Matribhasa
11/02/2026
গোমাংস কি সত্যিই অশাস্ত্রীয়? নাকি এটি রাজনীতির এক হাতিয়ার? বৈদিক ভারত থেকে বর্তমান—এক নিরাবেগ সত্যানুসন্ধান। 🐄🔥
আমরা কি জানি আমাদের ধর্মগ্রন্থে আসলে কী লেখা আছে? নাকি আমরা কেবল শুনে আসা কথাকেই ধ্রুব সত্য বলে মেনে নিয়েছি?
আজকের ভারতে 'গোরু' কেবল একটি প্রাণী নয়, এটি একটি রাজনৈতিক বারুদ।
কিন্তু আবেগের ধুলো সরিয়ে যদি আমরা ইতিহাসের আয়নায় তাকাই? বিভূতিভূষণ দত্তের নতুন বই 'গোমাংস, গোহত্যা ও হিন্দুধর্ম' কোনো বিদ্বেষ ছড়াতে নয়, বরং ধুলো পড়া প্রাচীন পুঁথি আর বর্তমানের রূঢ় বাস্তবতাকে এক সুতোয় গাঁথতে এসেছে।
📖 বইটি কেন পড়বেন?
🚩 বৈদিক যুগের খাদ্যাভ্যাস: বৃহদারণ্যক উপনিষদে কি সত্যিই 'জ্ঞানী সন্তান' লাভের জন্য বিশেষ খাদ্যের উল্লেখ আছে? বেদে 'অঘ্ন্যা' শব্দের আসল অর্থ কী? প্রাচীন ঋষিদের পাতে কি গোমাংস নিষিদ্ধ ছিল, নাকি তা ছিল আতিথেয়তার অংশ?
🚩 বিবেকানন্দের দৃষ্টিতে: স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন, "খালি পেটে ধর্ম হয় না।" তিনি কি গোমাংস ভক্ষণকে সমর্থন করেছিলেন? তাঁর সেই বিখ্যাত উক্তিগুলোর আসল প্রেক্ষাপট কী?
🚩 অর্থনীতি বনাম আবেগ: ইন্ডিয়ান ভেটেরিনারি কাউন্সিলের তথ্য বলছে, ভারতের ৪০ শতাংশ গবাদি পশুর জন্য পর্যাপ্ত খাবার নেই। ভক্তি দিয়ে কি পেটের খিদে মেটানো সম্ভব? রাস্তায় প্লাস্টিক খেয়ে ধুঁকে মরা 'গো-মাতা' কি আমাদের পাপের সাক্ষী নয়?
🚩 কৃষকের কান্না: গোহত্যা নিষিদ্ধ হওয়ার পর কৃষকরা কেন দিশেহারা? অকেজো গোরু বিক্রি করতে না পেরে কীভাবে তাঁরা অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু হয়ে পড়ছেন? দলিত ও প্রান্তিক মানুষের অধিকারের লড়াইটি ঠিক কোথায়?
🚩 রাজনীতির আড়ালে: কীভাবে একটি নিরীহ প্রাণী হয়ে উঠল ভোটব্যাংকের দাবার ঘুঁটি? রামস্বামীর ভবিষ্যৎবাণী কি আজ সত্য হচ্ছে?
এই বই অন্ধবিশ্বাসের বিরুদ্ধে যুক্তির চাবুক। লেখক কোনো মনগড়া কথা বলেননি, প্রতিটি তথ্যের সপক্ষে তুলে ধরেছেন শাস্ত্রের শ্লোক আর সরকারি পরিসংখ্যান।
আপনি যদি বিশ্বাস করেন যে ধর্ম মানে অন্ধত্ব নয়, বরং সত্যের অনুসন্ধান—তবে এই বই আপনার জন্য। আবেগের বশবর্তী না হয়ে, যুক্তির আলোয় ইতিহাসকে দেখতে চাইলে আজই সংগ্রহ করুন।
সত্যকে ভয় পাবেন না। সত্যের মুখোমুখি হোন।
https://matribhasa.com/product/gomansho-gohatya-o-hindu-dharma/
11/02/2026
৮০টি দুর্লভ ছবিসহ উন্মোচিত এক নিষিদ্ধ ইতিহাস!
