A.R Rashid Chowdhury Harun
Senior Business Analyst | dozseolabit
✅ Are you looking for facebook ads agency Campaign Managers who can manage and run ads campaign in the most efficient and cost-effective way? We are an Expert & Professional Facebook Ad Agency & Management service provider. Facebook advertising is one of the best methods for businesses to get cost-effective, immediate results. If you would like our monthly Facebook ads monthly packages then contact us. We are here 24/7 online!
21/06/2022
ওয়েব হোস্টিং কি/What is Web Hosting.
ডোমেইন নেম কি ?
ডোমেইন হলো একটি নাম। আপনার একটি নাম আছে যেই নাম টি ধরে আপনাকে সবাই ডাকে ঠিক একই ভাবে ওয়েবসাইট এর ও একটি নাম থাকে এই নাম টি কেই বলা হই ডোমেইন।
ওয়েব হোস্টিং কি ?
এক কথায় বলতে গেলে ওয়েব হোস্টিং হচ্ছে একটি জায়গা যেখানে ওয়েবসাইট টি রাখা হয়। আরেকটু যদি বলি ওয়েব হোস্টিং এর ধারণা আপনি জিনিষ ধাপে ধাপে নিতে হলে বুঝতে সহজ হয়. একটি ওয়েবসাইট একটি কম্পিউটারে সংরক্ষণ করা হয়, যে প্রায় একই ভাবে আপনার ব্যক্তিগত ফাইল আপনার বাড়িতে কম্পিউটারে সংরক্ষণ করা হয়; কেবল বড় বড় পার্থক্য হল, একটি “ওয়েবসাইট স্টোরেজ কম্পিউটার” এটি দ্রুত এবং সহজে দর্শকদের ওয়েবসাইট প্রদর্শন করতে পারেন, যাতে একটি অত্যন্ত দ্রুত নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করা হয়. ঘর ওয়েবসাইট “সার্ভার হিসাবে পরিচিত হয়, যা কম্পিউটার” (তারা দর্শকদের তথ্য পরিবেশন কারণ), এবং যারা বজায় রাখে সার্ভার, যা কোম্পানির একটি “হোস্ট বলা হয়” এটি সাধারণত বিভিন্ন সাইট এবং সার্ভারের জন্য একটি বাড়িতে থেকে.
অবশ্যই, ওয়েব সার্ভার এছাড়াও রক্ষা করা প্রয়োজন, সফ্টওয়্যার ইনস্টল ও আপডেট করা হবে, ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করা আছে, অনুকূল, সুরক্ষিত ও monitor করা, এবং ক্লায়েন্ট হিসাবে প্রয়োজন সাহায্য করা হবে. তাই ওয়েব হোস্টিং শুধুমাত্র ঘর ওয়েবসাইটের কম্পিউটার প্রদান সঙ্গে যুক্ত নয়; এটি যারা অন্যান্য প্রযুক্তিগত এবং সমর্থন ফাংশন সমস্ত জড়িত থাকে.
এটি একটি ওয়েব হোস্ট এর সাহায্য ছাড়া আপনার বাড়িতে বা অফিসে থেকে একটি ওয়েবসাইট হোস্ট করার জন্য অবশ্যই সম্ভব. কিন্তু, এটি একটি কিছুটা জটিল প্রক্রিয়া এবং ওয়েবসাইট উপলব্ধ থাকবে তা নিশ্চিত করার জন্য সারাক্ষণ মনোযোগ প্রয়োজন, এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে ওয়েবসাইট এর গতি ও কর্মক্ষমতা একটি webhost এর সার্ভার উপর অবস্থিত এক যে আসা বন্ধ হবে না. তজ্জন্য, প্রায় ওয়েবসাইটের সাথে সব ব্যক্তি ও ব্যবসার ওয়েব হোস্টিং সেবা ব্যবহার.
