Mufti Solaiman Rhamani

Mufti Solaiman Rhamani

Share

09/10/2024

গাযা থেকে হিজরত করা আমার বন্ধু!

- হা মা সের নেতৃত্বে ফি লি স্তিনি সশস্ত্র মু জা হিদ বাহিনী ২০২৩ইং৭ই অক্টোবর গাজা উপত্যকা থেকে ইjয়ে লের বিরুদ্ধে একটি বড় অপারেশন পরিচারনা করেন তাতে বেশ সফলও হয় ! ওরা আজ এক বছর ধরে সাধ্যমত কঠিন প্রতিরোধ করছে ! ফলে পৃথিবী তাদের সম্পর্কে নতুন করে জানতে পেরেছে ।

র্সাবিক বিবেচনায় হামলার পরবর্তি অবস্থা সামাল দেয়া বিশাল কঠিন হয়ে পড়েছে ! হিজুভাই ও তে হরান পাশে না থাকলে হয়তো ৫০ হাজারের সংখ্যাটি আরো বাড়ত,দীর্ঘ হতো শহীদদের লাশের সাড়িও!

- আকিদার ব্যাপারে হিজুভাই ও তে হরানের ব্যাপারে যথেষ্ট কালাম মুজুদ থাকলেও তেহরান কর্তৃক ইজরায়েলের প্রতি যে আ ক্রমন গুলো হচ্ছে আপাতত দৃষ্টিতে তা গাযা'র জন্য নিঃসন্দেহে বড় ধরনের সহযোগিতা । যা কি-না অন্যান্য সহিহ আকিদার ধ্বজাদারীরা কিয়ামত পর্যন্ত করতে পারবে না ।
-
রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বা ইতিহাসকে সামনে রাখলে আর কিছু না-হোক অল্প করে হলেও তেহরান ই স রাইলকে ব্যস্ত রাখতে সক্ষম হয়েছে এটাও কম কিসে! আশ্চর্যের বিষয় হলো ”তেহরান” সম্পর্কে কেউই পরিষ্কার নয়! ক্ষুদ "গা যা বাসী' দুয়াশাই রয়েছে । তবে গা যা‘র এই বিপদের দিনে "হিজু" ও "তেহরান"কে পাশে পাওয়া তা‘যেন বিশাল মরুভূমিতে একগ্ৰাস পানি সমতুল্য।

- একটি পর্যালোচনা ।
গা যা’র নিয়ন্ত্রণে থাকা হা মাস ই স রায়েলি ভূখণ্ডে অতর্কিত ভয়াবহ হামলার পর থেকে দীর্ঘ এক বছর ধরে নিরবচ্ছিন্ন বিমান হামলা চালিয়ে লাশের সাড়ি দীর্ঘ করছেই করছে ।
এখানে একটি কথা না বলেই নয় ! একটু চিন্তা করুন তো ! ই স রাইল কিভাবে একসাথে গা যা, লেবানন, ও ই রানের সঙ্গে সমান তালে যুদ্ধ করছে ! একটি মুসলিম দেশের দ্বারা কি তা আদৌও সম্ভব ! তাহলে ই জা রেলের কি এমন পাওয়ার আছে যা, তাদের কে সবার থেকে আলাদা করে রেখেছে !

- এই প্রশ্নের উত্তরে আমার দীর্ঘ দিনের গবেষণায় যা মনে হয়েছে তা হল, পশ্চিমাদের দৃঢ়্য সমর্থন । যুক্তরাষ্ট্রসহ প্রভাবশালী পশ্চিমা দেশগুলো ইসরায়েলের সর্বাত্মক সমর্থনে এগিয়ে আসায় তারা ডানবাম দেখার প্রয়োজন বোধ হয় করে না। ঠান্ডা মাথায় গণহত্যা করছে সক্ষম হচ্ছে
- দ্বিতীয়ত তাদের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ! যেখানে মুসলিমরা শুধু দুর্বল নয় বরং অনেক দুর্বল।
- তারপর বলতে হবে এই সন্ত্রাসীদের মধ্যে নিজেদের শতভাগ কনফিডেন্স! কারণ এই হায়েনারা মনে করে মুসলমানের রক্তের কৈয়ফীয়ত চাওয়ার কেউ নেই ! আসলেও তায়ই “

