IndependentNews24.com
28/04/2026
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার পাইস্কা ইউনিয়নের একই পরিবারের পাঁচজন হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। সম্প্রতি টাঙ্গাইল জেলা ও দায়রা জজ আদালতে গিয়ে এফিডেভিট করে তাহারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।
শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর তাদের জন্য স্থানীয় মসজিদে দোয়া করা হয়। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করায় বাবার বাড়ী ছেড়ে অন্যের গোয়াল ঘরে স্ত্রী সন্তান নিয়ে মানবেতর ভাবে রাত্রি যাপন করছে তারা।
জানা গেছে, পাইস্কা ইউনিয়নের কয়ড়া গ্রামের সাগর বিশ্বাস (৩০) ইসলাম ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে স্বপরিবারে আদালতে গিয়ে বিধিমোতাবেক নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে তার নাম মোহাম্মদ আলী এবং তার স্ত্রীর নাম শ্রীমতি বেবী রাণী স্থলে ফাতেমা বেগম(২৭), বড় মেয়ে শ্রীমতি প্রিয়াংষ্কা রানী স্থলে আসমাউল হুসনা আছমা খাতুন, বড় ছেলে সূর্য বিশ্বাস স্থলে মোহাম্মদ হুসাইন ও ছোট ছেলে শ্রী জীবন স্থলে মোহাম্মদ হাসান আলী রেখে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।
মোহাম্মদ আলী জানান, শৈশব থেকেই আমি ইসলাম ধর্মের প্রতি দুর্বল ছিলাম। বিয়ের পর সংসারী জীবনের একপর্যায়ে স্ত্রীর নিকট বিষয়টি প্রকাশ করলে সে আমাকে অনুপ্রাণিত করে। দীর্ঘসময়ে মুসলমানদের রীতিনীতি পর্যালোচনা করে আল্লাহ এবং প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) প্রতি বিশ্বাস রেখে স্বপরিবারে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করি। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করায় আমার পরিবার আমাকে আমার স্ত্রী সন্তান সহ সকলকে বের করে দিয়েছে। তাই একেক দিন একেক জনের বাড়ীতে রাত্রি যাপন করছি।
গতকাল রাতে এলাকার রফিক নামের এক মুসলিম ভাইয়ের বাড়ীর ভাঙ্গা গোয়াল ঘরে ঝড় বৃষ্টির রাতে ছোট্র শিশু সন্তান ও স্ত্রী নিয়ে বসে খুব কষ্টে রাত কাটিয়েছি ।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য বাদল হোসেন জানান, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মোহাম্মদ আলী আমাদের সকলের সাথে রমজানের ঈদে মাঠে জামাতের সাথে নামায আদায় করেছে। তবে তারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ কারায় ঘর ছাড়া হয়েছে। তাই নওমুসলিমদের জন্য গৃহ নির্মাণসহ সার্বিক সহযোগীতায় স্থানীয় সংসদ সদস্য মাননীয় ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপনসহ প্রশাসনের জোর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
ধনবাড়ী উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক ভিপি জানান, কোর্ট অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে ওই ৫ জন। এখন তারা আমাদের মুসলিম ভাই বোন। আমরা আমাদের বিএনপিসহ মাননীয় মন্ত্রীর পক্ষ থেকে তাকে সহযোগীতা করা হবে।এবং নওমুসলিমদের সহযোগীতা করার জন্য বিত্তবানদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।
ধনবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ্ নূরজাহান আক্তার সাথী জানান, মোহাম্মদ আলী উপজেলার পাইস্কা ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি পূর্বে হিন্দু ধর্মের লোক ছিলেন। তিনি স্ত্রী সন্তান নিয়ে ৫ জন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করায় মানবেতর জীবনযাপন করছে বিষয়টি জানা মাত্রই তাদের কে উপজেলা প্রশাসন থেকে শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এবং তার ছেলে মেয়ের লেখাপড়াসহ সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে
28/04/2026
ময়মনসিংহে এক ছাত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি আবাসিক ডরমিটরি থেকে ওই কর্মকর্তা ও এক ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।
