Sheikh Rasel sriti sangshod
04/03/2024
মুক্তিযুদ্ধের দুষ্প্রাপ্য ছবি।
মুক্তিযুদ্ধ ৭১।
1st Bangladesh War Course
THOSE MAGNIFICENT 61 OF '71.
মুক্তিযুদ্ধে প্রথম ব্যাচের officer cadetরা প্রশিক্ষনের অবসরে আগষ্টের কোন এক দিন।
14/02/2024
শহীদ মিনারের মূল নকশা এবং একজন " নভেরা আহমেদ " ।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী ছিলেন এই বিশ্ববিখ্যাত ভাস্কর নভেরা আহমেদ।
শিল্পী হামিদুর রহমানের তৎপরতায় তিনি ও ভাস্কর নভেরা আহমেদ মিলে একটা নকশা করেছিলেন শহীদ মিনারের জন্য । অবশ্য শহীদ মিনারের মূল নকশাটি নভেরা আহমেদের করা। কথাসাহিত্যিক আনা ইসলামের সদ্য প্রকাশিত ‘নভেরা : বিভুঁইয়ে স্বভূমে’ বইতে উল্লেখ করেছেন বিস্তারিতভাবে ।
বলা বাহুল্য যে , কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশা ১৯৫৮ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সরকারিভাবে পাস করা হয়। সেই সময় শহীদ মিনারের মূল নকশায় একটি অংশে লেখা ছিল ‘শহীদ মেমোরিয়াল : কম্পোজার হামিদুর রহমান মুর্যালিস্ট ইন কোলাবরেশন উইথ নভেরা আহমেদ স্কাল্পটর।’ এখানে নভেরাকে সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
যদিও আনা ইসলামের বইটিতে ২০১৪ সালে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভাস্কর নভেরা আহমেদ শহীদ মিনার প্রসঙ্গে বলেছেন ‘... আমি আমার আইডিয়ার কথা বলেছি। কী করতে হবে বলেছি। ... অনেক কাজ একা করতে হবে বলে হামিদকে বলি সাহায্যের জন্য। ... সে আমার কথা অনুসরণ করত। ... কারণ আইডিয়া আমার।
দুঃখের বিষয় এই প্রজন্মকে বাদই দিলাম আমরাই বা কয়জন চিনি জানি বাংলাদেশের এই বিশ্ববিখ্যাত ভাস্করকে ।
অথচ বাংলাদেশের আধুনিক যুগের কিংবদন্তি ভাস্কর নভেরা আহমেদের ৮০ তম জন্মদিন স্মরণ করে ২৯শে মার্চ ২০১৯ শিল্পসম্মত ডুডল করেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সার্চ ইঞ্জিন গুগল। তাতে প্রদর্শন করা হয়েছে নভেরা আহমেদের কাজের প্রতীকী। একইসঙ্গে এই ডুডলে ক্লিক করলেই চলে আসছে কতোগুলো ছবি, ভিডিওসহ তার জীবনবৃত্তান্ত।
ভাষার মাসে এই বিখ্যাত ব্যক্তিটিকে তুলে ধরছি সংক্ষিপ্ত আকারে ;
নভেরা আহমেদ বাংলাদেশী ভাস্কর। তিনি বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্যশিল্পের অন্যতম অগ্রদূত এবং বিংশ শতাব্দীর প্রথম বাংলাদেশী আধুনিক ভাস্কর।
১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে একুশে পদক প্রদান করে।
তিনি প্রায় ৪৫ বছর মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত প্যারিসে বসবাস করেন।
নভেরা। ফার্সি শব্দ ‘নভেরা’র অর্থ নবাগত, নতুন জন্ম।
উনার পৈতৃক নিবাস চট্টগ্রামের আসকারদিঘির উত্তর পাড়।
বাবার কর্মস্থল কলিকাতা এবং দেশে বিভাগের পর ঐতিহ্যবাহী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে পড়ালেখা করেন।
পরবর্তীতে তিনি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তাঁর প্রিয় সাবজেক্ট ভাস্কর্য এবং চিত্রশিল্প বিষয়ে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করেন ।
নভেরা আহমেদের কাজের সর্ববৃহৎ সংগ্রহ রয়েছে ঢাকাস্থ বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর। চট্টগ্রামের রেকিট অ্যান্ড কোলম্যান-এর বাংলাদেশ কার্যালয়ে এবং ঢাকার অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের সামনের উদ্যানে নভেরার আরো দুটি কাজ সংস্থাপিত আছে।
