Bhola View

Bhola View

Share

Photos from Bhola View's post 27/09/2023

ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর এর কাছেই বঙ্গপসাগর এর কোল গেসেই অবস্থিত তারুয়া সমুদ্র সৈকত। অনেকেরই অজানা নতুন এই পর্যটন স্পট।

একদিকে ঢেউ অন্য দিকে সবুজ অরন্য এক কথায় মুগ্ধ হবেন আপনি।নিশ্চিত থাকতে পারেন নিমিষেই আপনার মন ভাল হয়ে যাবে।আর যদি ক্যাম্প করে থাকেন তাহলে তো কথাই নাই। রাতে শিয়াল এর আনাগোনা আপনাকে একটা থ্রিলিং মুড উপহার দিবে।

যেভাবে যাবেনঃ ঢাকা থেকে লঞ্চে চরফ্যাশন (বেতুয়া)। ঘাট থেকে চরফ্যাশন সদর। সদর থেকে চর কচ্ছপিয়া ঘাট সেখান থেকে ট্রলার অথবা স্পিড বোটে তারুয়া।

সেখানে থাকার মত একটি কটেজ আছে ৭ রুমের।

26/09/2023

বাংলাদেশের একমাত্র দ্বীপ জেলা ভোলায় অবস্থিত, নিজাম হাসিনা মসজিদ (নিজাম হাসিনা মসজিদ) দক্ষিণাঞ্চলের বাংলাদেশের বৃহত্তম মসজিদ।

নিজাম-হাসিনা ফাউন্ডেশন ভোলা শহরের ভাকিল পাড়ায় প্রায় দেড় একর জমির ওপর দোতলা ভবনটি স্থাপন করেছে।

দৃষ্টিনন্দন খোদাই করা এই নিজাম হাসিনা মসজিদটি নির্মাণে বিভিন্ন রঙের মার্বেল পাথর ব্যবহার করা হয়েছে। এটি ভোলার একটি বিখ্যাত পর্যটন স্থান।

নিজাম হাসিনা মসজিদে পুরুষ ও মহিলাদের জন্য আলাদা অজুখানা (অজু করার স্থান) রয়েছে এবং নামাজ আদায় করা হয়। এই মসজিদে প্রায় ৫০ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ পড়ার সুযোগ পান।

2010 সালের জুন মাসে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর 30 ডিসেম্বর, 2016 শুক্রবার নিয়মিত নামাজের জন্য নিজাম হাসিনা মসজিদ উদ্বোধন করা হয়।

নিজাম হাসিনা মসজিদে ৬০ ফুট উচ্চতার একটি গম্বুজ রয়েছে। আর মসজিদে স্থাপিত মিনারের উচ্চতা ১২০ ফুট।

ক্যালিগ্রাফি, আকর্ষণীয় ফোয়ারা এবং সুনিপুণ ফুলের বাগান দ্বারা মসজিদের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

26/09/2023

ভোলা জেলার পূর্ব নাম দক্ষিন শাহবাজপুর । জে.সি. জ্যাক তার "বাকেরগঞ্জ গেজেটিয়ার"-এ বলেছেন যে দ্বীপটি ১২৩৫ সালে তৈরি হওয়া শুরু হয়েছিল এবং এই এলাকায় চাষাবাদ শুরু হয়েছিল ১৩০০ সালে। ১৫০০ সালে পর্তুগিজ এবং মগ জলদস্যুরা এই দ্বীপে তাদের ঘাঁটি স্থাপন করে। শাহবাজপুরের দক্ষিণাঞ্চলেও আরাকান ও মগ জলদস্যুরা তাদের ঘাঁটি স্থাপন করে।

শাহবাজপুর ১৮২২ সাল পর্যন্ত বাকেরগঞ্জ জেলার একটি অংশ ছিল। ১৯ শতকের শুরুতে, মেঘনা নদীর সম্প্রসারণের কারণে জেলা সদর থেকে দক্ষিণ শাহজাদপুরের সাথে সংযোগ করা কঠিন হয়ে পড়ে। এরপর সরকার দক্ষিণ শাহবাজপুর ও হাতিয়াকে নোয়াখালী জেলার অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। ভোলা ১৮৬৯ সাল পর্যন্ত নোয়াখালীর অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৮৬৯ সালে, এটি একটি মহকুমা হিসেবে বরিশাল জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৮৭৬ ​​সালে প্রশাসনিক সদর দফতর দৌলতখান থেকে ভোলায় স্থানান্তরিত করা হয়। ১৯৮৪ সালে, এটি একটি জেলা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

Want your business to be the top-listed Photography Service in Bhola?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Bhola
Bhola
8300