রোববার (২৬ এপ্রিল) গভীর রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিউলিমালা হলের পাশের সন্ধ্যাতারা ডরমিটরিতে ঘটনাটি ঘটে।
ঘটনার পর সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কমিটিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপককে আহ্বায়ক এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।
এদিকে শৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ছাত্রীর একাডেমিক কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২৬ এপ্রিল রাতের দিকে শিউলিমালা হল সংলগ্ন সন্ধ্যাতারা ডরমিটরিতে তবলা বিভাগের ডেমনেস্ট্রেটর দীপংকন সেনগুপ্তর সন্দেহজনক চলাফেরা লক্ষ্য করে কয়েকজন শিক্ষার্থী তার ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা ওই কর্মকর্তা এবং একই বিভাগের ১৬ ব্যাচের এক ছাত্রীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান।
পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
এ সময় ওই কর্মকর্তা দাবি করেন, ছাত্রীকে তবলা শেখানোর জন্য সেখানে আনা হয়েছে। পরে বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হলে প্রক্টর ও কয়েকজন শিক্ষক উপস্থিত হয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে লিখিত নিয়ে ছাত্রীকে শিউলিমালা হলে পাঠানো হয়।
ঘটনার পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।
অনেক শিক্ষার্থী এটিকে শুধু ব্যক্তিগত অনৈতিকতা হিসেবে না দেখে প্রাতিষ্ঠানিক নৈতিকতা ও জবাবদিহিতার বিষয় হিসেবে দেখছেন। একই সঙ্গে তারা স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান জানান, তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তাদের সুপারিশ অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মেনে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
25/04/2026
জমি দখল, হুমকি ও আতঙ্ক—মেলান্দহে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগের ঝড়”
জামালপুর প্রতিনিধি:
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধায় উপজেলার ফুলছেন্না এলাকার ভুক্তভোগী হাজী আঃ রহমান মন্টু এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী হাজী আঃ রহমান মন্টুর ছেলেমেয়েরা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে হাজী আঃ রহমান মন্টু বলেন, আমার ক্রয়কৃত ৩৫ শতাংশ জমি মেলান্দহ টিটিসি সংলগ্ন ফুলছেল্লাহ মৌজার বিআরএস খতিয়ান নং-২৬৬ বিআরএস দাস নং-২৭৭ সাবেক দাগ ২০১ আমরা দীর্য ৩৭ বছর যাবৎ ভোগ দখল করে আসছি। দীর্ঘদিন যাতৎ আমার জমির উপর কুদৃষ্টি দেয় এলাকার বিএনপি নেতা ভূমি দস্যু দাঙ্গাবাজ নরুল আলম সিদ্দিকী। সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে আশে পাশে অনেকের জমি দখলের পাশাপাশি আমার জমি দখলের পায়তারা করে আসছে। তিনি আরও বলেন, গত ১২/০২/২৬ ইং তারিখে প্রথম আমার ভুট্টা ক্ষেতের অনেক ভুট্টা কেটে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে উক্ত স্থানে মাটি ভরাট করার অপচেষ্টা করেন এবং আমাদের মেরে ফেলার হুমকিসহ আমার ছেলেমেয়েদের দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছে। এ ব্যাপার মেলান্দহ মাদারগঞ্জের এমপি, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনসহ বিএনপির নেতাকর্মীরাও অবগত আছেন। আমি এবং আমার পরিবার এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি। আমি সংবাদ পত্রের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি জানাচ্ছি। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী মন্টুর ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান রানা বলেন, আমরা সবাই চাকরিজীবী মানুষ বাহিরে থাকি। তিনি বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে আমাদের উপর অত্যাচার করছে এবং জোরপূর্বক মাটি ফেলাইছে। আমরা এর বিচার দাবি করছি। অভিযুক্ত মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম সিদ্দিকীর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য ও মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বলেন, আমাদের কারোরই অন্যায় করার কোন সুযোগ নাই। দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয় এমন কর্মকাণ্ড থেকে সকলকেই বিরত থাকতে হবে। কারো অন্যায় কর্মকান্ডের দায় দল নেবে না।
