে, মূল আসামিকে বাদ দিয়ে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষনকারীদের মধ্য থেকে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। মূল আসামি সহ তিনজন পলাতক। তাদেরকে পুলিশ খুঁজে পাচ্ছে না। কিছুই করার নাই। বলতে গেলে অঘোষিতভাবে এখন হিন্দুদের রাজত্ব কায়েম করেছে। এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক কোন বিচার হবে বলে আমার মনে হয় না। দুই একটা মিডিয়া ছাড়া আর কেউ এই নিউজ প্রচারও করবে না। কারণ অতীতে শিক্ষক পরিমলের কোন বিচার হয়নি। মুসলিম গৃহবধূকে ধর্ষণের নের কোন বিচার হয়নি। মুসলিম তরুণীকে জোরপূর্বক মাথায় সিঁদুর পরিয়ে বিয়ে এবং ধর্ষণের কোন বিচার হয়নি। মিথ্যা অজুহাতে মুসলিম যুবকদেরকে মন্দিরে সাপের মতো পিটিয়ে হত্যার কোন বিচার হয়নি। বিষয়টি শুনতে গা শিউরে উঠে। ভাবতে অবাক লাগে। একজন বিবেকবান মানুষের পক্ষে মেনে নেওয়া কঠিন !!!
আমি ইতিপূর্বে বেশ কয়েকবার ইসকনের হিন্দু সন্ত্রাসীদের টার্গেট মুসলিম তরুণী, শীর্ষক পোস্ট করেছিলাম। এখন তার সত্যতার প্রমাণ পেয়েছেন তো ?
প্রিয় মুসলিম ভাই-বোনেরা এখনো কি ভাবার সময় হয়নি? বিষয়ে ভাবতে যদি তোমাদের কষ্ট লাগে! মুখ খুলতে যদি লজ্জা লাগে! তাহলে পরিত্রাণের আর কোন উপায় থাকবে না। এখনো সময় আছে। ভাবতে হবে তোমাকে। সোচ্চার হতে হবে। মুসলিম জাতির ঈমান আকিদা সংস্কৃতি, মুসলিম মেয়েদের মান ইজ্জত এবং দেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে হিন্দুদের গভীর ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে। মুসলমানদের ইজ্জত সম্মান এবং আমাদের কলিজার টুকরা মেয়েদেরকে হিন্দুদের ষড়যন্ত্র থেকে বাঁচানোর লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হতে হয়ে রুখে দিতে হবে তাদের সকল নোংরা ষড়যন্ত্র।
এমতাবস্থায় আমাদের শেষ ভরসা, রাষ্ট্র নায়ক বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের আকুল আবেদন। আপনি বাংলার নারীদের শিরোমনি। মায়ের জাতি, আপনি পর্দাশীল দ্বীনদার একজন মুসলিম নারী। আপনি দেশের প্রধানমন্ত্রী। আমাদের মুসলিম মা বোনদের এবং আমাদের কলিজার টুকরা মেয়েদের ইজ্জত সম্ভ্রম রক্ষার্থে উক্ত ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করছি।
পরবর্তীতে আর যাতে করে কেউ কোনো প্রকার আস্কারা না পায়, সে বিষয়ে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে নির্দেশ দানে জন্য সারাদেশের মুসলমানদের পক্ষ থেকে বিনয়ের সাথে আপনাকে অনুরোধ করছি।
এই ধরনের ঘটনার স্বীকার হয়ে, বাংলাদেশের ৬৮হাজার মুসলিম তরুণী বর্তমানে ভারতের পতিতালয়ে আটক আছে।
এর সংখ্যা দিন দিন গাণিতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা একান্ত অনিবার্য।।
03/06/2024
মাদকের কুফলে সমাজ থেকে মায়া মমতা হারিয়ে যাচ্ছে। দিনদিন মানুষ নিষ্ঠুর ও পাষণ্ড হয়ে যাচ্ছে। যার জ্বলন্ত উদাহরণ;
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Ctv Bhoban. 1/D, Khulshi Green Society. Haji Abdul Hannan Lein, Zakir Hossain Road,Khulshi. Chittagong-4209.
Chittagong