Kazi Raihan

Kazi Raihan

Share

26/02/2026

ভেনিজুয়েলায় হামলার পেছনে মূল কারণ কি ছিলো জানেন?
ফুলস্কেল যুদ্ধ শুরু হলে ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেবে। এতে বিশ্বব্যাপি তেলের বাজার অস্থির হলে যুদ্ধ বন্ধের জন্য আমেরিকার উপর চাপ সৃষ্টি হবে। তাই বিকল্প হিসেবে আমেরিকা ভেনেজুয়েলার তেল দখল করে তেলের নিরবিচ্ছিন্ন সাপ্লাই নিশ্চিত করেছে। এখন হরমুজ প্রনালী বন্ধ হলেও আমেরিকার সমস্যা নাই।

তবে হরমুজ প্রণালী বন্ধে সবচেয়ে বড় বিপদে পড়বে সৌদিআরব, কাতার, আরব আমিরাত, বাহরাইনের মত তেল নির্ভর দেশগুলো। অতিতে এরা আমেরিকার মিত্র ছিলো, কিন্তু বর্তমানে আমেরিকা আরব নির্ভরশীলতা কাটিয়ে উঠেছে।

শুধু তেল বা সম্পদ নয়, এই ঘটনার শেকড় আরো গভীরে। আমেরিকার পতন এবং গ্রেটার ইস'রায়েলের উথান শুরু হয়ে গেছে। গ্রেটার ইস'রায়েলের মানচিত্রে সৌদিআরবের কিছু ভুমিও অন্তর্ভুক্ত। ফলে খুব নিকট ভবিষ্যতে ইস'রায়েল কিছু ভুখন্ড দখলের জন্য সৌদিআরবে আক্রমন করবে। তবে ভয় পাবেন না, ইসরায়েল মক্কা-মদিনায় আক্রমন করবে না, এই শহরদুটো কখনোই ইহু'দিদের নিয়ন্ত্রণে যাবেনা।

আরবরাও এটা বুঝতে পারছে৷ ফলে আমেরিকার আশা বাদ দিয়ে নিজেদের নিরাপত্তার প্রয়োজনে সৌদিআরব পাকিস্তানের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তি করেছে।
বর্তমানে ইরানকে ঘিরে যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে তা স্রেফ ভয় দেখিয়ে ইরানের পরমানু প্রকল্প বাতিলের প্রচেষ্টা নয়, বরং চুড়ান্ত যুদ্ধের পূর্বাবস্থা। ইরানের পতনের পরই আসবে পাকিস্তানের পালা।

ইরান ও পাকিস্তানের পতন ঘটবে, তবে তার সাথে আমেরিকার কনভেনশনাল যুদ্ধের সক্ষমতাও প্রায় ফুরিয়ে যাবে। ইরান-পাকিস্তানের সাথে এই যুদ্ধে আমেরিকার ১১ টি ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপের অন্তত ৭-৮ টিই ধ্বংস হয়ে যাবে। মার্কিন আধিপত্যের অবসান হবে এবং তার স্থলে গ্রেটার ইস'রায়েল প্রতিষ্ঠা পাবে। এর মধ্যে দিয়ে পৃথিবী আল মালহামাতুল কুবরার মহাযুদ্ধে অবতীর্ণ হবে এবং পরমাণু যুদ্ধের সূচনা হবে।

13/01/2026

নতুন খনন করা একটা পুকুর।
চারপাশে শুধু মাটি আর সুনসান নীরবতা।
সেই পুকুরের সাথে কোনো নদীর সংযোগ নেই,
কেউ এখনো মাছ ছাড়েনি,
তবু কয়েক মাস পর হঠাৎ দেখা যায়, জলের ভেতর ক্ষুদ্র ছায়া নড়ে ওঠে। ছোট ছোট মাছ।

প্রশ্নটা তখন খুব সাধারণ, আবার খুব গভীর,
এই মাছ গুলো এখানে এলো কীভাবে?

এই প্রশ্নটাই বহু বছর আমার মতন একজন সাধারণ মানুষকে যেমন ভাবিয়েছে তেমনি ভাবিয়েছে জীববিজ্ঞানীদের। কারণ প্রকৃতি সাধারণত যুক্তির বাইরে কিছু করে না। তার প্রতিটা বিস্ময়ের পেছনে থাকে নিখুঁত নিয়ম।

২০১৯ সালে PNAS–এ প্রকাশিত এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দেখান, এই রহস্যের এক নীরব বাহক আছে, পাখি।

পাখি যখন এক জলাশয় থেকে আরেক জলাশয়ে উড়ে যায়, তখন তারা শুধু উড়েই যায় না, তারা বহন করে অদৃশ্য সম্ভাবনাও। কিছু মাছের ডিম এতটাই ক্ষুদ্র ও সহনশীল যে, পাখির পাকস্থলীর অম্ল, হজমকারী এনজাইম আর অন্ত্রের চাপের মধ্য দিয়েও টিকে যেতে পারে। আবার অনেক সময় ডিম লেগে থাকে পাখির পা, পালক বা ঠোঁটে।

পাখি উড়ে যায়। কিলোমিটারের পর কিলোমিটার পেরিয়ে যায়।
তারপর বসে পড়ে একেবারে নতুন, নিঃসঙ্গ কোনো জলাশয়ের ধারে।
কিংবা আপনার আমার বাড়ির পাশের কোন পরিত‍্যক্ত জলাশয়ে।

সেখানেই, পাখির অজান্তে পড়ে যায় ডিম।

জল পেলে শুরু হয় পরিবর্তন। ডিম ভেঙে জন্ম নেয় নতুন জীবন।
কোনো শব্দ নেই, কোনো দর্শক নেই, শুধু সময় আর পানি।

এভাবেই একদিন শূন্যতা ভরে যায় নড়াচড়ায়।

এই গল্পটা শুধু মাছের আগমনের নয়।
এটা আমাদের শেখায়, জীবন কখনও আলাদা হয়ে চলে না। এক প্রজাতির অস্তিত্ব আরেক প্রজাতির হাত ধরে এগোয়। পাখি জানে না সে ভবিষ্যৎ বহন করছে। মাছ জানে না সে একদিন এই পুকুরে জন্মাবে।
তাই প্রতিটি প্রজাতির প্রাণীকে আলাদা গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত এবং তাদের যত্ন নেওয়া উচিত।

প্রকৃতি জানে তার নকশা জটিল, নীরব আর বিস্ময়ে ভরা।

আর সেই কারণেই, দূরের কোনো পাহাড়ি হ্রদে বা আপনার বাড়ির পেছনের নতুন পুকুরে হঠাৎ মাছ দেখা গেলে, সেটা কোনো অলৌকিক ঘটনা নয়, ওটা প্রকৃতির ধৈর্যের ফল, আর জীবনের অবিরাম যাত্রা।

29/10/2025

শুভ সন্ধ্যা ☕🫖

Want your business to be the top-listed Media Company in Riyadh?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address

Riyadh