S.Vlog
20/10/2025
"University degree and a government job, almost one hundred poems, more than two hundred articles, sending love and receiving silence. Still I believe you will respond to my love that I offered."
হে মহীয়সী নারী
"""""""""""""""""""""""
হে মহীয়সী নারী!
তোমাকেই চাইছি আমি
তুমি আসো প্রদীপ জ্বেলে
হৃদয়ে নেমেছে যে গভীর অন্ধকার
যদি জ্বালাতে চাও আলো
ভালোবাসি বলব লক্ষ কোটিবার।
ভর মরসুমে যে খরা
চাষবাস করতে চাই তুমি
ঊষর ভূমিতে ফুঁটবে ফুল
সেচ দেব আমি।
আমি তুমি থেকে হবো আমরা
গল্পটা শুধুই আমাদের
ভালোবাসা প্রাণ পাবে বন্ধনে
বাঁচবো আমরা একসাথে।
হে মহীয়সী নারী!
তোমাকে চাই অনন্তকাল
অহমিকা ঠেলে এসো কাছে
পাবে ভালোবাসা চিরকাল।
যে ভালোবাসা স্বর্গ থেকে আসে
তা পায় সুখ
স্বর্গদূতরা পৌঁছে দিক তোমায় খবর
হয়ে আছি আমি প্রস্তুত।
14/10/2025
মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তি সৃষ্টি করে ওয়্যার ইকোনোমিকস নিজেদের জাতীয় আয়ের বড় অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার উপহারস্বরূপ বারাক ওবামা শান্তিতে নোবেল পেয়েছিলেন। এজন্য মারিয়া মাচাদো শান্তিতে নোবেল পাওয়াতে আমি একটুকুও অবাক হইনি।
উল্লেখ্য, রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ ও পাশ্চাত্য ভাবাদর্শ শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার মাপকাঠি। মাচাদোকে এজন্যই নোবেল প্রদান করা হয়েছে যে তিনি হোয়াইট হাউসের ইশারায় মাদুরো সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছেন, এমনকি ইউএস নিয়ন্ত্রিত পাপেট গভর্নমেন্টের প্রধান হবেন। বলে রাখা ভাল, কিউবাতেও এমন আরেকজন মারিয়ার উদ্ভব এখন সময়ের দাবি।
ইসরাইল-প্যালেস্টাইন যুদ্ধবিরতি এবং গাজায় যুদ্ধবন্দীদের দেশে ফেরত আনা এই দুটি ঘটনার জন্য যথাক্রমে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু শান্তিতে নোবেল দাবি করতেই পারেন।
চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া দখলকৃত ইউক্রেনের ভূমি নিজেদের কব্জায় নিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের হারানো গৌরব পুনঃপ্রতিষ্ঠার সাহসিকতার প্রতিদান হিসেবে কমরেড পুতিনকে প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম কিংবা নাইট উপাধি দেওয়া যেতেই পারে।
#মায়াবিনী
মায়াবিনী..
চোঁখে বিভোর ঘুম
রাতের আকাশের তাঁরা
মুখ ফিরে তাকায়নি..
চাঁদের আলোয় চেনা মুখ
স্পষ্ট হয়ে বিঁধে বুকে
তবুও ফিরে আসোনি।
মায়াবিনী..
তুমি ফিরে আসো
ভুলে যাব সব ব্যথা
তোমায় নিয়ে সাজাব
রঙিন জীবন আমি।
মায়াবিনী..
হাত বাড়িয়ে দেখো
কাছে টেনে নেব আমি
আবার হবে আমাদের রূপকথা
তুমি হবে রাজ্যের রানী।
মায়াবিনী..
ভুল করিনি আমি
তুমি ছেড়ে দিয়েছিলে হাত
ফঁসকে গিয়েছিলে এমনি।
মায়াবিনী..
এখনো তোমায় ভুলিনি
থেকে যাবে তুমিময় যাতনা
ভালোবেসে হয়েছি ঋণী
মায়াবিনী, মায়াবিনী!!
