Dallar Akmal
মধ্যপ্রাচের নেতারা ভীতু। তোমরা মনে করছো আমরা হামলা করলে তারা পাল্টা হামলা করে ধ্বংস করবে । কিন্তু তোমাদের জানা উচিত তোমরা যুদ্ধ না করলেও তারা যুদ্ধ করবে,তারা যুদ্ধ থামাবে না এবং তোমাদের হত্যা করবে। কিয়ামতের আগ পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে। তোমরা তীব্র নিন্দা ,হুমকি ও যুদ্ধ বন্ধের কঠোর হুঁশুয়ারি দিও না,এসব ফালতু বার্তা।
ইরান থেকে শিক্ষা নাও।সক্ষমতা থাকুক আর না থাকুক তাদের মত গোষ্ঠী গঠন করে শত্রুর ঘাঁটিতে হামলায় সহায়তা করুন। শত্রুর হামলায় একের পর এক নেতা না হারিয়ে জীবিত থাকতেই সহায়তা করুন। যত নেতা, সৈন্য এবং ভূমি হারাবেন ঠিক তত টুকু দুর্বল হবেন। তাই চুপ না থাকাই সমাধান।
মিশর,তুরস্ক,জর্ডান, সৌদি আরব(গোলাম) তোমাদের হেডাম দেখাও।
ইরান দেখিয়ে দিয়েছে তাদের সাহসিকতা।
যুদ্ধে ইসরাইল হারবে, ইনশাল্লাহ।
শিবির চলে কঠিন শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে। এখানে দায়িত্বশীল যারা তারা কোথাও যেতে হলে ছুটি নিয়ে যেতে হয়, এদের ট্রান্সফার করা হয়, এদের রিপোর্ট করতে হয়, এদের ড্রেস কোড আছে, এদের অনেক কিছুই বাধ্যতামূলক, এত ডেডিকেটেড হবার পরেও পকেট থেকে চাঁদা দিতে হয়, এদের করতে হয় কঠিন আনুগত্য, ফরজ বিধান পালনে করা হয় বাধ্য।
কয়টা প্রোগ্রামে এটেন্ড করতে হবে, কত পৃষ্ঠা কোরআন অধ্যায়ন করতে হবে, কতটা হাদিস পড়তে হবে, কত পৃষ্ঠা মিনিমাম সাহিত্য পড়া লাগবে এগুলো সব ফ্রেম ওয়ার্ক করা আছে৷
কোন ক্লাস পর্যন্ত টিউশান নিতে পারবেন এটা নির্ধারিত। নেতা হয়েছেন বলে মেয়ে নিয়ে ডেনডেন করে পার্টি করে বেড়ানোর সুযোগ নাই। এখানে নেতার সমালোচনা করার অধিকার আছে কর্মীরও। ডিরেক্ট বলার সুযোগ, এটাকে তারা ইহতিসাব বলে৷ একারণে এখানে নেতাগিরি নাই। ধান্ধাবাজি নাই৷ দলাদলি আর ঠেলাঠেলি নাই৷ এটাই একমাত্র দল, যেটার সেটাপ যথাসময়ে হয়েছে।
এটা মহিলা কোন শাখা রাখা হয়নি। এটা ভালো দিক। ছাত্রী সংস্থা ছাত্রীশিবির না৷ এটা স্বতন্ত্র গঠনতন্ত্র নিয়ে চলে৷ একারণে ছাত্রশিবির নেতার সাথে মিছিল করবেনা কোন ছাত্রীসংস্থার মেয়ে। যেমনটা ছাত্রলীগ ছাত্রদলের দেখা যাবে। একারণে আপনার ঘরেও যদি ছাত্রীসংস্থার কর্মী থাকে আপনার অজানা থাকাটাও অস্বাভাবিক নয়।
শিবির দলটা আবার নেতা ভিত্তিক নয়, নেতৃত্ব ভিত্তিক। এজন্য সারাদেশে তাদের চেইন অব কমান্ড অভিন্ন। চট্টগ্রামের একজন ছাত্র সিলেটে দায়িত্বপালন করতে পারে। কোন সমস্যা হয়না৷ সিলেটের কেউ এসে কক্সবাজারেও দায়িত্ব পালন করতে পারেন। প্রথম দিনে এসে একজন শিবির নেতা কোন কর্মীকে ফজর কেন ক্বাজা হয়েছে এই অপরাধে ভরা মজলিশে দাঁড় করিয়ে রাখতে পারেন। এতে কর্মী লজ্জা পাবে, রাগ করবেনা৷ বাকীরাও হাসাহাসি করবেনা, সতর্ক হবে। অন্যকোন দলে এ ঘটনা জন্ম দেয়া সম্ভব নয়।
এরা সর্বৈব এক্সপার্ট হয়ে ওঠে কঠোর নিয়মশৃঙ্খলার কারণে। এদের জানাজার নামাজে ইমাম হিসেবে পাবেন আবার খতিবের অনুপস্থিতে মিম্বরেও খুতবা দেয়ার যোগ্যতা সম্পন্ন হিসেবে দাঁড় করিয়ে দিতে পারবেন৷
কাজী শাহরিয়ার
Collected from রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Telephone
Address
6205