Home delivery
ফ্রী ডেলিভারি + প্রোডাক্টের মূল্য ১ টাকাও অগ্রীম নেয়া হবে না। ❤️সম্পূর্ণ ক্যাশ অন ডেলিভারতে আপনার কাংখিত জিনিস বুঝে পেয়ে তারপর ডেলিভারি ম্যানকে টাকা পরিশোধ করতে পারবেন।+ প্রোডাক্টের মান খারাপ হলে ডেলিভারি ম্যানকে বিনা খরচায় ফেরত দিতে পারবেন।
24/12/2025
১৯৯০ সালে এক কেজি গরুর গোশতের দাম ছিল ৫০ টাকা। অনেক বছর ধরে এ রকমই ছিল গরুর গোশতের দাম। ফলে সাধারণ মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে মেহমানদারিতে গোশত কেনার কথা ভাবতে পারতেন। কিন্তু সব মানুষের অতি প্রিয় এ গোশতের দাম এমনভাবে বেড়েছে, অনেকে নিজেরা কিনে খাওয়া তো দূরের কথা, মেহমান এলেও গরুর গোশত কেনার কথা ভাবতে পারেন না। অতিরিক্ত দামের কারণে বরং এখনো অনেকের গরুর গোশতের পরিবর্তে বিকল্প কিছুর কথা চিন্তা করতে হয়। ১৯৯০ সাল থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত গরুর গোশত পাওয়া যেত ৬০ টাকা কেজিতে। ২০০১ সালেও মাত্র ৮০ টাকায় পাওয়া যেত এক কেজি গরুর গোশত। ২০০৫ সাল পর্যন্ত এর দাম থাকে ১১০ টাকা। কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী ২০০৬ সালে এক লাফে দাম বেড়ে হয় ১৪০ টাকা। পরে ২০০৭ সালে ১৭৬ টাকা, ২০০৮ সালে ১৯২ টাকা, ২০০৯ সালে ২১৮ এবং ২০১০ সালে ২৪৭ টাকায় পৌঁছে গরুর গোশতের কেজি। ২০১০ সালের পর থেকেই গরিব ও সাধারণ আয়ের মানুষ মেহমানদারি বা কোনো অনুষ্ঠানের কারণে নিতান্ত বাধ্য না হলে গরুর গোশত কেনা ছাড়তে বাধ্য হয়। ২০১৩ সালে ৩০০ টাকা এবং পরের বছর ২০১৪ সালে ৪০০ টাকা হয়ে যায় গরুর গোশতের কেজি। উচ্চ গতিতে যখন গরুর গোশতের দাম বাড়তে থাকে তখন প্রায় প্রতি রমজানের সময় দেখা গেছে গোশত ব্যবসায়ীদের কর্তৃক আগেই বাড়িয়ে রাখা দাম একটু আধটু কমিয়ে কেজিতে মূল্য নির্ধারণ করে দিত সিটি করপোরেশন। এভাবেই বৈধ করা হতো ব্যবসায়ীদের বর্ধিত দাম। ২০১৪ সালে গরুর গোশতের দাম ৪০০ টাকা হলেও এ দাম বেশি দিন স্থির থাকেনি। ২০১৫ সালে গরুর গোশত বিক্রি হয়েছে ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি। ২০১৬ এবং ২০১৭ সালে গরুর গোশত বিক্রি হয়েছে ৫২০ থেকে ৫৪০ টাকা কেজি। ক্যাবের হিসাব মতে ২০১৮ সালে ৫২৭ টাকা কেজি ছিল। বর্তমানে ২০২৫ সালে গরুর গোস্তের দাম ৭০০ টাকা কেজি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Address
Kurigram
5600