বিভিন্ন ধরনের হোস্টিং:
বিনামূল্যে হোস্টিং করা (Free Hosting)
কিছু হোস্টিং কোম্পানি আছে যারা ফ্রি তে আপনাকে হোস্টিং ব্যবহার করতে দিবে। কিন্তু কিছু সীমাবদ্ধতা আছে যেমন Bandwidth/Monthly Traffic খুব কম থাকে।নিরাপত্তা শক্ত হয়না। কোন ডোমেইন নামও পাবেননা।
শেয়ারড হোস্টিং (Shared Hosting)
এই হোস্টিং সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং প্রচলিত। আমরা যে হোস্টিং গুলো ব্যাবহার করছি বা সাধারনত হোস্টিং প্রোভাইডাররা যে হোস্টিং অফার করে থাকে তা সবই শেয়ারড হোস্টিং। প্রফেশনাল বা কোন বড় সাইটের একটা স্বয়ংসম্পূর্ন সার্ভারের নির্দিষ্ট পরিমান সার্ভিস দরকার। এই সমস্ত সুবিধা নিজস্ব সার্ভারে নিয়ে আসতে গেলে বেশ ব্যায়বহুল হয়ে যায়। এদের জন্য Shared Hosting উপযুক্ত। এই সার্ভারের নিরাপত্তা কম থাকে কারন এখানে একসাথে অনেক Client এর সাইট(১০ থেকে শুরু করে আরও বেশি) একসাথে থাকে। এছাড়া আনলিমিটেড ডেটাবেস, ইমেইল, ব্যান্ডওয়াইডথ এসব পাবেননা, সব সীমিত। খুব ভাল হোস্টিং প্রোভাইডারের কাছে হোস্টিং করালে শেয়ারড হোস্টিং প্যাকেজে সর্বোচ্চ নিচের সুবিধা গুলি পেতে পারেন।
রিসেলার হোস্টিং:
এই হোস্টিং মূলত আপনি অন্যদের আপনার স্থান কিছু জিনিস কিনে বিক্রি করে দেওয়া নির্মিত একটি ভার্চুয়াল হোস্টিং অ্যাকাউন্ট. সাধারণত হোস্টিং সরঞ্জাম প্রদান রিসেলার প্রস্তাব কোম্পানি আপনার নিজের “হোস্টিং কোম্পানি হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করার জন্য এটি সহজ করতে,” অনলাইন সিস্টেম সহ সেট আপ করুন এবং সার্ভারে প্রতিটি ক্লায়েন্ট এর অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতে, আপনার নিজের নাম আপনার বিল ক্লায়েন্ট, এবং এটি আপনি সত্যিই তাদের হোস্ট হয় প্রদর্শিত করা.
ডেডিকেটেড হোস্টিং (Dedicated Hosting)
এই হোস্টিং এর জন্য ডেডিকেটেড সার্ভার প্রয়োজন। এটা অনেক ব্যায়বহুল। যদি আপনার ওয়েবসাইট অনেক অনেক বড় হয় এবং শক্ত নিরাপত্তা দরকার তখন এই হোস্টিং করা চলে। এখানে আপনি আপনার খরচ পরিমান হার্ডওয়্যার পাবেন। যত ব্যাস্ত সাইট হবে তত বেশি পাওয়ারফুল হার্ডওয়্যার লাগবে। এই হোস্টিং ২ প্রকার
Managed Hosting: হোস্টিং প্রোভাইডাররাই সব করে দেবে যেমন নিরাপত্তা, সার্ভার সেটাপ, নেটওয়ার্ক কনফিগার, কোন সফটওয়ার ইনস্টল দেয়া ইত্যাদি এজন্য তাদেরকে নির্দিষ্ট পরিমান টাকা দিতে হবে।
Unmanaged Hosting: আপনি যদি Server administrator হন অর্থ্যাৎ আপনি যদি নিজেই আপনার এই ওয়েব সার্ভারের সকল কাজ করে নিতে পারেন তাহলে এটা হবে Unmanaged Hosting. এতে আপনার অনেক অর্থ সেভ হবে। সার্ভার ম্যানেজ করা শেখা যায়। ওয়েবে হাজারটা টিউটোরিয়াল আছে ইচ্ছে করলে শিখে নিজের কাজ নিজেই চালাতে পারেন।
ভিপিএস বা VPS (Vertual Private Server) হোস্টিং:
শেয়ারড আর ডেডিকেটেড হোস্টিং এর মাঝামাঝি হল ভিপিএস হোস্টিং। ডেডিকেটেড সার্ভারে সব হার্ডওয়্যার রিসোর্স একা আপনাকে দিয়ে দিবে এবং আপনার সাইট একটি সার্ভারে থাকবে। আর শেয়ারড হোস্টিং এ আপনার সাইটের সাথে থাকবে আরো হাজারটা সাইট। বিস্তারিত উপরেই আছে। ভিপিএস হোস্টিং এ সাধারনত একটা ডেডিকেটেড সার্ভার কয়েকজনকে ভাগ করে দেয়। যেমন ১৬ জিবি র্যামের একটা সার্ভার আপনাকে দিল ৪ জিবি এবং বাকিগুলি আরো ৩ জনকে দিল এভাবে সব রিসোর্স ভাগ/সীমাবদ্ধ করে দেয়। ডেডিকেটেড সার্ভারের মতই মোটামুটি নিজের মত যেকোন সফটওয়্যার ইনস্টল দেয়া যায়। সাধারনত তখন এরুপ হোস্টিং প্যাকেজ নিবেন যখন একটা ডেডিকেটেড সার্ভারের সব রিসোর্স আপনার লাগবেনা, তাহলে কাজও হল কিছু অর্থ সেভ হল।
19/06/2022
এসইও (SEO) কি এবং কিভাবে নতুন ওয়েবসাইটের জন্যে এসইও করতে হয় ?