28/08/2025
ট্র্যাক টু ডিপ্লোম্যাসি:-
সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-পাকিস্তান পররাষ্ট্র পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একাত্তর প্রশ্নে হৃদয় পরিষ্কার করার কথা বলেছেন আমাদেরকে। মূলত তার এই কথা নিয়েই শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।
আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা প্রদর্শন না করলেও এই ব্যাপারে আগেও পাকিস্তান দুবার অনুশোচনা প্রকাশ করেছে। পাকিস্তান অনুতপ্ত, পারস্পরিক সম্পর্ক এগিয়ে নেয়ার জন্য মি. ইসহাক একথা বলে থাকবেন। যেহেতু আমরা নিপীড়িত, নির্যাতিত হয়েছিলাম তাদের দ্বারা সেহেতু তাদেরকে ক্ষমা করে হৃদয় হালকা করার ইঙ্গিতই তিনি দিয়েছেন। ডিপ্লোম্যাটিক ল্যাঙ্গুয়েজ এমনই হয়।
ইতিহাস সবসময় বিজয়ীদের পক্ষে কথা বলে। আমরা জয়ী। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি ব্যতীত কোনো দেশকে যুদ্ধাপরাধের জন্য দায়ী করে শাস্তি কিংবা ক্ষতিপূরণ আদায় করা হয়নি। ভিয়েতনাম যুদ্ধ, আফগান সংকট কিংবা মিডলইস্ট ক্রাইসিসের জন্য আমেরিকা না ক্ষমা প্রদর্শন করেছে, দূর ভবিষ্যতে করবে সেটারও বিন্দু পরিমাণ সম্ভাবনা নেই। তবে প্রতিটা ক্ষেত্রে ফলাফল আমেরিকার বিপক্ষে গিয়েছে।
ইহুদি কাফিরদের জায়গা দিয়ে ফিলিস্তিনিরা নিজ দেশে বাস্তুচ্যুত। অন্যদিকে আমরা আমাদের ভিটে থেকে তাড়িয়েছি পাকিস্তানিদের। তবে পাকিস্তানের শিক্ষিত ও তরুণ সমাজ আমাদেরকে আওয়ার লস্ট ব্রাদার বলে আখ্যায়িত করে এবং একাত্তরে যা ঘটেছিল সেটাকে তারা অন্যায় বলে। উক্ত ব্যাপারে পাকিস্তানি বুদ্ধিজীবীদের ব্যাখ্যা এককথায় বললে তাদের উপলব্ধি ভৌগোলিক বিপর্যয়। তবে যাই ঘটুক না কেন পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র।
তবে বিগত পনের বছর আমাদের স্বাধীন ভূখণ্ডে আঘাত হেনেছে ভারত। একাত্তর প্রশ্নে পাকিস্তানকে আমাদের শত্রু হিসেবে দাঁড় করালেও সীমান্তের জিরো পয়েন্টের ভেতর ডুকে আমাদের ভূমি দখল করে রেখেছিল ভারত। আর সীমান্ত নির্বিচারে মানুষ হত্যা করা ছিল নিত্যদিনের ঘটনা।
ভারত আমাদের বন্ধু- এই যুক্তি এখন আর ধোপে টেকে না। গোপন চুক্তিসহ যাবতীয় কিছু থলে থেকে বের হয়ে আসছে। অন্যদিকে পাকিস্তান আমাদের সীমান্তবর্তী দেশ নয়। তারা কোনোভাবেই আমাদের ভূমি দখল করতে আসবে না। আমরা বরং বাণিজ্য ও সামরিক খাতে এগিয়ে যেতে সৌহার্দ্যপূর্ণ ভাব বজায় রাখি।
সামরিক বাহিনীর জন্য রাশিয়া থেকে একে সিরিজের রাইফেল কেনার কথা হলেও ভারতের আপত্তিতে তা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি চীন থেকে জে১০সি ফাইটার জেট কেনার কথা চলছে। এতে পাকিস্তান আমাদেরকে সহায়তা করবে। যেহেতু মডার্ন ওয়্যারফেয়ারে দফারফা হয় আকাশে। আমরা যদি ঝুঁকি নিয়ে পরমাণু শক্তি অর্জন করতে চাই তবে পাকিস্তান সহায়তা করবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।
আমাদের একদল দালাল বুদ্ধি প্রতিবন্ধী আছে যাদের পাকিস্তানের কথা শুনলেই নাভিশ্বাস উঠে। তাদের স্বার্থ হাসিল হয়। চাণক্যের তত্ত্বানুযায়ী শত্রুর শত্রু বন্ধু হয়। তাহলে পাকিস্তানকে কাজে লাগিয়ে কেন আমরা সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং হুমকি মোকাবিলায় চাণক্যের তত্ত্ব প্রয়োগ করব না।
Once I was scared to be defeated. I thought death is preferable to failure. When I failed I broke down mentally, emotionally. With time I changed myself and the solution is 5R theory.
