Nobo Computer
সকল অধ্যায়ের পূর্ণরূপ
ICT Information and Communication Technology
IT= Information Technology
Al= Artificial Intelligence
VR= Virtual Reality
AR= Augmented Reality
GPS= Global Positioning system ISP= Internet Service Provider
SMS= Short Message Service
MMS= Multimedia Messaging Service IP= Internet Protocol
DNS Domain Name System
GIS= Geographic Information System WWW- World Wide Web
URL= Uniform Resource Locator
HTTP= Hyper Text Transfer Protocol
HTTPS= Hyper Text Transfer Protocol Secure
HTML= Hyper Text Markup Language
Wi-Fi Wireless Fidelity
GPS= Global Positioning System
ASCII= American Standard Code for Information Interchange
BCD= Binary Coded Decimal
LED Light Emitting Diode LCD= Liquid Crystal Display
৬ষ্ঠ অধ্যায়: ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
(“ক” সাজেশন)
১/ ডেটা কি? উ: ডেটা হলো কাঁচা তথ্য বা সংখ্যা, যা থেকে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে অর্থবহ তথ্য পাওয়া যায়। ২/ ডেটাবেজ কি? উ: ডেটাবেজ হলো তথ্য সংরক্ষণ, সংগঠিতকরণ ও ব্যবস্থাপনার একটি পদ্ধতিগত ভাণ্ডার।
৩/ DBMS কি? উ: DBMS (Database Management System) হলো এমন সফটওয়্যার যা ডেটাবেজ তৈরি, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে।
৪/ ফিল্ড কি? উ: টেবিলের প্রতিটি কলামকে ফিল্ড বলে, যা নির্দিষ্ট ধরনের তথ্য ধারণ করে।
৫/ রেকর্ড কাকে বলে? উ:টেবিলের প্রতিটি সারিকে রেকর্ড বলে, যেখানে এক ব্যক্তির/বস্তুর সমস্ত তথ্য থাকে।
৬/ ডেটা টাইপ কী? উ: ডেটাবেজে একটি ফিল্ডে কী ধরনের তথ্য রাখা হবে (যেমন সংখ্যা, লেখা, তারিখ) তার ধরনকে ডেটা টাইপ বলে।
৭/ রিলেশনাল ডেটাবেজ কী? উ: যে ডেটাবেজে একাধিক টেবিল প্রাইমারি ও ফরেন কী-এর মাধ্যমে পরস্পরের সাথে সম্পর্কিত থাকে তাকে রিলেশনাল ডেটাবেজ বলে।
৮/ জাংশন টেবিল কি? উ: দুটি টেবিলের মধ্যে Many to Many সম্পর্ক স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত মধ্যবর্তী টেবিলকে Junction Table বলে।
৯/ প্রাইমারি Key কী? উ: টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে এককভাবে সনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত ফিল্ডকে প্রাইমারি Key বলে।
১০/ SQL এর পূর্ণরূপ কী? উ: Structured Query Language l
১১/ ফরেন Key কী? উ: একটি টেবিলের ফিল্ড, যা অন্য একটি টেবিলের প্রাইমারি কী-এর সাথে সম্পর্ক তৈরি করে, তাকে ফরেন Key বলে।
১২/ সর্টিং কী? উ: নির্দিষ্ট ক্রমে (Ascending বা Descending) ডেটা সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং বলে।
১২/ সর্টিং কী? উ: নির্দিষ্ট ক্রমে (Ascending বা Descending) ডেটা সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং বলে। ১৩/ ইনডেক্সিং কী? উ: ডেটা দ্রুত খুঁজে বের করার জন্য টেবিলে বিশেষ সূচক তৈরি করার প্রক্রিয়াকে ইনডেক্সিং বলে।
১৪/ ডেটা এনক্রিপশন কী? উ: ডেটাকে বিশেষ অ্যালগরিদম দিয়ে কোডে রূপান্তর করে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে সুরক্ষিত রাখাকে ডেটা এনক্রিপশন বলে ।
১৫/ সাইফার টেক্সট কী? উ: এনক্রিপশনের ফলে যে অজানা ও অস্পষ্ট আকারে ডেটা পাওয়া যায় তাকে সাইফার টেক্সট বলে।
১৬/ কর্পোরেট ডেটাবেজ কী? উ: বড় কোনো প্রতিষ্ঠানের অফিস, শাখা বা বিভাগগুলো থেকে সংগৃহীত বিপুল তথ্যভাণ্ডারকে কর্পোরেট ডেটাবেজ বলে।
১৭/ ক্যুয়েরি ভাষা কী? উ: ডেটাবেজ থেকে তথ্য খোঁজা, যোগ করা, পরিবর্তন বা মুছে ফেলার জন্য ব্যবহৃত ভাষাকে ক্যুয়েরি ভাষা বলে ।
১৮/ প্লেইন টেক্সট কী? উ: মূল ডেটাকে বলা হয় প্লেইন টেক্সট
৫ম অধ্যায়: প্রোগ্রামিং ভাষা।
(“ক” সাজেশন”)
১. অ্যালগরিদম কী? উ: কোনো নির্দিষ্ট সমস্যার সমাধানের জন্য ধাপে ধাপে নির্দেশনার সুশৃঙ্খল উপস্থাপনাকে অ্যালগরিদম বলে।
২. ফ্লোচার্ট কী? উ: সমস্যার সমাধানের ধাপগুলোকে বিভিন্ন প্রতীক ব্যবহার করে চিত্র আকারে উপস্থাপন করাকে ফ্লোচার্ট বলে।
৩. প্রোগ্রাম কী? উ: কোনো নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করার জন্য প্রোগ্রামিং ভাষায় লেখা নির্দেশনার সমষ্টিকেই প্রোগ্রাম বলে।