এসইও অর্থাৎ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শব্দটার সাথে ডিজিটাল মার্কেটিং এ যুক্ত সবাই মোটামোটিভাবে পরিচিত। মজ এর মতে “এসইও অর্থ সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন, যা ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটে ট্র্যাফিকের পরিমাণ এবং গুণগত মান বৃদ্ধি করবে” । তো আজকে আমরা আলোচনা করবো, এসইও কি এবং কিভাবে নতুন ওয়েবসাইটের জন্যে এসইও করতে হয়।
এসইও কি? ( What is SEO?)
এসইও হল যে পদ্ধতিতে আপনার ওয়েবসাইটের পেজকে একটা নির্দিষ্ট কি-ওয়ার্ড এর ভিত্তিতে সার্চের মাধ্যমে গুগল, ইয়াহু, বিং সহ অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে প্রথম পর্যায়ে অবস্থান করানো হয়। কিন্তু বর্তমানে বেশিরভাগ অনলাইন মার্কেটগুলো গুগোল সার্চ রেজাল্টের অসাধারণ কিছু অ্যালগোরিদম এর জন্য গুগল সার্চ ইঞ্জিন কে টার্গেট করে এসইও করে থাকে। কারণ বর্তমানে গুগলেই সব থেকে বেশি সার্চ করা হয়। অর্থাৎ সহজ ভাষায় বলতে গেলে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও হল, সার্চ ইঞ্জিনের অপটিমাইজেশন এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট কে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পৃষ্ঠায় আনার জন্য একটা প্রযুক্তিগত কৌশল।
( ইমেজসহ উদাহর)
সার্চ ইঞ্জিন কি?
সহজ ভাষায় বলতে গেলে সার্চ ইঞ্জিন হলো ইন্টারনেট কিবোর্ডের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ভাবে কোনো কিছু খোঁজার যেখানে কোনো কিছু লিখে সার্চ দিলেই আমরা নির্দিষ্ট কোন উত্তর বা তথ্য পেয়ে যাই। যেমন গুগলে যেকোনো প্রয়জনে আমরা কিছু সার্চ করি। এখন প্রশ্ন থাকতেই পারে সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে?
আপনার যেকোনো ওয়েবসাইটের প্রত্যেকটি পেজ ভিজিট করার মাধ্যমে সকল প্রকার ডাটাবেজ গুগল সার্চ ইঞ্জিন রোবট তাদের ডাটাবেজে সেভ করে রাখে এবং পরবর্তীকালে যখন সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করা হয় তখন ইনডেক্সড ডাটা থেকে রেজাল্ট গুলো আমাদের সামনে চলে আসে। আপনার ওয়েবসাইট যতটা এসিও ফ্রেন্ডলি করবেন সার্চ রেজাল্টে ততটাই সবথেকে উপরে আসার সম্ভাবনা বেশি থাকে। যখন কোন মানুষ সার্চ ইঞ্জিনে নির্দিষ্ট কি-ওয়ার্ডের মাধ্যমে সার্চ করে থাকে তখন যে রেজাল্ট আসে সেখান থেকে সবথেকে প্রথমে ও উপরে আসার কারণ হলো তার ওয়েবসাইটের কনটেন্ট এর মান অনেক সুন্দর সাজানো গোছানো এবং সর্বপরি এসিও ফ্রেন্ডলি করা। এবং সব থেকে ভাল মানের কনটেন্ট গুলোকেই সবথেকে উপরে দেখায় এভাবে আস্তে আস্তে নিচের দিকে বা পরবর্তী পেজে দেখাতে থাকে।
আর আপনার নিজের ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় আনতে হলে এই এই সম্পর্কে ভালভাবে জানতে হবে। প্রথমেই জানতে হবে এসইও কত প্রকার ও কি কি? আমরা সাধারণত জানি SEO দুই প্রকার।
অন পেজ এসইও
অফ পেজ এসইও
তবে সঠিক ভাবে এসইও যে দুই প্রকার আছে তা হলঃ
অর্গানিক এসইও
পেইড এসইও
এবং এই অর্গানিক এসইও এর মধ্যেই আছে-
অন পেজ এসইও
অফ পেজ এসইও
অর্গানিক এসইও এবং পেইড এসইও কি?
