My write

My write

Share

17/08/2025

#জীবনের প্রথম ধাপঃ-

একজন পিতা তার মেয়েকে আইফোন উপহার দিলো। দ্বিতীয় দিন পিতা কন্যাকে জিজ্ঞাসা করলো আইফোন পাওয়ার পর সর্বপ্রথম তুমি কি করেছো ??

মেয়ে : আমি স্ক্রীন গার্ড আর কভার অর্ডার দিয়েছি।

পিতা : এটা করার জন্য তোমাকে কি কেউ বাধ্য করেছে ?

মেয়ে : না কেউ করেনি।

পিতা : তোমার এমন লাগে না, যে তুমি আইফোন নির্মাতা কে অপমান করছো ?

মেয়ে : না.. আইফোন নির্মাতা থেকে স্বয়ং কভার ও স্ক্রীন গার্ড লাগানোর জন্য উপদেশ দিয়েছে।

পিতা : ও তাহলে আইফোন অনেক খারাপ দেখাবে তবুও তুমি ওর জন্য কভার কিনেছ ?

মেয়ে : না বরং খারাপ না হওয়ার জন্য কভার অর্ডার দিয়েছি।

পিতা : কভার লাগানোয় কি ওর সৌন্দর্য কমে যাবে না ?

মেয়ে : না.. কভার লাগানোর পর আরো সুন্দর দেখাবে ।

পিতা মেয়ের দিকে স্নেহের নজরে তাকিয়ে বলল, মা আইফোন এর থেকেও দামি তোমার শরীর। এই ঘরের আর আমাদের সম্মান তুমি, তোমার শরীরকে কাপড়ে কভার করলে তোমার সৌন্দর্য আরো বেড়ে যাবে।

মেয়ের কাছে এই প্রশ্নের কোন উত্তর ছিল না, শুধু চোখ থেকে নির্ঝরে অশ্রু বেরিয়ে যাওয়া ছাড়া.........!

17/08/2025

#মেন্সট্রুয়াল কাপ নামটির সঙ্গে ইতিমধ্যে অনেকেই পরিচিত। ইসলামের প্রথম দিকে নারীরা মাসিক চলাকালে কাপড় বা তুলা ব্যবহার করত। এরপর এল স্যানিটারি ন্যাপকিনের যুগ। তবে চিকিৎসকগণ এগুলো একই সঙ্গে স্বাস্থ্যকর এবং আরামদায়ক নয় বলে মনে করেন। গবেষকদের মতে—বর্তমানে ‘মেন্সট্রুয়াল কাপ’ নামক প্রোডাক্টটি সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত।

মেন্সট্রুয়াল কাপ মূলত ফানেলের মতো আকৃতির মেডিকেল গ্রেড সিলিকনের কাপ। এটি স্যানিটারি ন্যাপকিনের মতো রক্ত শুষে না নিয়ে কাপে জমা রাখে। ভাঁজ করে যোনিপথ দিয়ে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। সেটা ভেতরে গিয়ে প্রসারিত হয়ে জরায়ু মুখে আটকে যায়। ইকো ফ্রেন্ডলি হওয়ায় অন্যান্য সব পদ্ধতি থেকে এটি বেশি স্বাস্থ্যকর। ফ্লোর ওপর ভিত্তি করে এটি ১২ ঘণ্টা পর্যন্তও ব্যবহার করা যায়।

পশ্চিমা দেশের নারীদের কাছে বর্তমানে মেন্সট্রুয়াল কাপ ব্যবহার সব থেকে নিরাপদ ও আরামদায়ক। একবার কিনে অনেক দিন ব্যবহার করা যায়। মাসিকের যন্ত্রণা থেকে অনেকখানি মুক্তি দেয়। তুলনামূলকভাবে কম ঝামেলাহীন ও পরিবেশের ক্ষতি হয় না। [প্রথম আলো প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২১]

ইসলামী শরীয়াহ মতে মেন্সট্রুয়াল কাপ যেহুতু লজ্জাস্থানের ভিতরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় তাই নারীদের জন্য এধরণের কাপ ব্যবহার করা মাকরুহ। কারণ এ ধরণের কুরসুফ বা কাপের বিধান সম্পর্কে আল্লামা ইবনে আবেদীন শামী রহ তাঁর ‘মাজমুআতু রাসাঈলে ইবনে আবেদীন’ গ্রন্থে লিখেন—

ويكره وضعه) وضع جميعه (فى الف*ج الداخل)لأنه يشبه النكاح بيدها محيط-(

‘সমস্ত কুরসুফ লজ্জাস্থানের ভিতরে প্রবেশ করানো মাকরুহ। কেননা তা হস্তমৈথুনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।’ (মাজমুআতু রাসাঈলে ইবনে আবেদীন ১/৮৪-৮৫ পৃ.)