৪. অ্যারে কী? উ: অ্যারে হলো একই ডেটা টাইপের কতগুলো ভেরিয়েবল সেট।
৫. ডেটা এনক্রিপশন কী? উ: ডেটাকে গোপন বা নিরাপদ রাখার জন্য সেটিকে এমন কোডে রূপান্তর করা হয় যাতে অননুমোদিত ব্যক্তি তা পড়তে না পারে – একে ডেটা এনক্রিপশন বলে।
৬. চলক (Variable) কী? উ: মেমোরি অ্যাড্রেস সরাসরি ব্যবহার না করে একটি নাম দিয়ে ঐ নামের অধীনে ডেটা রাখাকে চলক বলে।
৭. কম্পাইলার কী? উ: কম্পাইলার হলো এক ধরনের অনুবাদ সফটওয়্যার যা হাইলেভেল ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষায় রূপান্তরকার করে
৮. অনুবাদক প্রোগ্রাম কী? উ: উচ্চস্তরের ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষায় রূপান্তরকারী সফটওয়্যারকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে
(যেমন: কম্পাইলার, ইন্টারপ্রিটার, অ্যাসেম্বলার)
৯. 4GL কী? উ: Fourth Generation Language (4GL) হলো এমন এক প্রোগ্রামিং ভাষা যাতে খুব অল্প কোড লিখেই বড় কাজ সম্পন্ন করা যায়। (যেমন: SQL, FoxPro)
১০. সুডোকোড কী? উ: গ্রিক শব্দ সুডো মানে মিথ্যা অর্থাৎ সুডোকোড হচ্ছে সেই কোড যা কোন কোড নয়।
১১. C ভাষায় কী-ওয়ার্ড কী? উ: C ভাষায় নির্দিষ্ট অর্থবোধক এবং সংরক্ষিত শব্দসমূহকে কী-ওয়ার্ড (Keyword) বলে। (যেমন: int, for, if, return ইত্যাদি)
১২. Syntax Error কী? উ: প্রোগ্রামের বাক্য গঠনে ভুল হলে তাকে Syntax Error বলে। (যেমন: সেমিকোলন ভুলে যাওয়া, ভুল ব্র্যাকেট ব্যবহার করা)
১৩. ডিবাগিং কী? উ: প্রোগ্রামের ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করাকে ডিবাগিং বলে ।
১৪. Dry Run কী? উ: প্রোগ্রাম বাস্তবে চালু না করে কাগজে কলমে ধাপে ধাপে পরীক্ষার মাধ্যমে ত্রুটি নির্ণয় করাকে Dry Run বলে।
১৫. ফাংশন কী? উ: বড় কোন প্রোগ্রামকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করাকে ফাংশন বলে।
চতুর্থ অধ্যায়:
ওয়েব ডিজাইন পরিচিতি ও HTML
(“ক” সাজেশন)
1. HTML Syntax কাকে বলে? উ: HTML কোড লেখার নির্দিষ্ট নিয়মকেই HTML Syntax বলে।
2. IP Address কাকে বলে? উ: ইন্টারনেটে ব্যবহৃত প্রতিটি ডিভাইসকে চিহ্নিত করার জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যামালা হলো IP Address (Internet Protocol Address)।
3. Tag কাকে বলে? উ: HTML-এ < > চিহ্নের ভেতরে লেখা নির্দেশ বা কমান্ডকে Tag বলে। যেমন:
I
4. ওয়েব ব্রাউজার কাকে বলে? উ: ওয়েবসাইট প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যারকে ওয়েব ব্রাউজার বলে। যেমন: Chrome, Firefox, Edge l
5. HTML Element কাকে বলে? উ: শুরু ট্যাগ, শেষ ট্যাগ এবং তাদের মধ্যবর্তী কনটেন্ট মিলে HTML Element গঠিত হয়। যেমন: ContentI
6. ওয়েব সার্ভার কাকে বলে? উ: ওয়েব সার্ভার হলো বিশেষ কম্পিউটার বা সফটওয়্যার যা ওয়েবসাইট সংরক্ষণ করে এবং ব্যবহারকারীর অনুরোধে তা সরবরাহ করে।
7. IP Address এর পূর্ণরূপ কী? উ: Internet Protocol Address |
8. Domain কাকে বলে? উ: ওয়েবসাইটকে সহজে মনে রাখার জন্য নির্দিষ্ট নাম হলো Domain । যেমন: google.com
9. Website Publishing কাকে বলে? উ: একটি ওয়েবসাইটকে ইন্টারনেটে সকল ব্যবহারকারীর জন্য উন্মুক্ত করার প্রক্রিয়াকে Website Publishing বলে।
10. নেটওয়ার্ক কাকে বলে? উ: একাধিক কম্পিউটার বা ডিভাইসকে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সংযুক্ত করাকে নেটওয়ার্ক বলে।
11. ওয়েব পেজ কাকে বলে? উ: HTML দ্বারা তৈরি এবং ওয়েব ব্রাউজারে প্রদর্শিত ডকুমেন্টকে
ওয়েব পেজ বলে ।
12. Browser কাকে বলে? উ: ওয়েব ব্রাউজার হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা HTML কোডকে বুঝে ওয়েবসাইট প্রদর্শন করে।
13. Attribute কাকে বলে? উ: HTML ট্যাগের অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করার অংশকে Attribute বলে। যেমন:
14. HTTP কাকে বলে? উ: HTTP এর পূর্ণরূপ হলো Hyper Text Transfer Protocol। এটি ইন্টারনেটে ডাটা আদান-প্রদানে ব্যবহৃত হয়।
15. এম্পটি ট্যাগ কী? উ: যে ট্যাগের শুরু আছে কিন্তু শেষ নাই তাকে এম্পটি ট্যাগ বলে
তৃতীয় অধ্যায় (দ্বিতীয় অংশ): ডিজিটাল ডিভাইস
(“ক” সাজেশন)
১. ডিজিটাল ডিভাইস কি?
