র্কমসংস্থান,প্রতবিন্ধী পূর্নবাসন ও জলবায়ু পরর্বিতন মোকাবলোর জন্য নবিদেতি স্বচ্ছোসবেী প্রতষ্ঠিান।
সমন্বিত পল্লী উন্নয়ন পরিষদ-বার্ড একটি আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন মূলক প্রতিষ্ঠান যার মূল লক্ষ্য হলো জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারণে ক্ষতিগ্রস্থ বা সমস্যা গ্রস্থ ব্যক্তি/পরিবার/গোষ্ঠী এর পূর্ণবাসন এবং একই সাথে ব্যবস্থা গ্রহণ যাতে করে বিদ্যমান সমস্যাটি আরো প্রবল না হয় । অর্থাৎ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার জন্য
আমরা অভিযোজন ও প্রশনম দুই ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। উর্দ্দিষ্ট জনগোষ্ঠির উন্নয়নের জন্য আমরা যে সমস্ত কর্মসূচী গ্রহণ করবো তার একটি রুপরেখা নিম্নরুপঃ-
১. জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে কৃষি ক্ষেত্রে যে পরিবর্তন আসবে অর্থাৎ ক্ষরা , বন্যা ও লবনাক্তা ইত্যাদির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারে এ রকম শষ্য জাত উন্নয়ন। । বিশেষ করে ধান ও গম এর নতুন জাত সৃষ্টি যাতে করে অতি বৃষ্টি , অনাবৃষ্টি ও লবনাক্ত জমিতে ফলে।
২. জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে যে খরা বা অনাবৃষ্টি হতে পারে তা মোকাবেলার জন্য অভিযোজন কৌশল বের করা এবং তার বাস্তবায়ন।
৩. জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মৎস্য প্রজাতির যে ক্ষতি হতে পারে অর্থাৎ বর্তমান প্রজাতি সমূহ খাপ খাইয়ে নিতে না পারলে ; সহনশীল জাত উন্নয়ন।
৪. গবাদি পশু ও হাস-মুরগির বর্তমান প্রজাতির পরিবর্তে সহনশীল জাত উন্নয়ন।
৫. জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে স্বাস্থ্যগত যে সমস্যা হতে পারে সে সম্পর্কে গবেষণা এবং ম্যালেরিয়া , কালা-জ্বও, ডেংগু ইত্যাদির প্রকোপ হতে বাচার উপায় নির্ধারণ । একই সাথে হিট স্ট্রোক ও অনান্য জলবায়ু-জনিত সমস্যার সমাধান এর উপায় নির্ধারণ।
৬. জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পানি ও পয়:নিস্কাশন ব্যবস্থার যে সমস্ত সমস্যা হতে পারে তা সামধান এর ব্যবস্থা করণ।খাবার পানির অপর্যাপ্ততা ( পানির লেয়ার নিচে নেমে যাওয়া, লবনাক্ততা , আর্সেনিক )।
৭. মাছ ও বন্য প্রানি এর বিলুপ্ততা থেকে বাচানো । মাছের জন্য অভয় আশ্রম , বন্য প্রানির জন্য বন সৃস্টি ও অনান্য ব্যবস্থা গ্রহণ। নদী ভাংগনে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পুনর্বাসন ।
৮. জলবায়ু পরিবর্তনের বর্তমান ক্ষতি ও ভবিষ্যত পরিনাম সম্পর্কে গণ-সচেতনতা বৃদ্ধি।
৯. জীব বৈচিত্র ও বাস্তু সংস্থান এর বর্তমান আবস্থা বিশ্লেষণ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।
১০. নবায়ন যোগ্য জ্বালানি এর প্রচলন , সচেতনতা বৃদ্ধি । বিশেষ করে তুষ হতে বিদ্যুৎ উৎপাদন , রাইস ব্রান অয়েল , সোলার সিস্টেম ব্যবহার ইত্যাদি।
১১. কৃষি জমির জলাবদ্ধা হতে কার্বন নির্গমনের পরিমান কমানো। অর্থাৎ জলাবদ্ধতার প্রয়োজন নাই এ রকম জাত উন্নয়ন।
১২. নতুন বনায়ন ও বিদ্যমান বনায়ন এর রক্ষনাবেক্ষণ ।
১৩. সংশ্লিষ্ঠ সকল লোকবলের প্রশিক্ষণ। দক্ষতা উন্নয়ন ।
১৪. প্রতিবন্ধী , বৃদ্ধ ও এয়াতীমদের পুনর্বাসন ।
১৫. জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারণে ক্ষতিগ্রস্থ শিক্ষিত , বেকার যুবক ও মহিলাদের কর্মসংস্থান। বিশেষ করে আউটসোসিং এর মাধ্যমে।