আল রাহরুর রায়েক গ্রন্থে উল্লেখ আছে—

ثُمَّ وَضْعُ الْكُرْسُفِ مُسْتَحَبٌّ لِلْبِكْرِ فِي الْحَيْضِ وَلِلثَّيِّبِ فِي كُلِّ حَالٍ وَمَوْضِعُهُ مَوْضِعُ الْبَكَارَةِ وَيُكْرَهُ فِي الْفَرْجِ الدَّاخِلِ. اهـ.

‘অবিবাহিত নারীদের জন্য মাসিকের সময় কুরসুফ ব্যবহার করা মুস্তাহাব। আর বিবাহিতদের ক্ষেত্রে সর্বাবস্থায়ই এর ব্যবহার মুস্তাহাব। কুরসুফ বা ন্যাপকিন রাখার স্থান হল, মাসিকের রাস্তার প্রবেশ মুখ। কিন্তু লজ্জাস্থানের ভিতরে কুরসুফ (কাপ) প্রবেশ করানো মাকরুহ।’ (আল বাহরুর রায়েক-১/২০৩)

পাকিস্তানের বিখ্যাত জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়া বিন্নুরি টাউনের ফতোয়ায় এসেছে—

واضح رہے کی عورتوں کے لیے خون کے ایام میں شدید عذر کے بغیر خون قابو کرنے کے لیے ف*جِ داخل (عورت کی اندر والی شرم گاہ) میں مکمل طور پر کسی قسم کی بھی کوئی چیز ڈالنا مکروہ ہے، مثلًا کوئی کپڑا یا پیڈ وغیرہ؛ لہذا اگر خون معمول کے مطابق آتا ہو، یعنی ہر وقت کثیر مقدار میں نہ آتا ہو کہ پیڈ یا کپڑا باندھنے کے باوجود ٹپکتا ہو، تو خون کو قابو کرنے کے لیے مینسٹرویل کپ کا لگانا مکروہ ہے؛ کیوں کہ یہ مکمل طور پر ف*ج داخل میں ڈالا جاتا ہے۔

‘নারীদের জন্য মাসিকের দিনগুলিতে তীব্র অপারগতা ছাড়া রক্তপাত নিয়ন্ত্রণের জন্য গোপনাঙ্গের সম্পূর্ণ ভিতরে কোনো কিছু প্রবেশ করানো মাকরুহ। যেমন কোনো কাপড় বা প্যাড ইত্যাদি প্রবেশ করানো। অতএব, কারো যদি রক্ত স্বাভাবিকভাবে আসে, অর্থাৎ সারাক্ষণ প্রচুর পরিমাণে না আসে এবং প্যাড বা কাপড় বেঁধে রাখা সত্ত্বেও ফোঁটা ফোঁটা করে পড়তে থাকে, তাহলে রক্তপাত নিয়ন্ত্রণের জন্য মেন্সট্রুয়াল কাপ লাগানো মাকরূহ; কারণ এটি সম্পূর্ণ গোপনাঙ্গের ভিতরে প্রবেশ করানো হয়ে থাকে।’ (জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়া বিন্নুরি টাউন, ফতোয়া নং 144208201520 )

তবে কোনো বিবাহিত নারীর যদি তীব্রভাবে রক্তপাত হতে থাকে যা সাধারণ কাপড় বা প্যাড বেধে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হয় তাহলে তার জন্য রক্তপাত নিয়ন্ত্রণের লক্ষে আধুনিক মেন্সট্রুয়াল কাপ ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে।

(আল বাহরুর রায়েক ১/২০৩, ফাতাওয়ায়ে শামী ১/২৮৯, মুহিতুল বুরহানী ১/৪০০-৪০১,)