In my earlier life I could not believe in luck. When I started taking Government job preparation, I slowly believe in luck.
Another thing, this is a binary game which has two option. There is nothing between victory and defeat.
Furthermore it is true if you try hard, you will succeed or learn. There is no failure.
25/08/2025
ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের তোড়জোড়ের মাধ্যমে নতুন এক কূটকৌশল হাতে নিয়েছে পাশ্চাত্যরা।
বলাবাহুল্য, ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস স্বয়ং অনুমতি ব্যতীত নিজ ভূমিতে চলাচল করতে পারে না সেখানে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে অনুমোদন দেয়া বিশাল একটা চক্রান্ত।
ইসরাইল মধ্যপ্রাচ্য ও আরবের বিস্তীর্ণ ভূমি জুড়ে গ্রেট ইসরাইল প্রতিষ্ঠা করতে চায় যেটার অন্তর্ভুক্ত হবে ইরাক, সিরিয়া, জর্ডান, লেবানন ও মিশরের ভূমি।
ইসরাইল যদি এতে সফল হয় তাহলে সৌদিআরব, ইয়েমেন এমনকি তুরস্কের দিকেও অগ্রসর হবে। এই অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করলে এটাই প্রতীয়মান হয় ; ইসরাইল একইসাথে ভূমধ্যসাগর, আরব সাগর, লোহিত সাগর, পারস্য উপসাগর ও কাস্পিয়ান সাগরের তীরবর্তী দেশগুলো একীভূত করতে চাচ্ছে।
ইসরাইল তাদের রক্ষাকর্তা যুক্তরাষ্ট্রের মত 'ডিভাইড এন্ড রুল' গেইম শুরু করেছে। আসাদ সরকারকে হটিয়ে তাবেদার সরকারকে বসিয়েছে ক্ষমতায়। পরবর্তীতে দ্রুজ সম্প্রদায়কে অস্ত্র ও অর্থ দিয়ে খেপিয়ে তুলেছে নিজ দেশের বেদুইন সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে।
ইরাক আর লিবিয়া ইতোমধ্যে আরব বসন্তের প্রভাবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে। তাছাড়া দেশগুলোতে রয়েছে অভ্যন্তরীণ জাতিগত ও স্বার্থের সংঘাত। জর্ডান ও মিশরকে আয়ত্তে রাখতে পারলেও ইরান, লেবানন ও ইয়েমেন ইসরাইলের বিরুদ্ধ ঐক্যবদ্ধ শক্তি প্রদর্শন করে।
আরব বিশ্ব ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরালের পরিকল্পনা সুদূরপ্রসারী। বিশ্ব অর্থনীতি ক্রমেই এশিয়ামুখী হচ্ছে। চীন, জাপান, কোরিয়া ও রাশিয়া একই গোলার্ধে অবস্থিত হওয়ায় ইউরোপ এশিয়ার সাথে সম্পর্ক ভালো রাখতে বাধ্য থাকবে। এতে পতন ঘটবে দুই দোসরের।
তারা ভূতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে এটাই পেয়েছে, আরব বিশ্ব ডমিনেট করতে পারলে ইউরোপের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়বে না। উপরন্তু গ্লোবাল সাউথের ইকোনোমিক ও ট্রেড ব্লুমিং রুখতে পারবে। তবে পরিস্থিতি বলছে তারা ব্যর্থ হবে।
ইউক্রেনে চলমান রুশ আগ্রাসনের জন্য কমরেড পুতিনকে আমি যুদ্ধাপরাধী আখ্যা দিতে নারাজ। মূলত সর্বাত্মক যুদ্ধ তখনই শুরু হয় যখন বিবদমান দেশগুলো অস্তিত্বের সংকট উপলব্ধি করে।
১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ছিল আধুনিক সভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ভৌগোলিক বিপর্যয়। ইউরোপের ভাগ্য ভালো সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৫ খণ্ডে ডিসমেন্টল করার পরও রাশিয়া পারমাণবিক হামলা করেনি।
