Hello Destin

Hello Destin

Share

05/01/2019

প্রাইমারী নিয়োগ পরীক্ষার তারিখঃ

১ম ১৭ মে, ২০১৯। শুক্রবার।
১. গোপালগঞ্জ- সদর, কোটালীপাড়া।
২. শরীয়তপুর- গোসাইরহাট, নড়িয়া, ভেদরগঞ্জ।
৩. মাদারীপুর- সদর, রাজৈব।
৪. ফরিদপুর- সদর, চরতদ্রাসন, আলকাডাংগা, সদর, সদরপুর, সালঘা।
৫. নরসিংদী- মনোহরদী, রায়পুরা, বেলাবো।
৬. কিশোরগঞ্জ- বাজিতপুর, অস্টগ্রাম, হোসেনপুর, কটিয়াদি, পাকুন্দিয়া, ইটনা।
৭. জামালপুর- সদর, মেলান্দহ, বকশীগঞ্জ।
৮. টাংগাইল- মির্জাপুর, মধুপুর, ভুয়াপুর, নাগরপুর, কালিহাতী, ধনবাড়ি।
৯. লক্ষ্মীপুর- সদর, কমলনগর।
১০. কক্সবাজার- সদর, উখিয়া, কুতুবদিয়া, পেকুয়া, টেকনাফ।
১১. চাঁদপুর- শাহরাস্তি, ফরিদগঞ্জ, মতলব উত্তর, মতলব দক্ষিণ।
১২. মৌলভীবাজার- রাজনগর, কমলগঞ্জ, জুড়ী, শ্রীমংগল।
১৩. হবিগঞ্জ- সদর, নবীগঞ্জ, লাখাই, বাহুবল।
২য় ধাপ
পরীক্ষার তারিখঃ ২৪ মে, ২০১৯। শুক্রবার।
১. ঢাকা- সকল থানা একবারে।
২. গোপালগঞ্জ- টুংগীপাড়া, কাশিয়ানী, মকসুদপুর।
৩. শরীয়তপুর- সদর, ডামুড়্যা, জাজিয়া।
৪. মাদারীপুর- কালকিনী, শিবচর।
৫. ফরিদপুর- নগরকান্দা, বোয়ালমারী, ভাংগা, মধুখালী।
৬. নরসিংদী- সদর, পলাশ, শিবপুর।
৭. জামালপুর- সরিষাবাড়ি, দেওয়ানগঞ্জ, ইসলামপুর, মাদারগঞ্জ।
৮. টাংগাইল- সদর, গোপালপুর, ঘাটাইল, সখিপুর, বাসাইল, দেলদুয়ার।
৯. কিশোরগঞ্জ- সদর, করিমগঞ্জ, নিকলী, কুলিয়ারচর, তারাইল, ভৈরব, মিঠামইন।
১০. লক্ষ্মীপুর- রায়পুর, রামগঞ্জ, রামগতি।
১১. কক্সবাজার- রামু, মহেশখালী, চকোরিয়া।
১২. চাঁদপুর- সদর, কচুয়া, হাজীগঞ্জ, হাইমচর।
১৩. মৌলভীবাজার- সদর, বড়লেখা, কুলাউড়া।
১৪. হবিগঞ্জ- বানিয়াচং, আজমিরিগঞ্জ, চুনারুঘাট, মাধবপুর।
১৫. সুনামগঞ্জ- তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা, জগন্নাথপুর, দিরাই, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ।
১৬. সিলেট- গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, জকিগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, দক্ষিণসুরমা।
১৭. পিরোজপুর- কাউখালী, নাজিরপুর, মঠবাড়িয়া, ইন্দুরকানি।
১৮. পটুয়াখালী- দশমিনা, বাউফল, মির্জাপুর, কলাপাড়া, রাঙ্গাবালী।
১৯. বরিশাল- উজিরপুর, বানারীপাড়া, বাবুগঞ্জ, মুলাদী, মেহেন্দিগঞ্জ, হিজলা।
২০. কুষ্টিয়া- ভেড়ামারা, দৌলতপুর, কুমারখালী।
২১. সাতক্ষীরা- দেবহাটা, কলারোয়া, কালিগঞ্জ, তালা।
২২. নাটোর- নলডাংগা, লালপুর, বড়াইগ্রাম, বাগাতিপাড়া।
২৩. নীলফামারী- কিশোরগঞ্জ, জলঢাকা, ডিমলা।
৩য় ধাপ।
পরীক্ষার তারিখঃ ৩১ মে, ২০১৯। শুক্রবার।
১. নেত্রকোণা- দুর্গাপুর, পূর্বধলা, বারহাট্রা, মদন, মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুড়ি।
২. ময়মনসিংহ- গফরগাঁও, ঈশ্বরগঞ্জ, ফুলবাড়িয়া, ফুলপুর, গৌরীপুর, তারাকান্দা, ধোবাউড়া।
