Biplab Ghosh

Biplab Ghosh

Share

Photos from Biplab Ghosh's post 10/11/2019

#বসিরহাট_সাতক্ষীরা_সাহিত্য_আড্ডা

◾দুই বাংলার কবি সাহিত্যিকদের নিয়ে এক প্রাণবন্ত সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত হল বসিরহাটের টাউন হাইস্কুলের প্রেক্ষাগৃহে। বসিরহাট লিটল ম্যাগাজিন ফোরামের আমন্ত্রণে বাংলাদেশের সাহিত্য- সংস্কৃতি নিয়ে রোববার এই আড্ডার উপস্থিত ছিলেন প্রতিবেশী দেশের বেশ কয়েকজন খ্যাতনামা সাহিত্যিক। শুরুতেই বেহালার সুমিষ্ট সুরে দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনার মাধ্যমে দুই দেশের মেলবন্ধনের কাজটি নিপুণভাবে সম্পাদন করেন শ্রী সরোজ মাইতি। এরপর সম্প্রতি অমৃতলোকে যাত্রাকারী সাহিত্যিক নবনীতা দেবসেনের স্মৃতিতে নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানের স্বাগত ভাষণে বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও ফোরামের সভাপতি মাননীয়া জয়ন্তী চট্টোপাধ্যায় বসিরহাটের সাহিত্য চর্চার বিষয়ে আলোকপাত করেন।

◾সরস আড্ডায় ওপার বাংলার কবি সাহিত্যিকদের মধ্যে উপস্থিত হন ১৯৭১-এর মুক্তিযোদ্ধা, প্রখ্যাত সাহিত্যিক, নাট্যকার ও চিত্র পরিচালক মাননীয় খাইরুল বাসার মহাশয়। তিনি স্মৃতিচারণায় বসিরহাটের প্রখ্যাত ফুটবলার শ্রদ্ধেয় ঘ্যাসদা ওরফে রবীন সেনগুপ্তের সঙ্গে তার সম্পর্কের আন্তরিকতার কথা উল্লেখ করেন। এছাড়াও এদিনের এই আড্ডায় উপস্থিত ছিলেন 'ঘাসফুল' পত্রিকার সম্পাদক অনুপম ইসলাম, সাহিত্যিক পল্টু বাসার, সাহিত্যিক আমিনুর রহমান বুলবুল প্রমুখ।

◾অনুষ্ঠানে কবিতার মধ্য দিয়ে আমাদের স্বাধীনতার চেতনাকে সমুন্নত করে তুলতে আহ্বান জানান উপস্থিত কবিরা। সাহিত্য আলোচনার মাধ্যমে প্রকাশিত হয় কালজয়ী কবি-সাহিত্যিকরা পার্থিব পুরস্কারের আশায় কাব্যচর্চা করেননি।

◾সারাদিনব্যাপী সাহিত্য আলোচনা, স্বরোচিত লেখাপাঠ, সঙ্গীত, নৃত্য, আবৃত্তি ও মাউথ অরগ্যানের সুর মূর্ছনায় কখন যে সকাল গড়িয়ে 'আধার হল মাদারগাছের তলা' তা উপলব্ধি করা ছিল দুষ্কর। আসলে সাহিত্য আড্ডার সূত্র ধরে কেবলমাত্র দুই বাংলার সাহিত্যের আদানপ্রদান ঘটেনি, বরঞ্চ সবার অলক্ষ্যে দুই বাংলার হৃদয় বিনিময় সম্পন্ন হয়েছে।।

Photos from Biplab Ghosh's post 22/06/2019

|| আন্তজার্তিক যোগ দিবস ||

#সর্বে_ভবন্তু_সুখিন
#সর্বে_সন্তু_নিরাময়া।।

◼ বৈদিক যুগ থেকেই ভারতবর্ষের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বর্হিবিশ্বে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়ে চলেছে। প্রায় ১৫০০ বছর পূর্বের এক বৈদিক পরম্পরা হল যোগ। ভগবান মহাদেবকে মনে করা হয় আদি যোগীপুরুষ হিসাবে এবং পরবর্তীতে ঋষি পতঞ্জলির মাধ্যমে তা ভারত ও বিশ্বের প্রায় সমস্ত দেশে পৌছে যায়।

◼২০১৪ সালের ২৭শে সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রসংঘে ভাষণ দেওয়ার সময় ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী মাননীয় শ্রী নরেন্দ্র মোদী ২১শে জুন তারিখটিকে আন্তজার্তিক যোগ দিবস হিসাবে ঘোষণার প্রস্তাব দেন। সেই বছরই ১১ই ডিসেম্বর রাষ্ট্রসংঘ সাধারণ পরিষদ ২১শে জুন তারিখটি আন্তজার্তিক যোগ দিবসের মান্যতা দেয়। বিশ্বের ১৯০টি দেশ একটি নির্দিষ্ট দিনকে যোগ দিবস রূপে পালন করার পক্ষে সমর্থন জানায়।