ইউক্রেনকে ন্যাটো জোটে অন্তর্ভুক্ত করার প্রশ্নে যুূদ্ধ শুরু হয়েছিল। বাস্তবিক অর্থে রাশিয়াকে চাপে রাখার জন্য পশ্চিমাদের এগ্রিগেট এফোর্টের চাল শুরু করতে চেয়েছিল ইউক্রেনকে তুরুপের তাস বানিয়ে। সফল হলে আবার খণ্ডবিখণ্ড করা হতো রুশ ফেডারেশন।
পুতিনের মতো জাতীয়তাবাদী নেতারাই সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে পারেন। পুতিন একজন ক্যারিসম্যাটিক লিডার। তিনি তার গল্প শুনিয়ে ট্রাম্পকে তার কাছে টেনে নিয়েছেন। কমরেড পুতিনের দাবি, ইউক্রেন অখণ্ড রাশিয়ার অংশ। তাছাড়া রাশিয়ার সাথে ইউক্রেনের রয়েছে ভাষাগত ও ঐতিহ্যগত সাদৃশ্য। পুতিনের আসল উদ্দেশ্য পুরো ইউক্রেন দখল নয়, বরং রাশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এমন অঞ্চল নিজেদের দখলে রাখা। পুতিন ক্রিমিয়া দখল করে নিজের কব্জায় রেখেছেন, তিনি ইউক্রেনেও সফল হবেন।
পুতিনকে যদি যুদ্ধাপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাহলে মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে অশান্তি সৃষ্টি করার জন্য হ্যারি এস ট্রুম্যান থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প পর্যন্ত সকল মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিচার করতে হবে স্বীয় অপরাধের জন্য। পুতিন ইউক্রেনে হামলা করতেন না। ইউক্রেনের মাটিতে থাকা ক্রিটিকল মিনারেলস আমেরিকা নিজেদের করে নিতে ইউক্রেনকে ঠেলে দিয়েছে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে।
একসময় যুদ্ধ থামবে। দুই পরাশক্তি নিজেদের স্বার্থ বুঝে নিবে। তবে ইউক্রেনের ভূখণ্ডে সার্বভৌমত্বের আঘাতের জন্য কাকে দায়ী করা হবে?
22/07/2025
মাইলস্টোন ট্রাজেডি যে স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে:-
আমাদের দেশ কি কখনো নিরাপদ ছিলো কিংবা এই ভূমি আমরা কি আমাদের জন্য বাসযোগ্য করে তুলতে পেরেছি। স্পষ্টত উত্তর হবে না। জীবনের মূল্য এতটাই কমে গিয়েছে যে বাচ্চারাও এখন আর স্কুলে নিরাপদ নয়। এটা নিরাপত্তাহীনতা নয়, একটা দেশ নিয়ে খেলা। যেখানে রক্ত আর মৃত্যুই হবে করুণ পরিণতি।
গতকাল মাইলস্টোন কলেজে যা ঘটে গিয়েছে তা আমাদের জাতীয় ইতিহাসে একটা কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। এটা কল্পনাতীত যে ঢাকা শহরের মত জনবহুল একটা শহরের আকাশে প্রশিক্ষণ বিমান উড়ানো হয়। এটা ডেথ গেইম ছাড়া আর কিছু নয়। প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনায় পতিত হওয়া স্বাভাবিক জেনেও বিমান উড়ানো এককথায় গাফিলতি, হিংস্রতা।
গতকাল স্কোয়াড্রন লিডার তৌকিরের সলো ফ্লাইট ছিল। সম্পন্ন করতে পারলে তিনি হয়ে যেতেন প্রফেশনাল ফাইটার। অর্থাৎ তার যথেষ্ট প্রশিক্ষণ ছিল। তার উড়ানো এফ-৭ বিজিআই মডেলের চাইনিজ ফাইটার জেট ২০১৩ সালে উৎপাদন বন্ধ করে দেয়। তবে জেটগুলো বাংলাদেশের জন্য বিশেষ বিবেচনায় তৈরী করা।
পাইলটের সাথে শেষ দেঁড় মিনিট কন্ট্রোল রুমের যোগাযোগ ছিল না। তার শেষ কথা ছিল বিমান ভাসছে না, নিচের দিকে পড়ে যাচ্ছে। আমার ধারণা বলে জেটের ইঞ্জিন একেবারে বিকল হয়ে গিয়েছিল। তাই পাওয়ার সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যায়। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া কিন্তু তাই প্রমাণ করে। আরেকটা ব্যাপার উল্লেখ না করলেই নয়, প্রশিক্ষণ বিমানগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ঠিকমতো করা হয় কিনা তা খতিয়ে দেখা দরকার। ইতোমধ্যে ইতালি ইউরো ফাইটার জেট টাইফুন কেনার চিঠি দিয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই ব্যাপারে যেন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
