SAFI KAMAL
10/05/2026
#বিএনপি #যুবদল #ছাত্রদল #বাংলাদেশ #তারেক্রহমান #খালেদাজিয়া #সহিদজিয়া
রাজনীতির এই কঠিন সময়ে এমন কিছু মানুষ আছেন, যাদের সততা, ত্যাগ, আদর্শ ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা তাদেরকে অন্যদের থেকে আলাদা মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করে। তেমনই একজন নাম — আজমল হোসেন পাইলট।
তিনি শুধু একজন ছাত্রনেতা নন, তিনি একজন সৎ, শিক্ষিত ও ত্যাগী রাজনৈতিক কর্মীর প্রতিচ্ছবি। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় অসংখ্য বাধা-বিপত্তি পেরিয়েও তিনি কখনো নীতি ও আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। দলের দুঃসময়ে রাজপথে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সাহসিকতার সাথে। এ কারণেই তিনি আজ শুধু কর্মীদের নয়, সাধারণ মানুষেরও আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
বেগম খালেদা জিয়া-র অতি আস্থাভাজন হিসেবে তাঁর পরিচিতি দীর্ঘদিনের। নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ভাবমূর্তি তাঁকে দলের ভেতরে এক অনন্য অবস্থানে নিয়ে গেছে। তিনি বারবার প্রমাণ করেছেন— নেতৃত্ব পদ দিয়ে নয়, মানুষের ভালোবাসা ও গ্রহণযোগ্যতা দিয়েই তৈরি হয়।
আজকের কলির কালে যেখানে অনেকেই ব্যক্তিস্বার্থকে প্রাধান্য দেয়, সেখানে আজমল হোসেন পাইলটের মতো সৎ ও নিবেদিত নেতা সত্যিই বিরল। এমন মানুষ যেকোন রাজনৈতিক দলের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। কারণ আদর্শবান ও গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বই পারে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে, তৃণমূলের আস্থা ফিরিয়ে আনতে এবং ভবিষ্যতের রাজনীতিকে ইতিবাচক পথে এগিয়ে নিতে।
সময় ও পরিস্থিতি আজ যেন এটাই বলে— দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের জায়গায় এমন পরীক্ষিত, পরিচ্ছন্ন ও জনপ্রিয় মানুষদের মূল্যায়ন করা এখন শুধু প্রয়োজনই নয়, বরং সময়ের দাবি।
""আমি বলছিনা ডাকসু নির্বাচনে ভোট চুরি হয়েছে""
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন বরাবরই দেশের অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক ঘটনা। ছাত্র রাজনীতির প্রাণকেন্দ্র এই নির্বাচনকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক এক নির্বাচনে এক অদ্ভুত ঘটনা সবার নজর কেড়েছে – একজন প্রার্থী শূন্য ভোট পেয়েছেন!
প্রশ্ন উঠছে, একজন প্রার্থী যদি নিজে দাঁড়ান, অন্তত একটি ভোট তো তিনি নিজের জন্যই দেবেন, তাই না? তাহলে কীভাবে তিনি শূন্য ভোট পেলেন? কি তিনি নিজেই নিজের বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন? নাকি ভোট দেওয়ার সুযোগই পাননি? নাকি তার ভোট কোথাও হারিয়ে গেল?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক ইতিহাসে এমন নজিরবিহীন ঘটনা শিক্ষার্থীদের মনে গভীর সন্দেহ তৈরি করেছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলছেন –
হয়তো ভোটকেন্দ্রগুলোতে প্রবেশের সুযোগ সবার জন্য সমান ছিল না।
হয়তো কিছু ভোট গণনা করা হয়নি বা ইচ্ছাকৃতভাবে বাতিল করা হয়েছে।
অথবা নির্বাচন প্রক্রিয়াটি এতটাই অস্বচ্ছ ছিল যে প্রার্থীর নিজের ভোটও হারিয়ে গেছে।
এমন একটি ঘটনার মাধ্যমে পুরো নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা স্বাভাবিক। আমরা বলছিনা যে ডাকসু নির্বাচনে সরাসরি ভোট চুরি হয়েছে। কিন্তু একজন প্রার্থী যদি নিজের জন্য একটি ভোটও না পান, তবে তা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য লজ্জাজনক।
গণতান্ত্রিক নির্বাচনের সৌন্দর্য তখনই ফুটে ওঠে যখন প্রতিটি ভোটারের ভোট সঠিকভাবে গণনা হয়। একজন প্রার্থীর শূন্য ভোট পাওয়া কেবল একটি ব্যক্তিগত ব্যর্থতা নয়, এটি সমগ্র নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
তাই প্রয়োজন একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত। কেন একজন প্রার্থী শূন্য ভোট পেলেন?
অন্যথায় ডাকসু নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রক্রিয়া শিক্ষার্থীদের আস্থা হারাবে এবং ভবিষ্যতে তারা নির্বাচনমুখী হওয়ার আগ্রহ হারাবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Netrokona
2400