Sylhet Journalist Unity Club
23/03/2026
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে.....মিজান চৌধুরী
ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেছেন, দীর্ঘ দেড়যুগ পর একটি নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের অধীনে এদেশের মানুষ শান্তিপূর্ণ ও সৌহাদ্রপূর্ণ পরিবেশে ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছে। শহীদ জিয়া ও মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য উত্তরসুরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ সমৃদ্ধির পথে যাত্রা শুরু করেছে। বাংলাদেশ স্বল্প সময়ে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সক্ষম হবে। সবাইকে সাথে নিয়ে সুনামগঞ্জ জেলাকে একটি মডেল জেলায় পরিনত করতে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। আবেগ তাড়িত কন্ঠে তিনি বলেন, আমার নিজ নির্বাচনী এলাকা ছাতক ও দোয়ারাবাজারের কাংখিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আপ্রাণ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব।তিনি বলেন, ঈদুল ফিতরের সাম্য, সম্প্রীতি ও মানবিকতার শিক্ষার আলোকে আর্তমানবতার কল্যাণে সবাইকে আত্মনিয়োগ করতে হবে।
সোমবার বিকেলে ছাতকের রাজাপুর জয়েন্ট কনভেনশন সেন্টারে ছাতক উপজেলা ও পৌর বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মী ও সর্বস্থরের মানুষের সাথে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় কালে মিজান চৌধুরী উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন ছাতক উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ফরিদ উদ্দীন। পৌর বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জয়নাল আবেদীন মহির পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ফারুক আহমদ, ছাতক উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবু হুরায়রা সুরত, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক জসিম উদ্দিন সালমান প্রমুখ।
17/03/2026
জেলা প্রশাসক ও জেলা পরিষদের প্রশাসকের মধ্যে পার্থক্য এবং বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো:-
...........................................................................
জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন সরকারের মনোনীত এমন একজন প্রতিনিধি, যিনি নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও পরিষদের অনুপস্থিতিতে জেলা পরিষদের প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কাজের দায়িত্ব পালন করেন।
স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী, মনোনীত প্রশাসক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের ক্ষমতাপ্রাপ্ত হন এবং জেলার বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সরকারি কর্মসূচির তদারকি করেন।
মূল কাজ ও দায়িত্ব:
চেয়ারম্যানের ক্ষমতা: নির্বাচিত প্রতিনিধি না থাকলে প্রশাসক চেয়ারম্যানের ন্যায় সব ধরণের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
উন্নয়ন প্রকল্প তদারকি: জেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, রাস্তাঘাট, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে প্রকল্প বাস্তবায়ন।
সরকারি প্রতিনিধি: সরকারের স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা ও তদারকি করা।
কোঅর্ডিনেশন: জেলা পরিষদের সাথে অন্যান্য সরকারি দপ্তরের কাজের মধ্যে সমন্বয় সাধন।
মূলত, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে সচল রাখা ও উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে সরকার বিশেষ পরিস্থিতিতে এই পদে নিয়োগ দিয়ে থাকে।
..........................................................................
জেলা প্রশাসক (Deputy Commissioner বা DC) হলেন বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার প্রধান প্রশাসনিক, ভূমি রাজস্ব ও দণ্ডবিধিমূলক কর্মকর্তা।
তিনি মাঠ পর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে জেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সমন্বয়, ভূমি ব্যবস্থাপনা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মতো বহুমুখী ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (প্রশাসন) উপসচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা।
জেলা প্রশাসকের প্রধান ভূমিকার ক্ষেত্রসমূহ:
জেলা কালেক্টর (Collector): জেলার রাজস্ব আদায়, ভূমি রেকর্ড রক্ষণাবেক্ষণ ও ভূমি ব্যবস্থাপনা দেখাশোনা করেন।
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (District Magistrate): জেলার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের কাজের তদারকি করেন।
প্রশাসনিক প্রধান: জেলার সব সরকারি দপ্তরের কাজের সমন্বয় ও সরকারের নীতিমালা বাস্তবায়ন করেন।
নির্বাচন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা এবং দুর্যোগকালীন ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
অন্যান্য দায়িত্ব: লাইসেন্স প্রদান (অস্ত্র, সিনেমা হল), ট্রেজারি ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন কমিটির সভাপতিত্ব করেন।
মূলত, সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রমের মধ্যে জেলা প্রশাসক মূল সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.