উ: যে ডিজিটাল সার্কিটে এক বা একাধিক ইনপুট থাকে কিন্তু একটি মাত্র আউটপুট পাওয়া যায় তাকে ডিজিটাল ডিভাইস বলে
২. লজিক গেইট কি?
উ: যে ডিজিটাল সার্কিট যুক্তি মূলক সংকেত প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে তাকে লজিক গেইট বলে।
৩. মৌলিক গেইট কি?
উ: AND, OR, NOT গেইটকে মৌলিক গেইট বলে।
৪. যৌগিক গেইট কি?
উ: মৌলিক গেইট ছাড়া যে গেইট তৈরি করা যায় না তাকে যৌগিক গেইট বলে
৫. সার্বজনীন গেইট কি?
উ: যে গেইট দিয়ে সকল গেইট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
৬. বিশেষ গেইট কি?
উ: Exclusive OR গেইট এবং Exclusive NOR গেইটকে বিশেষ গেইট বলে।
৭. বুলিয়ান অ্যালজেবরা কি?
উ: লজিক্যাল মান ০ ও ১ দিয়ে যৌক্তিক ক্রিয়া সম্পাদনের গাণিতিক পদ্ধতিকে বুলিয়ান অ্যালজেবরা বলে।
৮.সত্যক সারণি কি?
উ: যে টেবিল বা সারণিতে ডিজিটাল সার্কিটের ফলাফল প্রকাশ করা হয় তাকে সত্যক সারণি বলে।
৯. এনকোডার কি?
উ: যে সার্কিটের সাহায্যে মানুষের ব্যবহৃত ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষায় রুপান্তর করে তাকে এনকোডার বলে।
১০. ডিকোডার কি?
উ: যে সার্কিটের সাহায্যে কম্পিউটারের ব্যবহৃত ভাষা মানুষের বোধগম্য ভাষায় রুপান্তর করে তাকে ডিকোডার বলে।
১১. অ্যাডার কি?
উ: যে সার্কিট যোগের কাজ সম্পন্ন করে তাকে অ্যাডার বলে।
১২. হাফ-অ্যাডার কি?
উ: যে সার্কিট দুই বিটের সাহায্যে যোগের কাজ সম্পন্ন করে তাকে হাফ-অ্যাডার বলে।
১৩. ফুল অ্যাডার কি?
উ: যে সার্কিট তিন বিটের সাহায্যে যোগের কাজ সম্পন্ন করে তাকে ফুল অ্যাডার বলে।
১৪. কাউন্টার কি?
উ: যে সার্কিট ইনপুটের পালসের সংখ্যা গণনা করে তাকে কাউন্টার বলে।
১৫. রেজিস্টার কি?
উ: মাইক্রোপ্রসেসরের অভ্যন্তরে অবস্থিত উচ্চ গতি সম্পন্ন এক ধরনের মেমোরি।
১৬. ফ্লিপ ফ্লোপ কি?
উ: ফ্লিপ ফ্লোপ হচ্ছে লজিক গেইট দ্বারা তৈরি এক ধরনের মেমোরি। যা এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পার।
তৃতীয় অধ্যায়
(প্রথম অংশ): সংখ্যা পদ্ধতি
১. সংখ্যা পদ্ধতি কি?
উ: কোন সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করে কোন কিছু গণনা করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে ৷
২. সংখ্যা পদ্ধতির বেজ কি?
উ: সংখ্যা পদ্ধতির বেজ হচ্ছে ঐ সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত মৌলিক চিহ্নের মোট সংখ্যা
৩. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি কি?
উ: যে সংখ্যা পদ্ধতির স্থানীয় মান আছে তাকে পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
৪. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি কি?
উ: যে সংখ্যা পদ্ধতির স্থানীয় মান নেই তাকে নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
৫. রেডিক্স পয়েন্ট কি?
উ: পূর্ণ সংখ্যা ও ভগ্নাংশ সংখ্যার মাঝে যে চিহ্ন বসে তাকে রেডিক্স পয়েন্ট বলে।
৬. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি কি?
উ: যে সংখ্যা পদ্ধতির বেজ ১০ অর্থাৎ দশটি মৌলিক চিহ্ন আছে তাকে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
৭. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি কি?
উ: যে সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২ অর্থাৎ দুটি মৌলিক চিহ্ন আছে তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে ।
৮. কোড কি?
উ: ডেটা বা তথ্যকে নির্দিষ্ট প্রতীক বা সংখ্যায় প্রকাশের নিয়মকে কোড বলে।
৯. BCD কোড কি?
উ: চার বিটের মাধ্যমে দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশ করার কোডকে BCD কোড বলে।
১০. ইউনিকোড কি?
উ: যে কোডের মাধ্যমে বিশ্বের সকল ভাষাকে কম্পিউটারে অন্তর্ভুক্ত করা যায় তাকে ইউনিকোড বলে
১১. ২ এর পরিপূরক কি?
উ: বাইনারি সংখ্যার ১ এর পরিপূরকের সাথে ১ যোগ করলে যা পাওয়া যায় তাকে ২-পরিপূরক বলে।
দ্বিতীয় অধ্যায়:
ডেটা কমিউনিকেশন সিস্টেম ও নেটওয়ার্কিং
১I NIC কী?উ: NIC হলো Network Interface Card। এটি একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস, যা কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কের (যেমন LAN) সঙ্গে সংযুক্ত হতে সাহায্য করে।
২। নেটওয়ার্ক টপোলজি কী? উ: নেটওয়ার্ক টপোলজি হলো একটি নেটওয়ার্কে বিভিন্ন কম্পিউটার বা ডিভাইস কীভাবে সংযুক্ত থাকবে, তার বিন্যাস বা গঠন
৩। LAN কী? উ: LAN বা Local Area Network হলো একটি নেটওয়ার্ক, যেখানে এক ভবন বা সীমিত এলাকায় একাধিক কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে এবং পরস্পরের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।
৪। ব্যান্ডউইথ (Bandwidth) কী? উ: ব্যান্ডউইথ হলো একটি যোগাযোগ চ্যানেল দিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে সর্বাধিক কত তথ্য আদান-প্রদান করা যায় তার পরিমাণ।
৫। গেটওয়ে কী?উ: গেটওয়ে হলো এমন একটি ডিভাইস, যা এক ধরনের নেটওয়ার্ককে অন্য ধরনের নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করে এবং ডেটা আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে।
৬। কোর (Core) কী?
