E - Learning Engineering
26/05/2025
সিঙ্গেল ফেজ সাবমার্সিবল কন্ট্রোল বক্স কানেকশন।
Md Asib er এবিসি ভাইবা 6/4/২২
প্রথম এ ভিতরে গিয়ে স্যার কে সালাম দিলাম স্যার অন্য দিক এ মনোযোগ ছিল তাই শুনতে পায়নি। স্যার যখন আমার দিক এ তাকালো আমি আবার সালাম দিলাম । স্যার বসতে বললো । বসলাম কাগজ পাতি চাইলো অ্যাডমিট আর চালান কপি দিলাম । স্যার দেখার পর প্রশ্ন শুরু করলো
1। গ্যাং সুইচ দিয়ে বললো এটা কিভাবে কানেকশন করতে হয় বলেন
উ: বললাম
2। স্যার , আচ্ছা ফেজ দিলেন তাহলে নিউটাল কোথায় দিবেন
উ: আমি বললাম স্যার সুইচ এ নিউট্রাল লাগে না সুইচ লোড এর সাথে সিরিজ এ থাকে
3 । কমাইন্ড সকেট দিয়ে বললো এটা কিভাবে কানেকশন দিতে হয়
উ: বললাম
4। স্যার: চোক কয়েল এর কাজ কি
উ: ভোল্টেজ কে কম বেশি করে টিউবলাইট কে জ্বালাতে সাহায্য করা
5। টিউবলাইট এর সব অংশ গুলো কিভাবে কানেকশন করা থাকে?
উ : সিরিজে
6। স্যার : এমসিবি এসপি ,এমসিবি ডিপি ,এমসিবি টিপি, mccb দেখিয়ে বললো এগুলো কি
উ: বললাম
7। স্যার: কত অ্যাম্পিয়ার
উ: হতে নিয়ে দেখে বললাম
8। স্যার: dol স্টার্টার দেখিয়ে এটা কি
উ: বললাম
9। স্যার : dol এর ফুল মিনিং কি
উ: ডাইরেক্ট অন লাইন
10। স্যার : ম্যাগনেটিক কন্টাট , ওভার লোড রিলে, অ্যাম্পিয়ার সিলেক্টর নব দেখিয়ে বললো এগুলো কি
উ: বললাম
11। স্যার : স্টার ডেল্টা বক্স দেখিয়ে এটা কি জানো?
উ: বললাম
12। স্যার: স্টার ডেল্টা কেনো ব্যবহার করা হয় কি জন্য?
উ: 5 hp এর উপরে মোটর গুলো স্টার্টিং এর সময় অনেক কারেন্ট নেই এই অতিরিক্ত কারেন্ট নেওয়া থেকে মোটর কে রক্ষা করার জন্য প্রথমে স্টার কানেকশন দিয়ে স্টার্ট করা হয় যেনো কম কারেন্ট নিয়ে স্টার্ট হতে পারে এবং পরে ডেল্টা কানেকশন করা হয় যেনো মোটর তার পূর্ণ গতিতে ঘুরতে পারে বা পূর্ণ আউটপুট দিতে পারে । এভাবে একটা স্টার ডেল্টা স্টার্টার কাজ করে থাকে
13। স্যার: কোনটা কি কন্টাক্ট দেখান । আর কিভাবে মোটর কানেকশন করতে হবে?
উ : মেইন কন্টাক্ট এর সাথে ওভার লোড লাগানো ছিল এবং 3 টা তার মোটর এর সাথে সংযুক্ত হবে , স্টার কন্টেট এর এক পাশের 3 প্রান্ত শর্ট থাকে , এবং ডেল্টা কন্টাক্ট এর থেকে 3 টা তার মোটর এর সাথে সংযুক্ত হবে।
14।স্যার: টাইমার দেখিয়ে এটা কি? কিভাবে কাজ করে
উ : টাইমার এ সাপ্লাই দিলে এতে সেট করা নির্দিষ্ট সময় পর এর Nc গুলো NO এবং No গুলো NC তে রুপান্তর হয়।
15। স্যার : পিন ইনসুলেটর, শেকল ইনসুলেটর, গাই ইনসুলেটর দেখিয়ে এগুলো কি?
উ : বললাম
16 । স্যার : 2ধরনের লাইটিং অ্যারেস্টর দেখিয়ে এগুলো কি?
উ : বললাম
17। স্যার : কোনটার মান কত দেখে বলো
উ : 11kv এবং 10.5 kv
18। কোনটা কোথায় ব্যাবহার করা যাবে?
উ: এগুলো সবোচ্চ 11kv এবং 10.5 kv te ব্যাবহার করা যাবে?
19। কিন্তু 11 kv 10.5 kv kothai থাকে?