নভেরার প্রথম একক ভাস্কর্য প্রদর্শনী আয়োজিত হয়েছিল ১৯৬০ সালের ৭ আগস্ট ঢাকার কেন্দ্রীয় গণ গ্রন্থাগার প্রাঙ্গনে (বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার) পাকিস্তান জাতিসংঘ সমিতির উদ্যোগে এবং এশিয়া ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায়।
ইনার গেজ শিরোনামের ওই প্রদর্শনীটি ছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম একক ভাস্কর্য প্রদর্শনী। প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর মোহাম্মদ আজম খান।
নভেরার দ্বিতীয় একক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭০ সালে ব্যাংককে। এই প্রদর্শনীটি ছিল ব্যাংককে ধাতব ভাস্কর্যের প্রথম মুক্তাঙ্গন প্রদর্শনী। এতে নভেরা ধাতব মাধ্যমে কিছু ভাস্কর্য প্রদর্শন করেন।
১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে জুলাই মাসে তার তৃতীয় একক প্রদর্শনী আয়োজিত হয়েছিল প্যারিসের রিভগেস গ্যালারিতে।
সর্বশেষ ২০১৪ খ্রিস্টাব্দে প্যারিসে তার পূর্বাপর কাজের একশ দিনব্যাপী একটি প্রদর্শনী আয়োজিত হয়।
১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দে প্যারিসে অবস্থানকালে ব্যাংককের আলিয়ঁস ও পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস যৌথভাবে তার একটি একক প্রদর্শনীর আয়োজন করে।
৪১ বছর পর ২০১৪ সালের ১৬ জানুয়ারি প্যারিসের গ্যালারি রিভগেসে নভেরা আহমেদের রেট্রোসপেকটিভ প্রদর্শনী শিল্পকর্মের প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।
প্রায় একশো দিন ব্যাপী (১৬ জানুয়ারি–২৬ এপ্রিল ২০১৪) প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত হয়েছে তার ১৯৬৯–২০১৪ কালপর্বের ৫১টি শিল্পকর্ম, যার মধ্যে রয়েছে ৪২টি চিত্রকর্ম ও নয়টি ভাস্কর্য।
২০১৫ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর নভেরার জীবন ও আদ্যন্ত শিল্পকর্মের ওপর একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করে।
৭ থেকে ১৯ অক্টোবর ২০১৫ এই দুই সপ্তাহব্যাপাী প্রদর্শনীটির আয়োজন করা হয় জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী চিত্রশালায়। এতে নভেরার ৩৫টি শিল্প কর্ম প্রদর্শিত হয়।
এক সময় বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের একটি হলের নামকরণ করা হয়েছিল "ভাস্কর নভেরা আহমেদ হল"।
বর্তমানে বাংলা একাডেমী’র একটি হলের নাম নভেরা হল।
বলাবাহুল্য যে, ১৯৬০ সালে নভেরার এক প্রদর্শনীর পুস্তিকায় শিল্পাচার্য জয়নুল তাঁর সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘আজ এখানে নভেরা যা করছেন, তা বুঝতে আমাদের অনেক দিন অপেক্ষা করতে হবে।’
শুধু তাঁর কাজের ক্ষেত্রে নয়, ব্যক্তি জীবনে পশ্চিমা ধরনের চালচলন, পোশাক-পরিচ্ছদ, ভবঘুরে স্বভাব তাঁর সম্পর্কে একটি মিথ তৈরি করেছিল।।
ধন্যবাদ ।
( বিভিন্ন সূত্র থেকে নেয়া )
02/02/2024
