Imam Khamenei

Imam Khamenei

Share

Photos from Imam Khamenei's post 03/11/2025

ইসরায়েলের প্রতি সহায়তা ও ইরানের সঙ্গে সহযোগিতা একসঙ্গে চলতে পারে না: আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী

ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ী বলেছেন, আমেরিকানরা মাঝে মধ্যেই ইরানের সঙ্গে সহযোগিতার ইচ্ছা প্রকাশের করছে। কিন্তু ইরানের সঙ্গে সহযোগিতা করার একই সময়ে অভিশপ্ত ইহুদিবাদী ইসরায়েলকে সহায়তা করা- এ দুটি বিষয় কখনও একসঙ্গে চলতে পারে না।
বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী দিবসকে সামনে রেখে আজ (সোমবার) সকালে ইরানের হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ১২ দিনের যুদ্ধে শাহাদাৎবরণকারীদের পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী আরও বলেন, গোটা বিশ্বের জনমত যেখানে ইহুদিবাদী ইসরায়েলকে কলঙ্কিত ও দোষী হিসেবে সাব্যস্ত করেছে, সেখানে ঐ অভিশপ্ত দখলদারদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সমর্থন, সহায়তা ও পৃষ্ঠপোষকতা ইরানের সঙ্গে সহযোগিতার মার্কিন দাবিকে অর্থহীন ও অগ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।
তিনি বলেন, “যদি আমেরিকা ইহুদিবাদী ইসরায়েলকে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া থেকে পুরোপুরি সরে আসে, সামরিক ঘাঁটিগুলো এই অঞ্চল থেকে সরিয়ে নেয় এবং এই অঞ্চলের বিষয়ে হস্তক্ষেপ বন্ধ করে, তাহলে বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে, তবে এটি এখনকার বা অদূর ভবিষ্যতেরও বিষয় নয়।”
তিনি তার বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের ইরান-বিরোধী শত্রুতার ইতিহাস এবং ১৯৭৯ সালের ৪ নভেম্বরে (ফার্সি ১৩ আবান ১৩৫৮) মার্কিন গুপ্তচরবৃত্তির ঘাঁটি দখলের ঘটনাকে বিশ্লেষণ করে বলেন, আমেরিকান দূতাবাস দখলের ঘটনাটি দু'টি দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায়- একটি ঐতিহাসিক এবং অন্যটি পরিচয়গত।”
ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী বলেন, ১৯৭৯ সালের ৪ নভেম্বরে তরুণ শিক্ষার্থীরা যে সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছে তাতে দিনটি ইরানি জাতির জন্য গৌরব ও বিজয়ের দিন হয়ে উঠেছে। ইরানের ইতিহাসে যেমন বিজয়ের দিন আছে, তেমনি দুর্বলতা ও পতনের দিনও আছে-উভয়ই জাতীয় স্মৃতিতে সংরক্ষিত থাকা উচিত।”
পরিচয়গত দিকটি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “মার্কিন দূতাবাস দখলের ঘটনাটি একদিকে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রকৃত চরিত্র, অন্যদিকে ইসলামী বিপ্লবের প্রকৃত পরিচয় ও মর্মকে স্পষ্ট করে দিয়েছে।”
তিনি আত্মম্ভরিতা শব্দটির কুরআনিক শিকড়ের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, “কখনও কখনও কোনো কোনো রাষ্ট্র যেমন অতীতে ব্রিটেন বা বর্তমানে আমেরিকা-নিজেকে এতটাই বড় ভাবতে শুরু করে যে, অন্য জাতির গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থে হস্তক্ষেপ করে তাদের ভাগ্য নির্ধারণের অধিকার দাবি করে ফেলে, কোনো দেশ দুর্বল হলে বা জনগণ সচেতন না থাকলে তারা সেখানে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করে বসে, তাদের তেল ও সম্পদ লুট করে নেয়। এই শ্রেষ্ঠত্ববাদের বিরুদ্ধেই আমরা অবস্থান নিয়েছি এবং এর বিরুদ্ধেই আমরা স্লোগান দিয়ে থাকি।”
আরও আসছে…

01/11/2025

নিষেধাজ্ঞার ফলে ইরান বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রগতি লাভ করেছে