উ : স্যার যেহেতু 11kv লাইন গুলোর ভোল্টেজ লাইন to লাইন ভোল্টেজ হয়ে থাকে এজন্য এটি প্রতি সিঙ্গেল ফেজ লাইন টু গ্রাউন্ড এ দেওয়ার জন্য ব্যাবহার করা হবে তাহলে প্রতি ফেজ হিসাবে ধরলে 6 kv লাইনে ব্যাবহার করা যাবে ( আমি নিজেও জানিনা সঠিক উত্তর কিনা কিন্তু স্যার কিছু বলেনি)
20। স্যার: পিছনে ওই বড় টা কি বলো তো
U : ট্রান্সফরমার
21। ওইখানে কি এটা (লাইটিং অ্যারেস্টর) আছে?
উ: জি স্যার আছে
22। কোনটা বলো তো
উ: ht বুশিং এর উপরে এবং নিচে যে 2 টা রড আছে ওগুলো । এটা রড গ্যাপ লাইটিং অ্যারেস্টর
23 । স্যার: আচ্ছা মনে করো ট্রান্সফরমার এর ht বুশিং ফেটে গেলো এখানে কি এটা (টেবিল এর উপরের লাইটিং অ্যারেষ্টর টা দেখিয়ে) ব্যাবহার করতে পারবো?
উ : স্যার পারবো না
24। স্যার: কেনো ? দেখতে তো 2 টাই একই রকম তাহলে পারবো না কেনো? ট্রান্সফরমার এর কাছে যাও দেখে আসো পারবো কিনা ( একটু ধমক দিয়ে😁 স্যার ভেবেছিল আমি হয়তো উত্তর বদলে নেবো)
উ: আমি ট্রান্সফরমার এর কাছে গেলাম দেখে ফিরে আসলাম তারপর বললাম স্যার লাইটিং অ্যারেস্টর এর ভিতরে কিছু ফাঁকা জায়গা থাকে এর রেটিং এর তুলনায় বেশি পরিমাণ ভোল্টেজ গেলে তখন এটি ওই ভোল্টেজ কে অর্থ এ প্রেরণ করে । যদি আমরা এর ভিতরে গ্যাপ টা কন্ডাক্টর দিয়ে পূরণ করে দেই তাহলে বুশিং হিসাবে ব্যাবহার করতে পারবো
25। স্যার : কোনো কিছু না করে ব্যাবহার করতে পারবো কিনা তাই বলো
উ: না স্যার
( এটা নিয়ে অনেক প্যাচ মেরেছিল যতটুকু মনে আছে ততটুকু বললাম)
26। স্যার: ট্রানফর্মার দেখিয়ে উপরের ওই অংশ টার নাম কি
উ : কনজারভেটভ ট্যাংক
27। স্যার : ব্রিদারের কাজ কি সিলিকা জেল কেনো ব্যাবহার করা হয়?
উ: ট্রান্সফরমার এর তেল গরম হয়ে আয়তন বেড়ে গেলে ভিতরের বাতাস বাইরে যাওয়ার জন্য এবং তেল ঠান্ডা হলে বাইরের বাতাস জন ভিতরে যেতে পারে তার জন্য ব্রীদার ব্যাবহার করা হয়। আর বাইরের বাতাসের সাথে যেনো জলীয় বাষ্প যেতে না পারে তার জন্য সিলিকা জেল ব্যাবহার করা হয়
28। স্যার: সাইড এর ওই পাতলা শিট গুলো কিসের?
উ: এগুলো রেডিয়েটর ট্রান্সফরমার কে ঠাঙা করতে ব্যাবহার করা হয়।
29। একটা ফিউজ দেখিয়ে এটা কি ?
উ: RT ফিউজ
30। স্যার: কোথায় ব্যাবহার করা হয়?
উ: HT লাইন এ
31। HRC ফিউজ এর নাম শুনেছ?
উ: জি স্যার
32। স্যার: HRC এর ফুল মিনিং জানো?
উ : high reputing current ( স্যার বললো কারেন্ট না ক্যাপাসিটি) ওহ আচ্ছা স্যার
33। কোথায় ব্যাবহার হয় যানো?
উ: LT লাইন এ , pfi প্যানেল এ
34। স্যার: HT ক্যাবল দেখিয়ে এটা কি?
উ: বললাম
35। স্যার: এই সোনালী কালার এর এই 3 টা কি?
উ : কন্ডাক্টর
36। এর পাশের সাদা অংশ টা কি
উ: pvc ইন্সুলেশন (xlpe ইন্সুলেশন হবে)
37। উপরের লাল অংশ টা দেখিয়ে তাহলে এটা কি?
উ: স্যার এটা pvc ইন্সুলেশন আগের টা xlpe ইন্সুলেশন
স্যার : এবার ঠিক আছে
38। লাল অংশের নিচে এগুলো কি ?
