SunnahMed
আপনি কবে বিশ্বাস করবেন—
যে অধিকাংশ মানুষ আসলে জ্বীন, জাদু কিংবা বদনজরের প্রভাবে ভুগছে?
কবে আপনার চোখ খুলবে এই বাস্তবতায়—
যে সব রোগের কারণ শুধু ডাক্তারি পরীক্ষায় ধরা পড়ে না?
যে সব কষ্টের পেছনে কেবল ভাইরাস, হরমোন বা মানসিক চাপই দায়ী নয়?
দিনের পর দিন চিকিৎসা চলছে,
ওষুধ বদলাচ্ছে, রিপোর্ট “নরমাল” আসছে—
তবুও রোগ সারে না কেন?
হঠাৎ অকারণে ভয়, অস্থিরতা,
ইবাদতে অনীহা, অস্বাভাবিক স্বপ্ন,
সম্পর্ক ভাঙন, ব্যবসায় অকারণ বাধা—
এসব কি কাকতালীয়?
নাকি আমরা এমন এক সত্য এড়িয়ে যাচ্ছি,
যা মেনে নিতে আমাদের অহংকারে লাগে?
জ্বীন, জাদু ও বদনজর—
এগুলো কল্পকথা নয়,
কুরআন ও সহিহ হাদিসে প্রমাণিত বাস্তবতা।
প্রশ্ন একটাই—
আপনি কবে বিশ্বাস করবেন?
নাকি তখনই, যখন সব পথ বন্ধ হয়ে যাবে?
⛰️ শিক্ষার্থী এবং পরীক্ষার্থীদের জন্য উপকারী ✨
যারা পড়াশোনায় বাধাগ্রস্ত এবং পরীক্ষায় অসফলতার জাদুতে আক্রান্ত তাদের জন্য এই আয়াতগুলো খুবই উপকারী, ইনশাআল্লাহ।
এগুলো স্মরণশক্তি বৃদ্ধি ও মনোযোগ স্থির রাখার নিয়তে পড়বেন।
🔹 পড়ার সময়:
প্রতিদিন একবার যেকোনো সময় এবং প্রতিটি পরীক্ষার আগের দিন এই আয়াতগুলো ২০-৩০ মিনিট পড়বেন।
🔹 বড়দের জন্য:
বড়রা এগুলো পড়ে পানির ওপর ফুঁ দিয়ে
সেই পানি পান করবে
এবং একটু পানি গোসলের পানিতে মিশিয়ে গোসল করবে।
🔹 ছোটদের জন্য:
শিশুদের ক্ষেত্রে-
মা, বাবা অথবা পরিবারের যেকোনো একজন পড়ে ফুঁ দিবে এবং পানির ওপর ফুঁ দেবে
এরপর সেই পানি শিশু পান করবে
এবং সেই পানি দিয়ে গোসল করানো হবে।
🔹 আয়াতগুলো নিম্নরূপ—
1. فَلَمَّا جَاءَتْهُمْ رُسُلُهُمْ بِالْبَيِّنَاتِ فَرِحُوا بِمَا عِنْدَهُمْ مِنْ الْعِلْمِ وَحَاقَ بِهِمْ مَا كَانُوا بِهِ يَسْتَهْزِئُون(83)غافر
2. وَمَا تَفَرَّقُوا إِلاّ مِنْ بَعْدِ مَا جَاءَهُمْ الْعِلْمُ بَغْيًا بَيْنَهُمْ وَلَوْلا كَلِمَةٌ سَبَقَتْ مِنْ رَبِّكَ إِلَى أَجَلٍ مُسَمًّى لَقُضِيَ بَيْنَهُمْ وَإِنَّ الَّذِينَ أُورِثُوا الْكِتَابَ مِنْ بَعْدِهِمْ لَفِي شَكٍّ مِنْهُ مُرِيبٍ(14)الشورى
3. وَلَمَّا جَاءَ عِيسَى بِالْبَيِّنَاتِ قَالَ قَدْ جِئْتُكُمْ بِالْحِكْمَةِ وَلأبَيِّنَ لَكُمْ بَعْضَ الَّذِي تَخْتَلِفُونَ فِيهِ فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ(63)الزخرف
4. فِيهَا يُفْرَقُ كُلُّ أَمْرٍ حَكِيمٍ(4)الدخان
5. وَإِذَا عَلِمَ مِنْ آيَاتِنَا شَيْئًا اتَّخَذَهَا هُزُوًا أُوْلَئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مُهِينٌ(9)الجاثية
6. عَلَّمَهُ شَدِيدُ الْقُوَى(5)النجم
7. ذَلِكَ مَبْلَغُهُمْ مِنْ الْعِلْمِ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعْلَمُ بِمَنْ ضَلَّ عَنْ سَبِيلِهِ وَهُوَ أَعْلَمُ بِمَنْ اهْتَدَى(30)النجم
8. حِكْمَةٌ بَالِغَةٌ فَمَا تُغْنِ النُّذُرُ(5)القمر
