Meta Likn
06/02/2023
আপনার হাতে থাকা মোবাইল দিয়ে স্থায়ীভাবে ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে সঠিক পদ্ধতিতে প্রতিমাসে ২০-৩০হাজার টাকা ইনকাম করুন।
ইনকামের সম্পূর্ণ তথ্যের জন্য ফ্রি সেমিনার জয়েন করুন আজ সন্ধ্যা ৭টায়।
মিটিংয়ে জয়েন করার জন্য অনুগ্রহপূর্বক আপনার google meeting অপশনটি সেটআপ করে রাখুন।
Meeting link : meet.google.com/vbm-djea-dgr
Time : 7PM
যে কোন রকম সহযোগিতার জন্য আমাদের পেইজে মেসেজ করুন।
Meet Real-time meetings by Google. Using your browser, share your video, desktop, and presentations with teammates and customers.
19/01/2023
What Is Affiliate Marketing?
মার্কেটিং ব্যবসায়ের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত একটি বিষয়। ব্যবসায়ের জন্য অফলাইন মার্কেটিং এবং অনলাইন মার্কেটিং দুভাবেই করা যায়। অফলাইনে যখন কোনো পণ্য প্রচার করা হয় তখন তাকে ক্লাসিক মার্কেটিং বলা হয়। আর যখন এটা অনলাইনের মাধ্যমে করা হয় তখন তাকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলা হয়।
ডিজিটাল মার্কেটিং যখন কেউ নিজের প্রোডাক্ট বা ব্যবসায়ের জন্য করে তখন তাকে নিজেস অনলাইন বিসনেস বলে। কিন্তু যখন ডিজিটাল মিডিয়ায় বা অনলাইন মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে অন্য কোন ব্যাক্তি বা অন্য কোন কোম্পানির প্রোডাক্ট প্রমোট করা হয় এবং বিনিময়য়ে কমিশন নেয়া হয়, তখন তাকেই এফিলিয়েট মার্কেটিং বলে।
আজ আমরা এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণে পাবো ইনশাআল্লাহ। আমরা আজ জেনে নেবো এফিলিয়েট মার্কেটিং কি? এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার জন্য কি কি দক্ষতা প্রয়োজন? এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করার জন্য আপনি প্রস্তুত কিনা? এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য আপনি কোন নিস সিলেক্ট করবেন? Affiliet Product কোথায় পাবেন? এফিলিয়েট সম্পর্কে সঠিক গাইডলাইন এবং বিস্তারিত। তো চলুন শুরু করা যাক।
এফিলিয়েট মার্কেটিং কি? (What Is Affiliate Marketing )
প্রথমেই বলা যায় এফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনলাইনে ইনকাম করার এক আধুনিক ও লাভজনক পদ্ধতি। এই পদ্ধতি ব্যবহার করে Bloggers এবং YouTubers রা বিভিন্ন কোম্পানির প্রোডাক্টস তাদের নিজের প্লাটফর্মে প্রচার করে। এবং তখন যদি কোনো ক্রেতা তার এফিলিয়েট লিংকের মাধ্যমে গিয়ে পণ্য বা সার্ভিস কিনে থাকে, বিনিময়য়ে তখন সে কোম্পানি থেকে কমিশন পাবে, এই কমিশনের মাধমে আয় করাই হলো এফিলিয়েট ইনকাম বা অ্যাফিলিয়েশন করা।
অনুরূপভাবে যখন কোন কোম্পানি তাঁদের ব্যবসায়ে বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য এফিলিয়েট প্রোগ্রাম চালু করে এবং মার্কেটিং বা প্রচার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগার এবং ইউটিউবারদের ব্যাবহার করে এবং বিনিময়য়ে তাদেরকে একটা কমিশন প্রদান করে এটাকেই বলে এফিলিয়েট মার্কেটিং।
এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন এতো জনপ্রিয়? (Why Affiliate Marketing Populer)