৩. ব্রাহ্মণবাড়িয়া- সদর, নবীনগর, বাঞ্চারামপুর, আখাউড়া।
৪. কুমিল্লা- সদর, লাকসাম, দেবিদ্বার, হোমনা, মুরাদনগর, দাউদকান্দি, চৌদ্দগ্রাম।
৫. চট্টগ্রাম- ডবলমুরিং, পাহাড়তলী, বন্দর, পাঁচলাইশ, চান্দগাঁও, কোতোয়ালী, বাঁশখালী, রাউজান, সন্দীপ, ফটিকছড়ি, আনোয়ারা, লোহাগড়া।
৬. নোয়াখালী- সদর, বেগমগঞ্জ, কবিরহাট, সুবর্ণচর।
৭. যশোর- ঝিকরগাছা, বাঘারপাড়া, মনিরামপুর, শার্শা।
৮. খুলনা- সদর, কায়রা, ডুমুরিয়া।
৯. বাগেরহাট- মোংলা, মোল্লাহাট, মোড়েলগঞ্জ, কচুয়া, শরনখোলা।
১০. ঝিনাইদহ- হরিণাকুণ্ডু, মহেশপুর, শৈলকুপা।
১১. পঞ্চগড়- সকল থানা একবারে।
১২. কুড়িগ্রাম- সদর, উলিপুর, চিলমারী, রাজিবপুর, ফুলবাড়ি।
১৩. গাইবান্ধা- সদর, গোবিন্দগঞ্জ, পলাশবাড়ি।
১৪. রংপুর- সদর, গাংগাচরা, কাউনিয়া, বদরগঞ্জ।
১৫. দিনাজপুর- সদর, ঘোড়াঘাট, খানসামা, চিরিরবন্দর, হাকিমপুর, বীরগঞ্জ।
১৬. নওগাঁ- মান্দা, বদলগাছী, মহাদেবপুর, সাপাহার, রাণীনগর।
১৭. বগুড়া- আদমদিঘী, শিবগঞ্জ, শেরপুর, ধুনট, সোনাতলা, শাহজাহানপুর।
১৮. রাজশাহী- সদর, গোদাগাড়ী, চারঘাট, বাঘমারা।
১৯. সিরাজগঞ্জ- সদর, কাজিপুর, রায়গঞ্জ, বেলকুচি, চৌহালী।
৪থ ধাপ।
পরীক্ষার তারিখঃ ১৪ জুন, ২০১৯। শুক্রবার।
১. গাজীপুর- সকল থানা একবারে।
২. ময়মনসিংহ- সদর, মুক্তাগাছা, ভালুকা, ত্রিশাল, হালুয়াঘাট, নান্দাইল।
৩. নেত্রকোণা- সদর, আটপাড়া, কলমাকান্দা, কেন্দুয়া।
৪. ব্রাহ্মণবাড়িয়া- কসবা, সরাইল, আশুগঞ্জ, নাসিরনগর, বিজয়নগর।
৫. কুমিল্লা- বুড়িচং, বরুড়া, ব্রাহ্মণপাড়া, চান্দিনা, সদর দক্ষিণ, নাঙ্গলকোট, মনোহরগঞ্জ, মেঘনা, তিতাস, লালমাই।
৬. চট্টগ্রাম- পটিয়া, বোয়ালখালী, চন্দনাইশ, হাটহাজারী, রাঙ্গুনিয়া, মীরেরসরাই, সীতাকুণ্ড, সাতকানিয়া।
৭. নোয়াখালী- চাটখিল, কোম্পানীগঞ্জ, সোনাইমুড়ি, সেনবাগ, হাতিয়া।
৮. যশোর- সদর, অভয়নগর, কেশবপুর, চৌগাছা।
৯. খুলনা- তেরখানা, দাকোপ, দিঘলিয়া, পাইকগাছা, ফুলতলা, রুপসা, বটিয়াঘাটা।
১০. নড়াইল- সব থানায় একবারে।
১১. বাগেরহাট- সদর, চিতলমারী, রামপাল, ফকিরহাট।
১২. ঝিনাইদহ- সদর, কোটচাঁদপুর, কালিগঞ্জ।
১৩. কুড়িগ্রাম- নাগেশ্বরী, রাজারহাট, ভুরুঙ্গামারী, বৌমারী।
১৪. গাইবান্ধা- ফুলছড়ি, সাদুল্লাপুর, সাঘাটা, সুন্দরগঞ্জ।
১৫. রংপুর- তারাগঞ্জ, পীরগঞ্জ, পীরগাছা, মিঠাপুকুর।
১৬. দিনাজপুর- নবাবগঞ্জ, ফুলবাড়ি, পার্বতীপুর, বিরল, বিরামপুর, বোচাগঞ্জ, কাহারোল।
১৭. নওগাঁ- সদর, আত্রাই, দামুইরহাট, নিয়ামতপুর, পত্নীতলা, পোরশা।
১৮. বগুড়া- সদর, কাহালু, সুপাচাচিয়া, গাবতলী, সারিয়াকান্দি, নন্দীগ্রাম।
১৯. রাজশাহী- তানোর, দুর্গাপুর, পুটিয়া, বাঘা, পবা, মোহনপুর।
২০. সিরাজগঞ্জ- উল্লাপাড়া, তাড়াশ, কামারখন্দ, শাহজাদপুর