9. الرحمـن (1)عَلَّمَ الْقُرْآنَ(2)خَلَقَ الإِنسانَ عَلّمه البَيَانَ(3)
10.يَرْفَعْ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا مِنْكُمْ وَالَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ دَرَجَاتٍ وَاللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرٌ(11)المجادلة
11 هُوَ الَّذِي بَعَثَ فِي الآّمِّيِّينَ رَسُولاً مِنْهُمْ يَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِهِ وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُمْ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَإِنْ كَانُوا مِنْ قَبْلُ لَفِي ضَلاَلٍ مُبِينٍ(2)الجمعة
12. اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ(1)خَلَقَ الإِنسَانَ مِنْ عَلَقٍ(2)اقْرَأْ وَرَبُّكَ الأَكْرَمُ(3)الَّذِي عَلَّمَ بِالْقَلَمِ(4)عَلَّمَ الإِنسَانَ مَا لَمْ يَعْلَمْ(5)
13. فَاذْكُرُونِي أَذْكُرْكُمْ وَاشْكُرُوا لِي وَلا تَكْفُرُونِ(152)البقرة
14. وَهَذَا صِرَاطُ رَبِّكَ مُسْتَقِيمًا قَدْ فَصَّلْنَا الآيَاتِ لِقَوْمٍ يَذَّكَّرُونَ(126)الانعام
15. إِنَّ الَّذِينَ اتَّقَوْا إِذَا مَسَّهُمْ طَائِفٌ مِنْ الشَّيْطَانِ تَذَكَّرُوا
16. وَأَقِمْ الصَّلاةَ طَرَفِي النَّهَارِ وَزُلَفًا مِنْ اللَّيْلِ إِنَّ الْحَسَنَاتِ يُذْهِبْنَ السَّيِّئَاتِ ذَلِكَ ذِكْرَى لِلذَّاكِرِينَ(114)هود
17. وَكُلا نَقُصُّ عَلَيْكَ مِنْ أَنْبَاءِ الرُّسُلِ مَا نُثَبِّتُ بِهِ فُؤَادَكَ وَجَاءَكَ فِي هَذِهِ الْحَقُّ وَمَوْعِظَةٌ وَذِكْرَى لِلْمُؤْمِنِينَ(120)هود
18. أَفَمَنْ يَعْلَمُ أَنَّمَا أُنزِلَ إِلَيْكَ مِنْ رَبِّكَ الْحَقُّ
19.وَمِنْ النَّاسِ مَنْ يُجَادِلُ فِي اللَّهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَلا هُدًى وَلا كِتَابٍ مُنِيرٍ(8)الحج
20.وَلِيَعْلَمَ الَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ أَنَّهُ الْحَقُّ مِنْ رَبِّكَ فَيُؤْمِنُوا بِهِ فَتُخْبِتَ لَهُ قُلُوبُهُمْ وَإِنَّ اللَّهَ لَهَادِ الَّذِينَ آمَنُوا
21.رَبِّ هَبْ لِي حُكْمًا وَأَلْحِقْنِي بِالصَّالِحِينَ(83)
২২. সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, সূরা ইখলাস, ফালাক ও সূরা নাস।
আপনার সর্বোচ্চ চেষ্টার পরও যে আপনাকে ভুল বোঝে এবং দুর্ব্যবহার করে। তাকে আপনি সেরা যে জবাবটা দিতে পারেন তা হচ্ছে; আপনার নীরবতা! 🖤🌸
চর্মরোগ প্রতিরোধে ব্যক্তিগত পরিচ্ছতার প্রতি গুরুত্ব দেয়া অত্যন্ত জরুরি, কারন অপরিচ্ছন্ন শরীরে জীবাণুর আক্রমণ ঘটে দ্রুত।
ভিটামিন-C রক্তপ্রবাহ উন্নত করে এবং পুরুষের শু-ক্রা-ণুর গুণগত মান বাড়ায়।
কোনো জিম না করলেও দিনে ৩০–40 মিনিট হাঁটলেই
মস্তিষ্কের শক্তি + যৌ-ন ক্ষমতা দুইটাই বাড়ে।
স্ট্রেস, কর্টিসল, পেটের মেদ—সব কমে!
