Ash Shefa Food
31/07/2023
অথেনটিক মাখন কিভাবে চিনবেন এবং কেন খাবেন?
একবার ভেবে দেখুন তো, কতটা ক্ষতি করছেন নিজের ও সন্তানের? "হোমমেড বাটার" লেখা সস্তা জিনিসের চটকদার বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পড়ে আপনার বাচ্চাকে কি আসল মাখন খাওয়াচ্ছেন?
যারা ঘোল খেয়েছেন আসল মাখন তাদের চিনতে কষ্ট হয় না ৷ ঘোলের ওপর ভাসতে থাকা অংশই মাখন, তাই ঘোলের স্বাদের মত হয় আর দুধের সরের গন্ধ থাকে ৷
দুধের তৈরী মাখন ও আমদানি করা ক্রিম দেখতে প্রায় একইরকম হওয়ায় বেশিরভাগ মানুষ তা চিনতে পারেন না, ফলে আমদানিকৃত ক্রিমকে মাখন ভেবে ভুল করেন যা প্রিজারভেটিভ, রঙ এবং ফ্লেভারের সংমিশ্রন ছাড়া আর কিছুই নয় ৷ এটি নিয়মিত খেলে হার্টের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে ৷ এটি দুধের তৈরী মাখনের চেয়ে সস্তা হওয়ায় আসল মাখন কেনা থেকে বিরত থাকেন অধিকাংশ মানুষ এটা ভেবে যে, আমরা অন্যদের চেয়ে দাম বেশি রাখছি ৷
দুধের তৈরি মাখনের বৈশিষ্ট্য:
☞ দুধের তৈরি মাখন চুলায় জাল দিলে তা কিছুক্ষণ পর ঘি হয়ে যাবে ৷
☞ দুধের তৈরি মাখন খেতে সামান্য টক মনে হবে ৷ তার মানে এই না যে তেতুল বা লেবুর মত টক ৷ দুধ থেকে তৈরী ঘোলে যেমন সামান্য টক ভাব থাকে, তেমন ৷
☞ দুধের তৈরি মাখন খাওয়ার সময় সরের মতো সাদ বা ঘ্রাণ পাওয়া যাবে ৷
☞ এতে বাড়তি কোনো এসেন্স বা ফ্লেভার থাকবে না ৷
☞ এই মাখন ফ্রিজের বাইরে ২ দিনের বেশি থাকলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে ৷ শীতের দিনে ৩/৪ দিন বা ৫ দিনও ফ্রিজের বাইরে রাখা যায় ৷
☞ অথেনটিক মাখনে বাড়তি কোনো তৈলাক্ত ভাব বা তেলের ফোঁটা থাকবে না, যেটা মার্জারিনে থাকে ৷ বরং এতে জলীয় আভা থাকবে ৷
প্রকৃতপক্ষে দুধের তৈরী অথেনটিক মাখন যখন আপনি খাবেন, তখন এর স্বাদ ও ঘ্রাণই আপনাকে বলে দিবে যে এটি অথেনটিক ৷
মাখন কেন খাবেন? চলুন জেনে নিই, আর বেরিয়ে আসি প্রচলিত কিছু ভুল ধারণা থেকে
☞ মাখনে থাকা Activetor-X নামক উপাদান শরীরকে খনিজ উপাদান শোষনে সাহায্য করে।
☞ মাখনে আয়োডিন, সেলেনিয়াম, লেসেথিন এবং লরিক এসিডের মত খনিজ দ্রব্য বিদ্যমান, যা অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহনে বিরত রাখে।
☞ এতে আছে ভিটামিন-এ, ডি এবং ভিটামিন-ই, যা ক্যালসিয়াম শোষনে শরীরকে সাহায্য করে।
☞ মাখন শিশুদের মস্তিষ্ক বিকাশে ও স্নায়ুতন্ত্রের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
☞ মাখনে ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ সমৃদ্ধ। এতে বিদ্যমান এরাকিডোনিক্স এসিড মস্তিষ্কের কার্যক্রম, ত্বকের সুরক্ষা এবং প্রোস্টাগ্লান্ডিনে ভারসাম্য রক্ষা করে।
☞ মাখনে রয়েছে ভিটামিন-কে২, যা প্রোস্টেট ক্যান্সার, হাড়ভাঙা, করোনারি হার্ট ডিজিসের ঝুঁকি হ্রাস করে ও চর্বি দ্রবণে সহায়তা করে।
☞ মাখনের লিনোলিক এসিড এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট বিপাকীয় কাজে সাহায্য করে এবং ফ্রি র্যাডিকেল দূর করে।
☞ এতে রয়েছে আরথ্রাইটিস প্রতিরোধকারী “উলজেন” ফ্যাক্টর, যা মাখন ছাড়া শুধু দুধ বা ক্রিমে পাওয়া যায়।
☞ মাখনে বিদ্যমান উচ্চ মাত্রার বিটা-ক্যারোটিন চোখে সুরক্ষা দান করে। ছানি, মেকুলার ডিজেনারেশনের গতি কমায়।
12/07/2023
ন্যাচারাল প্রোটিন পাউডারের পুষ্টি গুনাগুনঃ
প্রতি ১০০ গ্রাম উপাদানে প্রোটিনের পরিমান থাকে-
12/07/2023