কোর হলো প্রসেসরের (CPU) অভ্যন্তরে থাকা প্রধান কাজের অংশ, যা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করে। একটি CPU- তে একাধিক কোর থাকতে পারে।
৭। রাউটার (Router) কী?
রাউটার হলো একটি ডিভাইস, যা বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করে এবং সঠিক গন্তব্যে ডেটা পাঠায়।
৮। হটস্পট (Hotspot) কী?
হটস্পট হলো এমন একটি স্থান বা ডিভাইস, যেখানে ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সংযোগ (Wi-Fi) পাওয়া যায়।
৯। মডেম (Modem) কী?
মডেম এমন একটি ডিভাইস, যা ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তর করে (এবং উল্টোটা), যাতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ সম্ভব হয় ।
১০। নেটওয়ার্কিং কী?
নেটওয়ার্কিং হলো বিভিন্ন কম্পিউটার ও ডিভাইসকে সংযুক্ত করে তথ্য, ফাইল, প্রিন্টার ইত্যাদি একে অপরের সঙ্গে ভাগাভাগি করার প্রক্রিয়া।
১১। ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (VPN) কী?
VPN হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করে নিরাপদভাবে অন্য নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হওয়া যায়।
১২। WWW কী?
WWW বা World Wide Web হলো ইন্টারনেটে থাকা ওয়েব পেজ বা ওয়েবসাইটের সমষ্টি, যা ব্রাউজারের মাধ্যমে দেখা যায় ৷
১৩। নেটওয়ার্ক প্রোটোকল কী?
নেটওয়ার্ক প্রোটোকল হলো নিয়ম বা নীতি, যা কম্পিউটারগুলো নেটওয়ার্কে তথ্য আদান-প্রদানের সময় অনুসরণ
করে।
১৫। সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিটের (CPU) কাজ কী?
CPU হলো কম্পিউটারের “মস্তিষ্ক”। এটি ডেটা প্রক্রিয়াকরণ, নির্দেশনা অনুসরণ এবং প্রোগ্রামের কাজ সম্পাদন করে।
১৬। BPS কী? উ: BPS বা Bit Per Second হলো ডেটা স্থানান্তরের গতি পরিমাপের একক, অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে কত বিট তথ্য প্রেরণ হচ্ছে।
১৭. রিপিটার (Repeater) কী?
রিপিটার হলো একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যা দুর্বল সিগন্যালকে পুনরায় শক্তিশালী করে দূরবর্তী স্থানে পাঠায়।
১৮. পিকোনেট (Piconet) কী?
পিকোনেট হলো ব্লুটুথ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি একটি ছোট ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক, যেখানে একাধিক ডিভাইস স্বল্প দূরত্বে সংযুক্ত থাকে।
১৯. সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission) কী?
সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন হলো এমন এক ধরনের ডেটা প্রেরণ পদ্ধতি, যেখানে প্রেরক ও গ্রাহক উভয় ডিভাইস একই ঘড়ির (Clock) গতিতে একসঙ্গে ডেটা পাঠায় ও গ্রহণ করে।
২০. মাইক্রোওয়েভ (Microwave) কী?
মাইক্রোওয়েভ হলো এক ধরনের তারবিহীন যোগাযোগ মাধ্যম, যেখানে খুব ছোট দৈর্ঘ্যের (High frequency) তড়িৎ-চৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করে তথ্য প্রেরণ করা হয়।
২১. ডেটা কমিউনিকেশন মাধ্যমে কী?
যে পথ বা উপায়ে তথ্য এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে প্রেরিত হয়।
২২. ডেটা ট্রান্সমিশন মোড (Data Transmission Mode) কী?
ডেটা ট্রান্সমিশন মোড হলো ডেটা প্রেরক ও গ্রাহকের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের দিক নির্দেশ করার পদ্ধতি।
২৩. সিমপ্লেক্স মোড (Simplex Mode) কী?
সিমপ্লেক্স মোডে ডেটা একমুখীভাবে প্রবাহিত হয়। অর্থাৎ শুধু প্রেরক থেকে গ্রাহকের কাছে যায়, কিন্তু গ্রাহক কিছু পাঠাতে পারে না।
২৪. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড (Half-Duplex Mode) কী?
হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে ডেটা দুই দিকেই যেতে পারে, তবে একসাথে নয়।
২৫. ফুল-ডুপ্লেক্স মোড (Full Duplex Mode) কী?
ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে ডেটা উভয় দিকেই একসাথে আদান-প্রদান করা যায়।
২৬. মাল্টিকাস্ট মোড (Multicast Mode) কী?
মাল্টিকাস্ট মোডে এক প্রেরক একসাথে নির্দিষ্ট কিছু গ্রাহকের কাছে ডেটা পাঠায়।
২৭. ইউনিকাস্ট মোড (Unicast Mode) কী?