ইসলামী বিপ্লবের নেতা ইমাম খামেনেয়ি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইরানের অগ্রগতির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার ভূমিকাকে একটি বড় কারণ বলে মনে করেন।

২০২৩ সালের ২১ মার্চ ইরানের মাশহাদ শহরে ইমাম রেজা (আ.)'র পবিত্র মাজার প্রাঙ্গনে এক বিশাল জনসমাবেশে ইসলামী ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী বলেছিলেন, 'আমরা অগ্রগতি অর্জন করেছি অনেক ক্ষেত্রে, আর এইসব অগ্রগতি ঘটছে নিষেধাজ্ঞার সময়, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার সময়, সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক চাপের সেই সময়গুলোতেই-মার্কিনিরাই বলেছিল এ কথা। মার্কিনিরা বলেছিল, যে অর্থনৈতিক চাপ আমরা ইরানের ওপর প্রয়োগ করেছি তা ইতিহাসে নজিরবিহীন। তারা অন্য সব বিষয়ে মিথ্যা কথা বললেও এই একটি বিষয়ে সত্য কথা বলেছিল। এটা ছিল নজিরবিহীন অর্থনৈতিক চাপ। আর এমন পরিস্থিতির মধ্যেও ইরানি জাতি অগ্রগতি অর্জন করেছে। ইরান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অগ্রগতি অর্জন করেছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির কোনো কোনো ক্ষেত্রে ইরান বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় পর্যায়ে রয়েছে।'

➡অর্থনৈতিক চাপের প্রধান ও চূড়ান্ত লক্ষ্য ছিল ইরানে উৎপাদনের চাকা বন্ধ করা, কিন্তু তারা ব্যর্থ হয়েছে

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ২০২২ সালের ৯ মে শ্রমিকদের সমাবেশে বলেছিলেন, বিপ্লবের প্রথম থেকেই দাাম্ভিক শক্তিগুলো ইরানের উৎপাদন অচল করে দিতে চেয়েছিল, কিন্তু শ্রমিকরা রণাঙ্গনের সন্মুখ সারিতে রুখে দাঁড়ান এবং তা ঘটতে দেননি।

➡শত্রুরা যা চায় তার ঠিক বিপরীত কাজ করতে হবে

২০২২ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পূর্ব আযারবাইজানের জনগণের উদ্দেশে এক ভিডিও-বার্তায় ইরানের ইসলামী বিপ্লবের বর্তমান সর্বোচ্চ প্রধান বলেছিলেন, আমাদের প্রিয় যুব সমাজের প্রতি আমার অনুরোধ হল তারা যেন শত্রুদের বর্তমান গতিবিধি লক্ষ্য করেন, শত্রুরা কোন্ বিষয়কে লক্ষ্য বা টার্গেট করেছে তা যেন তারা দেখেন এবং এরপর শত্রুদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের ঠিক বিপরীত লক্ষ্যে তাদের সক্রিয় হতে হবে।

তিনি আরও বলেছেন, 'আমার মতে, আমি যেভাবে পরিস্থিতিকে বিশ্লেষণ করেছি তা হল শত্রুরা গোটা জাতিকে টার্গেট করেছে, তারা জনমতকে টার্গেট করেছে, তারা জনমতকে টার্গেট করেছে এবং যুব সমাজের মানসিকতাও তাদের লক্ষ্যবস্তু। তাদের দু'টি প্রাথমিক হাতিয়ার হল : প্রথমত অর্থনৈতিক চাপ এবং দ্বিতীয়টি প্রচার-প্রোপাগান্ডা চালানো, ইসলামী বিপ্লবের মূল স্তম্ভগুলো ও দিক বা উপাদানগুলোর বিরুদ্ধে এবং সেইসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বদনাম করা যেসব প্রতিষ্ঠান এ বিপ্লবের অগ্রগতিতে ভূমিকা রেখেছে।' ইরানি জাতিকে অবশ্যই এ দুই অপ-তৎপরতার বিরুদ্ধে সক্রিয় হতে হবে।

05/06/2025

গাজায় মানবিক বিপর্যয় মোকাবেলা করা বিশ্বের সব মুসলিম সরকার ও সব মুসলিম জাতির দায়িত্ব: ইরানের সর্বোচ্চ নেতার হজবাণী

ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ী ২০২৫ সালের পবিত্র হজ উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন। পূর্ণাঙ্গ হজবাণী এখানে তুলে ধরা হলো।

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম
ওয়ালহামদু লিল্লাহি রব্বিল আ'লামিন ওয়াস সালাতু ওয়াসসালামু আলা খাইরি খালকিল্লাহ মুহাম্মাদিল মুস্তাফা ওয়া আলেত্বাইয়িবিনা ওয়া সাহবিহিল মুনতাজিবিনা, ওয়া মান তাবিয়াহুম বিইহসানিন ইলা ইয়াওমিদ্দিন।

হজ হলো মুমিনদের আকাঙ্ক্ষা, অধির আগ্রহীদের ঈদ এবং সৌভাগ্যবানদের আধ্যাত্মিক জীবিকা। হজের সঙ্গে এর রহস্যময় মর্মজ্ঞানের মিশ্রণ ঘটলে তা কেবল মুসলিম উম্মাহরই নয় বরং সমগ্র মানবজাতির প্রধান সমস্যাগুলোর প্রতিকার হয়ে ওঠে।
হজ অন্যান্য সফরের মতো নয় যা ব্যবসা, পর্যটন বা অন্যান্য উদ্দেশ্যে করা হয়, যেখানে কখনো কখনো ইবাদত বা সৎকর্ম সেই সফরের অংশ হয়ে হয়ে ওঠে।

হজ হলো সাধারণ জীবন থেকে আদর্শ জীবনে স্থানান্তরিত হওয়ার একটি অনুশীলন। আদর্শ জীবন হলো একত্ববাদী জীবন। এর প্রধান ও চিরস্থায়ী উপাদানগুলো হলো সত্যের অক্ষের চারপাশে অবিরাম প্রদক্ষিণ (তাওয়াফ), কঠিন চূড়াগুলোর মধ্যে নিরলস প্রচেষ্টা (সাঈ), কুচক্রী শয়তানের দিকে সর্বদা পাথর নিক্ষেপ, জিকির ও এবাদতের সাথে বিরতি, পক্ষাঘাতগ্রস্ত ও পথচারী দরিদ্রদের খাওয়ানো, সব জাতি, বর্ণ ও ভাষার মানুষ এবং ভৌগোলিক অঞ্চলকে সমানভাবে দেখা এবং সব সময় সেবা করার জন্য প্রস্তুত থাকা, আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করা এবং সত্যকে রক্ষার পতাকা উড্ডীন রাখা।

হজ নিজের মধ্যে এই (আদর্শ) জীবনের প্রতীকী দৃষ্টান্তগুলোর সম্মিলন ঘটিয়েছে এবং হজযাত্রীদেরকে এসবের সাথে পরিচিত করিয়ে এই জীবনের প্রতি আমন্ত্রণ জানায়। এই আহ্বান অবশ্যই শোনা উচিৎ। হৃদয়-মন এবং বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ চোখ খুলতে হবে। শিখতে হবে। শিক্ষাগুলো রপ্ত করে সেগুলো প্রয়োগ করার দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করতে হবে। প্রত্যেকেই তাদের সামর্থ্য অনুসারে এ ক্ষেত্রে পদক্ষেপ নিতে পারে। আলেম, বুদ্ধিজীবী এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থানের অধিকারী ব্যক্তিদের দায়িত্ব আরও বেশি।