বর্তমানে অনলাইনে কেনাকাটার সংখ্যা প্রচুর পরিমানে বৃদ্ধি পাচ্ছে যার ফলে অনলাইন ব্যবসার সংখ্যা ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর তার সাথে সাথে প্রতারকের সংখ্যা ও বেড়েই চলেছে, নানাভাবে নানা কৌশলে তারা প্রতারিত করছে গ্রাহকদের। ফলে গ্রাহকরা অনলাইন কেনাকাটায় অনেক দ্বিধা-দন্দে পরে যাচ্ছে। তারা আসলে বুঝে উঠতে পারেনা কোনটা তারা বিশ্বাস করবে।
একজন গ্রাহক সবসময় প্রতারণা থেকে বাঁচতে চায় এবং ভালো জিনিস কিনতে চায় বা ভালো সেবা পেতে চায়। তাই তারা যেই প্রোডাক্ট কিনবে সবার আগে ওই পণ্যর রিভিউ দেখেনসবসময়। এর মাধ্যমে তারা প্রোডাক্টের স্পেসিফিকেশন এবং কোয়ালিটিসহ আর নানাদিক জেনে নেন।
যদি আপনার এমন কোনো পেজ, ব্লগ বা চ্যানেল থাকে যেখানে আপনি কোনো পণ্যের রিভিউ করে সবচেয়ে ভালো প্রডাক্টির লিংক যুক্ত করে দেন তবে গ্রাহক সেটা কেনার জন্য অনুপ্রাণিত হবে। তাহলে এখানে গ্রাহক ভালো পণ্য পেলো এবং বিক্রেতা ও বিক্রি করার ফলে তার লাভ হলো।
তাহলে আপনি ভাবতে পারেন তো আপনি কষ্ট করে লিখলেন বা বললেন তাতে আপনার কি লাভ হলো। আপনার লাভ হলো আপনার মাধ্যমে যে বিক্রেতার পণ্য বিক্রি করতে পারলেন এজন্য বিক্রেতা আপনাকে কিছু কমিশন দিবেন।
অর্থাৎ, এফিলিয়েট মার্কেটিং এর সাথে তিনটি পক্ষ যুক্ত থাকে এরা হলঃ ১. বিক্রেতা। ২. ক্রেতা। ৩. ইনফ্লুয়েনচার বা এফিলিয়েট মার্কেটার।
এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে করবো? Affiliate Marketing Bangla Tutorial
আমি আগেই বলেছি এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য অবশ্যই একটা platform থাকতে হবে। তা হতে পারে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট অথবা ইউটুব চ্যানেলসহ অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া পেজ। তবে আপনার source বা platfrom এ প্রচুর পরিমানে ফলোয়ার, ভিজিটর বা সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে।
ভাল ইনকামের জন্য, আপনি যদি কোনো ব্লগের হয়ে থাকেন তাহলে আপনার ব্লগে প্রতিদিন প্রায় ৫০০০ ভিজিটর আসতে হবে। যাদের কাছে মূলত আপনি আপনার এফিলিয়েট প্রোডাক্ট প্রমোট করবেন।
এফিলিয়েট মার্কেটিং মডেলঃ (Affiliate Marketing Bangla)
ইনকামের জন্য প্রথমে আপনাকে একটি এফিলিয়েট প্রোগ্রামে রেজিস্টার করতে হবে। এফিলিয়েট প্রোগ্রামে রেজিস্টার করার পরে আপনাকে কিছু প্রোডাক্ট লিংকস এবং এডস দেয়া হবে। অনেক ক্ষেত্রে আপনি নিজেই যে প্রোডাক্ট সিলেক্ট করবেন চাইলে আপনি সেটার ad/link কপি করে নিজের ব্লগ বা অন্যান্য প্লাটফ্রম এ যোগ বা ডিসপ্লে করতে পারবেন।
এবার আপনার প্লাটফ্রম (ব্লগ,ইউটিউব চ্যানেল বা সোশ্যাল মিডিয়া পেজ) এর মধ্যে দেখানো কোনো প্রোডাক্ট লিংক/এডস এর মাধ্যমে কোনো ভিসিটর গিয়ে যদি কোনো প্রোডাক্ট কিনে তাহলে আপনি সেই বিক্রির বিপরীতে কিছু কমিশন পাবেন। এভাবে আপনার প্লাটফর্ম এ যত বেশি ভিজিটর, ট্রাফিক,সাবস্ক্রাইবার বা ফলোয়ার থাকবে প্রোডাক্টের বিক্রির চাহিদা ও তাহলে বেশি থাকবে এবং আপনার কমিশনের অংশ ও বাড়তে থাকবে।
19/01/2023
মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকামের কৌশল!