জাদু থেকে মুক্তির উপায়।
08/12/2025
💢💥বরই পাতার গোসল: জাদু নষ্টের শক্তিশালী চিকিৎসা :👇👇👇
প্রথমে এক বালতি গোসলের পানি নিন। এরপর সাতটি বরই পাতা ধুয়ে পরিষ্কার করে বেটে বা ব্লেন্ড করে পানিতে গুলান। (সম্ভব হলে সবুজ পাতা ব্যবহার করুন, না পেলে যেটা পান সেটাই সংগ্রহ করুন এবং পাটায় পিষুন)। এরপর পড়ুন-
১. সূরা ফাতিহা
২. আয়াতুল কুরসী
৩. সূরা ইখলাস,
৪. সূরা ফালাক, নাস
৫. সুরা আরাফ ১১৭-১২২
৬. সুরা ইউনুস ৮১-৮২
৭. সুরা তহা ৬৯
সবগুলো ৭ বার করে বা ৩ বার করে পড়বেন। পড়ার মাঝে মাঝে পানিতে ফুঁ দিতে পারেন। একেবারে শেষেও তিনটা ফুঁ দিবেন। এরপর এখান থেকে তিন ঢোক পানি পান করুন, বাকিটা দিয়ে গোসল করুন।
যদি গোসলের পানি খাওয়ার অনুপযোগী হয় তবে খাওয়ার পানি আলাদা করে নিবেন। এরপরে বরই পাতা পিষে উভয় পানিতে দিয়ে আয়াতগুলো পড়ে উভয় পানিতে ফুঁ দিবেন। এরপরে খাওয়ারটা খেয়ে নিবেন, আর বালতিরটা দিয়ে গোসল করবেন।
এভাবে একাধারে ৭ দিন গোসল করবেন। ইনশাআল্লাহ প্রথম গোসল থেকেই যাদু নষ্ট হতে থাকবে। প্রয়োজনে একই নিয়মে আরো কিছুদিন গোসল করুন।
দ্রষ্টব্যঃ👉👉
এই পানি চুলার আগুনে গরম করবেন না, এর সাথে অন্য পানি মিশাবেন না। শীতকালে গোসল করতে কষ্ট হলে কুসুম গরম পানি ব্যবহার করতে পারেন। তবে সাধারণ পানিই উত্তম।
যদি এরপরে সাধারণ পানি দিয়ে গোসল করতে চান, তবে করতে পারেন, আপনার ইচ্ছা।
আর বরই পাতা না পেলে কর্পূর পাতা অথবা অল্প কর্পুর দিয়েও একই নিয়মে গোসল করতে পারেন, তবে বরই পাতাই উত্তম।
আপনি চাইলে সাথে আরও কিছু আয়াত অথবা রুকইয়ার দোয়া পড়তে পারেন।
এসব আয়াত গোসলখানার বাহিরে পড়বেন। তবে সেখানে দোয়াকালাম পড়ার পরিবেশ না থাকলে আগে বরই পাতা বেটে দোয়াগুলো পড়ে ফুঁ দিন, এরপর গোসলখানায় নিয়ে পানিতে মিশিয়ে গোসল করুন।
আল্লাহ’র রহমতে জাদুর চিকিৎসায় এই গোসল খুবই উপকারী। বিভিন্ন যুগের অনেক বিখ্যাত আলেমদের সাজেস্টেড পদ্ধতি এটা। আল্লাহ্ চাইলে আপনিও উপকার পাবেন।
23/11/2025
#যিনা কারীর লজ্জা স্থানের দূর্গন্ধে জা*হা*ন্নাম বাসী অস্থির হয়ে উঠবে!!!
যিনা কাকে বলে?
কোন কাজ গুলো যিনা?
যিনা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন এবং যিনা করার পূর্বে এই হাদীসটিএকবার পড়ে নিন!!
-যি*না কী?
-শুধুই অবৈধ ভাবে মেলামেশা করাকেই যিনা বলা হয়?
-না!!
যেমনঃ হাদীসের ভাষায় যিনা বহু প্রকারে বিভক্ত।
১. কোন বেগানা নারী অথবা পুরুষের প্রতি দৃষ্টি দেওয়া চোখের যিনা!
২. যৌনতা সম্পর্কিত অশ্লীল কথাবার্তা বলা জিহ্বার যিনা!
৩. বিবাহ সম্পর্ক ছাড়া অবৈধ ভাবে কাউকে স্পর্শকরা হাতের যি*না!
৪. ব্যা*ভি চারের উদ্দেশ্যে হেঁটে যাওয়া পায়ের যিনা!