ন্যাচারাল প্রোটিন পাউডার অনেক সুস্বাদু ও পুষ্টিগুনে ভরপুর। শারীরিক দুর্বলতা ও ক্লান্তিভাব দূর করতে এটি তাৎক্ষণিক কাজ করে দেহ ও মনে এনে দেয় প্রশান্তি। প্রতিদিনের স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি ন্যাচারাল প্রোটিন পাউডার নিয়মিত খাওয়া উচিত যা আপনার জীবনকে স্বাস্থ্যকর রাখতে ভুমিকা রাখবে।
05/07/2023
ন্যাচারাল প্রোটিন পাউডারঃ
ন্যাচারাল প্রোটিন পাউডার অনেক মজাদার ও পুষ্টিগুনে ভরপুর। এতে থাকা ভিটামিন (যেমন থায়ামিন, রিবোফ্লোবিন, নিয়াসিন, প্যানটোথেনিক অ্যাসিড, ভিটামিন বি-৬ ও ফোলেট), বিভিন্ন খনিজ পদার্থ (যেমন ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ফসফরাস, ফাইবার, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, সালফার) প্রোটিন, আবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড, ফ্যাটি অ্যাসিড, ওমেগা-৩, ওমেগা-৬ এবং এন্টিঅক্সিডেন্টের মতো বিভিন্ন উপাদান যা আপনার পরিবারের সকলের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য বৃদ্ধিতে সহায়ক। শারীরিক দুর্বলতা ও ক্লান্তিভাব দূর করতে এটি তাৎক্ষণিক কাজ করে দেহ ও মনে এনে দেয় প্রশান্তি।
উপাদানঃ
কাজুবাদাম, কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, পেস্তাবাদাম, আখরোট, ছোলা, ওটস, সয়াবীজ, তরমুজের বীজ, কুমড়ার বীজ, চিয়া বীজ, এলাচ, স্বাদ বৃদ্ধিতে হাই-কোয়ালিটি গুড়ো দুধ এবং ফুড গ্রেডেড কোকো পাউডার।
আমাদের তৈরি করা হোমমেড ন্যাচারাল প্রোটিন পাউডারটি ১০০% অর্গানিক এবং এতে কোন ধরনের প্রিজারভেটিভ, কেমিক্যাল বা ক্ষতিকারক রং ব্যবহার করা হয়নি।
পুষ্টি গুনাগুনঃ প্রতি ১০০ গ্রাম উপাদানে প্রোটিনের পরিমান থাকে-
কাজুবাদামে-২৫.২ গ্রাম, কাঠবাদামে-২১.১৫ গ্রাম, চিনাবাদামে-২৫.৭ গ্রাম, পেস্তাবাদামে-২১.১, আখরোটে-১৬ গ্রাম, ছোলায়-১৯.৩ গ্রাম, ওটস এ-১৩.৭ গ্রাম, সয়াবীজে-৩৯.৫৮ গ্রাম, তরমুজের বীজে-২৮.৫ গ্রাম, কুমড়ার বীজে -২৪.৫ গ্রাম, চিয়া বীজে -১২ গ্রাম, এলাচে-১১ গ্রাম, গুড়ো দুধে-৩.৫ গ্রাম এবং কোকো পাউডারে-৭.৭ গ্রাম,
ন্যাচারাল প্রোটিন পাউডারের উপকারিতাঃ
>শারীরিক শক্তি এবং কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে
>ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে
>রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে ভুমিকা রাখে
>সঠিক ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভুমিকা পালন করে
>মস্তিস্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে বয়স্কদের ভুলে যাওয়া রোগ প্রতিরোধ করে
>শরীর থেকে টক্সিন (বিষাক্ত পদার্থ) বের করে দেয়
>হজম শক্তি বৃদ্ধি করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
>পুষ্টির ঘাটতি দূর করতে সহায়তা করে
>দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে খুবই কার্যকরী
>ভাল ঘুম হতে সাহায্য করে
>মাংসপেশী, হাড় ও দাঁত গঠনে সহায়তা করে
>স্ট্রোক ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে খুবই উপকারী
>মুখের ব্রণ দূর করে ও ত্বককে মসৃণ রাখে
>চুল পড়া বন্ধ, চুলের গোড়া শক্ত ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে
>রক্তস্বল্পতা দূর করে
>ক্যা’ন্সার নামক মরণব্যাধি প্রতিরোধ করে