অর্গানিক এসইও বলতে বুঝায় সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর সকল রকম নিয়ম আপনি যদি সুন্দর ভাবে অনুসরণ করেন তাহলে আপনার ওয়েবসাইটের পেজটা সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় দেখা যাবে। এবং পেইড এসইও ও বলতে বোঝায় আপনি গুগল কোম্পানি কে পেইড করবেন এবং আপনার পেজকে স্বাভাবিক সার্চ রেজাল্টের প্রথমে দেখাবে। আমরা অনেক সময় সার্চ করার পরে কিছু কিছু ওয়েবসাইটকে প্রথমে পাই যেগুলোর পাশে এড (Ad) লেখা থাকে এগুলো মূলত পেইড এসইও।
অন পেজ এসইও এবং অফ পেজ এসইও কি ?
অন পেজ এসইও তে আপনার ওয়েবসাইটকে সম্পূর্ণভাবে তৈরি করার জন্য যা কিছু প্রয়োজন হয় সবটুকুই এই অনপেজ এসইও এর মাধ্যমে করানো হয়। এবং অফ পেজ এসইও হল মূলত একটা মার্কেটিং অর্থাৎ আপনার ওয়েবসাইটকে সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য যে পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় সেটাই মূলত অফ পেজ এসইও।
এসইও করার ভিতরে দুইটা সেক্টর আছেঃ
হোয়াইট হ্যাট এসইও
ব্ল্যাক হ্যাট এসইও
হোয়াইট হ্যাট এসইও বলতে বোঝায় আপনার ওয়েবসাইটের জন্য গুগল নির্দেশিত গাইডলাইন কাজে লাগিয়ে আপনার ওয়েবসাইটটিকে র্যাংকের জন্য যেই নিয়ম অনুসরণ করবেন । অর্থাৎ এসইওর সকল সঠিক নিয়ম অনুসরণ করাই মূলত হোয়াইট হ্যাট এসইও। এবং ব্ল্যাক হ্যাট এসইও হচ্ছে আপনি এসইওর সকল নিয়ম ভঙ্গ করে যেভাবে র্যাংক বৃদ্ধি করবেন ওটাই মূলত ব্ল্যাক হ্যাট এসইও। তবে বর্তমানে গুগলের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর জন্য ব্ল্যাক হ্যাট এসইও ঠিকভাবে কার্যকর হয়না। এজন্য সবাই হোয়াইট হ্যাট এসইও অনুসরণ করে।
কিভাবে নতুন ওয়েবসাইটের জন্যে এসইও করতে হয়?
আসলে কিভাবে ওয়েবসাইট এসইও করা যায় তা একটি লেখায় শেষ করা সম্ভব নয়। আপনার ওয়েব সাইটের জন্যে কিভাবে এসিও করবেন এ ব্যাপারে বিনামূল্যে পরমর্শ নিতে পারেন আমাদের কাছ থেকে ( লিংক)। বর্তমান তথ্য নিয়ম অনুসরণ করে আপনার ওয়েবসাইটকে পরিচালনা করায় মূলত এসইও। প্রতিনিয়ত ও এসইও এর বিভিন্ন সময়ের আপডেট ও পরিবর্তন অনুসরণ করতে হবে। তবে কিছু বেসিক সেটিংস এর মাধ্যমে এসইও কাজ মূলত শুরু করা হয়।
বেসিক এসইও সেটিংসঃ
প্রথমে আপনার ওয়েবসাইটটিকে গুগোল সার্চ কনসোলে সাবমিট বা এড করে নিতে হবে।
তারপর বিং ওয়েবমাস্টার টুল ব্লগ সাবমিট করবেন।
গুগল এনালাইটিক্স অ্যাকাউন্ট তৈরি করবেন এবং সেখানে আপনার ওয়েবসাইটটি ভেরিফিকেশন করে নিবেন।
আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস ইউজার হয়ে থাকেন তাহলে আপনার ওয়েবসাইটে Yoast SEO নামে একটি প্লাগিন ইন্সটল করে নিতে হবে।
কিওয়ার্ড রিসার্চঃ
কিওয়ার্ড রিসার্
আপনি আপনার ওয়েব সাইটের ধরন সিলেক্ট এর মাধ্যমে আপনার নিশ প্রোডাক্ট সিলেক্ট করেন নিন এবং কিওয়ার্ড নির্বাচন করুন।
দীর্ঘ কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করলে ভালো হবে।