৫. সে সম্পর্কিত খারাপ কথা শোনা কানের যিনা।
৬. যিনার কল্পনা করা ও আকাংখা করা মনের যি*না!
৭. অতঃপর লজ্জাস্থান একে পূর্ণতা দেয় অথবা অসম্পূর্ণ রেখে দেয়! (বুখারী, মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে আন-নাসাঈ)!
অথচঃ আমরা কেবলমাত্র সর্বশেষ ধাপ টিকেই যি*না মনে করে থাকি! এবার ভেবে দেখুন আপনি এসব কাজের কোনো একটির সাথে জড়িত ননতো?
■ যিনা স্পষ্ট হারামঃ
আল্লাহ তা'আলা যি*নাকে হারাম ঘোষণা করে
বলেনঃ-"তোমরা যিনার ধারের কাছেও যাবে না। কেননা তা অত্যন্ত নির্লজ্জ এবং খারাপ কাজ।"
(সুরা বনী-ইসরাঈল আয়াতঃ ৩২)
যি*নার শা*স্তিঃ
যি*নার শা*স্তি অত্যন্ত ভয়াবহ! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ
"আমি স্বপ্নে একটি চুলা দেখতে পেলাম।
যার উপরের অংশ ছিল চাপা আর নিচের অংশ ছিল প্রশস্ত। আর সেখানে আগুন উত্তপ্ত হচ্ছিল এবং ভিতরে নারী পুরুষরা চিল্লাচিল্লি করছিলো!
আগুনের শিখা উপরে আসলে তারাও উপরে উঠছে, আবার আগুন স্তিমিত হলে তারা নিচে যাচ্ছিলো!
সর্বদা তাদের এঅবস্থা (এমন) চলছিলো! আমি জিবরাঈল (আঃ) কে জিজ্ঞেস করলামঃ এরা কারা???"
• জিবরাঈল (আঃ) বললেনঃ
"তারা হলো অবৈধ যৌ"ন*চারকারী নারী ও পুরুষ!" (বুখারী)
■ যি*না কারীর লজ্জা স্থানের দূর্গন্ধে জাহান্নাম বাসী অস্থির হয়ে উঠবে!
-সেদিন যিনা কারীকে পিপাসা মেটানোর জন্য এই পঁচা পানিই পান করতে দেওয়া হবে!
তাই সবারই উচিত প্রেমিক-প্রেমিকা নামের বিবাহ বহির্ভূত এই সব শয়"তানি সম্পর্ক বাদ দেওয়া।
আল্লাহ আমাকে সহ সবাইকে সকল ধরনের গুণহা থেকে দুরে থাকার তৌফিক দান করুন। আমিন..!
21/11/2025
#রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
‘জুমার দিনে আমার ওপর অধিক পরিমাণে দরুদ পাঠ কর। কেননা তোমাদের পাঠকৃত দরুদ আমার কাছে পেশ করা হয়।’
- সুনানে আবু দাউদ: ১০৪৭
madullah
স্বপ্নে খাওয়া-দাওয়া করার সমস্যা প্রসঙ্গে
যারা স্বপ্নে খেতে দেখেন সেটা স্বেচ্ছায় হোক, কারও কাছ থেকে নিয়ে হোক অথবা কেউ জোর করে খাইয়ে দেয়- এমন হোক, তাদের জন্য এই পোস্ট। টুকরো টুকরো কিছু অভিজ্ঞতার ফসল এটা। কাজেই এর কোন রেফারেন্স হবে না। তাই যার সন্দেহ হবে তার আমল করার দরকার নেই।
দুই ধরনের ব্যাপার হতে পারে।
ক. স্বপ্নে খাওয়া নিয়মিত ঘটনা নয়। অনেকদিন পর পর দেখেন। দেখার পরেও তেমন কোন অনুভূতি হয় না। সাধারন স্বপ্নের মতই মনে হয়। শারিরিক ও মানসিক কোন সমস্যা নেই।
এমন হলে ইন শা আল্লাহ চিন্তার কিছু নেই। অন্যান্য সাধারন স্বপ্নের মতই এটা। ফরজ ইবাদত ও মাসনুন আমল গুরুত্ব দিয়ে করা উচিত।
খ. নিয়মিত স্বপ্নে খেতে দেখেন অথবা প্রায়ই কেউ জোর করে খাইয়ে দেয়।
১। অনুভূতি পুরো বাস্তব মনে হয়।
২। ঘুম থেকে উঠার পরেও খাবারের স্বাদ পান মুখে
৩। ঘুম থেকে উঠে বমি বমি লাগে
৪। পেট ফুলে থাকে/পেট ভরা লাগে
৫। খাওয়ার রুচি একদমই থাকে না
৬। দিন দিন শুকিয়ে কাঠি হয়ে যাচ্ছেন