তাই প্রতিদিনের স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি আমাদের এই পুষ্টিকর ন্যাচারাল প্রোটিন পাউডার আপনার খাবার তালিকায় রাখতে পারেন। অর্ডার করতে চাইলে, আপনার নাম, মোবাইল নাম্বার এবং ঠিকানা দিন। আপনার সুস্থতা আমাদের কাম্য।
Make your life healthy to eat natural food.
Stay with--
Ash Shefa Food
Contact: 01706363013
13/06/2023
আঁশ ও প্রোটিনের উৎস ছোলা:
ছোলা খেতে খুব সুস্বাদু, পাশাপাশি এটি ভিটামিন, খনিজ ও আঁশের খুব ভালো উৎস।
কাঁচা ছোলার গুণ সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যপোযোগী ছোলায় আমিষ প্রায় ১৮ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট প্রায় ৬৫ গ্রাম, ফ্যাট মাত্র ৫ গ্রাম, ২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ‘এ’ প্রায় ১৯২ মাইক্রোগ্রাম এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-১ ও বি-২ আছে।
এছাড়াও ছোলায় বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন, খনিজ লবণ, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে আরও অনেক উপকার। উচ্চমাত্রার প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার ছোলা। কাঁচা, সেদ্ধ বা তরকারি রান্না করেও খাওয়া যায়। কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে, খোসা ছাড়িয়ে, কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে একই সঙ্গে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিক যাবে। আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান বানায়। আর অ্যান্টিবায়োটিক যেকোনো অসুখের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।
ছোলার কিছু চমকপ্রদ গুণাগুণ হল-
১) ডাল হিসেবে : ছোলা পুষ্টিকর একটি ডাল। এটি মলিবেডনাম এবং ম্যাঙ্গানিজ এর চমৎকার উৎস। ছোলাতে প্রচুর পরিমাণে ফলেট এবং খাদ্য আঁশ আছে সেই সাথে আছে আমিষ, ট্রিপট্যোফান, কপার, ফসফরাস এবং আয়রণ।
২) হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে : অস্ট্রেলিয়ান গবেষকরা দেখিয়েছেন যে খাবারে ছোলা যুক্ত করলে টোটাল কোলেস্টেরল এবং খারাপ কোলেস্টেরল এর পরিমাণ কমে যায়। ছোলাতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরনের খাদ্য আঁশ আছে যা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। আঁশ, পটাসিয়াম, ভিটামিন ‘সি’ এবং ভিটামিন বি-৬ হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়। এর ডাল আঁশসমৃদ্ধ যা রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন ৪০৬৯ মিলিগ্রাম ছোলা খায়, হৃদরোগ থেকে তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি ৪৯% কমে যায়।
৩) রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে : আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখানো হয় যে, যে সকল অল্পবয়সী নারীরা বেশি পরিমাণে ফলিক এসিডযুক্ত খাবার খান তাদের হাইপারটেনশন এর প্রবণতা কমে যায়। যেহেতু ছোলায় বেশ ভাল পরিমাণ ফলিক এসিড থাকে সেহেতু ছোলা খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। এছাড়া ছোলা বয়সসন্ধি পরবর্তীকালে মেয়েদের হার্ট ভাল রাখতেও সাহায্য করে।
৪) রক্ত চলাচল : অপর এক গবেষণায় দেখা গেছে যে যারা প্রতিদিন ১/২ কাপ ছোলা, শিম এবং মটর খায় তাদের পায়ের আর্টারিতে রক্ত চলাচল বেড়ে যায়। তাছাড়া ছোলায় অবস্থিত আইসোফ্লাভন ইস্কেমিক স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আর্টারির কার্যক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয় ।