14/07/2025

📘 মাথার চুল বিক্রি: ইসলাম ও বর্তমান সমাজ।

✒️ ভূমিকা

আধুনিক যুগে দরিদ্রতা বা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে মাথার চুল বিক্রি একটি পরিচিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে নারী ও কিশোরীদের মধ্যে এই প্রবণতা বেড়ে চলেছে। অথচ ইসলামে মানুষের শরীর ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ব্যাপারে রয়েছে কিছু কঠিন নীতিমালা। এই পুস্তিকায় আমরা ইসলামের দৃষ্টিতে চুল বিক্রির অবস্থান, ফিকহি রায় ও সমাজে এর প্রভাব আলোচনা করবো।

📖 ইসলামের মূলনীতি

✅ শরীর আল্লাহর আমানত
ইসলাম শিক্ষা দেয়, মানুষের শরীর আল্লাহর পক্ষ থেকে অর্পিত একটি পবিত্র আমানত। সুতরাং, শরীরের কোনো অংশ ইচ্ছাকৃতভাবে বিক্রি বা অপব্যবহার করা হারাম।

📚 হাদীসের আলোকে

▶️ রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

> “আল্লাহ অভিশাপ করেছেন সেই নারীদের ওপর যারা অন্য নারীর চুল লাগায় এবং যারা চুল লাগাতে বলে।”
— [সহীহ বুখারী: ৫৯৩৭, মুসলিম: ২১২২]

🔎 এই হাদীস থেকে বোঝা যায়:

চুল লাগানো (wig ব্যবহার করা) হারাম।

অন্যের চুল বিক্রিও এই হারামের অংশ।

⚖️ ফিকহি মতামত

🔹 ইমাম নববী (রহ.) বলেন:

> “চুলের কেনা-বেচা করা হারাম, এতে কোনো মতভেদ নেই।”
— [আল-মাজমু’, ৯/২২৮]

🔹 হানাফি, মালিকি, শাফেয়ি, হাম্বলি — চার মাযহাবেই শরীরের অঙ্গ বিক্রয় নিষিদ্ধ।

🌍 বর্তমান সমাজে চুল বিক্রির চিত্র।

অনেকে দরিদ্রতার কারণে চুল বিক্রি করেন। এটি একটি বড় ইন্ডাস্ট্রি: উইগ, কৃত্রিম এক্সটেনশন, সিনেমা-নাটক। নারীসুলভ সৌন্দর্যের অপব্যবহার ও বেপর্দার প্রসার।

🚫 ইসলামের রায়

নিজের মাথার চুল কেটে বিক্রি করা ❌ হারাম।
অন্যের চুল দিয়ে উইগ বানানো ❌ হারাম।
কৃত্রিম চুল লাগানো (wig/extension) ❌ হারাম।

✅ সমাধান ও করণীয়

🔹 হালাল রুজির সন্ধান:
সেলাই, হস্তশিল্প, অনলাইন কাজ, ঘরোয়া ব্যবসা ইত্যাদি।
🔹 ইমান ও আত্মমর্যাদার রক্ষা:
চুল বিক্রি শুধু শরীরের ক্ষতি নয়, আত্মমর্যাদারও ক্ষতি।
🔹 সচেতনতা বৃদ্ধি:
এই বিষয়ে ইসলামী শিক্ষার প্রচার ও দরিদ্রদের বিকল্প সহায়তা দেওয়া জরুরি।

📌 মোটকথা
চুল বিক্রির মাধ্যমে যে অর্থ আসে, তা ইসলামে বৈধ নয়। মানবদেহের কোনো অংশ বিক্রয় ইসলাম সমর্থন করে না। দুনিয়ার সাময়িক লাভের জন্য আখিরাতের ক্ষতি করা কোনো মুমিনের কাজ হতে পারে না। তাই আসুন, ইসলাম নির্দেশিত হালাল পথে উপার্জনের চেষ্টা করি। আমিন।


✍️শফিক আমিন

12/07/2024

# . .

12/07/2024

# .

09/04/2024

😢😢😢

25/03/2024

فَاذۡکُرُوۡنِیۡۤ اَذۡکُرۡکُمۡ وَاشۡکُرُوۡا لِیۡ وَلَا تَکۡفُرُوۡنِ
সুতরাং তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদের স্মরণ রাখবো এবং আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর; অকৃতজ্ঞ হয়ো না।

15/03/2024

#মাসায়েলে রমাজান--২.

