Student Life
৫০০০ টাকার জিনিস ১০০ টাকায় দেখিয়ে ভারতে পাচার হচ্ছে ৮০ হাজার কোটি টাকা! কাস্টমসের চোখের সামনে চলছে এই লুটপাট। 💸🇧🇩
দেশে ডলার নেই, সাধারণ ব্যবসায়ীরা এলসি (LC) খুলতে পারছে না। অথচ গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির (GFI) রিপোর্ট বলছে, বাণিজ্য কারসাজির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর গড়ে ৬.৮ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা) পাচার হয়ে যাচ্ছে!
কীভাবে চলছে এই আন্ডার-ইনভয়েসিং বা হুন্ডি বাণিজ্য?
✅ ম্যাজিক ফর্মুলা: ভারত থেকে আসা থ্রি-পিস, কসমেটিকস, সুতা বা মোটর পার্টস—যেগুলোর আসল দাম হয়তো ৫০০০ টাকা, অসাধু আমদানিকারকরা কাস্টমসে বিল জমা দেয় মাত্র ১০০ টাকার! সরকার ট্যাক্স পায় ওই ১০০ টাকার ওপর।
✅ হুন্ডির সংযোগ: বাকি ৪৯০০ টাকা কীভাবে যায়? পুরোটাই হুন্ডির মাধ্যমে ডলার বা রুপি হয়ে অবৈধভাবে পাচার হয়ে যায় ভারতে!
✅ ত্রিপক্ষীয় সিন্ডিকেট: বেনাপোল, হিলি বা সোনামসজিদ বর্ডারে কাস্টমসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা, সিঅ্যান্ডএফ (C&F) এজেন্ট এবং আমদানিকারকদের যোগসাজশ ছাড়া এই জালিয়াতি করা অসম্ভব। অ্যাসাইকুডা (ASYCUDA) সিস্টেমের ডিজিটাল সুযোগকে পাশ কাটিয়ে ডিসক্রিশনারি পাওয়ার-এর অপব্যবহার করছেন কিছু কর্মকর্তা।
গত এক দশকে দেশ থেকে পাচার হয়েছে প্রায় ৬৮ বিলিয়ন ডলার! প্রতিদিন গড়ে ২১০ কোটি টাকা! এই লুটেরা সিন্ডিকেটের কারণেই আজ সৎ ব্যবসায়ীরা টিকতে পারছে না এবং দেশ ডলার সংকটে ধুঁকছে।
আপনার মতে, দেশের অর্থনীতি ধ্বংসকারী এই অসাধু কাস্টমস কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের কি রাষ্ট্রদ্রোহিতার আইনে বিচার হওয়া উচিত?
Summary:
A massive financial crime is draining Bangladesh's economy! Corrupt syndicates involving Customs officials, C&F agents, and importers are severely 'under-invoicing' goods from India—showing a 5000 BDT product as 100 BDT to evade taxes. The remaining amount is laundered to India via Hundi. According to GFI reports, this illicit trade costs Bangladesh $6.8 Billion (80,000 Crore BDT) annually, directly fueling the ongoing dollar crisis. Experts demand treason charges for those destroying the economy.