19/04/2026
#মধুপুর শালবন রক্ষায় শোলাকুড়ীতে বিশাল মানববন্ধন, ৭ দফা দাবি
#বাংলাদেশের মানচিত্র থেকে ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যের শালবন। গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার ভাওয়ালের গড় ও মধুপুরের গড় হিসেবে পরিচিত এই বিশাল বনভূমি আজ অস্তিত্ব সংকটে। স্থানীয় প্রভাবশালী দখলবাজচক্র ও বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে নির্বিচারে গাছ কেটে উজাড় করা হচ্ছে এই বন। এই ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধ করে শালবন রক্ষা ও পুনর্গঠনের দাবিতে আজ রবিবার সকালে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার শোলাকুড়ীতে এক বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
#বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এক সময় শোলাকুড়ী, পীরগাছা ও দোখলা অঞ্চলের শালবন ছিল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার। কিন্তু বর্তমানে বনের বুক চিরে চলছে অবৈধ দখলের মহোৎসব। সামাজিক বনায়নের আড়ালে কেটে ফেলা হচ্ছে আদি শালগাছ। এর ফলে কেবল বন উজাড় হচ্ছে না, বরং হুমকির মুখে পড়েছে বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য। স্থানীয়রা জানান, বনের গাছ কেটে জমি দখল করে গড়ে তোলা হচ্ছে বাণিজ্যিক স্থাপনা ও কৃষিজমি, যা বনটিকে বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে।
রবিবার সকাল ১১টায় শোলাকুড়ী উচ্চ বিদ্যালয় গেটের সামনে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। সাংবাদিক হাসনাত জোবায়ের ও পরিবেশকর্মী রেজাউল করিম রাতুলের সমন্বয়ে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ।
মানববন্ধনে শোলাকুড়ী উচ্চ বিদ্যালয় ও শোলাকুড়ী ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ব্যানার-ফেস্টুন হাতে অংশ নেন। এছাড়া স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও এলাকার সচেতন নাগরিকরা উপস্থিত হয়ে বন রক্ষার এই আন্দোলনে সংহতি জানান।
#মানববন্ধন থেকে বন রক্ষায় সাতটি সুনির্দিষ্ট দাবি তুলে ধরা হয়:
১. বনের আদি শালগাছ কাটা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
২. বনের জমি দখল ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে হবে।
৩. সামাজিক বনায়নের নামে প্রাকৃতিক শালগাছ কাটা বন্ধ করা।
৪. ক্ষতিগ্রস্ত শালবন পুনর্গঠনে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা।
৫. শালবন রক্ষায় বিশেষজ্ঞদের নিয়ে জাতীয় কমিটি গঠন করা।
৬. বন রক্ষায় স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
৭. শালবনে বিদেশি বা বাণিজ্যিক প্রজাতির গাছ রোপণ নিষিদ্ধ করা।
#আয়োজক রেজাউল করিম রাতুল বলেন, "শালবন আমাদের ফুসফুস। এই বন ধ্বংস হওয়ার অর্থ হলো আমাদের অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলা। আমরা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাই যেন দ্রুত এই বনখেকোদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।"
সাংবাদিক হাসনাত জোবায়ের বলেন, "বন কর্মকর্তাদের উদাসীনতা ও দুর্নীতির কারণে আজ শালবন ধ্বংসের মুখে। অবিলম্বে এই ৭ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।"
বক্তারা সরকারের উচ্চপর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কেবল গল্পের বইয়েই এই শালবনের অস্তিত্ব টিকে থাকবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.