প্রিয় পাঠক...!
আমাদের আলোচনা চলছিল মাসায়েলে রমাজান নিয়ে । গত পর্বে আমরা জেনে এসেছি রমজানের মৌলিক এবং সংশ্লিষ্ট কিছু বিষয় সম্পর্কে। এ পর্বে আমরা জানবো আরো কিছু প্রসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে।
তাহলে চলুন দেরি না করে শুরু করা যাক..!

এ পর্বের শুরুতেই আমরা জানবো, যে সকল কারণে রোজা নষ্ট হয়ে যায় এবং এর দ্বারা কখন কাযা বা কাফফারা ওয়াজিব হয়।

মূল বিষয়ে যাওয়ার প্রারম্ভেই পাঠকের বুঝতে সুবিধার জন্য ভূমিকা স্বরূপ কিছু কথা..!

"হাদিসের বাণী আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিআল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন কোন ব্যক্তি যদি কোন ওজর ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে একটি রোজা ভেঙে ফেলে, তাহলে সে ঐ একটি রোজার বিনিময়ে যদি সারা জীবনও রোজা রাখে তবুও ঐ একটি রোজার হক আদায় করতে পারবে না।।"
তাহলে এই হাদিসের মাধ্যমেই বোঝা যায় রমজানের রোজা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।।
তবে, আল্লাহ তা'আলা যেহেতু আমাদের মঙ্গল কামনা করেন এবং কোন বিষয়ে আমাদের জন্য কঠিন করেননি । সে লগ্নে যদিও রমজান মাসের একটি রোজার হক কোনদিনও আদায় করা যাবে না, কিন্তু রোজা ভঙ্গ বা আদায় না করার মাধ্যমে যে, শরীয়তের একটা বিধান লঙ্ঘন হলো, সে কারণে আল্লাহ তাআলা তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে শরীয়তে দুটি পন্থার কথা জানিয়ে দিয়েছেন।
তার একটি হলো কাযা এবং অপরটি কাফফারা।।
[বিঃদ্রঃ কাফফারা সম্পর্কে সামনের পর্বে আলোচনা আসবে ইনশাআল্লাহ]

∆∆ যে সকল কারণে রোজা ভঙ্গ হলে শুধু কাযা ওয়াজিব হয়, তা হলঃ-
✓ শরীয়ত সম্মত কোন ওজনের কারণে রোজা ভঙ্গ করলে।
✓ ইচ্ছাকৃত মুখ ভরে বমি করলে ।
✓ কোনো অখাদ্য বস্তু তথা পাথর, লোহার টুকরা, ফলের আঁটি ইত্যাদি গিলে ফেললে ।
✓ জোরপূর্বক রোজাদারকে কিছু খাওয়ানো হলে ।
✓ ভুলক্রমে কিছু খেতে আরম্ভ করে রোজা ভঙ্গ হয়েছে মনে করে পুনরায় আহার করলে ।
✓ কুলি করার সময় পেটে পানি চলে গেলে ।
✓ পেশাব-পায়খানার রাস্তায় ওষুধ বা এ জাতীয় অন্য কিছু প্রবেশ করলে।
✓ রাত মনে করে সুবহে সাদেকের পর পানাহার করলে ।
✓ সন্ধ্যা মনে করে সূর্যাস্তের পূর্বেই ইফতার করলে ।
✓ মুখে বমি এনে পুনরায় তা পেটে প্রবেশ করালে।
✓ দাঁতের ফাঁক থেকে খাদ্যকণা বের করে খেয়ে ফেললে।
✓নাকে বা কানে তরল ওষুধ প্রবেশ করালে।
✓শরীরের কোনো ক্ষতস্থানে ওষুধ লাগানোর দরুন তা ভেতরে প্রবেশ করলে।
✓স্ত্রীকে চুম্বনের দ্বারা বীর্যপাত হলে।
✓গাইরে সাবিলাইন ব্যাতীত সঙ্গম করায় বীর্যপাত হলে।

∆∆ অতঃপর যে সকল কারণে কাযা এবং কাফফারা উভয়ই ওয়াজিব হয় তা হলঃ-
✓ রোজা অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে স্ত্রী সহবাস করলে।
✓ ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার করলে ।
✓ পিচকারি বা শিঙ্গা লাগানোর কারণে রোজা ভেঙে গেছে মনে করে স্বেচ্ছায় পানাহার করলে ।
✓ রোগ-ব্যাধি ব্যতীতই স্বেচ্ছায় ওষুধ পান করলে ।
✓যদি রোজাদার এমন কোন খাদ্য খায় যার প্রতি তার স্বভাবগত চাহিদা রয়েছে এবং যার দ্বারা পেটের খাবারের চাহিদা পূরণ হয়।

