SAIM
15/08/2025
"কিশোরগঞ্জের সকল ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে আলোচনা সভা সফলভাবে সম্পন্ন করলেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ✅
আমি ব্যক্তিগতভাবে জামায়াত করি না, তবু জামায়েত সম্পর্কে লিখছি …!
উদাহরণস্বরূপ- ত্রিপুরা ভারতের একটি রাজ্য। তারা ভারত থেকে স্বাধীন হতে চায়। ত্রিপুরার কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল ভারত থেকে ত্রিপুরা স্বাধীন হোক সেটা চায়না। তাদের কথা হল ভারত থেকে যদি ত্রিপুরা আলাদা হয়, তাহলে ত্রিপুরা রাজ্যটি একটি সমুদ্র বন্দর হারাবে, অর্থনৈতিক বিপর্যয়ে পড়বে। একটি বৃহৎ অর্থনৈতিক এবং সামরিক দেশ হারাবে। সর্বোপরি দেশটি বাংলাদেশের আগ্রাসনে পতিত হতে পারে। সেই জন্য তারা আলাদা হতে চায় না, এটা একান্তই তাদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। এজন্য তাদেরকে রাজাকার বলা অযৌক্তিক এবং অপবাদ।
বাংলাদেশ জামায়েতে ইসলামের অবস্থান ঠিক তেমনি ছিল, তারা মনে করত বাংলাদেশ স্বাধীন হলে দীর্ঘ সময় ধরে ভারতের আগ্রাসোনে পতিত হবে দেশটি। সেই ভয় থেকেই জামায়েত স্বাধীনতার পরিবর্তে অখন্ডতা চাইতো। শুধু জামায়েতই নয়, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক গুরু মুসলিম লীগকেও বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল। এটা ছিল তাদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত।
তৎকালীন ১৯৭১ সালে পশ্চিম পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর নেতৃত্বে চার্জলাইট নামে পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতা আন্দোলনকে দমন করার উদ্দেশ্যে গণহত্যা শুরু করে, সেই গণহত্যার সাথে জামায়াতের কোন সম্পৃক্ততা নেই। তার কোন প্রমাণও নেইই।
আওয়ামী লীগ তাদের নোংরা রাজনৈতিক স্বার্থে জামায়াতের আমির আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী সহ অনেক নেতার উপর রাজাকার তকমা দিয়ে নির্মম নির্যাতন চালায় যা শুধু হাস্যকরই নয় নির্লজ্জতাও বটে।
তর্কের খাতিরে ধরেই নিলাম জামায়েত ইসলাম স্বাধীনতা বিরোধী গণহত্যাকারী একটি রাজাকার দল…!
তাহলে কেন জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে জামায়েতকে রাজনীতি করার সুযোগ দিল? শুধু বিএনপি নয়, আওয়ামী লীগও জামায়াতের সাথে জোট গঠন করেছিল! তাহলে আমরা কি বলতে পারি না, রাজনৈতিক স্বার্থে আওয়ামী লীগ বিএনপি দুইটা দলেই স্বাধীনতা বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। পক্ষান্তরে তারাও স্বাধীনতা বিরোধী।
চেতনাবাজদের বলবো ভন্ডামি বাদ দেন। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে আপনারা বাংলাদেশকে কী দিয়েছেন আমরা দেখেছি। দুর্নীতি ছাড়া কিছুই দিতে পারেনি 😶
‘এনসিপির সমাবেশে শুধু ভালোবাসা দেওয়া হচ্ছে, তাই লোক কম’ এটাই বাস্তব 🥴