আপনি এর জন্য গুগল কিওয়ার্ড প্ল্যানার সাহায্য নিতে পারেন।
বিভিন্ন অনলাইন সাইট থেকে আপনার কম্পিটিটরদের যাচাই এর মাধ্যমে আপনি কিওয়ার্ড যাচাই করে নিবেন।
আপনি চাইলে অভিজ্ঞদের মাধ্যমে এই রিসার্স করে নিতে পারেন।
অনপেজ এসইওঃ
সব সময় চেষ্টা করবেন আপনার পোষ্টের ইউআরএল যেন ছোট হয়।
ইউআরএল এর ভেতরে আপনার কিওয়ার্ড ব্যাবহার করবেন।
টাইটেল এ অবশ্যই কিওয়ার্ড ব্যবহার করবেন এবং h1 h2 h3 ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন।
আপনার কনটেন্ট ইমেজ অপটিমিজেশন করে নিবেন এবং প্রয়োজনীয় এক্সটারনাল বা ইন্টারনাল লিংক যুক্ত করে নিবেন।
টেকনিক্যাল এসইওঃ
গুগোল সার্চ কনসোলের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের Crawl Errors সনাক্ত করে নিবেন।
গুগোল আপনার ওয়েবসাইটটিকে কিভাবে দেখছে সেটা অবশ্যই ফাইন্ড আউট করে নিবেন।
আপনার ওয়েবসাইটটিকে অবশ্যই রেস্পন্সিভ এবং মোবাইল ফ্রেন্ডলি করে নিবেন।
ব্রোকেন লিঙ্ক থাকলে সেগুলো ঠিক করে নিবেন।
আর্টিকেল লেখার পদ্ধতিঃ
আপনাকে অবশ্যই কোয়ালিটি কনটেন্ট তৈরি করতে হবে কারণ আপনাকে জানতে হবে কনটেন্ট ইজ কিং (Content is King)।
আপনার কনটেন্ট সম্পূর্ণভাবে বড় করে লিখুন এবং সহজে বোধগম্য ভাষা ব্যবহার করুন।
প্রয়োজনে কনটেন্ট এর ভিতরে ইমেজ বা ভিডিও যুক্ত করতে পারেন।
ব্যাকলিংক তৈরি করুনঃ
ব্যাক লিঙ্ক টা মূলত আপনার ওয়েবসাইটের প্রচার বা প্রচারণার জন্যই ব্যবহার করা হয়,
আপনাকে অবশ্যই গেস্ট পোস্ট ব্যবহার করতে হবে ব্যাকলিংক করার জন্য।
আপনার কম্পিটিটরদের ব্যাক লিঙ্ক যাচাই করে নিবেন।
ফোরাম পোস্টিং করতে পারেন এবং এখানে অনেক সমস্যার সমাধান করতে পারেন।
বিভিন্ন ব্লগের কমেন্ট সেকশনে ও আপনি আপনার ওয়েবসাইট টা লিঙ্ক পুশ করুন।
লিস্টিং বা ডিরেক্টরি তে আপনার কন্টেন্ট এড করতে পারেন।
সর্বশেষ যেটা বলব সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও এটা কিভাবে কাজ এর পরিপূর্ণ সমাধান বা শেষ নেই। কারণ বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তিতে গুগোল বা বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন প্রতিনিয়ত তাদের অ্যালগোরিদম আপডেট করে যাচ্ছে। এজন্য আপনার দরকার প্রতিনিয়ত আপডেট গুলো খোজ রাখা। এবং সেভাবে আপনার ওয়েবসাইটটা পরিচালনা করা এবং ভাল কনটেন্ট ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি সার্চ র্যাঙ্কের প্রথম পেজে অবস্থান করতে পারবেন। এছাড়া প্রয়োজনে IMBD Agency এর মাধ্যমেও আপনি এসইও বা আপনার নতুন ওয়েবসাইটের এসইও করার জন্য যেকোনো সাহায্য পাবেন। আপনার কোনো মন্তব্য থাকলে সেটা কমেন্টে আমাদের অবশ্যই জানাবেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Jessore
7410
Opening Hours
| Monday | 04:00 - 22:00 |
| Tuesday | 04:00 - 22:00 |
| Wednesday | 04:00 - 22:00 |
| Thursday | 04:00 - 22:00 |
| Saturday | 04:00 - 22:00 |
| Sunday | 04:00 - 22:45 |