04/16/2019

৩০ মে থেকে ইংল্যান্ডে শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের আসর। বিশ্বকাপ সামনে রেখে আজই ঘোষিত হলো ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ দল। নিজেদের ইতিহাসের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে কেমন দল নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ?
বিশ্বকাপের দল কেমন হবে, এ নিয়ে কিছুটা আলোচনা ছিল। তবে সেটি মূল একাদশকে ঠিক রেখেই। বাংলাদেশ দলের ১৩ জন সম্পর্কে নিশ্চিত ছিলেন নির্বাচকেরা। বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দলে শুধু দুটি জায়গা নিয়েই প্রশ্ন ছিল। আর সে জায়গা নিয়েই আশায় ছিলেন প্রায় ছয় সাতজন ক্রিকেটার। আজ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন। কেমন হলো এবারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দল?
তৃতীয় অলরাউন্ডার কে?
সাকিব আল হাসানের নামটা তো মাশরাফি বিন মুর্তজার পরেই লিখে রেখেছেন নির্বাচকেরা। কোচ স্টিভ রোডসের পছন্দের তালিকায় চলে এসেছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দীন। ইংল্যান্ডের কন্ডিশনে মেহেদী হাসান মিরাজকে অলরাউন্ডার নয়, শুধু স্পিনার হিসেবেই দেখা হচ্ছে। ব্যাট ও বলের ভারসাম্য আনার জন্য তৃতীয় আরেকজন অলরাউন্ডার দরকার ছিল বাংলাদেশের। প্রাথমিকভাবে মাহমুদউল্লাহই সেই তৃতীয়জন ছিলেন। কিন্তু কাঁধের চোটে মাহমুদউল্লাহর বোলিং নিয়ে সন্দেহ জাগছে। আর সে কারণেই মোসাদ্দেকের অন্তর্ভুক্তি। ইংলিশ কন্ডিশনে এর আগেও বল করেছেন মোসাদ্দেক, ভালোই করেছেন। কিন্তু পেস বান্ধব কন্ডিশনে লেট মিডল অর্ডারে ব্যাটিংয়ে মোসাদ্দেক আসলেই কতটা কী করতে পারবেন, প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে।

