Shree Joydev Das
কারো সাথে সম্পর্ক নষ্ট করা উচিত নয়।
জল খাওয়ার অনুপযোগী হলেও তা আগুন নিভাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
~~জয় পতাকা স্বামী গুরু মহারাজ।
চিএলেখা দেবীজির অপূর্ব হরি ভজন।
"কৃষ্ণের নামের সর্বোচ্চ শক্তি এবং ক্ষমতা রয়েছে। কৃষ্ণ এবং তাঁর নাম অভিন্ন। যদি প্রত্যেকে কৃষ্ণের নাম জপ করে, তারা সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তিত হবে। যখন চৈতন্যদেব তাঁর বৃন্দাবনে যাত্রাপথে ঝারিখণ্ড বন অতিক্রম করেন, তখন পশুপাখি, হরিণ, সিংহ, তারা সকলে একে অপরকে আলিঙ্গন করছিল এবং হরিনাম জপ করছিল। আমাদের হয়তো সকলের পশুপাখিকে হরিনাম জপ করানোর যোগ্যতা নেই, কিন্তু আমাদের অন্ততঃ মানুষদেরকে হরিনাম জপে অনুপ্রাণিত করা উচিত। নিতাই গৌরের পশুপাখিদের হরিনাম জপ করানোর এবং প্রেমপূর্ণভাবে নৃত্য করানোর যোগ্যতা আছে। জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রার পর যখন তাঁরা পনের দিনের জন্য 'অসুস্থ' হন তাঁদের দর্শন বন্ধ থাকে, তখন শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু ১৮ কিলোমিটার দূরে যেতেন, যেখানে আলারনাথ নামে একটি বিষ্ণু মন্দির ছিল। সেখানে চৈতন্যদেব বিগ্রহকে প্রণতি নিবেদন করতেন। সাষ্টাঙ্গ দণ্ডবৎ প্রণাম - দণ্ডের ন্যায় সোজা হয়ে প্রণাম। তিনি এতটাই জগন্নাথের বিরহ অনুভব করছিলেন যে, তাঁর অশ্রু পাথরকেও বিগলিত করেছিল যার উপরে তিনি প্রণাম করেছিলেন। সেই পাথর আজও দেখতে পারেন যদি আপনারা নীলাচলে যান, তাঁরা পাথরটি দিয়ে একটি মন্দির নির্মাণ করেছেন। কারা সকলে এই মন্দিরটি দর্শন করেছেন? আপনাদের অনেকেই হাত তুলেননি! আপনাদের যাওয়া উচিত এবং দেখা উচিত কীভাবে চৈতন্যদেব, কোন উপায়ে তিনি পাথরটি বিগলিত করেছেন! পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে চৈতন্যদেব পাথর নির্মিত ধ্বজা স্তম্ভ ধরেছিলেন এবং সেখানে স্তম্ভে পাথর বিগলিত হয়ে তাঁর হাতের ছাপ রয়েছে। আমাদের হৃদয় পাথরের মতো শক্ত হতে পারে! হা! কিন্তু চৈতন্য মহাপ্রভুর কৃপায় আমাদের পাথরের মতো শক্ত হৃদয় গলিত হতে পারে! হা! হা! অনুগ্রহপূর্বক চৈতন্যদেবের মহিমা শ্রবণ করুন! হা! হা!"
শ্রীল জয়পতাকা স্বামী গুরুমহারাজ,
সোমবার, ১১ই জুলাই, ২০১৬,
কলকাতা
Click here to claim your Sponsored Listing.