(১) কন্টেন্ট রাইটিং
আমরা প্রতিদিন মোবাইল দিয়ে বাংলা, ইংরেজিতে অনেক লেখালেখি করি। আপনি কি জানেন অনলাইনে লেখালিখি করে আপনি প্রতিমাসে ভালো পরিমানে ইনকাম করতে পারবেন। মোবাইলের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং করার অন্যতম হলো কন্টেন্ট রাইটিং। আপনি কন্টেন্ট রাইটিং করে দেশি বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানির কাছে লেখা গুলো বিক্রিয় করতে পারবেন। তবে, হা এটার জন্য আপনাকে ভালো মানের কন্টেন্ট রাইটিং শিখতে হবে ।
(২) গ্রাফিক্স ডিজাইন
মোবাইল দিয়ে যদিও গ্রাফিক্স ডিজাইন কাজ করা সম্ভব না। তবে, বর্তমানে এমন কিছু মোবাইল অ্যাপস পাওয়া যায় যেগুলোর মাধ্যমে আপনি মোটামোটি লেভেলের ইমেজ, লোগো ডিজাইন করতে পারবেন। এই সকল অ্যাপস গুলো ব্যবহার করা খুবই সোজা। আপনি দুই একবার দেখলে পারবেন। এই সকল অ্যাপের মাধ্যমে ডিজাইন করা লোগো, ফটো গুলো অনলাইন মার্কেটপ্লেসে বিক্রিয় করতে পারবেন এবং টাকা আয় করতে পারবেন। মোবাইলে গ্রাফিক্স ডিজাইন করা যায় এমন কয়েকটি অ্যাপস এর নাম নিচে উল্লেখ করছি যথা-
(৩) ওয়েব ডিজাইন
ওয়েব ডিজাইন শেখার ব্যসিক হলো HTML এবং CSS. যা আপনি মোবাইল দিয়ে খুব সহজে শিখতে পারবেন। কিন্ত আপনি যখন এডভান্স লেভেলের ল্যাঙ্গুয়েজ শেখার কথা চিন্তা করবেন তখন অবশ্যই আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ প্রয়োজন হবে। এই দুইটি ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে আপনি ওয়েব ডিজাইন করতে পারবেন। ওয়েব ডিজাইন শেখার দুইটি জনপ্রিয় অ্যাপস হলো
W3sSchools
FreeCordCamp
এই অ্যাপের মাধ্যমে আপনি শিখে প্র্যাক্টিস করার জন্য আলদা অ্যাপস রয়েছে। যেগুলো আপনি Google Play store থেকে সম্পর্ন ফ্রিতে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। আমি নিচে সেই অ্যাপস এর নাম উল্লেখ্য করছি যথা-
Web Development Made Easy
Programming Hero
Solo Learn
(৪) ব্লগিং
মোবাইল দিয়ে অনলাইন থেকে টাকা আয় করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো মোবাইলে ব্লগিং করা। ব্লগিং মানে আপনি নিজের বা অন্যদের ওয়েবসাইটে কন্টেন্ট লিখবেন। যেটা মোবাইল দিয়ে ১০০% সম্ভব। আমি নিজেও একজন ব্লগার। আমিও প্রথমে মোবাইল দিয়ে ব্লগিং শুরু করেছিলাম। পরে যখন আমি ব্লগিং করে ইনকাম করি তখন ল্যাপটপ ক্রয় করি। আপনি যদি ব্লগিং সম্পর্কে বিস্তরিত জানতে চান তাহালে নিচের আর্টিকেলটি পড়ুন।
২০২১ সালে কিভাবে ব্লগিং (blogging) শুরু করলে সফল হবেন?