ইউনিকাস্ট মোডে ডেটা এক প্রেরক থেকে এক গ্রাহকের কাছে পাঠানো হয়।
প্রথম অধ্যায়: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
১. বিশ্বগ্রাম কী? উ: বৈশ্বিক যোগাযোগের সমৃদ্ধ স্থানকে বিশ্বগ্রাম বলে ।
২. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কী? উ: ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে যা বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের ন্যায় কল্পনা নির্ভর বিজ্ঞান ৩.রোবটিক্স কী? উ: রোবটের নকশা, নির্মাণ ও নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক প্রযুক্তিকে রোবটিক্স বলা হয়।
৪. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কী? উ: মানুষের মতো চিন্তা, বিশ্লেষণ ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার ব্যবস্থা তৈরির প্রযুক্তিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
৫. বায়োমেট্রিক্স কী? উ: মানুষের শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে ব্যক্তিকে শনাক্ত করার প্রযুক্তি হলো বায়োমেট্রিক্স (Biometrics ) ।
৬. বায়োইনফরমেট্রিক্স কী? উ: জীববিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ে গঠিত এমন শাস্ত্র, যেখানে জীবজ তথ্য বিশ্লেষণ ও সংরক্ষণ করা হয় তাকে বায়োইনফরমেট্রিক্স বলে।
৭. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং কী? উ: জিন বা বংশগত উপাদান পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন বৈশিষ্ট্যযুক্ত জীব তৈরি করার প্রযুক্তিকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বলে।
৮. ন্যানোটেকনোলজি কী? উ: অতি ক্ষুদ্র কণার (ন্যানোমিটার স্তরে) সাহায্যে বস্তু তৈরির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি হলো ন্যানোটেকনোলজি
৯. ই-লার্নিং কী? উ: ইন্টারনেট ও ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে অনলাইনে শিক্ষা গ্রহণ বা প্রদান করাকে ই-লার্নিং বলে।
১০. নিউরাল নেট কী? উ: নিউরাল নেট হচ্ছে যা মানুষের মস্তিষ্কের মত কাজ করে।
১১.মহাকাশ অভিযান কী? উ:মহাকাশে গবেষণা, তথ্য সংগ্রহ বা ভ্রমণের উদ্দেশ্যে পাঠানো যেকোনো কার্যক্রমকে মহাকাশ অভিযান বলা হয়।
১২. সফটওয়্যার পাইরেসি কী? আইনগত অনুমতি ছাড়া সফটওয়্যার কপি, বিতরণ বা ব্যবহার করাকে সফটওয়্যার পাইরেসি (Software Piracy) বলে।
১৩. ন্যানো-পার্টিকেল কী? উ: যে কণার আকার ১ থেকে ১০০ ন্যানোমিটারের মধ্যে থাকে, তাকে ন্যানো- পার্টিকেল (Nanoparticle) বলে।১৪. ই-কমার্স কী? উ: ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় করাকে ই-কমার্স বলে।
১৫. প্লেজিয়ারিজম কী? উ: অন্যের লেখা বা ধারণা অনুমতি ছাড়া নিজের নামে ব্যবহার করাকে প্লেজিয়ারিজম বলা হয়।
১৬. মেশিন লার্নিং কী? উ:এমন এক প্রযুক্তি যেখানে কম্পিউটার নিজে নিজে তথ্য বিশ্লেষণ করে শিখে এবং সিদ্ধান্ত নিতে পারে, তাকে মেশিন লার্নিং (Machine Learning) বলে।
১৭. ফিশিং কি? উ: ব্যবহারকারীর গোপন তথ্য চুরির উদ্দেশ্যে ভুয়া বার্তা বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করাকে ফিশিং (Phishing) বলে।
১৮. হ্যাকিং কী? উ: মালিকের অনুমতি ছাড়া কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশ করে তথ্য চুরি বা ক্ষতি করার প্রক্রিয়াকে হ্যাকিং (Hacking) বলে।
কম্পিউটার বিষয়ক কিছু সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন যা ছাত্র-ছাত্রীদের জানা প্রয়োজন :
চলো এই প্রশ্ন ও উত্তর গুলোতে একটু চোখ বুলিয়ে নেই -
১। ওয়েব পেইজ কী?
ওয়েব পেইজ হলো এক ধরনের ওয়েব ডকুমেন্ট যা বিভিন্ন দেশের সার্ভারে রাধা হয় এবং যে কোন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ব্রাউজারের মাধ্যমে যে কোন জায়গা থেকে দেখতে পারে।
২। ওয়েবসাইট কী?
একই ডোমেইনের অধীনে সার্ভারে রাখ্য পরস্পর সংযুক্ত এক বা একাধিক ওয়েবপেজের সমষ্টিকে ওয়েবসাইট বলা হয়।
৩। হোমপেইজ কী?
ওয়েবসাইটে প্রথম ঢুকলে যে পেইজটি প্রদর্শিত হয় সেটিকে হোমপেইজ বলা হয়।
৪। ওয়েবপেইজ কী?
একটি ওয়েবসাইটের স্বতন্ত্র কোনো পেইজকে ওয়েবপেইজ বলা হয়।
৫। ওয়েবসার্ভার কী?
ইন্টারনেটে সার্বক্ষণিক যুক্ত সার্ভারে ওয়েবসাইট রাখা হয় ওয়েবসাইটকে যেখানে হোস্ট করা হয় তাকে ওয়েবসার্ভার বলা হয়।
৬। IIS কী?
মাইক্রোসফটের ওয়েব সার্ভার হলো Internet Information Services (IIS)।
৭। ওয়েব অ্যাড্রেস কী?
ইন্টারনেটে ওয়েবসাইটটি যে সার্ভারে রাখা হবে তার জন্য একটি নির্দিষ্ট ঠিকানা থাকে। এটিকে ইউআরএল (URL-Uniform Resource Locator) বা ওয়েব অ্যাড্রেস বলা হয়)।
৮। WWW এর পূর্ণরুপ কী?
WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web।
৯। WWW কী?
সারা বিশ্বের সমস্ত ওয়েবপেজের সংগ্রহকেই ওয়েন বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) বলা হয়।
১০। IP Address কী?
ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি কমপিউটারের একটি ঠিকানা থাকে। এ ঠিকানাকে আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) বলা হয়।
১১। IP Address এর পূর্ণরুপ কী?
IP Address এর পূর্ণ রূপ হলো Internet Protocol Address।
১২। ওয়েব কী?
ইন্টারনেট ব্যবহার করে ওয়েবসাইট থেকে তথ্য নেয়ায় প্রক্রিয়াকে ওয়েব বলা হয়।
১৩। সার্ভার কী?
সার্ভার হলো কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত অপেক্ষাকৃত বেশি শক্তিশালী কম্পিউটার যেখানে বিভিন্ন ওয়েবপেজ ডেটা এবং সার্ভার সফটওয়্যার সংরক্ষিত থাকে এবং নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যে অন্যান্য কম্পিউটারকে ডেটা সার্ভিস দিয়ে থাকে।
১৪। ক্লায়েন্ট কী?
যেসকল কম্পিউটার সার্ভারে সংরক্ষিত ডেটা ব্যবহার করে তাকে ক্লায়েন্ট বলা হয়।
১৫। ওয়েব পোর্টাল কী?
ওয়েব পোর্টাল হচ্ছে এমন একটি বিশেষ ওয়েবপেজ যেখানে অনেক উৎস থেকে সংগৃহীত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং লিঙ্ক সাজানো থাকে।
১৬। প্রোটোকল কী?
কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে যোগাযোগের নির্দিষ্ট নিয়মনীতিকে প্রোটোকল বলা হয়।
১৭। HTTP কী?
HTTP এটি হলো একটি এপ্লিকেশন লেবেল প্রোটোকল (নিয়ম-নীতি) যা ওয়েবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।
১৮। FTP এর পূর্ণরুপ কী?
FTP এর পূর্ণনাম হলো File Transfer Protocol।
১৯। আপলোড কী?
নিজের কম্পিউটার হতে কোনো ফাইল অন্যের কম্পিউটারে অথবা সার্ভারে প্রেরণকে আপলোড বলা হয়।
২০। ডাউনলোড কী?
প্রয়োজনে অন্যের কম্পিউটার অথবা সার্ভার হতে ফাইল নিজের কম্পিউটারে নিয়ে আসাকে ডাউনলোড বলা হয়।
২১। ই-কমার্স কী?
যে সকল ওয়েবসাইটে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় এবং মূল্য পরিশোধ করার ব্যবস্থা থাকে তাদেরকে ই-কমার্স ওয়েবসাইট বলা হয়।
২২। ব্লগ ওয়েবসাইট কী?
যখন কোনো ব্যক্তি কোনো নির্দিষ্ট এক বা একাধিক বিষয়ের উপর লেখা প্রকাশের উদ্দেশ্যে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে, তখন ঐ ওয়েবসাইটকে সাধারণত্র ব্লগিং সাইট বা ব্লগ ওয়েবসাইট বলা হয়।
২৩। নিউজ পোর্টাল কী?
চলমান সংবাদ বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে প্রচার করার জন্য তৈরি ওয়েবসাইটকে নিউজ পোর্টাল বলা হয়।
২৪। DNS সার্ভার এর পূর্ণরূপ কী?
DNS সার্ভার এর পূর্ণরূপ Damain Name System সার্ভার।
২৫। SEO এর পূর্ণরূপ কী?
SEO এর পূর্ণরূপ হলো Search Engine Optimization।
২৬। CEO কী?
একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের সাথে যুক্ত করার প্রক্রিয়াকে SEO বলা হয়।
২৭। ওয়েব ব্রাউজার কী
ওয়েব ব্রাউজার হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব রিসোর্স থেকে তথ্য খুঁজে বের করা একসিস কর এবং উপস্থাপন করার একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
২৮। সার্চ ইঞ্জিন কী?
ইন্টারনেটের অজস্র ওয়েব সার্ভার থেকে সহজেই যেকোনো তথ্য খুঁজে বের করার টুলকে সার্চ ইঞ্জিন বলা হয়।
২৯। টপ লেভেল ডোমেইন কী?
ডোমেইন নেমের ডট এর পরের অংশটিকে টপ লেভেল ডোমেইন বলা হয়।
৩০। ডোমেইন নেম কী?
ক্যারেক্টার ফর্মের দেয়া কম্পিউটারের এরূপ নামকে ডোমেইন নেম বলা হয়।
৩১। স্ট্যাটিক ওয়েবপেজ কী?
যে সকল ওয়েবপেজে পূর্ব থেকে তৈরিকৃত কিছু তথ্য প্রদর্শন করে থাকে সে। সকল ওয়েবপেজকে স্ট্যাটিক ওয়েবপেজ বলে।
৩২। ডাইনামিক ওয়েবপেজ কী?
যে সকল ওয়েবপেজে আপডেট তথ্য প্রদর্শন করে অর্থাৎ পরিবর্তিত তথ্য। প্রদর্শন করে সে সকল ওয়েবপেজকে ডাইনামিক ওয়েবপেজ বলা হয়।
৩৩। লোকাল ওয়েবপেজ কী?
যে সকল ওয়েবপেজ সাধারণত নিজস্ব কম্পিউটার বা সার্ভারে সংরক্ষণ করা হয় এবং সোর্স ড্রাইভ ও ডিরেক্টরি থেকে সহজেই বাবহার করা যায় সেগুলোকে লোকাল ওয়েবপেজ বলা হয়।
৩৪। ওয়েবসাইটের কাঠামো কী?
যে অবকাঠামোতে একটি ওয়েবসাইটের সকল তথ্য বা বিষয়বস্তু উপস্থাপন করা হয় ভাবে ওয়েবসাইটের কাঠামো বলে।
৩৫। লেআউট কী?
লেআউট হলো একটি পেজের প্রধান কন্টেস্ট এরিয়ার স্ট্রাকচার বা অবকাঠামো।
৩৬। হায়ারারকিক্যাল কাঠামো কী?