◼ যোগ হল প্রাচীন ভারতে উদ্ভূত এক বিশেষ ধরণের শারীরিক ও মানসিক ব্যায়াম এবং আধ্যাত্মিক অনুশীলন প্রথা। এর উদ্দেশ্য মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতাবিধান।

◼ শরীর ও মনের এই সুস্থতার লক্ষ্যে গোটা বিশ্ব এবং যোগের গর্ভগৃহ ভারতবর্ষের আসমুদ্র হিমালয় যখন ২১শে জুন দিনটিকে মহাসাড়ম্বরে পালন করছে তখন বসিরহাটেও ক্রীড়াভারতীর আয়োজনে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের বিপুল উপস্থিতি ও ঐকান্তিক সহযোগীতায় সাফল্য লাভ করল এই অনুষ্ঠান। বসিরহাট টাউন হল প্রাঙ্গণে এদিনের এই কর্মসূচিতে সভাপতির আসন অলংকৃত করেছিলেন বেড়াচাঁপা শেখ শহীদুল্লাহ মহাবিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যক্ষ মাননীয় শ্রী নারান দাশ মহাশয়। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বসিরহাট জেলা হাসপাতালের সুপার মাননীয় ডঃ শ্রী শ্যামল হালদার মহাশয়। এছাড়াও উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিতি ছিলেন শিকড়া কুলীন গ্রাম রামকৃষ্ণ মিশনের পরম পূজ্যপাদ স্বামী তন্ময়ানন্দজী মহারাজ, হাসনাবাদ নেতাজী বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক মাননীয় শ্রী তাপস মুখার্জী মহাশয় সহ একাধিক সমাজের গুণী মানুষেরা। বসিরহাট মহাকুমার মোট ১০টি প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয় এবং ৪টি যোগ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মোট ১৩৪ জন প্রতিযোগী ও প্রতিযোগীনির অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সর্বাঙ্গসুন্দর রূপ নেয়।

🔷 প্রতিদিন যোগ অভ্যাসদ্বারা সকলের রোগ নিরাময় হোক এবং পরম শান্তি লাভ করুক।।

Photos from Biplab Ghosh's post 28/06/2018

#তিন_টুনুর_কাহিনী

♥ বর্ধিত গ্রীষ্মবকাশে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে আজ এক বিচিত্র অভিজ্ঞতা হল।বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণের একটা অংশে জমে থাকা জলে খেলায় মত্ত তিন টুনু বাচ্চা।আমি তাদের প্রশ্ন করলাম " তোমরা এখানে কী করছো?" উত্তরে একটা টুনু বলল "নালা কাটছি।" আমি বললাম "নালা কেটে কী হবে?" বলল "মাছ ধরবো।"। কিছুটা সময় বিদ্যালয়ের অফিসে কাটিয়ে,বাইরে এসে দেখি একটা বাচ্চা আরেকটা বাচ্চাকে বলছে জল ছেচতে।মাঝে বেশ কয়েকবার আমি ওদের বলেছি মাছ পেলে আমি বাড়ি নিয়ে যাব।ওরা আমার কথায় মাথা নাড়িয়ে সম্মতি জানিয়েছে।শেষে ফেরার সময় আবার শুধোলাম,"মাছ উঠেছে?" জানাল "না।"

♥ ওদের ওই নালা তৈরি,মাছ ধরা,জল ছাঁচার কৌশল আমাকে মুগ্ধ করেছে।আমি খুব অবাক হলাম এটা দেখে যে ওরা আবার জল ছাঁচার জন্য বেশ কিছু জায়গায় জল মাটি দিয়ে আটকিয়ে দিয়েছে।বিদ্যালয়ের পরীক্ষায় প্রাপ্ত নাম্বার যে একটা তুচ্ছ বিষয় এবং শহরের তুলনায় গ্রামের বাচ্চারা যে অনেক বেশি বুদ্ধিমান সেই ধারনা আমি অনেক আগেই লাভ করেছি, আর আজ তা আরও একবার তা চাক্ষুষ করলাম।

♥ সত্যি কথা বলতে ওদের ওই কর্মকান্ড আমাকে এক মুহূর্তের জন্য আমার শৈশবের দিনগুলিতে নিয়ে গিয়েছিল।চলভাষহীন সেই সময়ে আমরাও এই ধরনের কার্যকলাপে সামিল হতাম।।

10/06/2018

#লক্ষ্য_ব্যক্তিগত_চিন্তার_বহিঃপ্রকাশ
#ব্লগের_মাধ্যমে_দিলাম_আশ্বাস।।

Want your school to be the top-listed School/college in Basirhat?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address

Basirhat
743412