∆∆ আরো কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলোর কারণে স্বাভাবিক দৃষ্টিতে মনে হয় রোজা ভেঙ্গে গেছে , কিন্তু তার দ্বারা প্রকৃতপক্ষে রোজা ভাঙ্গে না। তা হলঃ-
‌✓ কোনো রোজাদার ভুলক্রমে কোনো কিছু পানাহার করলে।
✓ স্বপ্নদোষ হলে ।
✓ স্ত্রীর দিকে দৃষ্টিপাতের দরুন বীর্যপাত হলে।
✓ তেল মালিশ করলে।
✓ সিঙ্গা লাগালে ।
✓ সুরমা লাগালে ।
✓ স্ত্রীকে চুম্বন করলে ।
✓ আপনা-আপনি বমি হলে।
✓ মূত্রনালিতে ওষুধ দিলে ।
✓ কানে পানি গেলে, ধূলা প্রবেশ করলে ধোঁয়া গলায় গেলে অথবা গলায় মাছি প্রবেশ করলে ইত্যাদি।
=========
পরিশেষে, পাঠকের নিকট দোয়া এবং সকলের
সুস্বাস্থ্য কামনা করে আজকের জন্য এখানেই বিদায় নিচ্ছি ...!
(আল্লাহ হাফেজ)

04/03/2024

#মাহে রমজানের মিনতি...!

আমি রহমতের মাস, আমি মাগফিরাতের মাস, আমি নাজাতের মাস।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাকে তোমাদের কাছে রহমত, মাগফিরাত এবং নাজাত স্বরূপ প্রেরণ করেছেন। তোমাদের মধ্যে অনেকেই ছিল যারা গত বছর আমাকে ব্যবহার করেছে কিন্তু আজ তারা আর নেই । অথচ তুমি আমাকে গতবারের ন্যয় এবারও ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছ।
যার কারণে প্রথমেই অন্তর থেকে শুকরিয়া জ্ঞাপন করো।

আমি তোমাদের জন্য বড় নেয়ামত । কেননা, আমার মধ্যেই অবতীর্ণ হয়েছে তোমাদের মূল্যবান কিতাব । শুধু তাই নয়, আমার মধ্যে এমন এক রজনী রয়েছে যা হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম।

হে আল্লাহর শ্রেষ্ঠ মাখলুক..!
আমি তোমাদের নিকট উত্তম মেহমান স্বরূপ । সুতরাং তোমরা সকলেই মেহমান নেওয়াজ মেজবান হয়ে যাও । আমার সাথে কখনো দুর্ব্যবহার করো না বরং আমার মধ্যে তোমাদের কল্যাণ তালাশ করো ।
হয়তো তুমি ভাবছো আমার তো অর্থ সম্পদ নেই, (তথা গুনাহগার) আমি কিভাবে মেহমানদারী করব..!
কোন সমস্যা নেই..! তওবা এবং ইস্তেগফারের দ্বারা তুমি ধনী হয়ে যাও এবং আমাকে মূল্যায়ন করো।
আমি জানি তোমরা সকলেই জান্নাতকে পছন্দ করো এবং জাহান্নামকে ঘৃণা করো । যদি এমনটাই হয় তাহলে আমি তোমাদের মাঝে থাকা অবস্থায় জান্নাতকে ক্রয় করে নাও এবং চিরদিনের জন্য জাহান্নামের দুয়ার বন্ধ করে দাও।
তবে সাবধান..! কখনো যেন হিতে বিপরীত না হয় ।

পরিশেষে ..!
তোমরা যদি আমার হক পুরোপুরিভাবে আদায় করতে পারো তাহলে তার প্রতিদান হিসেবে রয়েছে স্বয়ং তোমাদের পালনকর্তা। যা তোমাদের সকলের কাম্য ।
সুতরাং, তোমরা দৃঢ় মনোবলের সাথে তৈরি হও এবং সামনে অগ্রসর হতে থাকো।
আল্লাহ তাআলা তোমাদের সকলকেই তৌফিক দান করুন, এবং সকল মুসিবত থেকে হেফাজত করুন ।।
(আমীন)

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Rajshahi?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Banessor Bajar
Rajshahi