Samir Mahmud

Samir Mahmud

Share

16/07/2026

শুভ জন্মদিন আমার দুই রাজকন্যা

​গতকাল ১৫ জুলাই ছিল আমাদের ঘরের দুটি চাঁদের—মেজো মেয়ে ওয়াদিয়া মাহমুদ ফারহিন এবং ছোট মেয়ে নাজিফা মাহমুদ নওরিন-এর জন্মদিন।
​বিগত একটা মাস ধরে তাদের এই দিনটিকে ঘিরে উত্তেজনার শেষ ছিল না। দিন গোনা, জল্পনা-কল্পনা আর এক বুক অপেক্ষা শেষে অবশেষে কাল এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ফুটবল মাঠে ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা সেমি-ফাইনালের টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচটি শেষ হতেই ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত ১০:৩০ মিনিটে ঠিক তখনই বেজে উঠল তাদের নামের সেই প্রিয় সুর—"হ্যাপি বার্থডে ওয়াদিয়া ও নাজিফা"।
​মা-বাবার পক্ষ থেকে যখন ওদের জন্য নতুন বাইসাইকেল আর স্কুটির সারপ্রাইজ গিফট সামনে এলো, ওদের চোখের সেই বাঁধভাঙা আনন্দ আর উচ্ছ্বাস দেখার মতো ছিল! সেই খুশির হাসি আর বিস্ময় আমাদের জীবনকে নিমেষেই সার্থক করে তুলেছে।
​কেক কাটার আনন্দ আর ওদের মিষ্টি হাসির সেই মুহূর্তের কয়েকটি খণ্ডচিত্র (ভিডিও) শেয়ার করলাম আপনাদের সাথে। আরও ভিডিও কমেন্টে দেখুন।
​আমাদের ফারহিন ও নওরিনের জন্য সবাই মন ভরে দোয়া করবেন। ওরা যেন সারাজীবন এভাবেই একে অপরের হাত ধরে, মুখে চওড়া হাসি নিয়ে সুস্থ ও সুন্দরভাবে বড় হতে পারে।
​শুভ জন্মদিন আমার দুই রাজকন্যা! তোমরাই আমাদের পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর উপহার।

14/07/2026

যখন বলেছিলাম দেশের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দিয়ে যাচ্ছে ইউনুস, নাহিদ, হাসনাত, সারজিসরা। তখন কিছু আহাম্মক হাসছিলো। এখন দেখেন কী বেয়াদব GenZ প্রজন্ম উপহার দিয়ে গেছে ইউনুস ও আসিফ নজরুলরা। শিক্ষার্থীরা এখন শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলনকে নিয়ে এ কোন ভাষায় কথা বলছে। এসব গালি তারা কোথায় থেকে শিখলো। আর শিখবে না কেন? গালি যখন দেশের জাতীয় ভাষায় পরিণত হয়। হাদীরা যখন শাওয়া-মাওয়া ছিঁড়ে ফেলার কথা বলে তখন তো আমরা হাতে করতালি দিয়েছি। তাকে জাতীয় বীর ঘোষণা করেছে সুদখোর ইউনুস সরকার। একারণে হাদীর রেখে যাওয়া বিজগুলো একটু অনুশীলন করছে। আর কী! একটু সময় নিয়ে শুনুন আপনারও ভালো লাগবে নিশ্চয়ই! জুলাই যোদ্ধা হিসেবে এই মেয়েটাকেও সরকারি ভাতার আওতায় আনার দাবী জানাচ্ছি। যারা অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনের জুলাই CDI নিয়ে চুলকানি ছিলো তাদের জন্য জুলাই যোদ্ধা শিক্ষার্থী এই বোনের উপহার মনে রাখার মতো...!
পরিশেষে আজ কবির ভাষায় বলতে হয় উদ্ভট উটের পিঠে চলছে স্বদেশ!
#বাংলাদেশ #শিক্ষামন্ত্রী #শিক্ষার্থী #জাতির_লজ্জ্বা!

26/06/2026

চিরবিদায়, সংবাদপত্র জগতের
প্রিয়মুখ 'ইসমাইল ভাই'

​সিলেটের সংবাদপত্র অঙ্গনের এক সুপরিচিত মুখ, আমাদের সবার প্রিয় ও প্রবীণতম সংবাদপত্র এজেন্ট ইসমাইল হোসেন ভাই আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
​আজ সুদূর কানাডায় তিনি তাঁর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। দূর পরবাসে তাঁর চলে যাওয়ার এই খবরটি বুকে এসে এক গভীর শূন্যতার মতো বেজেছে।
​দৈনিক সবুজ সিলেট পত্রিকার একদম শুরুর দিনগুলো থেকে তিনি জড়িয়ে ছিলেন এর পরিবেশক হিসেবে। আর সেই সূত্রেই তাঁর সাথে আমার পরিচয়। ওই পত্রিকায় স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করে বার্তা সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করার দীর্ঘ পথচলায় ইসমাইল ভাইকে আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তাঁর সাথে আমার যে সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল, তা কেবল পেশাগত গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ ছিল না; তা ছিল এক আত্মিক ও পারিবারিক বন্ধন।
​ইসমাইল ভাই ছিলেন এক সত্যিকারের সাদামনের মানুষ। তাঁর অমায়িক ব্যবহার আর চিরচেনা হাসিটা এখনো চোখের সামনে ভাসছে। ছোট-বড় সবাইকে সমান সম্মান দিতে তিনি কখনো কার্পণ্য করতেন না। তাঁর মতো এমন নিরহংকার এবং পরোপকারী মানুষ এই সময়ে সত্যি বিরল।
​আজ মনে হচ্ছে, সিলেটের সংবাদপত্র ইতিহাসের একটি সোনালী অধ্যায় যেন চিরতরে বন্ধ হয়ে গেল। কর্মের মাঝে তিনি আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন দীর্ঘদিন।
​মহান আল্লাহর দরবারে আকুল প্রার্থনা—তিনি যেন প্রিয় ইসমাইল ভাইয়ের সকল নেক আমল কবুল করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি রইলো গভীর সমবেদনা। আল্লাহ তাদের এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণ করার তাওফিক দিন।
​বিদায় ইসমাইল ভাই... ওপারে ভালো থাকবেন। 🖤

Telephone