ঢাকার কেন্দ্রে অবস্থিত হযরত শাহজালাল আন্তজার্তিক বিমানবন্দর আরেক মূর্তিমান আতংক। বিমানবন্দরের আশেপাশে রয়েছে ঘনবসতি। একটা বিমান ল্যান্ড করার পূর্বে বিমানবন্দরের চারপাশে এপ্রোচ করে। ঠিক তখন যদি নিকুঞ্জ, মহাখালী কিংবা উত্তরার কোনো আবাসিক এলাকায় তা বিধ্বস্ত হয় তাহলে পরিস্থিতি কী হবে সেটা অজানা নয়। বিমানবন্দরের ঝুঁকি না কমিয়ে উল্টো এটাকেই টার্মিনাল বাড়িয়ে প্রশস্ত করা হচ্ছে। না জানি কোন এক ভয়াবহ বিপর্যয় অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য।
দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশ একটি ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। ঢাকা শহর ভূমিকম্পের জন্য অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। গবেষকদের গবেষণামতে, ৭ কিংবা এর বেশি মাত্রার ভূমিকম্প হলে ঢাকা শহরে ১০ হাজারের বেশি বিল্ডিং বিধ্বস্ত হবে, আর এতে হতাহত হবে ২ লক্ষাধিক মানুষ। কী ভয়ংকর এক বাস্তবতা অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য! আমাদের প্রস্তুতি কিংবা উদ্বিগ্নতা কোনোটিই নেই। আমরা ধরেই নিয়েছি বিশ্বের অবাসযোগ্য শহরগুলোর একটার অবনতি ঠেকানোর মত না।
তৃতীয়ত, আগুন লেগে হতাহত হওয়া ও সম্পদের বিনাশ ঘটা ঢাকা শহরে জ্যামের মত একটা কমন ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বলাবাহুল্য, ঐকান্তিক প্রচেষ্টার পরও ফায়ার সার্ভিস ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনতে পারে না প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবে। গিঞ্জি ও সরু রাস্তা দিয়ে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঢুকতে পারে না যা এখন শুধু ঢাকা নয় বড় শহরগুলোর জন্যও বিপদ। এক্ষেত্রে ফায়ার সার্ভিসের এয়ার ইউনিট কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মনে করি।
চতুর্থত, রেসকিউ মিশন বাধাগ্রস্ত হওয়া। ঢাকার প্রতিটা দুর্যোগে রেসকিউ মিশন বাধাগ্রস্ত হয় উৎসুক জনতার ভীড়ে এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবে। রেসকিউ পরবর্তী আহতদের চিকিৎসা প্রদানেও হিমশিম খায় হাসপাতালগুলো। ২০ মিলিয়নের অধিক মানুষের বাস যেই শহরে সেই শহরে দুর্যোগ ও বিপর্যয় যেকোনো সময় ঘটতে পারে সেটা ভেবেই যেন রাষ্ট্রীয় জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ঢেলে সাজানো হয়। যেহেতু আগাম প্রস্তুতি আকস্মিক বিপর্যয়ের ড্যামেজ অনেকাংশে হ্রাস করে।
আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন যদি দেশের মানুষের জীবনের নিরাপত্তা দিতে না পারে তাহলে এই উন্নয়ন ম্লান হয়ে যায়। লক্ষ কোটি ডলার বিদেশে পাচার করা হয় অথচ দেশের নিরাপত্তা প্রদান করে এমন প্রতিষ্ঠানগুলো আধুনিকায়ন করা হয় না। আমরা মানসিকভাবে কুমেরু বিন্দুতে অবস্থান করছি। রাষ্ট্রের আর জনজীবনের আর কত বিপর্যয় হলে আমাদের সুবুদ্ধির উদয় হবে?