মুসলিম বিশ্বের এখন এই শিক্ষাগুলো প্রয়োগ করা আগের চেয়েও বেশি প্রয়োজন। গাজা এবং পশ্চিম এশিয়ায় বিপর্যয় চলা অবস্থায় এবার দ্বিতীয় হজ পালিত হচ্ছে। ফিলিস্তিন দখলদার অপরাধী ইহুদিবাদী চক্র ভয়াবহ নিষ্ঠুরতা, বর্বরতা এবং শয়তানির মাধ্যমে গাজার বিপর্যয়কে অকল্পনীয় মাত্রায় নিয়ে গেছে। ফিলিস্তিনি শিশুরা এখন কেবল বোমা, গুলি এবং ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই নয়, তৃষ্ণা ও অনাহারেও মারা যাচ্ছে। প্রিয়জন তথা তরুণদের হারানো অথবা বাবা-মা হারানো শোকসন্তপ্ত পরিবারের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এই মানবিক বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে কারা রুখে দাঁড়াবে?
নিঃসন্দেহে এই দায়িত্ব প্রথমেই মুসলিম সরকারগুলোর। আর জাতিগুলো তাদের সরকারগুলোর কাছ থেকে এই পদক্ষেপের দাবিদার। মুসলিম সরকারগুলোর মধ্যে নানা ক্ষেত্রে মতবিরোধ থাকতেই পারে, কিন্তু এই মতবিরোধ গাজার ভয়াবহ বিপর্যয় এবং আজকের বিশ্বের সবচেয়ে মজলুম জনগোষ্ঠীর প্রতি সহযোগিতা করা থেকে তাদেরকে বিরত রাখবে এমনটি হওয়া উচিৎ নয়। মুসলিম সরকারগুলোকে অবশ্যই ইহুদিবাদী ইসরাইলকে সহায়তার সকল পথ বন্ধ করে দিতে হবে এবং গাজায় বর্বর কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়া থেকে অপরাধীদেরকে বিরত রাখতে হবে। আমেরিকা নিশ্চিতভাবে ইহুদিবাদী ইসরাইলের অপরাধের সহযোগী।
এই অঞ্চল এবং অন্যান্য মুসলিম অঞ্চলে আমেরিকার সহযোগীদের উচিৎ মজলুমদের রক্ষা করার বিষয়ে কুরআনের ডাকে সাড়া দেওয়া। তাদেরকে অবশ্যই দাম্ভিক মার্কিন সরকারকে এই নিপীড়নমূলক আচরণ বন্ধের জন্য বাধ্য করতে হবে। হজের সময় বারায়াত (সম্পর্কচ্ছেদ) অনুষ্ঠান এমন লক্ষ্য অর্জনের জন্যই একটি পদক্ষেপ।

গাজার জনগণের অবিশ্বাস্য প্রতিরোধ ফিলিস্তিন ইস্যুকে মুসলিম বিশ্ব তথা গোটা বিশ্বের সকল স্বাধীনচেতা মানুষের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে গেছে। এই সুযোগকে অবশ্যই কাজে লাগাতে হবে এবং এই মজলুম জাতির সাহায্যে এগিয়ে যেতে হবে। দাম্ভিক শক্তি ও ইহুদিবাদী ইসরাইলের সমর্থকরা ফিলিস্তিন ইস্যুটির নাম-নিশানা [মানুষের মন থেকে] মুছে ফেলার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া সত্ত্বেও এই দখলদার নেতাদের ঘৃণ্য স্বভাব ও তাদের বোকামিপূর্ণ নীতি এখন এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করেছে যেখানে ফিলিস্তিনের নাম অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে উজ্জ্বলতর হয়েছে এবং ইহুদিবাদীদের ও তাদের সমর্থকদের প্রতি জনমতের ঘৃণা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেড়েছে। এটি মুসলিম বিশ্বের জন্য একটা বড় সুযোগ।

যারা সমাজের মুখপাত্র হিসেবে সম্মানিত এবং সমাজে যাদের বিশেষ অবস্থান রয়েছে তাদের পক্ষ থেকে ফিলিস্তিন ইস্যুতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে, সংবেদনশীলতা আরও গভীর করতে হবে এবং ফিলিস্তিন সম্পর্কিত দাবিগুলোকে ছড়িয়ে দিতে হবে।

আপনারা সৌভাগ্যবান হাজিরা হজ পালনের সময় সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করার সুযোগকে অবহেলা করবেন না। জালিম ইহুদিবাদী ইসরাইল এবং তাদের সমর্থকদের বিরুদ্ধে বিজয়ের জন্য সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে দোয়া করুন।

মহানবী ও তাঁর পবিত্র বংশধরদের ওপর আল্লাহর সালাম, দরুদ ও রহমত বর্ষিত হোক। একই সঙ্গে ইমাম মাহদি বাকিয়াতুল্লাহ (আল্লাহ তাঁর পুনরাবির্ভাব ত্বরান্বিত করুন) এর ওপর সালাম ও দরুদ বর্ষিত হোক।

ওয়া আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ী
৩০ মে, ২০২৫

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Tehran?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Culinary Team

Attire

Telephone

Website

Address

Tehran