ব্লগিং (Blogging) শিখতে হলে কি কি বিষয়ে জানতে হবে
(৫) ইউটিউব
আপনি সহজে মোবাইলের মাধ্যমে ইউটিউবে চ্যানেল তৈরি করে সেখানে ভিডিও পাবলিশ করতে পারবেন। আমাদের দেশে এমন অনেক বড় বড় ইউটিউবার রয়েছে যারা প্রথমে মোবাইল দিয়ে ইউটিউব এর কাজ করা শুরু করেছে। আপনিও চাইলে শুরু করতে পারেন। আপনি এন্ড্রয়েড মোবাইলের মাধ্যমে ভিডিও রেকাড, ভিডিও এডিটিং সব কিছু প্রফোসানাল ভাবে করতে পারবেন। আমি নিচে মোবাইলে সেরা ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার গুলোর নাম উল্লেখ করছি যথা-
PowerDirector
KineMaster
ফ্রিল্যান্সিং কত প্রকার (Types of freelancing)
আপনাদের আগেই বলেছি ফ্রিল্যান্সিং একটি স্বাধীন পেশা। এই পেশায় কাজ করার জন্য আপনাকে কোনো কোম্পানিতে জব করার প্রয়োজন হবে না।
বরং, নিজে স্বাধীন ভাবে যেকেনো কোম্পানির সাথে যুক্ত হয়ে আপনার নিজের কাজের দক্ষতা অনুযায়ী কোম্পানি সেই কাজ গুলো করে দিতে পারবেন।
বর্তমান বিশ্বে এমন লাখ লাখ ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন যারা অনলাইনে কাজ করে অর্থ উপার্জন করছেন।
আজকের আর্টিকেলে আমি এমন কয়েকটি ফ্রিল্যান্সিং এর প্রকারভেদ সম্পর্কে আলোচনা করবো। যদিও এই কাজ গুলো করার জন্য আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ প্রয়োজন হবে।
১. কোডিং, ডেভেলপিং, প্রোগ্রামিং
কোডিং, প্রোগ্রামিং এবং ডেভেলপিং হলো সারা বিশ্বের একটি জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং কাজ। আপনি যদি কোডিং সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকে তাহলে সারা বিশ্বের বিভিন্ন বড় বড় কোম্পানির ওয়েবসাইটের কাজ করে প্রচুর অর্থ আয় করতে পারবেন।
২. মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট
জাভা, কোডিং ল্যাঙ্গুয়েজ সম্পর্কে ভালো অভিজ্ঞতা থাকলে মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট কাজ শুরু করতে পারেন।
তবে, মনে রাখবেন এখানে কিন্তু আপনার প্রচুর কোডিং অভিজ্ঞতার প্রয়েজন হবে। আপনাকে সকল ধরনের অ্যাপ তৈরি এবং ডেভেলপ করার অভিজ্ঞতা যদি থাকে তাহলে মার্কেটপ্লেসে সহজে কাজ পেয়ে যাবেন।
৩. এসইও (SEO) এক্সপার্ট
ফ্রিল্যান্সিং কাজের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় একটি কাজ হলো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO). এই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটকে গুগল সার্চ পেজের প্রথমে নিয়ে আসতে হয়।
এসইও সম্পর্কে আমাদের এই ব্লগে আর্টিকেল পাবলিশ করা আছে আপনারা সেটা পড়ে নিলে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
৪. গ্রাফিক্স ডিজাইন
পৃথিবীর জন্মলগ্ন থেকে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ চলে আসতেছে। হয়তো প্রচীনকালে ডিজাইন করার কৌশল ছিলো ভিন্ন।
আপনার যদি আকাঁ-আকি করতে ভালো লাগলে তাহলে আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কাজ শুরু করতে পারেন। অনলাইনে এই কাজের প্রচুর পরিমান।
তাছাড়া, আপনি যদি দক্ষ ডিজাইনার হতে পারেন তাহলে কাজের অভাব হবে না। তবে, এর জন্য আপনার ডিগ্রি, অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
৫. ফ্রিল্যান্সিং রাইটিং, কপিরাইটিং
বর্তমান সময়ে একজন ফ্রিল্যান্সিং রাইটারের মূল্য অনেক বেশি। এই কাজে আপনাকে বিভিন্ন কোম্পানির ডিজিটাল কনটেন্ট লিখতে হবে।
আবার, আপনাকে অন্যের ব্লগ, আর্টিকেল, বই, ই-বুক, বিজ্ঞাপন কপি, রি-টাইপিং ইত্যাদি লিখতে হতে পারে। কম্পিউটার ল্যাপটপ বা মোবাইলে এই কাজ করতে পারবেন।
এছাড়াও ফ্রিল্যান্সিং অনেক প্রকারের কাজ রয়েছে মার্কেটপ্লেসে। যেমন – ব্র্যান্ডিং ও পি.আর, বুক কিপিং, ভার্চুয়াল অ্যাসিসটিং, এইচ.আর ম্যানেজমেন্ট, ডিজিটাল মার্কেটিং, ক্যাড 3D মডেলিং ইত্যাদি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Bogra