🌑📸
আপনি কি মনে করেন মন্দির মানেই কেবল ফুল, বেলপাতা আর ভক্তির স্থান? তবে আপনি হীরাপুর দেখেননি। ওড়িশার এক নিভৃত গ্রামে, লোকচক্ষুর আড়ালে লুকিয়ে আছে এক মহাজাগতিক বিস্ময়—'হীরাপুরের চৌষট্টি যোগিনী মন্দির'।
এটি কোনো সাধারণ ইতিহাসের বই নয়। এটি এক রোমাঞ্চকর যাত্রা, যেখানে ইতিহাস মিশে গেছে অলৌকিক কিংবদন্তির সাথে। লেখক বিভূতিভূষণ দত্ত-এর কলমে উঠে এসেছে নবম শতাব্দীর এক হারিয়ে যাওয়া সময়, যখন তন্ত্র, মন্ত্র এবং গুহ্য সাধনাই ছিল রাজক্ষমতার উৎস।
📖 কেন এই বইটি সংগ্রহ করবেন?
📸 ৮০টি অনন্য আলোকচিত্র: বইটিতে রয়েছে মন্দিরের ৮০টি দুষ্প্রাপ্য ছবি। ৬৪ জন যোগিনী, ৯ জন কাত্যায়নী এবং ভৈরবদের প্রতিটি মূর্তির নিখুঁত ছবি আপনাকে ঘরে বসেই হীরাপুরের মন্দিরে নিয়ে যাবে। প্রতিটি ছবির সাথে রয়েছে বিস্তারিত বর্ণনা, যা সচরাচর অন্য কোনো বইতে পাওয়া যায় না।
🚩 কালপাহাড়ের ভয়: কেন ত্রাস সৃষ্টিকারী কালাপাহাড়ও এই মন্দির ধ্বংস করতে সাহস পাননি? কী সেই অদৃশ্য শক্তি যা তাকে পিছু হটতে বাধ্য করেছিল?
🚩 নিষিদ্ধ বামাচার: পঞ্চ-মকার, শব-সাধনা এবং কাপালিকদের ভৈরব চক্র। হীরাপুরের মাটিতে মিশে থাকা সেই আদিম ও উগ্র তান্ত্রিক আচারের লোমহর্ষক বর্ণনা।
🚩 ১৯৫৩-এর পুনরাবিষ্কার: দীর্ঘকাল জঙ্গলের অন্ধকারে হারিয়ে থাকার পর কীভাবে কেদারনাথ মহাপাত্র নিজের প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে খুঁজে বের করলেন এই 'অভিশপ্ত' স্থান?
🚩 স্থাপত্যের রহস্য: কেন এই মন্দিরের কোনো ছাদ নেই? কেন এটি গোলাকার? কীভাবে সূর্য ও চন্দ্রের গতির সাথে তাল মিলিয়ে তৈরি হয়েছে এই পাথরের ক্যালেন্ডার?
🚩 যোগিনী ও ডাকিনী: এরা কি শুধুই দেবী, নাকি রক্তমাংসের মানবী? হীরাপুরের ৬৪টি মূর্তির প্রতিটি পাথরে লুকিয়ে থাকা সংকেত এবং তাদের অলৌকিক ক্ষমতার বিশ্লেষণ।
এই বই 'নন-ফিকশন' হয়েও কোনো থ্রিলারের চেয়ে কম নয়। যারা ইতিহাসের পথের ধুলো মাখতে ভালোবাসেন এবং যারা সত্যের আড়ালে লুকিয়ে থাকা রহস্য ভেদ করতে চান, এই বই তাঁদের জন্য।
চোখ রাখুন এক নিষিদ্ধ ইতিহাসের পাতায়। স্বাগত হীরাপুরের গোলকধাঁধায়!
মুদ্রিত মূল্য ২৯৯/-
প্রকাশনা Boideshik
https://matribhasa.com/product/hirapurer-choushatti-yogini-mandir/