আশ্চর্যের ব্যাপার হলো :-
বড় ধরণের সংকটলে পুরো মুসলিম বিশ্ব ফি লিস্তিনিদের পক্ষে খুব একটা শক্ত অবস্থান নিতে দেখা যায় না। এমনকি মুসলিম দেশগুলোর সংগঠন ওআইসি কিংবা আরব লীগও ই স রা য়েলের সাথে সংকটকালে ফি লি স্তি নের পক্ষে খুব জোরালো কোন ভূমিকা নিতে পারে না। মিসর,তিউনিসিয়ার, তুরষ্কের মতো দেশও এর বাইরে নয়। সমগ্র মুসলিম বিশ্ব অল্প করেও যদি তাদের পাশে দাঁড়াত তাহলে পৃথিবীর সব কুফুরীশক্তি কিছু করার পূবে শতবার বেভে নিত !

কিন্তু এতদসত্ত্বেও মুসলিম রাষ্ট্র প্রধানরা মুখ খুলে ভয় কেন ?

এখানে আমার কিছু বিশ্লেষন পেশ করব ,মিলিয়ে দেখুন !
- মুসলিম বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই গণতন্ত্র নেই! বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে এবং সে কারণে এসব দেশের সরকারকে সমঝোতা/ পশ্চিমাদের পা চেটে চলতে হয়। একই কারণে ওআইসি বা আরব লীগও চুপচাপ থাকে। রাজতন্ত্রের বাইরে থাকা দেশগুলো- বাংলাদেশ,পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া,তুরষ্ক সোচ্চার হওয়ার মতো প্রভাবই কোন ভেলু নেই। তাই হয়তো রাজতন্ত্রের আধিপত্যকে ঢেকে রাখাতে আমেরিকার বলয় থেকে নিজেদের বাঁচিয়ে রাখতে বিষেশ করে “মেডেলিস্টের মুসলিম দেশ গুলো কখনোই শক্তভাবে স ন্ত্রাসী ই স রা ই লের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয় না ।
- আরেকটি কারণ থাকতে পারে তা হলো, ই জ রা ইল আমেরিকার শোহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ! এ কারণে কেহই চাই না যে, ই স রা ই লের সামনে সিনাটাণ করে দাঁড়িয়ে পশ্চিমাদের চটিয়ে নিজের রাজতন্ত্রের আধিপত্য শেষ করতে!

হা মা সের পাল্টা আক্রমণ হবে জেনেও কেন অপারেশনে গেল ! তারা কেন আগবেড়ে আক্রমণ করতে গেল!? এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি গাযা থেকে আগত বন্ধুকে আমি করি ..
তার জবাব হল :-
- প্রথমত সব কিছু আল্লাহর ফায়সালা। জয়-পরাজয় মানুষ নির্ধারণ করতে পারে না।
- দ্বিতীয়ত কোটি কোটি মুসলিম আমাদের এমন অসহায়ত্বা চেয়ে চেয়ে দেখবে তা কল্পনীক কাহিনীকেও হার মানিয়েছে !
- মুসলিম বিশ্ব ছোট্ট এই গাযা'য় সাধারণ রুটি,পানি প্রবেশ করানোর মতো যোগ্যতা রাখে না, তাঁরা যে, এত দুর্বল তা পৃথিবী বাসীর জানা ছিল না !
- আমরা কখনো ভূমি দূস্যদের সাথে একত্রে থাকতে রাজি না।