সংঘাত নয়, চাই সামাজিক সংস্কার:-
নির্দিষ্ট সময় পর পর আমাদের ভূখণ্ড কেঁপে উঠে। সংঘাত হয়, প্রাণনাশ ঘটে, সম্পদ নষ্ট হয়। আমরা মুক্তি পাই স্বৈরতন্ত্র কিংবা দুঃশাসন থেকে। আমরা উত্তররণের পথ খুঁজি। কিন্তু আমাদের মানসিক,
আত্মিক মুক্তি মেলে না। ফলস্বরূপ আমরা আবার অন্ধকারে নিমজ্জিত হই যা কয়েক দশক ধরে চলমান।
কিছুদিন আগে প্রকাশ্যে পাথর নিক্ষেপ করে একজনকে হত্যা করা হয়। রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করলেও এই পাশবিকতা জন্ম নিয়েছে অপরাধীদের মনে। ব্যক্তিসমষ্টির অভিব্যক্তি, আচরণ ও কার্যাবলী সামাজিক উন্নয়নের মাপকাঠি। সেজন্য একজন ব্যক্তি পাশবিক হয়ে উঠলে তার প্রভাব সমাজে প্রত্যক্ষভাবে পড়ে।
এই ঘটনারও আগে একজন মহিলাকে নির্যাতন ও ধর্ষণ করেই ক্ষান্ত হয়নি অপরাধীরা। পুরো ঘটনা ভিডিওধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, সবশেষে ভুক্তভোগীকে এলাকা ছাড়া করা হয়। এই আচরণ স্বাধীন দেশের মানুষের না, সেভেজ কিংডমের জানোয়ারদের আচরণ এগুলো।
স্বাধীনতার পূর্ব পর্যন্ত আমরা ঔপনিবেশিকদের দ্বারা শাসিত ও নির্যাতিত হয়েছি। বংশ পরম্পরায় আমরা তা সহ্য করেছি, প্রতিবাদ করেছি। আমাদের বংশগত বৈশিষ্ট্য ও চরিত্র প্রতিবাদী মনোভাব ও বিদ্রোহী যা আমরা এখনো ধরে রেখেছি। ঔপনিবেশিকদের দ্বারা এখন আমরা অত্যাচারিত না হলেও ভয়ংকর ব্যাপার হলো আমরাই আমাদের উপর হিংসাত্মক মনোভাব পোষণ করি, পাশবিক আচরণ করি।
স্বাধীনতার পর থেকে বেশ কয়েকবার সুযোগ এসেছে শুধরানোর। প্রতিবারই আমরা ব্যর্থ হয়েছি। এই ব্যর্থতার দায় জাতিগত, সামগ্রিক। ন্যাশনাল ইউনিটি কখনো আলোর মুখ দেখেনি। উপরন্তু ডিভাইডেশনের জন্য আমরা ফল ডাউন করেছি। আমরা ভুলে গিয়েছি পৃথিবীতে আমরাই একমাত্র জাতি যারা মাতৃভাষা ও সার্বভৌমত্বের জন্য জীবন দিয়েছে। আর সেটা সম্ভব হয়েছিল জাতিগত ঐক্যের জন্য।
দৃশ্যপট পরিবর্তনের পর থেকে ২ হাজারের অধিক মানুষ হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে। এই অবস্থা চলমান থাকলে আমরা যে ঘোর অমানিশায় নিমজ্জিত হব তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বহির্বিশ্ব যখন কূটনীতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে যাবে তখন প্রথমেই সেই দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়া হয়। আর এই সমস্যা বাংলাদেশের জন্মলব্ধ। আমরা যদি আমাদের মানসিক দূরত্ব ঘুচিয়ে না আনতে পারি, মানসিক মুক্তি যদি না মেলে তাহলে আইনের শাসন ও গণতন্ত্র অধরা থেকে যাবে চিরকাল।
স্বাধীনতার ষষ্ঠ দশকে এসে আমাদের অনেক অর্জন থাকলেও তা ম্লান হয়ে যাচ্ছে আমাদের জন্যই। একটা জাতি যখন নিজেরা হানাহানিতে ব্যস্ত থাকে তখন সেই জাতি কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছতে পারে না। ঠিক এজন্যই আমরা হোঁচট খাচ্ছি। আমাদের উন্নয়নের চেয়েও এখন বেশি প্রয়োজন জাতিগত ঐক্য। মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষেরাই জাতিগত ঐক্য প্রতিষ্ঠা করে। মূল্যবোধ ও দেশপ্রেম যদি আমাদের মাঝে থাকে তাহলে সমাজ অটোমেটিক সংস্কার হয়ে যাবে যা প্রতিষ্ঠা করবে জাতীয় ঐক্য ও সুশৃঙ্খল জাতি।