উ: আর্মার শিল্ড
39। স্যার : কিসের তৈরি?
উ: এটা স্টিল , কিছু জায়গায় অ্যালুমিনিয়াম এর ও থাকে
স্যার বললো গুড
স্যার: বাসা কোথায় তোমার
বললাম
স্যার : অত দূর থেকে এসেছো
না স্যার মিরপুর থাকি
স্যার: ওহ কি করো তুমি
ডিপ্লোমা শেষ করেছি স্যার
স্যার: ও তাই তো বলি এত সহজেই সব পেরে গেলে কিভাবে ( স্যার প্রশ্ন করার সাথে সাথেই উত্তর দিয়ে দিচ্ছিলাম দেরি হয়নি একটুও। এতগুলো প্রশ্ন করার পরও 15 মিনিট লাগেনি ভাইবা শেষ হতে)
স্যার: আচ্ছা তুমি এখন আসতে পারো
আমি উঠে সালাম দিয়ে চলে আসলাম
স্যার ভালো হলে ভাইবা ও ভালো হবে ( আমাকে খুব বেশি কঠিন প্রশ্ন করেনি)
আবেদন করেছিলাম : ABC
পেয়েছি :ABC
( কিছু কথা : অনেকেই বলেছিল ABC তিনটা একসাথে করলে পাওয়া যায়না । এমনকি একজন bc প্রাপ্ত প্রার্থী ও বলেছিল ABC তিনটায় করছেন শুধু c দিবে BC করেন তাহলে BC দুইটাই পাবেন । আমি বলবো , মনেবল থাকলে আর কাজ জানলে ABC তিনটায় করেন পেয়ে যেতে পারেন)
17
A, B, C লাইসেন্স ভাইবার জন্য প্রিপারেশন নিনঃ
(১) RM,SM,RE এগুলো দ্বারা কি বুঝায়?
উত্তরঃ RM,SM,RE এগুলো দ্বারা মূলত ক্যাবলের ইউনিট বোঝানো হয়।
RM বলতে বুঝায় অনেক খেই বিশিষ্ট তার যার প্রস্থচ্ছেদ গোলাকার।
SM বলতে বোঝায় অনেক খেই বিশিষ্ট তার যার সেক্টর আকৃতি।
RE বলতে বোঝায় সিঙ্গেল নিরেট তার যা প্রস্থচ্ছেদ গোলাকার।
(২) ট্রান্সফরমার কি ধরনের ডিভাইস?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমার একটি ইলেকট্রিক্যাল স্ট্যাটিক ডিভাইস।
(৩) ট্রান্সফরমার গরম হওয়ার কারণ কি?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমার গরম হওয়ার কারণ হলো-
* ওভার লোডের জন্য গরম হতে পারে।
* ওভার ভোল্টেজ এর জন্য গরম হতে পারে।
* ইনসুলেশন দুর্বল হয়ে গেলে।
* কোথাও আর্থ হয়ে গেলে।
(৪) ট্রান্সফরমার তৈলের কাজ কি?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমার তৈলের কাজ হলো- * ইহা ট্রান্সফরমার কে ঠান্ডা রাখে।
* ইহা ইনসুলেশনের কাজ করে।
(৫) এক ফেজ ট্রান্সফরমার কে তিন ফেজ সাপ্লাই দেওয়া যায় কি?
উত্তরঃ হ্যাঁ যায়, ভি ভি বা ওপেন ডেল্টা কানেকশন করে।
(৬) এক কিলোওয়াট = কত হর্স পাওয়ার?
উত্তরঃ ১ কিলোওয়াট = ১.৩৪ হর্স পাওয়ার।
(৭) ১ হর্স পাওয়ার = কত কিলোওয়াট?
উত্তরঃ ১ হর্স পাওয়ার = ০.৭৪৬ কিলোওয়াট।
(৮) RMS এর পূর্ণ অর্থ কি? আর এম এস এর মান কত ধরা হয়?
উত্তরঃ RMS এর পূর্ণ অর্থ হলো Root Mean Square.
আর এম এস এর ভেলু= ০.৭০৭ মেক্স
(৯) DC এর ক্ষেত্রে পাওয়ার ফ্যাক্টর কি থাকে?
উত্তরঃ DC এর ক্ষেত্রে কোন পাওয়ার ফ্যাক্টর থাকে না।
কারণ এর ফ্রিকোয়েন্সি নেই,
এর মান শুন্য।
(১০) RTD এর পূর্ণ অর্থ কী?
উত্তরঃ RTD এর পূর্ণ অর্থ হলো Resistive Temperature Detector,
(১১) ইলেকট্রনিক্স কাজে কোন রেজিস্টর বেশি ব্যবহৃত হয়?
উত্তরঃ ইলেকট্রনিক্স কাজে কার্বন রেজিস্টর বেশি ব্যবহৃত হয়।
(১২) ডায়নামো কি ?