পেসার নির্বাচন কি ঠিক হয়েছে?
মাশরাফি বিন মুর্তজা, মোস্তাফিজুর রহমান ছিলেন অটোমেটিক চয়েস। মোহাম্মদ সাইফউদ্দীনও পেস বোলিং অলরাউন্ডার। রুবেল হোসেনও দুই বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা ও বাড়তি পেসের জন্য সুযোগ পেয়েছেন। পেসার হিসেবে শেষ স্থানটিতে নেওয়া হয়েছে আবু জায়েদকে। এখানে প্রধান নির্বাচক বলেছেন সুইং ও মুভমেন্টের কথা চিন্তা করেই আবু জায়েদকে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এ সিদ্ধান্ত হিতে বিপরীত হতে পারে। কারণ, অধিকাংশ বিশেষজ্ঞই বলছেন এবার শুষ্ক গ্রীষ্মের উইকেট থাকবে ইংল্যান্ডে। ফলে প্রথাগত সুইং আর মুভমেন্ট পাওয়ার আশা ছেড়েই দিয়েছে অধিকাংশ দল। ভারত দলেও যেমন শুধুই পেস বোলার পরিচয়ে মাত্র তিনজন সুযোগ পেয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণকেও এগিয়ে রাখা হচ্ছে সুইং বা মুভমেন্ট নয়, স্টার্ক-কামিন্স-রিচার্ডসনের গতির কারণে। ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে বাড়তি গতিটাই বেশি প্রয়োজন হয়। সে ক্ষেত্রে বাড়তি পেস ও বিপিএলের ফর্ম বিবেচনা করে তাসকিন আহমেদকে সুযোগ দেওয়া যেতে পারত। যেহেতু চোট থেকে উঠে আসা তাসকিনের হাতে আরও দেড় মাস সময় ছিল।

স্পিন আক্রমণ
বিশ্বকাপে এবার বাংলাদেশের স্পিন আক্রমণ খুব একটা মনের মতো হয়নি। বিশ্বকাপের দশ দলের মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশ দলেই কোনো লেগ স্পিনার নেই। বাঁহাতি স্পিনার হিসেবে আছেন শুধুই সাকিব আল হাসান। আর অফ স্পিনার হিসেবে আছেন মিরাজ। তৃতীয় স্পিনার হিসেবে দায়িত্ব নিতে হবে মাহমুদউল্লাহ ও মোসাদ্দেকের যে কোনো একজনকে। তবু স্পিনিং বৈচিত্র্যে বাংলাদেশই সবার চেয়ে পিছিয়ে আছে।

স্লগ ওভারে ঝড় তোলার কেউ আছে কি?
এই ইস্যুতে নির্বাচকদের হাতে কোনো সুযোগ ছিল না। ওয়ানডেতে শেষ দশ ওভারে ঝড় তুলে ম্যাচ বের করে নেয় অনেক দল। ইদানীং শেষ ১০ ওভারে পাঁচজন ফিল্ডার বাইরে থাকায় এ সময়ে রান তোলার জন্য পাওয়ার হিটারের দরকার হয় দলগুলোর। নেমেই ঝড় তোলার ক্ষমতা বাংলাদেশের অধিকাংশ ব্যাটসম্যানেরই নেই। সবারই একটু থিতু হতে হয়। অলরাউন্ডার আরিফুলকে বাজিয়ে দেখা হলেও তাঁর পারফরম্যান্স বিশ্বকাপ দলের চিন্তায় আসার মতো ছিল না। ফলে এ দায়িত্ব মাহমুদউল্লাহ, সৌম্য, সাব্বির, সাইফউদ্দীন কিংবা মিরাজের কাঁধেই পড়বে মনে হচ্ছে। অন্য দলগুলোর লেট মিডল এন্ডারদের তুলনায় এখানেও অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশ।

Want your business to be the top-listed Travel Agency in Destin?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address

Destin, FL