বিংশ শতাব্দীর শেষ দশকে আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডার দুইটি জাতিগোষ্ঠী হুটু ও টুটসি একে অপরের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংঘাতে লিপ্ত হয়। দীর্ঘ সময়ের সংঘাতে কয়েক লক্ষ লোক নিহত হয়। অবশেষে সংঘাত নিরসন হয়। একসময়ের বেনানা রিপাবলিক তথা এক্সট্রিমলি ব্রোকেন স্টেট এখন আফ্রিকার প্রযুক্তির রাজধানী। আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি বেশ উন্নত। দেশের মানুষ নিজেদেরকে এমনভাবে পরিবর্তন করেছে যে রাজধানী কিগালির রাস্তায় হাঁটলে অনেকে ইউরোপের কোনো শহর ভেবে ভুল করবে।
জাপান, যে দেশের মানুষ একসময় উগ্র ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ও জাপানিজরা নৃশংস জাতি হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে জাপান হিরোশিমা ও নাগাসাকি ট্রাজেডি এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে জাপান পৃথিবীর একটি অন্যতম উন্নত রাষ্ট্র। আর তাদের সফলতার কারিগর তারা নিজেই।
গণতন্ত্র একটা জাতিকে মুক্তি দিতে পারে না যদি ব্যক্তির মনে দেশপ্রেম অনুপস্থিত থাকে। এককথায়, ব্যক্তিগত মূল্যবোধ একটা দেশের জাতীয় স্বার্থের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। দেশের উন্নয়ন তখনি বাস্তবে পরিগণিত হয় যখন ব্যক্তি নিজস্ব দৃষ্টিকোণ থেকে দেশকে উপলব্ধি করে। আমাদের চোঁখ আছে, হৃদয়ে একটুকরো বাংলাদেশ। আমরা সবাই উপলব্ধি করি এই ভূখণ্ড। তবেই আমরা হতে পারব উন্নত ও সুশৃঙ্খল জাতি।
রাজনীতি হিসাবনিকাশের খেলা। এই খেলায় সামান্য ভুল ভয়ংকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে যা আজ এনসিপি টের পেল।
প্রতিটা রাজনৈতিক দলের একটা শক্ত ঘাঁটি থাকে, আওয়ামীলীগের যেমন গোপালগঞ্জ। অন্যান্য রাজনৈতিক দল সেখানে সুবিধা করতে পারে না। যুক্তরাষ্ট্রের রাজ্যগুলোর দিকে তাকালে তা বুঝা যায়।
আজকে গোপালগঞ্জে যা হলো তা হওয়া অনুচিত ছিল। পুরো বাংলাদেশে আওয়ামীলীগ ছত্রভঙ্গ হয়ে থাকলেও গোপালগঞ্জের মানুষের কাছে আওয়ামীলীগ অন্য কিছু। রাজনীতি করতে হলে সাহসের বিকল্প নেই। তবে হায়েনার গুহায় ঢুকে লড়াই করতে চাওয়া বড্ড বাড়াবাড়ি।
এনসিপি আজকে মারাত্মক যে ভুলটা করল তা হলো- কোণঠাসা হয়ে থাকা আওয়ামীলীগকে রাস্তায় বের হওয়ার সাহস করে দিল। নির্বাচন আসন্ন ও পরবর্তী ধাক্কা এনসিপি কীভাবে সামলাবে এখন সেটাই দেখার বিষয়। তবে তাদের উচিত বেফাঁস মন্তব্য ও বাহাদুরি পরিহার করে তাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে অবিচল থাকা।
বাংলাদেশ একটা গণপ্রজাতন্ত্র। আওয়ামীলীগের বিচার করবে আদালত, আওয়ামীলীগ থাকবে কিনা সেটা রায় দিবে জনগণ। একটা দল কখনো আরেকটা দলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে না। উপরন্তু প্রতিটা দল টিকে থাকে জনগণের সমর্থনের উপর।
জুলাই বিপ্লবে জামায়াত ই ইসলামি ও ছাত্রশিবির উল্লেখযোগ্য ও সাহসী ভূমিকা এজন্যই রেখেছে যে তাদের রাজনৈতিক কার্যক্রম ও সংগঠন নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। একটা দল তখনই প্রাণপণে মাঠে নামে যখন তারা অস্তিত্বের হুমকিতে পড়ে। বুঝলেন তো আমি কি বুঝাতে চাচ্ছি..