#নিউজ
07/12/2025
অসংখ্য ইস্যুর মধ্যে যেই একটা ইস্যুতে শেখ মুজিবের গাদ্দারির প্রমাণকে অস্বীকার করার কোন উপায় নাই, সেটা হচ্ছে জাতীয় রক্ষী বাহিনী বা জেআরবি ইস্যু।
ইণ্ডিয়ার তদানীন্তন স্পেশাল ফ্রন্টিয়ার ফোর্স (এসএফএফ) এর ডিজি মেজর জেনারেল সুজন সিং উবানের ডিজাইনে ১৯৭১ সালে শুধুমাত্র আ'লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগ ক্যাডারদের থেকে বা নিদেনপক্ষে লীগ নেতাদের ব্যক্তিগত সুপারিশকৃত লোকবল দিয়ে ইণ্ডিয়ান সরকার বাংলাদেশ লিবারেশান ফোর্স (বিএলএফ) গঠন করে, পরবর্তীতে যার নাম 'মুজিব বাহিনী' রাখা হয়। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শেখ ফজলুল হক মণি, সিরাজুল আলম খান, আব্দুর রাজ্জাক ও তোফায়েল আহমেদ 'মুজিব বাহিনী'-তে সংগঠকের দায়িত্ম পালন করে।
রেগুলার আর্মড ফোর্সেজ (পাকিস্তান আর্মড ফোর্সেজের বিদ্রোহী বাংলাভাষী সৈনিক) ও এফএফ (ফ্রিডম ফাইটার্স বা বেসামরিক মুক্তিযোদ্ধা) এর সমন্বয়ে গঠিত 'মুক্তিবাহিনী' যেমন প্রবাসী সরকারের অধীনে পরিচালিত ছিল, পক্ষান্তরে 'মুজিব বাহিনী' ছিল র-য়ের সরাসরি নিয়ন্ত্রিত একটি মার্সেনারি ফোর্স বা ভাড়াটে বাহিনী।
বাংলাদেশ রাষ্ট্র গঠনের পর ১৯৭২ সালে র-য়ের প্রেসক্রিপশানে মুজিব এই 'মুজিব বাহিনী'-কে একটি নিয়মতান্ত্রিক বাহিনীতে রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত নেয়। এরই প্রেক্ষাপটে মুজিব মার্চ মাসে (ফেব্রুয়ারির ১ তারিখ থেকে কার্যকরক্রমে) প্রেসিডেন্সিয়াল অর্ডার নাম্বার ২১ এর অধীনে 'জাতীয় রক্ষী বাহিনী অর্ডার ১৯৭২' জারি করে জাতীয় রক্ষী বাহিনী (জেআরবি) গঠন করে।
প্রেসিডেন্সিয়াল অর্ডার অনুযায়ী জেআরবি-র অফিসার্স কোরকে ট্রেনিংয়ের জন্য ইণ্ডিয়ান মিলিটারি অ্যাকাডেমি দেরাদুনে পাঠানো হতে থাকে, আর জেনারেল ট্রেইনিং ও ডকট্রাইনের জন্য সার্ভিং ইণ্ডিয়ান মেজর বালা সিং রেড্ডির নেতৃত্বে একটি ইণ্ডিয়ান জয়েন্ট সার্ভিসেজ ফ্যাকাল্টির অধীনে সাভারে (বর্তমান ক্যান্টনমেন্ট এলাকায়) একটি অ্যাকডেমি খোলা হয়।
রাষ্ট্রের জন্মলগ্ন থেকেই বিশ্বাসঘাতক শেখ মুজিব ও তার আওয়ামী লীগের আয়োজনে দেশে একটি ১০০% ইণ্ডিয়া-নিয়ন্ত্রিত বাহিনীর কার্যক্রম চলতে থাকে, যা ১৫ অগাস্ট ১৯৭৫ শুক্রবার ভোর পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
১৫ অগাস্ট ১৯৭৫ এর ক্যু-র প্রথম প্রহরেই জেআরবি বিনা গো*লা*গু*লিতে কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমানের কাছে আত্মসমর্পণ করে। আত্মসমর্পণের পর 'দ্য জেআরবি অর্ডিন্যান্স (অ্যাবজর্পশান ইন দ্য আর্মি) ১৯৭৫' জারির মাধ্যমে জেআরবি কমান্ড বিলুপ্ত করে জেআরবির জিএইচকিউ স্টাফ ও ১৭টি ব্যাটালিয়নকে আর্মিতে অ্যাবজর্প করা হয়। সাভার থেকে মেজর বালা সিং রেড্ডি সহ মোট ৮ জন (পক্ষান্তরে ১৬ জন) ইণ্ডিয়ান অফিসারকে প্রথমে আর্মি কাস্টোডিতে নেয়া হয়। পরে কোন ধরণের ডিপ্লোম্যাটিক অস্বস্তি এড়ানোর স্বার্থে তাদেরকে একবস্ত্রে ইণ্ডিয়ান হাইকমিশনের কাছে হ্যান্ডওভার করা হয়।
এই জেআরবি-ই হচ্ছে বাংলাদেশের ইতিহাসে শেখ মুজিব তথা তার আওয়ামী লীগের জন্মগত বিশ্বাসঘাতকতার অকাট্য দলিল।