যে ওয়েবসাইটের পেইজগুলো শাখা-প্রশাখায় সাজানো থাকে তাকে ট্রি বা হায়ারারকিক্যাল কাঠামো বলা হয়।
৩৭। নেটওয়ার্ক কাঠামো কী?
যে ওয়েবসাইট কাঠামোতে সবগুলো পেইজ একটি অপরটির সাথে লিংক থাকে ডাকে নেটওয়ার্ক কাঠামো বলা হয়।
৩৮। লিনিয়ার স্ট্রাকচার কী?
কোন ওয়েবসাইটের পেইজগুলো ক্রমানুসারে করার ট্রোকচার বা কাঠামোকে লিনিয়ার স্ট্রাকচার বলা হয়।
৩৯। হাইব্রিড বা কম্বিনেশন বা মিক্সড স্ট্রাকচার কী?
একাধিক কাঠামো ব্যবহার করে ডিজাইন করা ওয়েবসাইটকে হাইব্রিড বা কম্বিনেশন বা মিক্সড স্ট্রাকচার বলা হয়।
৪০। HTML Hypertext কী?
এইচটিএমএল (HTML Hypertext) হলো ওয়েবপেজ তৈরির জন্য বহুল ব্যবহৃত একটি মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ।
৪১। HTML কী?
HTML হালা ওয়েবপেজ লেখার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ।
৪২। HTML Elements কী?
এইচটিএমএল Elements বলতে এইচটিএমএল এর উপাদানসমূহ বুঝানো হয়ে থাকে একটি ওপেনিং ট্যাগ আর ক্লোজিং ট্যাগ নিয়ে গঠিত হয় একটি এইচটিএমএল এলিমেন্ট এবং ট্যাগের ভিতরের কন্টেন্টসহ সব কিছুকেই এলিমেন্ট বলা হয়।
৪৩। এম্পটি এলিমেন্ট কী?
কনটেন্ট নেই এমন ধরনের HTML এলিমেন্টকে এম্পটি এলিমেন্ট বলে।
৪৪। এট্রিবিউট কী?
এট্রিবিউট হচ্ছে কোনো কিছুর বৈশিষ্ট্য নির্ধারক নির্দেশ।
৪৫। ফরম্যাটিং কী?
ওয়েবপেজের লেখা বা টেক্সটকে সঠিক আকৃতি বা রূপ প্রদান করে দৃষ্টিনন্দন করে উপস্থাপন করে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টাকে ফরম্যাটিং বলা হয়।
৪৬। নন-ব্রেকিং স্পেস কী?
HTML এ সবচেয়ে সাধারণ ক্যারেক্টার এনটিটি হলো নন-ব্রেকিং স্পেস।
৪৭। মেটাডেটা কী?
ডেটা (তথ্য) সম্পর্কিত ডেটাকে মেটাডেটা বলা হয়।
৪৮। হাইপারলিংক কী?
ওয়েবপেজের বিভিন্ন ধরনের তথ্যাবলির ভেতর ভার্চুয়াল সংযোগ স্থাপন করার ব্যবস্থাই হচ্ছে হাইপারলিংক।
৪৯। ইন্টারনাল হাইপারলিংক কী?
একই সার্ভারে অবস্থিত একটি ওয়েবসাইটের এক পেজের সাথে জন্য পেজের লিংক তৈরি করাকে ইন্টারনাল হাইপারলিংক বলে।
৫০। আনঅর্ডার লিস্ট কী?
লিস্ট আইটেমগুলো বুলেট (ছোট ছোট কালো বৃত্ত বা বর্গ) চিহ্ন দ্বারা চিহ্নিত করাকে আনঅর্ডার লিস্ট বলা হয়।
৫১। ওয়েব ডিজাইন কী?
ওয়েব ডিজাইন হলো দিনই বিষয় নির্ধারণ, হাফিজ ডিজাইন এবং ওয়েয়ণের প্রদর্শন এ ছিলটী বিষয়ের সম্মিলিত রুপ।
৫২। ওয়েবসাইট পাবলিশিং কী?
ওয়েবসাইট পাবলিশিং বলতে তৈরিকৃত ওয়েবসাইট কোন ওয়েব হোস্টিং সেবার মাধ্যমে ইন্টারনেটে প্রক্কাপ করা বুঝায়। স্বর্থাৎ ওয়েষশেজ তৈরি করনে পর ওয়েব সার্ভার হোসিৗং প্রক্রিয়াকে ওয়েবসাইট পাবলিশিং বলা হয়।
৫৩। ওয়েবপেইজ ডিজাইন কী?
ওয়েবসাইটের কনটেন্টগুলো বিভিন্ন পেজে কীভাবে প্রদর্শিত হবে তা ডিজাইন করাকে ওয়েবপেজ ডিজাইন বলা হয়।
৫৪। ডোমেইন নেম কী?
প্রতিটি সাইটের একটি স্বতন্ত্র নাম থাকতে হয় যেটিকে ডোমেইন নেম বলা হয়।
কিভাবে একটি ইমেইল আইডি খুলবো ?