হাসনাত আব্দুল্লাহ কিছু মাস আগেও ক্যান্টনমেন্ট থেকে বের হয়ে আমাদের গর্ব বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়ে কটু মন্তব্য করেছিল। আজকে গোপালগঞ্জে সেনাবাহিনীর এপিসি তার জীবন রক্ষা করলো। রাজনীতি করলে মুখে লাগাম দিতে হয়। অনেকের মুখে লাগাম না দেয়ায় পরে সেটা গলায় ঝুলেছে।
এনসিপি সাবধানতা অবলম্বন করুক, নতুন ধারার স্মার্ট পলিটিক্সের সাথে পরিচয় করিয়ে দিক এটাই চাওয়া তাদের কাছে। আর হ্যাঁ অবশ্যই যেন তারা কোনো বদনামের ভাগীদার না হয়।
সবশেষে একটাই চাওয়া দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি। বেহাল দশার লাগাম টেনে না ধরলে আসন্ন মাস, নির্বাচনের দিন এবং নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা দেশকে অস্থির করে তুলবে। এতে ক্ষতি হবে রাষ্ট্রের, আমার-আপনার সবার।
12/07/2025
Dear Sisters,
Today I am going to tell you something. Listen to your brother carefully.
Almighty created every human being in pair. Sooner or later you have to get married. This is reality. This biological function pushes everyone to survive. Nobody could deny it.
According to a recent survey, almost 8 million people of our country is drug addicted. Around 95 percent of them are male. This is not a good news for a country. A drug addicted not only problem of his family, but also a social burden. He spoils himself along with others. We can call it contagious virus which directly affected nearby people.
Sisters, do not choice a drug addicted as life partner. You have to be very cautious to choose your eternal strength. Once a drug addicted always a lunatic. He has no control over his body, mind and soul which makes him aggressive to do anything even kill you.
When a person started taking drugs, he deviated himself from ethics, morality. So that his soul begins contaminated at the highest level. At last he impinged on you, beat you, scorned you verbally.
Marriage is a spiritual journey. Sisters, do not make this journey profane to marry a fallen guy. You never expect a drug addicted child. So why do a addicted husband?
You will be mother of your children who give birth heroes. You are not Belinda, serving wine in the hell to Satan. You are a queen who rule the empire and build castle to ensure safety for her predecessors.
Sisters, be choosy about your life partner. You have to think critically. If you are lucky, you will find a good soul. In the midway, do not make any mistake. If you slip, you fall into a huge problem. you will be oppressed physically, mentally, emotionally and sexually. You take responsibility of your family, not a burden.
Sisters, you can go longer as much as you want. But you must have to made up of a family. Everything you are doing is to leave in peace. Whereas marriage is a must and peaceful life is expected, my request is to choose a decent human being beyond social status and family expectation. Life is yours, so decision should not take by anyone or forcing you to marry a particular person.
I know some of my sister have already choose wrong partner. You are a victim. You had better ask yourself what should you do. Listen to your mind. Your love can not change him ever. Every limbs of his body, from blood to soul has taken by drug. There is no existence of love without insanity. So it would be better, pull out yourself from the darkest chapter as soon as possible.
Besides a drug addicted, do not marry a person who has personality disorder. Today he call you queen, tomorrow you would be compared with a slut. There is a deep connection between a drug addicted and a personality disorder person. And the connection is ethical malfunction by which they are driven.
Alongside, do not marry a misogynist. You would not be adored otherwise facing defaming. In my research it claims that most of the misogynist brought up like bastard child. So that they believe in domination, not cooperation and sacrifice.
Lastly, this world is temporal as our life. We have to take leave. This is why we made up family which has been continuing since millions years. Whereas life is transient, we have to complete this journey in peace. And sisters, do not marry such type of person. You are not inmate who have been sharing cage in the 'Death Row'. Do not make your life a clown show. Think critically, safe yourself from the bitter life. Thank you.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Mymensingh