মুজিব দেশের আর্মড ফোর্সেজের বিপরীতে জেআরবি-র পক্ষে কি পরিমাণ পক্ষপাতদুষ্ট ছিল তার প্রমাণ ১৯৭৪ সালে মিশর থেকে ট্যাংকের অফার পেয়ে তার প্রতিক্রিয়ায় বোঝা যায়। ১৯৭৩ সালের আরব-ই*জ*রাইল যু*দ্ধে সদ্যজাত বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এক বোয়িং ৭০৭ বোঝাই চা উপঢৌকন পেয়ে খুশিতে মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত যু*দ্ধ শেষ হওয়ার পর মিশর আর্মির সারপ্লাস থেকে এক রেজিমেন্ট (৩০টা) টি-৫৪ ট্যাংক গিফ্ট হিসেবে অফার করে। এতে ততদিনে জেআরবি-কে আর্মড ফোর্সেজের বিকল্প বানাতে মনস্থির করা মুজিব বিচলিত হয়ে পড়ে কারণ প্রথমত সে এতগুলো ট্যাংক দিয়ে আর্মির হাতে এত ফায়ারপাওয়ার তুলে দিতে চায় না, দ্বিতীয়ত জেআরবি-কে দেয়ারও সুযোগ নাই কারণ জেআরবি আর্মার্ড ওয়ারফেয়ারের জন্য ডিজাইন্ড না। গড়িমসির এক পর্যায়ে মুজিব ট্যাংকগুলা না নেয়ার ইচ্ছাপোষণ করে, কিন্তু ফরেন মিনিস্ট্রি তখন তাকে বোঝায় যে মিশরের প্রেসিডেন্টের গিফট ডিক্লাইন করা বিরাট বড় ব্লান্ডার হবে। ততদিনে এই ঘটনা দেশের মিলিটারি সার্কেলে রটে গেলে অনেকটা নিমরাজি হয়ে মুজিব সেই গিফট গ্রহণ করে।
তক্বদিরের কি লিখন, সেই ট্যাংক নিয়ে আসতে বাংলাদেশ আর্মি থেকে বেঙ্গল ল্যান্সারের যেই অফিসাররা মিশর গিয়েছিল তাদের একজন ছিল কর্নেল ফারুক; অবশেষে কর্নেল ফারুকের ঐ ট্যাংকের হাতেই জেআরবি সমেত মুজিব রেজিমের পতন হয়। ১৫ অগাস্ট ভোরে কর্নেল ফারুক তার ট্যাংকে চড়ে লিটারেলি শের-এ-বাংলা নগরে দেয়াল ভেঙ্গে বিকট শব্দ ও ত্রাস সৃষ্টি করে জেআরবি জিএইচকিউ কম্পাউন্ডে ঢুকে জেআরবি-কে আত্মসমর্পণ করান।
ছবিতে ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের সময়ের এই ছবিটিতে একজন জেআরবি-কে যে ধরণের জলপাই ফ্যাটিগ ও এফএন এফএএল (FN-FAL) রাই*ফেল হাতে ফুড ট্রাক পাহারা দিতে দেখা যাচ্ছে, বাহিনীর মনোগ্রাম চেক করা ছাড়া বোঝার কোন উপায় নাই এটা কি বাংলাদেশের কোন সৈন্য নাকি ইণ্ডিয়ান আর্মির সৈন্য।
এই জেআরবি এতটাই টক্সিক ও গাদ্দার যে, বিলুপ্তির বহু বহু দশক পরও এই বাংলাদেশকে ইণ্ডিয়ার করায়ত্ত করার পেছনে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখা ৫ জন আর্মি জেনারেলের নামও যদি নেয়া হয়, তাহলে তার অন্তত ২ জন হচ্ছে এমন যারা ১৯৭৫ এর সেই একীভূতকরণের সুযোগে বাংলাদেশ আর্মিতে প্রবেশ করেছিল।
ইণ্ডিয়ান মিলিটারি অ্যাকাডেমি দেরাদুন থেকে ট্রেইনিং নিয়ে কমিশন পাওয়া সেই দুইজনের নাম হচ্ছে মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিকী (সম্ভবত ২ জেআরবি) এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দীন চৌধুরী (৬ জেআরবি) যারা জেআরবি হওয়ার দরুণ সিনিয়ার র্যাংকের জন্য বিবেচনাযোগ্য না হওয়া সত্ত্বেও যথাক্রমে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির আশীর্বাদে জেনারেল নিযুক্ত হয়ে বাংলাদেশকে ইণ্ডিয়ার করদরাজ্যে পরিণত করার ষোলকলা পূর্ণ করেছে।
এর পরও শেখ মুজিবকে বিশ্বাসঘাতক মানে না আবার কোন বিশ্বাসঘাতক?
Mohammed Tawsif
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Tangail
1230