৫) ক্যান্সার রোধে : কোরিয়ান গবেষকরা তাদের গবেষণায় প্রমাণ করেছেন যে বেশি পরিমাণ ফলিক এসিড খাবারের সাথে গ্রহণের মাধ্যমে নারীরা কোলন ক্যান্সার এবং রেক্টাল ক্যান্সার এর ঝুঁকি থেকে নিজিদেরকে মুক্ত রাখতে পারেন। এছাড়া ফলিক এসিড রক্তের অ্যালার্জির পরিমাণ কমিয়ে এ্যজমার প্রকোপও কমিয়ে দেয়। আর তাই নিয়মিত ছোলা খান এবং সুস্থ থাকুন।
৬) কোলেস্টেরল : ছোলা শরীরের অপ্রয়োজনীয় কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয়। ছোলার ফ্যাট বা তেলের বেশির ভাগ পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট ছাড়া ছোলায় আরও আছে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ লবণ।
৭) কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে : ছোলায় খাদ্য-আঁশও আছে বেশ। এ আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য সারায়। খাবারের আঁশ হজম হয় না। এভাবেই খাদ্যনালী অতিক্রম করতে থাকে। তাই পায়খানার পরিমাণ বাড়ে এবং পায়খানা নরম থাকে।
৮) ডায়াবেটিসে উপকারী : ১০০ গ্রাম ছোলায় আছে: প্রায় ১৭ গ্রাম আমিষ বা প্রোটিন, ৬৪ গ্রাম শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট এবং ৫ গ্রাম ফ্যাট বা তেল। ছোলার শর্করা বা কার্বোহাইডেটের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। তাই ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ছোলার শর্করা ভাল। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় ক্যালসিয়াম আছে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম, লৌহ ১০ মিলিগ্রাম, ও ভিটামিন এ ১৯০ মাইক্রোগ্রাম। এছাড়া আছে ভিটামিন বি-১, বি-২, ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়াম। এর সবই শরীরের উপকারে আসে।
৯) রক্তের চর্বি কমায় : ছোলার ফ্যাটের বেশিরভাগই পলি আনস্যাচুয়েটেড। এই ফ্যাট শরীরের জন্য মোটেই ক্ষতিকর নয়, বরং রক্তের চর্বি কমায়।
১০) অস্থির ভাব দূর করে : ছোলায় শর্করার গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের পরিমাণ কম থাকায় শরীরে প্রবেশ করার পর অস্থির ভাব দূর হয়।
১১) রোগ প্রতিরোধ করে : কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিকের চাহিদা পূরণ হয়। আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান বানায় এবং অ্যান্টিবায়োটিক যে কোনো অসুখের জন্য প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
১২) জ্বালাপোড়া দূর করে : সালফার নামক খাদ্য উপাদান থাকে এই ছোলাতে। সালফার মাথা গরম হয়ে যাওয়া, হাত-পায়ের তলায় জ্বালাপোড়া কমায়।
১৩) মেরুদণ্ডের ব্যথা দূর করে : এছাড়াও এতে ভিটামিন ‘বি’ও আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। ভিটামিন ‘বি’ মেরুদণ্ডের ব্যথা, স্নায়ুর দুর্বলতা কমায়। ছোলা অত্যন্ত পুষ্টিকর। এটি আমিষের একটি উল্লেখযোগ্য উৎস। এতে আমিষ মাংস বা মাছের পরিমাণের প্রায় সমান। তাই খাদ্যতালিকায় ছোলা থাকলে মাছ মাংসের প্রয়োজন পরে না। ত্বকে আনে মসৃণতা। কাঁচা ছোলা ভীষণ উপকারী। তবে ছোলার ডালের তৈরি ভাজা-পোড়া খাবার যত কম খাওয়া যায় ততই ভালো। তাই হজমশক্তি বুঝে ছোলা হোক পরিবারের শক্তি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Natore