৭। অন্যান্য শারিরিক ও মানসিক সমস্যা আক্রান্ত। যেমনঃ
i. কারণ ছাড়াই মাথা/ঘাড়/কোমড় ব্যথা
ii. বিকেল/সন্ধার পর থেকেই শরীর খারাপ লাগা
iii. সকালে বিছানা থেকে উঠতে কষ্ট হওয়া
iv. নামায, কুরআন তেলাওয়াতে প্রবল অনীহা
v. সোর্স ছাড়াই সুগন্ধ/দুর্গন্ধ পাওয়া যেটা ঘরের আর কেউ পায় না
আপনি যদি খ ক্যাটাগরিতে পড়েন তাহলে আপনার উচিত হবে এসব সমস্যা গুরুত্ব দেয়া এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। কারও কাছে যেতে হবে না। নিজের চিকিৎসা নিজেই করতে পারবেন ইন শা আল্লাহ।
সাজেশনঃ
১। ঘরে/গায়ে যদি কোন তাবিজ থাকে তাহলে সঠিক নিয়মে নষ্ট করে ফেলা। ব্যবহারের জন্য তওবা করা।
২। কবীরা গুনাহে লিপ্ত থাকলে তওবা করে ফিরে আসা।
৩। ফরজ ও মাসনুন আমল গুরুত্ব দিয়ে করা। মেয়দের জন্য পর্দা করাও ফরজ। মেয়েদের পিরিয়ড হলেও মাসনুন আমল বন্ধ না করা
৪। বেশি বেশি দুআ’ করা আল্লাহর কাছে।
এই চারটা কাজ করলে ইন শা আল্লাহ সমস্যা কমে আসবে। তাই কিছুদিন এই চারটি কাজ করা উচিত এবং সমস্যার উথান/পতন লক্ষ রাখা উচিত। পাশাপাশিঃ
৫। রুকইয়াহর আয়াত তেলাওয়াত করা। প্রতিদিন কমপক্ষে একবার। তেলাওয়াত করতে না পারলে (পিরিয়ড থাকলে, উচ্চারন শুদ্ধ না থাকলে) অডিও শোনা। প্রতিদিন কমপক্ষে ১ থেকে ১.৫ ঘন্টা।
৬। এক বোতল (২ লিটারি) পানি নিন। এরপর সুরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসী, সুরা আরাফ (১১৭ থেকে ১২২ নং আয়াত), সুরা ইউনুস (৮১, ৮২ নং আয়াত), সুরা ত্বহা (৬৯ নং আয়াত) কয়েকবার করে পড়ুন। এরপর সুরা ইখলাস, ফালাক, নাস কয়েকবার করে পড়ুন। সবগুলো পড়া শেষ হলে বোতলের পানিতে ফুঁ দিন। এই পানি প্রতিবেলায় আধ গ্লাস করে খাবেন। গোসলের পানিতে আধ গ্লাস করে মিশিয়ে গোসল করবেন প্রতিদিন। শীত লাগলে গরম পানি মেশাবেন। সমস্যা নেই ইন শা আল্লাহ।
৭। স্বপ্নে খেতে দেখলে ঘুম ভাঙার সাথে সাথে উঠে আধ গ্লাস পড়া পানি খেয়ে নিবেন।
৮। অনেক সময় রাতে মাসনুন আমল করে ঘুমালে স্বপ্নে খেতে দেখে না। কিন্তু ফজরের পর ঘুমালে খেতে দেখে। এমন হলে ফজরের পর ঘুমানোর আগে আবার মাসনুন আমল করে নিবেন।
৯। পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে অডিও শুনতে অসুবিধা নেই। পড়া পানি শেষ হয়ে গেলে অন্য কেউ পড়ে দিবে। কাজেই সতর্কতা হল আগেই বেশি করে পানি রেডি করে ফেলা যেন পিরিয়ড শুরু হয়ে গেলে পানি শর্ট না পড়ে। নিজের জন্য নিজেই পানি রেডি করা।
আল্লাহ তায়ালা এমন সুস্থতা দান করুন যার পর আর
প্রত্যেকের ফেইসবুক Bio টা দিয়ে যান, দেখি কারটা বেশি সুন্দর হয়.!🖤🌸
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Sylhet
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 21:00 |
| Tuesday | 09:00 - 21:00 |
| Wednesday | 09:00 - 21:00 |
| Thursday | 09:00 - 21:00 |
| Friday | 02:00 - 21:00 |
| Saturday | 09:00 - 21:00 |
| Sunday | 09:00 - 21:00 |