উত্তরঃ ডিসি জেনারেটরকে ডায়নামো বলে।
(১৩) মেগার কি?
উত্তরঃ মেগার হলো ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স পরিমাপক যন্ত্র।
(১৪) কোন ট্রান্সফরমারের একটি মাত্র কয়েল থাকে?
উত্তরঃ অটো ট্রান্সফরমারের একটি মাত্র কয়েল থাকে?
(১৫) বুখল্জ রিলে কোথায় থাকে?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের এর ট্যাংক ও কনজারভেটরের সংযোগকারী পাইপের মধ্যে লাগানো থাকে।
(১৬) বাংলাদেশের জেনারেটিং ভোল্টেজ কত?
উত্তরঃ ১১ কেভি
(১৭) আর এম এস এর মান কত ধরা হয়?
উত্তরঃ আর এম এস ভেলু=০.৭০৭ মেক্স
(১৮) ট্রান্সফরমার মূলত কি কি জিনিস দিয়ে তৈরি?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমার মূলত
* প্রাইমারি কয়েল
* সেকেন্ডারি কয়েল
* ম্যাগনেটিক কোর ইত্যাদি দ্বারা তৈরি।
(১৯) ট্রান্সফরমার তৈলের কাজ কি?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমার তৈলের কাজ হলো
* ইহা ট্রান্সফরমাকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
* ইহা ইনসুলেশনের কাজ করে।
(২০) এক ফেজ ট্রান্সফরমার কে তিন ফেজ সাপ্লাই দেওয়া যায় কি?
উত্তরঃ হ্যাঁ যায়, ভি ভি বা ওপেন ডেল্টা কানেকশন করে।
(২১) গার্ড ওয়্যার কি?
উত্তরঃ গার্ড ওয়্যার হচ্ছে ট্রান্সমিশন লাইনের নিচের ব্যবহার করা তার যা আর্থের সঙ্গে লাগানো থাকে।
(২২) পাওয়ার ট্রান্সফরমার কাকে বলে?
উত্তরঃ যে ট্রান্সফরমার কার্যকালের সর্বক্ষণ লোড অবস্থায় থাকে তাকে পাওয়ার ট্রান্সফরমার বলে।
যেমনঃ মেইন সাব স্টেশন
(২৩) ডিস্টিবিউশন ট্রান্সফরমার কাকে বলে?
উত্তরঃ যে ট্রান্সফরমার কার্যকালের উল্লেখযোগ্য সময় লোড অবস্থায় থাকে তাকে ডিস্টিবিউশন ট্রান্সফরমার বলে।
যেমনঃ ডিস্টিবিউশন সাব স্টেশন।
(২৪) ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার কাকে বলে?
উত্তরঃ যে ট্রান্সফরমার হাই ভোল্টেজ এবং হাই কারেন্ট পরিমাপ করার জন্য ব্যবহার করা হয় তাকে ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার বলে।
(২৫) ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমারকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
উত্তরঃ দুই ভাগে-
* কারেন্ট ট্রান্সফরমার
* ভোল্টেজ অথবা পটেনশিয়াল ট্রান্সফরমার।
(২৬) পাওয়ার ফ্যাক্টর কাকে বলে?
উত্তরঃ পাওয়ার ফ্যাক্টর হলো সাধারণত ভোল্টেজ ও কারেন্টের মধ্যবর্তী কোসাইন কোণ।
অন্য ভাবে বলতে গেলে একটিভ ও এপারেন্ট পাওয়ারের অনুপাতকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
অথবা, রেসিস্টেন্স ও ইম্পিডেন্স এর অনুপাতকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
(২৭) পাওয়ার ফ্যাক্টরকে কি দ্বারা প্রকাশ করা হয়?
উত্তরঃ কস থিতা(cos থিতা),
ইহার কোন একক নেই। ইহাকে শতকরা হিসেবে প্রকাশ করা হয়।
(২৮) MCB কি?
উত্তরঃ MCB এর পূর্ণ অর্থ হলো Miniature Circuit Breaker,
যে সকল সার্কিট ব্রেকার আকার ছোট এবং অনেক কম কারেন্টের জন্য ব্যবহার করা হয় তাকে Miniature Circuit Breaker বলে।
(২৯) পাওয়া ফ্যাক্টরের মান কত পর্যন্ত হতে পারে?
উত্তরঃ (০-১) পর্যন্ত হয়ে থাকে।
(৩০) কি কারনে আমরা MCB ব্যবহার করে থাকি?
উত্তরঃ MCB ব্যবহারের কারণ-
* ওভারলোড প্রোটেকশনের জন্য।
* শর্ট সার্কিট প্রোটেকশনের জন্য।
* As s hand operated on/off switch.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
Uttarati
1230