ইমেইল আইডি খুলা আহামরি কঠিন কোন কাজ নয়, একবার দেখিয়ে দিলে এরপর প্রয়োজন পড়লে নিজেই খুলে নিতে পারবেন। আজকে আমরা দেখবো কিভাবে একটি জিমেইল আইডি তৈরি করতে হয়।
জিমেইল আইডি খোলার ১ম ধাপ :
জিমেইল ডট কম এ যাওয়া, এতে আপনি নিচের ছবির মতো একটি পেইজ দেখতে পাবেন। সেখান থেকে Create Account লেখাতে ক্লিক করুন।
জিমেইল আইডি খোলার দ্বিতীয় ধাপ :
এবার একটি পেইজ ওপেন হবে। সেখানে আপনার নামের প্রথম অংশ এবং শেষ অংশ দিন। এবার আপনার ইমেইল ঠিকানা কি দিতে চান সেটা দিন। আপনার নাম যদি হয় মিস্টার রহমান, তাহলে প্রথমে সেটা দিয়েই চেষ্টা করুন, যদি ইতোপূর্বে কেউ সেই ঠিকানা না নিয়ে থাকে তাহলে আপনি পেয়ে যাবেন। আর যদি ঐ নামে ইতোপূর্বেই কারও ঠিকানা রেজিস্টার করা থাকে তাহলে
" someone already has that username try another ?"এই মেসেজটি দেখতে পাবেন। তখন আপনার নামের সাথে কোন সংখ্যা বা বিশেষ কিছু জুড়ে দিয়ে চেষ্টা করতে পারেন। যদি আবারও একই মেসেজ দেখায় তাহলে আরও কিছু দিয়ে চেষ্টা কারুন। যদি আর কোন মেসেজ না দেখায় তাহলে শুভকামনা, আপনার ইমেইল এড্রেসটি তৈরি করার উপযুক্ত। এবার আপনার ইমেইলের জন্যে একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দিন, যেটা অন্য কেউ চিন্তা ভাবনা করে বের করতে পারবেনা। যতো কঠিন পাসওয়ার্ড দিবেন, আপনার ইমেইল আইডি হ্যাক হওয়া থেকে ততোই সুরক্ষিত থাকবে। তবে নিজেই ভুলে যাবেন এমন কোন পাসওয়ার্ড না দেয়া ভালো। এবার আপনার জন্ম তারিখ, লিঙ্গ আর ফোন নাম্বার দিয়ে দিন। এরপর বর্তমানে আপনি কি ইমেইল আইডি ইউজ করছেন সেটা দিতে বলবে, যদি থেকে থাকে তাহলে দিন। তবে আমরা ধরে নিচ্ছি যে এটিই আপনার প্রথম ইমেইল আইডি, তাই এই ঘরটি খালি রাখুন। এরপর আপনাকে একটি ক্যাপচা কোড লিখতে বলবেন, চাইলে লিখতে পারেন, আর না চাইলে এর উপরে থাকা টিক বক্সে টিক দিন। এতে অবশ্য ভেরিফিকেশনের জন্যে আপনার মোবাইলে একটি কোড পাঠাতে পারে, আবার নাও পারে। এরপর নিচে টার্মস এবং প্রাইভেসি পলিসিতে টিক দিয়ে Next step লেখায় ক্লিক করুন।
ব্যস আপনার ইমেইল আইডি তৈরি।
কিভাবে ই-মেইল পাঠাতে হয় ?
ইমেইল পাঠানোর প্রথম ধাপ :
প্রথমেই জিমেইলে গিয়ে আপনার ইমেইল ঠিকানা এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। পুরোপুরি না হলেও অনেকটা নিচের ছবির মতো পেইজ আসবে। সেখানে একদম বামে খেয়াল করুন। Compose নামে একটি বাটন আছে। সেটিতে ক্লিক করুন।
ইমেইল পাঠানোর দ্বিতীয় ধাপ :
কম্পোস বাটনে ক্লিক করলে আপনার ডান দিকে নিচে একটি নতুন উইন্ডো ওপেন হবে। সেখানে নিচের ছবিতে যেখানে দেখানো হয়েছে সেখানে ইমেইল এড্রেস, ইমেইলের সাবজেক্ট এবং মূল ইমেইল লিখে Sand বাটনে ক্লিক করলেই আপনার ইমেইলটি প্রাপকের কাছে চলে যাবে। অর্থাৎ মাত্র দুইটি সহজ ধাপেই আপনি ইমেইল পাঠাতে পারলেন। কিভাবে ইমেইলের রিপ্লাই দিবো ? যারা ইতোমধ্যেই ইমেইল চালাচালি করে অভ্যস্ত তাদের জন্যে এই টাইপের হেডিং হাস্যকর মনে হতে পারে। কিন্তু আপনার আশেপাশেই এমন অনেক মানুষ আছে যাদের জন্যে এই ছোট কাজটুকুও বেশ কনফিউজিং, তাদের জন্যেই মূলত এই লেখা।
কিভাবে ইমেইলের রিপ্লাই দিতে হয় ?
প্রথমে যে ইমেইলের উত্তর দিবেন সেটি ওপেন করুন। ইমেইলের পাশে নিচের ছবির মতো আইকনে ক্লিক করুন, অথবা স্ক্রল করে নিচে যান। সেখানে রিপ্লাই লেখাতে ক্লিক করলেও রিপ্লাই দিতে পারবেন। এবার আপনার মেইলটি লিখে সেন্ড করে দিলেই মেসেজের রিপ্লাই দেয়া হয়ে গেলো।
কিভাবে ইমেইল ফরওয়ার্ড করবো ?
প্রথমে যে ইমেইলটি ফওয়ার্ড করতে চান সেটি ওপেন করুন। যে আইকনে ক্লিক করে রিপ্লাই দিয়েছেন, সেই বাটনটির পাশেই একটি অ্যারো চিহ্ন আছে। নিচের ছবিতে সেটি নীল রঙের তীর দিয়ে দেখানো হয়েছে। সেটাতে ক্লিক করলে একটি মেন্যু ওপেন হবে, সেখান থেকে লাল তীর চিহ্নিত অংশে ক্লিক করুন। এবার যার ইমেইলে ফরওয়ার্ড করবেন তার ইমেইল এড্রেস দিয়ে সেন্ড করে দিন। ব্যস ইমেইল ফরওয়ার্ড হয়ে গেলো। এ পর্বে আমরা শিখলাম কিভাবে ইমেইল পাঠাতে হয়, রিপ্লাই করতে হয় এবং কিভাবে ফরওয়ার্ড করতে হয় ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Narsingdi