#আপনার পরিবারের কত জন শাহাদাত বরণ করেছে ?
৫ জন !😥إنا لله وإنا اليه رجعون

#আচ্ছা ৫০হাজার শহিদ হয়েছে, দায়ভার কি হা মাসকে দিবেন ?
- না না কখনো না !তাঁরা "মুজাহিদ"আমাদের জমি ও মুসলমানদের প্রথম কিবলা মসজিদে আকসা পবিত্রতা রক্ষায় জিহাদ করছে। এরা বাপ-দাদার দেখানো পথেই রয়েছে। ১৯২০ থেকে আমাদের উপরে দ্বারাবাহিক ভাবে নির্যাতন চলছে ,আচ্ছা বলুন তো! কাউকে আপনার বাড়িতে আশ্রয় দিলেন, সে কিছুদিন পর বাড়ি দখল করে আপনাকেই বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিচ্ছে ! আপনাকে বের হতে আঘাতের পর আঘাত করেছে, তখন কেউ আপনার সাহায্যে এগিয়ে আসলে আপনি কি তাকে দোষারোপ করবেন ? সুতরাং আমাদের বাপ- দাদারা যুদ্ধ করে শহিদ হয়েছে, এখন আমরা জিহাদ করছি, ইনশাআল্লাহ আমাদের এই জিহাদ ফিলিস্তিন এবং মসজিদে আকসা ও তার পবিত্রতা রক্ষা না পর্যন্ত চলতে থাকবে !

#আপনাদের এই দুঃসময়ে আমাদেরকে করনীয় কি ?
- যে জাতি জি হাদ ভুলে গেছে তাদের কে আর কিবা বলার আছে !
”তাওবা” করে জি হাদের পথে আসুন সম্মানের পথে আসুন,এই টুকুই।

একটি বাস্তবতা হলো হা মাস ই স রাইলের উপর তখন আক্রমণ করে যখন সৌদিআরব ই স রাইল কে স্বীকৃতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। পারতপক্ষে মিডিলিষ্টের শক্তিধর একটি রাষ্ট্র, ই স রাইলের মতো দখলদার সন্ত্রাসীকে স্বীকৃতি দেয়ার অর্থ হলো হলো তাদের জুলুমের সহযোগিতা করা । তাদের সাথে সুসম্পর্ক তৈরি মনে ফিলিস্তিনিদের শত বছরের মাতৃভুমি রক্ষার লড়াইয়ে কুঠার আঘাত করা। সৌদির স্বীকৃতি মানে মধ্যপ্রাচ্যে হায়েনাদের দৃঢ় দাপটে সহযোগিতা করা ,

১৯২০ থেকে ধারাবাহিক ভাবে ইসরাইলী সন্ত্রাসী কর্তৃক নিষ্পেষিত নির্যাতিত মুসলিম জাতির গর্দানে পর্যায়ক্রমে তুরষ্ক ,মিশর ও জর্দানের মতো জাতি সত্তার প্রতি দরদহীন ঘৃন্য রাজনীতির বলি হয়ে ফিলিস্তিনিদের গাড়ে গেতেছে মস্ত বড় পেরেক,তা যেন তার দীর্ঘ না হয়!

মুসলিম দেশগুলোর শক্তি সমৃদ্ধি থাকা সত্ত্বেও
আফসোস! ফি লি স্তিনের পাশে কেউ দাড়ায়নি !
”ক্ষত সাড়াতে কেউ এগিয়ে আসেনি” !!

- মুসলিম জাতিসত্তা ও ভ্রাতৃত্বের কাছে হেরে গেছে গোটা দুনিয়া !
হা মা স এখনো যুদ্ধে হারেনি, হেরেছে গোটা মুসলিম বিশ্ব।
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে বুঝার তাওফিক দান করুক।

আল্লাহ তাআলা আমাদের ক্ষমা করুক ,,,,
M***i solaiman bin abdus sattar
Al Azhar Cairo Misor..

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Brahmanbaria?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Brahmanbaria