৭ মার্চ, ১৯৭১ সাল।ঢাকার রমনায় অবস্থিত রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক ইতিহাস রচিত হয়েছিল। ঐদিন আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় ভাষণ প্রদান করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৮ মিনিট ব্যাপ্তি এ ভাষণে উদ্বুদ্ধ হয়েই স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য ঝাপিয়ে পড়েছিলেন আপামর বাঙালি জাতি।
বঙ্গবন্ধু সেদিন গুরুত্বপূর্ণ কোনো বক্তব্য রাখতে পারেন, এ আশায় রেসকোর্সের ময়দান জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছিল। ঢাকা বেতার থেকে এ ভাষণ প্রচার করার কথা ছিল, কিন্তু পাকিস্তান সরকারের নগ্ন হস্তক্ষেপের কারণে সেদিন রেডিওতে তা প্রচার করা যায়নি।
তবে সরকারের নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে পাকিস্তান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র কর্পোরেশন (ঢাকা রেকর্ড) এর চেয়ারম্যান এ এইচ এম সালাহউদ্দিন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম আবুল খায়ের এমএনএ ভাষণটি ধারণ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
বঙ্গবন্ধুর বক্তৃতার সময় টেকনিশিয়ানরা ভাষণটির অডিও ধারণ করেন, অন্যদিকে এম এ মোবিন, এম এ রউফ, এস এম তোহিদ বাবু ও আমজাদ আলী খন্দকার সহ চারজন ক্যামেরাম্যান চিত্রধারন করেন।
অন্যদিকে সরকারের হস্তক্ষেপের কারণে বেতার কর্মীরা সরাসরি ভাষণটি প্রচার করতে না পারলেও; রেকর্ডটি সম্পন্ন করতে পেরেছিলেন, যেটা পরদিন বাঙালি বেতারকর্মী ও আপামর জনতার দাবির প্রেক্ষিতে বেতারে প্রচার করা হয়।পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে শুধুমাত্র এর ধারণকৃত অডিও তাকে উপহার দেওয়া হয়েছিল,তখন সরকারের ফিল্ম ডিভিশনের পরিচালক ছিলেন আবুল খায়ের,তিনি ছিলেন প্রযোজক। আজকের দিনে এসে যেই ৭ই মার্চের ভাষণ দেখতে পাই তার অনেকখানি অবদান আছে উনার,যার জন্য রইলো বিনম্র শ্রদ্ধা। তবে দর্শকদের কাছে উনার সফল পরিচিতি একজন অভিনেতা হিসেবে,হ্যাঁ সেইদিনেই সেই প্রযোজক আবুল খায়ের ই আমাদের সবার প্রিয় অভিনেতা কিংবদন্তি 'আবুল খায়ের'।
'আবুল খায়ের',চলচ্চিত্র ও নাটকপ্রেমীদের কাছে খুব ই শ্রদ্ধাভাজন নাম। বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশ'তেও ছিলেন অন্যতম অভিনেতা,জহির রায়হানের কাচের দেয়াল,সঙ্গমে অভিনয় করেছেন। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু উনাকে এফডিসির মহাপরিচালক বানিয়েছিলেন। ঋত্বিক ঘটকের তিতাস একটি নদীর নাম থেকে দেলোয়ার জাহান ঝন্টুর শিমুল পারুল সব ছবিতেই ছিল সরব উপস্থিতি। 'দহন' সিনেমায় উনার অসামান্য অভিনয় যে কেউ প্রশংসা করতে বাধ্য,এই ছবিতেই পান প্রথম জাতীয় পুরস্কার,এরপর একে একে রাজলক্ষ্মী শ্রীকান্ত,অন্য জীবন,দুখাই দিয়ে মোট চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। রাজ্জাকের 'জিনের বাদশা'য় করেছিলেন ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা অভিনয়। দীপু নাম্বার টু তে ছিলেন স্কুল শিক্ষক,বিখ্যাত ছবি পদ্মা নদীর মাঝিতে হয়েছিলেন পীতম মাঝি। মূলধারার বেশকিছু ছবিতেই উনাকে দেখা গিয়েছিল।
হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে ছিল উনার অপূর্ব রসায়ন। আগে থেকেই ছিলেন সফল অভিনেতা তবে হুমায়ূন আহমেদের নাটকে অভিনয় করে বেশ জনপ্রিয় হয়েছিলেন। বিশেষ করে নব্বই পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তিনি এইকাজ গুলোর জন্যই বেশি স্মরনীয়। এই জুটির সূচনাটা হয়েছিল 'এইসব দিনরাত্রি'র মধ্য দিয়ে। একজন অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষকের চরিত্রে,যিনি সুখী নীলগঞ্জ করার প্রচেষ্টায় ছিলেন। অনেক বাধা বিঘ্ন এসেছে তবে সেটা কাটিয়ে গড়ে তুলতে ছিলেন বদ্ধ পরিকর। এর ঠিক পরের ধারাবাহিক 'বহুব্রীহি'তে পেলেন পুরো ভিন্ন চরিত্র। গ্রাম থেকে আসা এক দাদার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। অয়োময়তে চিকিৎসক তবে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন কোথাও কেউ নেই তে বাকের ভাইয়ের বিপক্ষে উকিলের চরিত্রে অভিনয় করে। যার কুবুদ্ধিতে বদি মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে রাজি হয়। নক্ষত্রের রাতে অত গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র না পেলেও আজ রবিবারে ছিলেন বাড়ির প্রধান কর্তা হিসেবে,তিতলী- কঙ্কার দাদার চরিত্রে। একক নাটকের মধ্যে জননী,মাটির পিঞ্জিরার মাঝে,নিমফুল,অচিনবৃক্ষ রয়েছে। হুমায়ূন আহমেদের 'শ্রাবণ মেঘের দিন'তেও ছিলেন স্বল্প সময়ের জন্য। এর বাইরে 'শেকড়' নাটকটাও বিশেষ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
'আমি এখন ঔষধ বানামু কি দিয়া',নতুন শতকের শুরুর দিকে ঔষধি গাছের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে জন সচেতনতামূলক বিজ্ঞাপন বানানো হয়েছিল,এতে তিনি কবিরাজের চরিত্রে অভিনয় করে বেশ আলোচিত হন। আমাদের শৈশবের এই বিজ্ঞাপন এখনো অনেকে মনে রেখেছে। এর কিছুদিন পরেই তিনি মারা যান,বিটিভিতে এরপরেও বেশ কিছু বছর প্রচারিত হয়েছিল। ১৯২৯ সালের ৪ই এপ্রিল জন্মগ্রহণ করা এই শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিত্ব ২০০১ সালের আজকের এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন। আজ উনার ২০ তম মৃত্যুবার্ষিকী,রইলো বিনম্র শ্রদ্ধা।
আফসোসের বিষয় এই যে,অভিনেতা হিসেবে তিনি কিংবদন্তির আসনে প্রতিষ্ঠিত,৭ ই মার্চের ভাষণ সংরক্ষনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন,তবুও আজ পর্যন্ত উনাকে একুশে পদকে ভূষিত করা হল না! এখনো যদি কর্তৃপক্ষ এই ব্যাপারে উদ্যেগ না নেন তা হবে হতাশাজনক। দর্শকদের কাছে তিনি উনার কর্মের মধ্য দিয়ে থেকে যাবেন চির অম্লান।
11/01/2024
বিদেশ যাবো পড়াশোনা করতে, উচ্চতর ডিগ্রি আনতে। একথা শুনে বঙ্গবন্ধু বললেন, ‘কী পড়তে যাবি, তাও আবার ইংরাজি পরীক্ষা দিয়া। তার চাইতে বরং এক কাম কর, আমি টুঙ্গিপাড়া যাইতেছি, আরো অনেকে যাইব। তুই থিসিস লিখবি আর আমরা সুপারভাইজ করমু।’
একদিন আমার কাজের লোকের মা মারা গেছে শুনে তিনি আমায় ডেকে নিয়ে বললেন, ‘জানি, তোর মন ভারি কেন; যা দাফন-কাফন কিংবা অন্য উদ্দেশ্যে খরচের টাকা নিয়ে যা।’
এক কথায় বলতে গেলে বঙ্গবন্ধু সাধারণ মানুষ ছিলেন না, তিনি ছিলেন মহাপ্রাণ, যিনি মেসেঞ্জারকে ডাকতেন একসঙ্গে খেতে। আসতে-যেতে নিয়মিত নিম্নশ্রেণীর কর্মচারীদের নাম ধরে কাছে ডেকে এনে তাদের ভালো-মন্দের খবর নিতেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ এই বাঙালি, আমাদের জাতির পিতা।
__ড. ফরাসউদ্দিন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Khulna
9100